পাগলা চণ্ডী রেলওয়ে স্টেশন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
Indian Railways Suburban Railway Logo.svg
পাগলা চণ্ডী
যাত্রীবাহী ট্রেন স্টেশন
অবস্থানগোবিন্দপুর, নদিয়া, পশ্চিমবঙ্গ
ভারত
স্থানাঙ্ক২৩°৪৩′৫৮″ উত্তর ৮৮°১৮′১৯″ পূর্ব / ২৩.৭৩২৯° উত্তর ৮৮.৩০৫৪° পূর্ব / 23.7329; 88.3054
উচ্চতা১৮ মি
মালিকানাধীনভারতীয় রেল
পরিচালিতপূর্ব রেল
লাইনকৃষ্ণনগর- লালগোলা লাইন
প্ল্যাটফর্ম
রেলপথ
নির্মাণ
গঠনের ধরনভূমিগত স্টেশন
পার্কিংনেই
সাইকেলের সুবিধানেই
প্রতিবন্ধী প্রবেশাধিকারনেই
অন্য তথ্য
অবস্থাসক্রিয়
স্টেশন কোডপিসিএক্স
অঞ্চল পূর্ব রেল
বিভাগ শিয়ালদহ
ইতিহাস
চালু১৯০৫
বৈদ্যুতীকরণ২০১০
পরিষেবা
পূর্ববর্তী স্টেশন   ভারতীয় রেলওয়ে   পরবর্তী স্টেশন
Eastern Railway zone
অবস্থান
পাগলা চণ্ডী ভারত-এ অবস্থিত
পাগলা চণ্ডী
Indian Railways Suburban Railway Logo.svg
পাগলা চণ্ডী
ভারতে অবস্থান
পাগলা চণ্ডী পশ্চিমবঙ্গ-এ অবস্থিত
পাগলা চণ্ডী
Indian Railways Suburban Railway Logo.svg
পাগলা চণ্ডী
ভারতে অবস্থান

পাগলা চণ্ডী রেলওয়ে স্টেশন পূর্ব রেলওয়ে অঞ্চলের শিয়ালদহ রেল বিভাগের কৃষ্ণনগর-লালগোলা রেলপথের একটি রেলওয়ে স্টেশন। এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগর-লালগোলা লাইনের গোবিন্দপুরে জাতীয় হাইওয়ে ৩৪ এর নিকট অবস্থিত। পশ্চিমবঙ্গের নদী "পাগলা চন্ডীর" নামে স্টেশনটির নামকরণ করা হয়েছিল।[১] শিয়ালদা এবং দেবগ্রামের দূরত্ব ১৮৪ কিলোমিটার।[২] কয়েকটি বৈদ্যুতিক একাধিক পরিবহন (ইএমইউ) এবং লালগোলা যাত্রীবাহী ট্রেন পাগলা চণ্ডী রেলওয়ে স্টেশনে চলাচল করে।[৩]

অবস্থান[সম্পাদনা]

পাগলা চণ্ডী রেলওয়ে স্টেশন নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগর-লালগোলা লাইনের গোবিন্দপুরে জাতীয় হাইওয়ে ৩৪ এর নিকট অবস্থিত। এই স্টেশন থেকে পরবর্তী স্টেশন হল - দেবগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন এবং পূর্ববর্তী স্টেশন হল পলাশী রেলওয়ে স্টেশন

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৮৬২ সালে শিয়ালদহ থেকে রানাঘাট পর্যন্ত পূর্ববঙ্গ রেলপথের মূল লাইনটি নির্মাণ করা হয়েছিল এবং দুই মাসের মধ্যে বর্তমান বাংলাদেশের কুষ্টিয়ায় প্রসারিত হয়। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে রয়েছে এই লাইনের কিছু অংশ। এই রেলপথের ভারতীয় অংশের শিয়ালদহ এবং রানাঘাট স্টেশনের মধ্যে যাত্রী রেল পরিষেবা চালু রয়েছে। একই বছর শিয়ালদহে রেলওয়ের কলকাতা টার্মিনাস চালু করা হয়েছিল। শিয়ালদহ-রানাঘাট-গেদে লাইন ছিল কলকাতা-শিলিগুড়ি মেইন লাইনের অংশ। ১৯৪৭ সালে, দেশ (ভারত) ভাগের পরে, মূল লাইনটি ভাগ হয়ে যায় এবং পশ্চিমবঙ্গে যা থেকে যায় তা গেদে শাখার লাইন হিসাবে গঠন করা হয়েছিল।[৪][৪][৫]

