ওয়েন বি. ফিলিপস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ওয়েন ফিলিপস
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামওয়েন বেন্টলি ফিলিপস
জন্ম (1958-03-01) ১ মার্চ ১৯৫৮ (বয়স ৬১)
অ্যাডিলেড, অস্ট্রেলিয়া
ডাকনামফ্লিপার
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
ভূমিকাব্যাটসম্যান, উইকেট-রক্ষক, কোচ
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৩২০)
১১ নভেম্বর ১৯৮৩ বনাম পাকিস্তান
শেষ টেস্ট১৩ মার্চ ১৯৮৬ বনাম নিউজিল্যান্ড
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৬৯)
২২ অক্টোবর ১৯৮২ বনাম পাকিস্তান
শেষ ওডিআই২৯ মার্চ ১৯৮৬ বনাম নিউজিল্যান্ড
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৭৯-১৯৯১সাউথ অস্ট্রেলিয়া
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ২৭ ৪৮ ১১৪ ৮৩
রানের সংখ্যা ১৪৮৫ ৮৫২ ৬৯০৭ ১৮০৪
ব্যাটিং গড় ৩২.২৮ ২৪.৩৪ ৩৭.৭৪ ২৮.১৮
১০০/৫০ ২/৭ ০/৬ ১৩/৩৩ ১/১৩
সর্বোচ্চ রান ১৫৯ ৭৫* ২৬০ ১৩৫
বল করেছে - - ২৯ -
উইকেট - - -
বোলিং গড় - - - -
ইনিংসে ৫ উইকেট - - -
ম্যাচে ১০ উইকেট - - -
সেরা বোলিং - - - -
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৫২/– ৪২/৭ ১৫৪/৭ ৭০/৮
উৎস: ক্রিকইনফো, ২১ মার্চ ২০১৭

ওয়েন বেন্টলি ফিলিপস (ইংরেজি: Wayne B. Phillips; জন্ম: ১ মার্চ, ১৯৫৮) অ্যাডিলেডে জন্মগ্রহণকারী সাবেক প্রথিতযশা অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৮২ থেকে ১৯৮৬ সময়কালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ২৭ টেস্ট ও ৪৮টি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নিয়েছেন ওয়েন বি. ফিলিপস। এছাড়াও ১৯৭৮ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে খেলেছেন তিনি। দলে তিনি মূলতঃ উইকেট-রক্ষণের দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি বামহাতে ব্যাটিংয়ে পারদর্শিতা দেখিয়েছেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

উচ্চ বিদ্যালয় অধ্যয়নকালীন উইকেট-রক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন। পরবর্তিতে গ্রেডভিত্তিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণকালীন ব্যাটিংয়ের দিকে মনোনিবেশ ঘটান। মাঝে-মধ্যেই উইকেট-রক্ষণে অংশ নিতেন। অস্ট্রেলিয়ার বয়সভিত্তিক দলে সংরক্ষিত উইকেট-রক্ষক হিসেবে অংশ নেন। কিন্তু খুব শীঘ্রই নিজেকে ব্যাটিংয়েও দক্ষতা প্রদর্শনকারীর ভূমিকায় অগ্রসর হতে থাকেন।

ঘরোয়া ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৭৭-৭৮ মৌসুমে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এ সময় বিশ্ব সিরিজ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার কারণে রাজ্যদলে বিভক্তির কবলে পড়েছিল।[১] পুরো গ্রীষ্মে শেফিল্ড শিল্ডের তিন খেলাসহ একটি একদিনের খেলায় অংশ নেন। মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে সর্বোচ্চ ২২ রান তোলেন।

১৯৮০-৮১ মৌসুমের পূর্ব-পর্যন্ত আর কোন প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি তিনি। শেফিল্ড শিল্ডের শেষ খেলায় দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেন। সুযোগের সদ্ব্যবহার করে ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানরূপে ১১১ ও ৯১ রান তুলেন।[২][৩]

১৯৮১-৮২ মৌসুমে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানরূপে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ৪৭.৬১ গড়ে ৮৫৭ রান তুলেন। রিক ডার্লিংয়ের সাথে শক্ত উদ্বোধনী জুটি গড়েন ও ঐ গ্রীষ্মে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার শেফিল্ড শিল্ডের শিরোপা জয়ে প্রভূতঃ ভূমিকা রাখেন।[৪]

