কুমারখালী উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

স্থানাঙ্ক: ২৩°৫১′১৫″উত্তর ৮৯°১৪′৩০″পূর্ব / ২৩.৮৫৪২° উত্তর ৮৯.২৪১৭° পূর্ব / 23.8542; 89.2417

কুমারখালী উপজেলা
BD Districts LOC bn.svg
Red pog.svg
কুমারখালি
বিভাগ
 - জেলা
খুলনা বিভাগ
 - কুষ্টিয়া জেলা
স্থানাঙ্ক ২৩°৫১′১৫″উত্তর ৮৯°১৪′৩০″পূর্ব / ২৩.৮৫৪২° উত্তর ৮৯.২৪১৭° পূর্ব / 23.8542; 89.2417
আয়তন ২৬৫.৮৯ বর্গকিমি
সময় স্থান বিএসটি (ইউটিসি+৬)
জনসংখ্যা (২০১১)
 - ঘনত্ব
 - শিক্ষার হার
৩,১৫,১৩৮জন[১]
 - 
 - ৬৩.২১%
ওয়েবসাইট: উপজেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট

কুমারখালি বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের এক উল্লেখযোগ্য অংশ এই উপজেলার শিলাইদহ অঞ্চলে কাটিয়েছেন।

অবস্থান[সম্পাদনা]

কুমারখালী উপজেলার পূর্বে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা, পশ্চিমে- কুষ্টিয়া সদর উপজেলা , উত্তরে পাবনা সদর উপজেলা এবং দক্ষিনে- ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলা অবস্থিত।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে কুমারখালি উপজেলা গঠিত। ১। জগন্নাথপুর ইউনিয়ন ২। বাগুলাট ইউনিয়ন ৩। পান্টি ইউনিয়ন ৪। সদকি ইউনিয়ন ৫। চাঁদপুর ইউনিয়ন ৬। চাপড়া ইউনিয়ন ৭। কয়া ইউনিয়ন ৮। নন্দলালপুর ইউনিয়ন ৯। চর সাদিপুর ইউনিয়ন ১০। শিলাইদহ ইউনিয়ন ১১। যদুবয়রা ইউনিয়ন

  • কুমারখালি পৌরসভা

ইতিহাস[সম্পাদনা]

কুমারখালি অনেক পুরনো একটি উপজেলা, গড়াই নদীর কোল ঘেসে এই জেলার অবস্থান। ওপারে হিজলাবট আর এপারে কুমারখালি । যদিও হিজলাবট গড়াই নদিতে বেশির ভাগ ভেঙ্গে গিয়েছে, কুমারখালিও ভেঙ্গেছে কিন্তু তা বেশি বেশি না, হিজলাবট ভাঙ্গার কারনে হিজলাবট থেকে বেশির ভাগ মানুষ কুমারখালি তে চলে আসে।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

কুমারখালিতে বিখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে আর তা হোল , কুমারখালি এম এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুমারখালি বালিকা বিদ্যালয়, কুমারখালি জে এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পান্টি হাইস্কুল . পান্টি কলেজ . কুমারখালি কলেজ .আলাউদ্দীন আহাম্মেদ কলেজ (বাশগ্রাম) এবং খোরশেদপুর প্রতিমা বালিকাo বিদ্যালয় ইত্যাদি ।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

প্রধান শস্য ধান, গম, পাট, আখ.[সম্পাদনা]

ভালো মানের ধান জন্মে যেমন নাজিস চাউল , চরে বিভিন্ন প্রকার ডাল জন্মে যেমন মুগ ডাল , খেসারির ডাল , ও বিভিন্ন প্রকার ফল জন্মে যেমন তরমুচ , বাঙ্গি ইত্যাদি , ও চরে বাদাম লাগানো হয় । আর যেহেতু কুষ্টিয়াতে চিনিকল আছে তাই বেশি বেশি গেন্ডারি লাগানো হয়। এবং প্রচুর পরিমান পাট জন্মে ও প্রচুর পরিমান বিভিন্ন প্রকার সর্ষে জন্মে। অনেক ভালো মানের গবাদি পশু পালন করে এখান কার মানুষ। এসব থেকে বেশির ভাগ অর্থ আসে।

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

  1. বাউল সাধক ফকির লালন সাঁই
  2. কাঙাল হরিনাথ মজুমদার
  3. সাহিত্যিক মীর মোশাররফ হোসেন
  4. বিপ্লবী বাঘা যতীন
  5. আকবর হোসেন (সাহিত্যিক) (কয়া)
  6. মাহাতাব উদ্দীন ওয়ালি (সাহিত্যিক ) কাঞ্চনপুর (শব্দ সৃষ্টি মানব কৃষ্টি)
  7. অধ্যক্ষ মাওলানা মাজেদুর রহমান (সাহিত্যিক ) নিয়ামতবাড়ী (গৃহদর্পন)
  8. মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা: পৈতৃকনিবাস কুমারখালি উপজেলার নিয়ামতবাড়ী গ্রামে।জন্ম- ১৯০৬, মৃত্যু- ১৯৭৭।বাঙ্গালী মুসলিম মহিলাদের মধ্যে প্রথম সনেট ও গদ্য ছন্দে কবিতা লিখেছেন।বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার ১৯৬৭ এবং একুশে পদক ১৯৭৭।
  9. আবু জাফর‚গীতিকার‚ সুরকার ও শিল্পী ।
  10. মাসুদ করিম, গীতিকার
  11. শুভেন্দু বিশ্বাস, বিশ্বখ্যাত হরবোলা শিল্পী
  12. রেদোয়ান উল্লাহ্ হিমেল (কবি, সাহিত্যিক, গবেষক, ভাবুক, চিত্রকার, অভিনেতা, পরিচালক)
  13. গোলাম কিবরিয়া mp
  14. আবুল হোসেন তরুন mp
  15. আব্দুল আওয়াল মিয়া mp
  16. নুরে আলম জিকু mp
  17. বেগম সুলতানা তরুন mp
  18. আবদুর রউফ mp
  19. মো: সামছুজ্জামান অরুন, মেয়র কুমারখালি পেৌরসভা
  20. আব্দুল হান্নান (সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান )
  21. মরহুম আফতাব উদ্দীন আহম্মেদ (সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান.‚ চাদপুর )
  22. আঃ মাননান খান
  23. আবু তালেব(বীর উত্তম)
  24. শরফুদ্দীন আহমেদ(বীর উত্তম)

ধর্ম[সম্পাদনা]

এখানে হিন্দু এবং মুসলিম ধর্মের মানুষ বসবাস করেন। এ ছারাও এখান রয়েছে বেদে পারা ( বাইদানি ) যারা সাপ নিয়ে খেলা দেখায় । জেলে পারা রয়েছে যারা মাছ ধরে । মাঝি পারা রয়েছে যারা নৌকা চালায় । আবার কিছু আছে বৈরাগী যারা গান বাদ্য করে ( বাউল সমাজ )

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে কুমারখালী উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২৭ জানুয়ারী, ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]