জিওফ হাওয়ার্থ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জিওফ হাওয়ার্থ
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামজিওফ্রে ফিলিপ হাওয়ার্থ
জন্ম (1951-03-29) ২৯ মার্চ ১৯৫১ (বয়স ৬৮)
অকল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ ব্রেক
সম্পর্কহ্যাডলি হাওয়ার্থ (ভাই)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৫ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট৪ মে ১৯৮৫ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ওডিআই অভিষেক৮ মার্চ ১৯৭৫ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ ওডিআই২৩ এপ্রিল ১৯৮৫ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৭১-১৯৮৫সারে
১৯৭২-১৯৭৪অকল্যান্ড
১৯৭৪-১৯৮৬নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৪৭ ৭০ ৩৩৮ ২৭৮
রানের সংখ্যা ২,৫৩১ ১,৩৮৪ ১৭,২৯৪ ৫,৯৯৭
ব্যাটিং গড় ৩২.৪৪ ২৩.০৬ ৩১.৯০ ২৩.৯৮
১০০/৫০ ৬/১১ ০/৬ ৩২/৮৮ ২/২৯
সর্বোচ্চ রান ১৪৭ ৭৬ ১৮৩ ১২২
বল করেছে ৬১৪ ৯০ ৮,৫২৫ ৬৮২
উইকেট ১১২ ২৪
বোলিং গড় ৯০.৩৩ ২২.৬৬ ৩২.১০ ২০.২৯
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ১/১৩ ১/৪ ৫/৩২ ৪/১৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২৯/– ১৬/– ২২৯/– ৭৬/–
উৎস: ক্রিকেটআর্কাইভ, ১৯ আগস্ট ২০১৭

জিওফ্রে জিওফ ফিলিপ হাওয়ার্থ, ওবিই (ইংরেজি: Geoff Howarth; জন্ম: ২৯ মার্চ, ১৯৫১) অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী নিউজিল্যান্ডের সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারনিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের পক্ষে তিনি মূলতঃ বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের ইতিহাসে একমাত্র অধিনায়ক হিসেবে আগস্ট, ২০১৭ সাল পর্যন্ত টেস্ট ক্রিকেটএকদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জয়-পরাজয়ের পরিসংখ্যানে ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছেন।

১৯৯০-এর দশকের শুরুতে নিউজিল্যান্ড দলের কোচের দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়াও ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যর্থ সফরেও কোচের দায়িত্ব পান জিওফ হাওয়ার্থ

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

হাওয়ার্থ তার বড় ভাই হ্যাডলি’র সাথে কয়েকটি টেস্ট একত্রে খেলেছেন। কিন্তু অধিকাংশ সময়ই তিনি হ্যাডলি’র তুলনায় নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি।

হাওয়ার্থ তার সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ৪৭ টেস্ট খেলেন। ব্যাটিং গড় ছিল মাত্র ৩২। তন্মধ্যে দলকে ৩০ টেস্টে নেতৃত্ব দেন। মোট ছয়টি টেস্ট সেঞ্চুরির চারটিই অধিনায়কের দায়িত্ব ছাড়াই করেছেন। অধিনায়ক হিসেবে তার প্রথম টেস্ট সিরিজটি ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। প্রথম টেস্টে ১০৪ রানের জয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ৭৩ রানে ৮ উইকেট পাবার পরও তারা এ জয় পায়। দ্বিতীয় টেস্টটি ড্র হয় মূলতঃ হাওয়ার্থের ১৪৭ রানের কল্যাণে। এছাড়াও তৃতীয় টেস্টটি লড়াই করে রক্ষা করেন।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৭১ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডে অবস্থান করেন। সেখানে তিনি সারে দলের পক্ষে ১৮৮টি খেলায় অংশগ্রহণ করেন।[১] ১৯৭৯ সালে ওভালে অনুষ্ঠিত খেলায় সারের পক্ষ নিয়ে হ্যাম্পশায়ারের বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তিনি তার সর্বোচ্চ ১৮৩ রান সংগ্রহ করেন। তার এ পরিচ্ছন্ন ইনিংসটি চার ঘন্টাব্যাপী ছিল।[২] তার এ নৈপুণ্যে সারে দল ৮-উইকেটে জয় পায়। একমাত্র বিদেশী খেলোয়াড় হিসেবে ১৯৮৪-৮৫ মৌসুমে ক্লাবের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন।

১৯৭৩-৭৪ মৌসুমে অকল্যাণ্ডে অনুষ্ঠিত খেলায় অকল্যাণ্ড দলের হয়ে সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের বিপক্ষে তিনি তার সেরা বোলিং ৫/৩২ করেন।

সম্মাননা[সম্পাদনা]

১৯৮১ সালে ক্রিকেট খেলায় অসাধারণ ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শনের প্রেক্ষিতে রাণীর জন্মদিনের সম্মানে আযোজিত অনুষ্ঠানে তাকে মেম্বার অব দি অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার হিসেবে মনোনীত করা হয়।[৩] পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালে রাণীর জন্মদিনের সম্মানে আযোজিত অনুষ্ঠানে তাকে অফিসার অব দি অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার হিসেবে মনোনীত করা হয়।[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


পূর্বসূরী
মার্ক বার্জেস
নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক
১৯৭৯/৮০-১৯৮৪/৮৫
উত্তরসূরী
জেরেমি কোনি