সফরকারী পাকিস্তানের দলের বিপক্ষে দূর্দান্ত সেঞ্চুরিসহ[৫][৬] কুইন্সল্যান্ডের বিপক্ষে করেন ২৬০ রান।[৭][৮] গত দশ বছরে তার এ দ্বি-শতকটি ছিল দক্ষিণ অস্ট্রেলীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে প্রথম। এ ফলাফলগুলোর প্রেক্ষিতে অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্যরূপে তাকে রাখা হয়। ঐ শীতে পাকিস্তান সফরে তিনি ব্যাটসম্যান ও সংরক্ষিত উইকেট-রক্ষক হিসেবে ছিলেন।[৯]

১৯৮৩-৮৪ মৌসুমে তার উপর দলের কিছু একদিনের খেলায় উইকেট-রক্ষণের দায়িত্বভার প্রদান করা হয়। ১৯৮৪ সালের শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ গমনের জন্য ফিলিপসকে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট উইকেট-রক্ষক হিসেবে মনোনীত করা হয়। ১৯৮৪-৮৫ মৌসুমের শুরুতে সাউথ অস্ট্রেলিয়া কর্তৃপক্ষ কেভিন রাইটকে দলের উইকেট-রক্ষক ও সহঃঅধিনায়কের দায়িত্বভার অর্পণ করে। ফলশ্রুতিতে, ফিলিপস ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার দিকে ধাবিত হবার চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছিলেন।[১০] এর জের ধরে ১৯৮৪ সালে ওয়েন ফিলিপসকে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার উইকেট-রক্ষক মনোনীত করা হলে কেভিন রাইট প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটকে বিদায় জানান।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

পাকিস্তান সফরে গ্রেগ চ্যাপেলের সাথে ব্যাটিং উদ্বোধনের বিষয়ে কাউকে নির্ধারণ করা হয়নি। গ্রেগ রিচির সাথে তাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হতে হয়। প্রস্তুতিমূলক খেলায় পাকিস্তানের আমন্ত্রিত একাদশের বিপক্ষে ৯২ তোলেন।[১১][১২] ফলশ্রুতিতে সিরিজের চূড়ান্ত ওডিআই খেলার জন্য মনোনীত হন। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনকভাবে দাঙ্গার কারণে খেলাটি পরিত্যক্ত ঘোষিত হয়।[১৩]

১৯৮২-৮৩ মৌসুমে ও ধারাবাহিকভাবে ৩৭.৭৭ গড়ে ৬৮০ রান তোলেন। নিউ সাউথ ওয়েলস[১৪] ও তাসমানিয়ার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করলেও টেস্টে দলে ঠাঁই পেতে ব্যর্থ হন।[১৫] গ্রেইম উডকে দল থেকে বের করে দিলে উদ্বোধনে শূন্যতার সৃষ্টি হলেও কেপলার ওয়েসেলসকে সুযোগ দেয়া হয়।

তাস্বত্ত্বেও ফিলিপস দল নির্বাচকমণ্ডলীর সুনজরে ছিলেন। তৃতীয় টেস্টে তাকে দ্বাদশ ব্যক্তি হিসেবে রাখা হয় ও জিম্বাবুয়ে সফরে যুবদের দলে উইকেট-রক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়।[১৬] একদিনের খেলায় ১৩৫ রান তুলেন যা সফরের উল্লেখযোগ্য অর্জনরূপে বিবেচিত।[১৭] ফলশ্রুতিতে ধারাভাষ্যকারেরা তাকে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য উইকেট-রক্ষকরূপে ভাবতে শুরু করতে থাকেন।

