হ্যারি কেভ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
হ্যারি কেভ
Harry Cave 1957.jpg
১৯৫৭ সালের সংগৃহীত স্থিরচিত্রে হ্যারি কেভ
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামহেনরি বাটলার কেভ
জন্ম(১৯২২-১০-১০)১০ অক্টোবর ১৯২২
ওয়াঙ্গানুই, নিউজিল্যান্ড
মৃত্যু১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৮৯(1989-09-15) (বয়স ৬৬)
ওয়াঙ্গানুই, নিউজিল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৪৬)
১১ জুন ১৯৪৯ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট৩ জুলাই ১৯৫৮ বনাম ইংল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ১৯ ১১৭
রানের সংখ্যা ২২৯ ২১৮৭
ব্যাটিং গড় ৮.৮০ ১৬.০৮
১০০/৫০ ০/০ ২/৩
সর্বোচ্চ রান ২২* ১১৮
বল করেছে ৪০৭৪ ২৫৫২০
উইকেট ৩৪ ৩৬২
বোলিং গড় ৪৩.১৪ ২৩.৯৩
ইনিংসে ৫ উইকেট ১৩
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৪/২১ ৭/৩১
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৮/- ৭০/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৮ জানুয়ারি ২০১৮

হেনরি বাটলার হ্যারি কেভ (ইংরেজি: Harry Cave; জন্ম: ১০ অক্টোবর, ১৯২২ - মৃত্যু: ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৯) ওয়াঙ্গানুই এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। ১৯৪৯ থেকে ১৯৫৮ সময়কালে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্যসহ অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ওয়েলিংটন ও সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি মিডিয়াম বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন হ্যারি কেভ

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৯৪৫-৪৬ মৌসুম থেকে ১৯৪৯-৫০ মৌসুম পর্যন্ত ওয়েলিংটনের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। এরপর ১৯৫০-৫১ মৌসুমে সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস দল গঠন থেকে শুরু করে ১৯৫৮-৫৯ মৌসুম পর্যন্ত একাধারে অংশ নেন। তন্মধ্যে, ১৯৫৩-৫৪ মৌসুম থেকে অবসর গ্রহণের পূর্ব-পর্যন্ত দলের নেতৃত্বে ছিলেন হ্যারি কেভ। ১৯৫২-৫৩ মৌসুমে সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের খেলোয়াড় থাকা অবস্থায় ডুনেডিনে ওতাগোর বিপক্ষে নবম উইকেট জুটিতে ইয়ান লেগাটকে সাথে নিয়ে ২৩৯ রান তুলেছিলেন। তন্মধ্যে ১১৮ রানের ঐ ইনিংসটি পরবর্তীকালে তাঁর প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংসে পরিণত হয়।[১]

টেস্ট ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১১ জুন, ১৯৪৯ তারিখে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক ঘটে হ্যারি কেভের। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ১৯ টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন তিনি। তন্মধ্যে, ৯ টেস্টে নিউজিল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৪৯ ও ১৯৫৮ সালে ইংল্যান্ড সফরে যান। এরপর ১৯৫৫-৫৬ মৌসুমে পাকিস্তানভারত সফর করেন। দলগুলোর বিপক্ষে আট টেস্টের সবকটিতেই তিনি অধিনায়কত্ব করেন।

১৯৫৫-৫৬ মৌসুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম টেস্টে দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। দ্বিতীয় টেস্টে খেলার বাইরে অবস্থান করেন। কিন্তু, তৃতীয় ও চতুর্থ টেস্টে জন রিডের অধিনায়কত্বে অংশ নেন। তন্মধ্যে, অকল্যান্ডের চতুর্থ টেস্টে উভয় ইনিংসে চারটি করে মোট আট উইকেট নিয়ে নিউজিল্যান্ড দলকে তাদের ক্রিকেটের ইতিহাসের প্রথম বিজয়ে প্রভূতঃ ভূমিকা পালন করেন।[২] খেলায় তাঁর বোলিং পরিসংখ্যান ছিল ৪০.৪-২৬-৪৩-৮।

১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৯ তারিখে ৬৬ বছর বয়সে ওয়াঙ্গানুই এলাকায় হ্যারি কেভের দেহাবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

ক্রীড়া অবস্থান
পূর্বসূরী
জিওফ রাবোন
নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট অধিনায়ক
১৯৫৫-৫৬
উত্তরসূরী
জন রিড