আঞ্জুমান-ই-উলামা-ই-বাঙ্গালা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আঞ্জুমান-ই-উলামা-ই-বাঙ্গালা
গঠিত১৯১৩
বিলুপ্ত১৯২১
আইনি অবস্থাধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক সংগঠন
উদ্দেশ্যইসলামি শিক্ষার প্রসার
সদর দপ্তরকলকাতা
যে অঞ্চলে কাজ করে
ব্রিটিশ ভারতের বাংলা ও আসাম

আঞ্জুমান-ই-উলামা-ই-বাঙ্গালা ছিল আলেমদের একটি সংগঠন। ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে এটি কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয়।[১]

প্রতিষ্ঠা[সম্পাদনা]

আঞ্জুমান-ই-উলামা-ই-বাঙ্গালা ইসলাম প্রচার, মুসলিমদের বিরুদ্ধে অন্য ধর্ম প্রচারকদের বৈরিতামূলক প্রচারণা মোকাবেলা, কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে মুসলিম সমাজের সংস্কারের উদ্দেশ্যে গঠিত হয়। মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী, মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ, মাওলানা মুহম্মদ আবদুল্লাহিল বাকী ও ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।[১]

পত্রিকা[সম্পাদনা]

আঞ্জুমান নিজস্ব প্রচার মাধ্যম হিসেবে আল-এসলাম (১৯১৫-১৯২১) নামক পত্রিকা প্রকাশ করে।[১]

কার্যক্রম[সম্পাদনা]

এই সংগঠন ১৯২১ সাল পর্যন্ত স্বনামে কার্যকর ছিল। এরপর তা জামিয়াত-উল-উলামা-ই-বাঙ্গালার সাথে একীভূত হয়। আঞ্জুমান বাংলা ও আসামে তাদের কার্যক্রম চালায়। ভিন্ন সংস্কৃতিতে প্রভাবিত হয়ে পড়া মুসলিমদেরকে শিরক ও বিদাত থেকে মুক্ত থাকার শিক্ষা প্রদান করা হয়। সংগঠনের সদস্যরা মক্তব, মাদ্রাসা নির্মাণ করেন ও তহবিল গঠন করেন। চট্টগ্রামে আরবি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন তাদের আকাঙ্খা ছিল কিন্তু তহবিলের কারণে তা সম্ভব হয়নি।[১]

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড[সম্পাদনা]

খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলনে আঞ্জুমান অংশ নেয়। আঞ্জুমান হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের পক্ষপাতী ছিল। স্বদেশী পণ্যের বিক্রির জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে কলকাতায় স্বদেশী খিলাফত স্টোর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।[১]

সমাপ্তি[সম্পাদনা]

দীর্ঘদিন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার পর ১৯২১ সালে আঞ্জুমানের কার্যক্রম বন্ধ হয় এবং তা জামিয়াত-উল-উলামা-ই-হিন্দের বাংলার শাখা জামিয়াত-উল-উলামা-ই-বাঙ্গালার সাথে একীভূত হয়।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]