১৯০৫ সালে রানাঘাট-লালগোলা শাখা লাইন (বর্তমানে কখনও মেন লাইন নামে পরিচিত) চালু করা হয়েছিল।[৬]

পরিকাঠাম[সম্পাদনা]

স্টেশনটির পরিকাঠাম ভূমিগত। এই স্টেশনে ২ টি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মগুলি ফুট ওভার ব্রিজের মাধ্যমে সংযুক্ত রয়েছে। বাহাদুরপুর রেলওয়ে স্টেশনে ২ টি রেললাইন বা রেলট্র্যাক রয়েছে। স্টেশনে স্টেশন পরিচালনার জন্য ভবন ও স্টেশন মাষ্টারে ভবন ১ নং প্ল্যাটফর্মের সঙ্গেই অবস্থিত। যাত্রীদের রেল ভ্রমণের জন্য টিকিট স্টেশনের টিকিট ঘর থেকে প্রদান করা হয়। স্টেশনে যাত্রী সুবিধার জন্য বসার আসন, প্ল্যাটফর্ম ছাউনি, পানীয় জল এর ব্যবস্থা রয়েছে। স্টেশনে গাড়ি রাখার ব্যবস্থা নেই।

পাগলা চণ্ডী রেলওয়ে স্টেশন ব্যাগ বা যাত্রীদের দ্বারা বহন করা জিনিসপত্রের পরীক্ষায় ব্যবস্থা নেই।

বৈদ্যুতীকরণ[সম্পাদনা]

২০১০ সালে ১২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ কৃষ্ণনগর - লালগোলা প্রসারিত অঞ্চলটি সহ পাগলা চণ্ডী রেলওয়ে স্টেশন বৈদ্যুতিক একাধিক পরিবহন ইএমইউ পরিষেবার জন্য বৈদ্যুতীকরণ করা হয়েছিল।[৭][৮][৯] তারপর থেকে পাগলা চণ্ডী রেলওয়ে স্টেশনের রেলপথে বৈদ্যুতীক ট্রেন চলাচল করে।

রেল পরিষেবা[সম্পাদনা]

এই স্টেশনটি স্টেশনের পার্শ্ববর্তী এলাকায় রেল পরিষেবা প্রদান করে থাকে। এই স্টেশনের দ্বারা শিয়ালদহ এবং কৃষ্ণনগর ও লালগোলাগামী ট্রেন চলাচল করে। প্রতিদিন এই স্টেশনে কলকাতা শহরতলি রেলের লোকাল ট্রেনগুলি ট্রেন যাত্রী পরিষেবা প্রদান করে থাকে।

প্রশাসন ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

পাগলা চণ্ডী রেলওয়ে স্টেশনটি ভারতীয় রেলের পূর্ব রেল অঞ্চলের শিয়ালদহ রেল বিভাগের অন্তর্গত। স্টেশন পরিচালনার সমস্ত দায়িত্ব স্টেশনের প্রধান "স্টেশন মাষ্টার" - এর উপর ন্যস্ত। এছাড়া স্টেশনের নিরাপত্তার জন্য অস্থায়ী ভাবে ভ্রাম্যমান জিআরপি কর্মী নিযুক্ত রয়েছে এবং স্টেশন চত্বর ও সংলগ্ন এলাকার নিরাপত্তা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন প্রদান করে থাকে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Krishna Gopal। "River Pollution in India and Its Management"। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ১৪, ২০১৮ 
  2. "PCX/Pagla Chandi to SDAH/Sealdah"। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ১৪, ২০১৮ 
  3. "PAGLA CHANDI (PCX) Railway Station"ndtv.com। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ১৪, ২০১৮ 
  4. "The Chronology of Railway development in Eastern Indian"। railindia। ২০১২-০৮-০২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০২-১০ 
  5. J.H.E.Garrett। "Nadia, Bengal District Gazetteers (1910)"IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০২-১০ 
  6. L.S.S.O’Malley। "Murshidabad District (1914)"IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০২-১০ 
  7. "Railway Electrification"। Parinda.com। সেপ্টেম্বর ৭, ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১৫, ২০১৮ 
  8. "The Lalgola Sealdah Section Of Indian (eastern) Railway"। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১৫, ২০১৮ 
  9. "Electrification of different sections of SDAH"। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ২০, ২০১৮