ডানকুনি জংশন রেলওয়ে স্টেশন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ডানকুনি জংশন
কলকাতা শহরতলি রেল স্টেশন
Dankuni railway station.jpg
অবস্থানডানকুনি স্টেশন রোড, স্টেশন পল্লি, ডানকুনি, জেলা. হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ
ভারত
স্থানাঙ্ক২২°৪০′৪২″ উত্তর ৮৮°১৭′২৭″ পূর্ব / ২২.৬৭৮৩° উত্তর ৮৮.২৯০৮° পূর্ব / 22.6783; 88.2908স্থানাঙ্ক: ২২°৪০′৪২″ উত্তর ৮৮°১৭′২৭″ পূর্ব / ২২.৬৭৮৩° উত্তর ৮৮.২৯০৮° পূর্ব / 22.6783; 88.2908
উচ্চতা৭ মিটার (২৩ ফু)
মালিকানাধীনভারতীয় রেল
পরিচালিতEastern Railway
লাইন (সমূহ)হাওড়া-বর্ধমান কর্ড and Calcutta Chord / Dankuni-Sealdah
প্ল্যাটফর্ম
নির্মাণ
গঠনের ধরণআদর্শ (on ground station)
পার্কিংনা
সাইকেলের সুবিধাহ্যাঁ
অন্য তথ্য
অবস্থাসক্রিয়
স্টেশন কোডDKAE
বিভাগ(সমূহ) হাওড়া
ইতিহাস
চালু১৯১৭
বৈদ্যুতীকরণ১৯৬৪-৬৬
আগের নামEast Indian Railway Company
অবস্থান
ডানকুনি জংশন রেলওয়ে স্টেশন পশ্চিমবঙ্গ-এ অবস্থিত
ডানকুনি জংশন রেলওয়ে স্টেশন
Location of Dankuni railway station in West Bengal

ডানকুনি জংশন হল ডানকুনি শহরের প্রধান রেল স্টেশন হল ।এই রেল স্টেশনটি হাওড়া -বর্ধমান (কর্ড লাইন)রেলপথে অবস্থিত। স্টেশনটিতে মোট ৫ টি প্লাটফর্ম রয়েছে। আবার এই শহরটি বালি ঘাট- দক্ষিনেশ্বর স্টেশন বরাবর বিবেকানন্দ সেতু হয়ে শিয়ালদহ স্টেশনের সঙ্গে যুক্ত। ডানকুনি বর্তমানে রেল যোগাযোগের গুরুত্ব পূর্ন স্থান। শিয়ালদ ও হাওড়া দুই প্রধান রেলওয়ে শাখার সাথেই ডানকুনি সুসংযুক্ত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

হাওড়া-বর্ধমান কর্ড, হাওড়া-বর্ধমান মাইন লাইনের তুলনায় হাওড়া থেকে বর্ধমানের একটি ছোট লাইনটি ১৯১৭ সালে নির্মিত হয়েছিল। ১৯৩২ সালে কলকাতার কর্ড লাইনটি নির্মিত হয়েছিল উইলিংডন ব্রিজের উপর, যেটি দমদম ও ডানকুনি শহরকে যুক্ত করেছিল।[১]

বৈদ্যুতিকরন[সম্পাদনা]

হাওড়া-বর্ধমান কর্ড লাইন ১৯৬৪-৬৬ সালে বৈদ্যুতিকরন করা হয়।[২]

ডানকুনি ডিজেল কম্পোনেন্ট ফ্যাক্টরিতে[সম্পাদনা]

ডানকুনিতে ডিজেল কম্পোনেন্ট ফ্যাক্টরিতে ট্রায়ালের উৎপাদন শুরু হয়েছে। [৩] ৮৪.২১ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত ফ্যাক্টরিটি, ২৮ মে ২০১২ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জ্জী উদ্বোধন করেন। ডিজিটাল লোকোমোটিভ ওয়ার্কসে উপাদান দ্রব্য সরবরাহ করা হচ্ছে বর্তমানে।[৪]

ইলেট্রিক লোকাল কম্পোনেন্ট ফ্যাক্টরী[সম্পাদনা]

এর নির্মাণ খরচ ২৭০.৭৭ কোটি টাকা । লোকাল কম্পোনেন্ট ফ্যাক্টরীটি নির্মান কাজ চলছে। [৪]

ডানকুনি মালবাহী ইয়ার্ড[সম্পাদনা]

একটি প্রকল্প ডানকুনি মালের ইয়ার্ডের পুনর্নির্মাণ এবং ডানকুনি মালবাহী ইয়কড হিসাবে এটি নির্মাণের কাজ করছে।এটি একটি বহুমুখি-উদ্দেশ্য মালবাহী টার্মিনাল হবে যা এক জায়গায় সমগ্র মালবাহী রেল একত্রিত হবে।এটি হাওড়া, শিয়ালদহ, শালিমার ও চিৎপুর ইয়ার্ডের চাপ হ্রাস করবে।[৫][৬]

ডেডিকেটেড মালবাহী করিডোর[সম্পাদনা]

১৮৩৯ কিলোমিটার দীর্ঘ পূর্ব ডেডিকেটেড ফ্রেড করিডোর ডানকুনি থেকে লুধিয়ানা পর্যন্ত নির্মানের প্রস্তাবিত হয়েছে।[৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "The Chronology of Railway development in Eastern India"। railindia। ১৬ মার্চ ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০১৩ 
  2. "History of Electrification"। IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০১৩ 
  3. "Highlights of the railway budget 2012-13" (PDF)। Indian Railways। সংগ্রহের তারিখ ৩ মে ২০১৩ 
  4. "Mamata gives shape to promises she made as railway minister"। The Statesman, 28 May 2012। সংগ্রহের তারিখ ৩ মে ২০১৩ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  5. "New freight terminal for Eastern Railway"। The Times of India, 4 August 2004। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০১৩ 
  6. "Freight Sheds and Marshalling Yards"। IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০১৩ 
  7. "Dedicated Freight Corridor Project:Progress and Opportunities" (PDF)। DFC, 6 February 2013। ১২ মে ২০১৩ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০১৩