বাঁধন
গঠিত | ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৭[১] নেতৃস্থানীয় মানবিক সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম। ‘একের রক্ত অন্যের জীবন, রক্তই হোক আত্মার বাঁধন’ মূলমন্ত্রে স্বেচ্ছায় রক্তদানকে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপান্তরের লক্ষ্যে ১৯৯৮ সালে[২] |
---|---|
ধরন | মানবিক সাহায্য সংস্থা |
উদ্দেশ্য | বিনামূল্যে রক্তদান |
সদরদপ্তর | ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা |
বর্তমান দ্বায়িত্বশীল | সভাপতিঃ মোঃ শামীম গাজী সাধারণ সম্পাদকঃ শাকিল আহমেদ |
স্বেচ্ছাকর্মী | ৬৪ হাজার |
ওয়েবসাইট | https://badhan.org/ |
বাঁধন বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হল থেকে যাত্রা শুরু করে বাঁধন। বর্তমানে দেশের ৫৫টি জেলায় ৮৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ১২টি জোন, ১৪২টি ইউনিট ও ৪টি পরিবারের মাধ্যমে বাঁধন স্বেচ্ছাসেবী এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। রক্ত সঞ্চালনের ক্ষেত্রে অন্যদের থেকে ভিন্ন, বাঁধন তার নিজস্ব গতিতে এব আবেগের সাথে কাজ করে। এই সংস্থার স্বপ্ন হল এমন একটি সমাজ তৈরি করা যেখানে হাজার হাজার স্নাতক/স্নাতকোত্তর স্তরের শিক্ষার্থীরা রোগীদের জন্য অবিলম্বে রক্ত দান করতে এবং এভাবে হাজার হাজার বিপন্ন জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করতে 'সর্বদা নির্দ্বিধায় তৈরি' থাকবে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজস্ব চেতনা ও আদর্শ নিয়ে কাজ করছে।
এ সংস্থার নিজস্ব এ্যাপ রয়েছে । বাঁধন অ্যাপে দেশের ৫৮টি জেলা থেকে ইতিমধ্যে প্রায় ৬৪ হাজার রক্তদাতার তথ্য যুক্ত হয়েছে। প্রতিদিন এ সংখ্যা বাড়ছে। রক্তদানে আগ্রহী এই ৬৪ হাজার রক্তদাতার সবাই বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থী। [৩]
এটি সম্পূর্ণরূপে অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক, অ-আঞ্চলিক, অ-জাতিগত, ধর্মনিরপেক্ষ এবং স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন।
স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন বাঁধন গত সাতাশ বছরে প্রায় ১১.৪৬ লক্ষ বিশুদ্ধ রক্তের সরবরাহ করেছে। একই সাথে ২৪.৩৬ লক্ষ মানুষ কে বিনামূল্য রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করে দিতে সক্ষম হয়েছে।
উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য
[সম্পাদনা]স্বেচ্ছায় রক্তদান, স্বেচ্ছায় রক্তদান এবং অন্যান্য সেবা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে একটি সুস্থ সমাজ গঠনে সামাজিক আন্দোলন শুরু করা।
কর্মসূচী
[সম্পাদনা]বাংলাদেশের ছাত্র এবং তরুণ প্রজন্মকে স্বেচ্ছায় রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করা। বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা। রোগীদের জন্য স্বেচ্ছায় রক্তদান। স্বেচ্ছায় রক্তদানের জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা এবং সেবা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া। প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট দুর্যোগ কাটিয়ে উঠতে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মসূচি গ্রহণ করা।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ রুবেল, সিরাজুল ইসলাম (২০২২-১০-২৪)। "স্বেচ্ছায় রক্তদান: ২৫ বছর ধরে মানুষের পাশে 'বাঁধন'"। The Daily Star Bangla (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২৪-০৩-০৭।
- ↑ "Home :: Dhaka University"। www.du.ac.bd। সংগ্রহের তারিখ ২০২৪-০৩-০৭।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (২০২৩-১১-০৯)। "সহজেই রক্ত মিলবে 'বাঁধন' অ্যাপে"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০২৪-০৩-০৭।