টেস্ট ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৮৩-৮৪ মৌসুমের গ্রীষ্মকালে পাকিস্তানের বিপক্ষে তার টেস্ট অভিষেক ঘটে। জন ডাইসনকে দলের বাইরে রেখে তাকে দলে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছিল। সিরিজের প্রথম টেস্টে ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমেই প্রথম ইনিংসে মূল্যবান ১৫৯ রান তোলেন।[১৮] সিরিজে বাদ-বাকি টেস্টে তার অংশগ্রহণ ছিল। ৬০.৩৩ গড়ে ৩৬২ রান তোলার প্রেক্ষিতে ১৯৮৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের জন্য মনোনীত হন তিনি। গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া পক্ষে উইকেট-রক্ষক হিসেবে কয়েকটি একদিনের খেলায়ও তার অংশগ্রহণ ছিল। ফলশ্রুতিতে এ অবস্থানে থেকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে খেলার জন্য তাকে রাখা হয়।

১৯৮৩-৮৪ মৌসুমে শেষে রড মার্শ অস্ট্রেলিয়ার উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব থেকে অবসর নেন। সকলেই প্রত্যাশা করছিলেন যে প্রথম দুই খেলায় অংশ নেয়া রজার ওলি তার স্থলাভিষিক্ত হবেন। কিন্তু দল নির্বাচকমণ্ডলী তার ক্রীড়ানৈপুণ্যে সুখী ছিলেন না। তারা অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং অর্ডারকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ফিলিপসকে উইকেট-রক্ষণে ও চমৎকার ব্যাটিংয়ে থাকা স্টিভ স্মিথকে কেপলার ওয়েসেলসকে নিয়ে ব্যাটিং উদ্বোধনে নামার সিদ্ধান্ত নেন। ফিলিপস সাত নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামেন। দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৬ রান তুলেন।[১৯] স্টিভ স্মিথের অসুস্থতাজনিত কারণে দ্বিতীয় টেস্টে ব্যাটিং উদ্বোধনে নামানো হলে তিনি উভয় ইনিংসে ৪ ও ০ তুলে ব্যর্থ হন।

৩য় টেস্টে পুণরায় তাকে নিচেরসারিতে নামানো হয়। টম হোগানকে তার পূর্বে রাখা হয়েছিল। এ স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় প্রথম ইনিংসের মূল্যদানের বিনিময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৪ চার ও ৪ ছক্কায় ১২০ রান তুলেন তিনি। কিন্তু তার চেষ্টা সফলতার মুখ দেখেনি। দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংস্তম্ভ তাসের ঘরের মতো ভেঙ্গে যায়।[২০] চতুর্থ টেস্টে ব্যাটিংয়ে দক্ষতাকারী উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে নামেন। ওলি থাকেন গ্লাভস হাতে। কিন্তু তিনি কেবলমাত্র ৫ ও ২২ রান। ওলির উইকেট-রক্ষণে ভালো ছিল না। ফলশ্রুতিতে ৫ম টেস্টে ফিলিপস পুণরায় উইকেটের পিছনে চলে যান। উভয় ইনিংসে উদ্বোধনে নেমে মাত্র ১২ ও ২ রান তুলেন।

সমগ্র সিরিজে ফিলিপসের উইকেট-রক্ষণ আশাপ্রদ হলেও ত্রিনিদাদের ও টোবাগোর বিপক্ষে জয়ের লক্ষ্যমাত্রা স্থিরকরণে অধিনায়ক কিম হিউজের সাথে একাত্মতা পোষণ করায় প্রবলভাবে সমালোচিত হন।[২১][২২]

সফরের খবরাখবর প্রকাশে ব্যস্ত থাকা পিটার ম্যাকফার্লিন পরবর্তীতে বলেন যে, রজার ওলি’র গ্লাভস হাতে নিয়ে এতো দূর্বলমানের খেলা এ স্তরের ক্রিকেটে আর দেখেননি তিনি। এর বিপরীতে ওয়ের ফিলিপস প্রতিভাবান হলেও তিনি তার প্রতিভাকে উইকেট-রক্ষণে কিংবা ব্যাটিং উদ্বোধনে সঠিকভাবে প্রতিফলন ঘটাতে পারেননি।[২৩]

মূল্যায়ণ[সম্পাদনা]

ফিলিপসের উইকেট-রক্ষণে অন্তর্ভুক্তি কার্যতঃ তার ব্যাটিং প্রতিভাকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে।[২৪] শীর্ষস্থানে অবস্থানকালে রানের দিকে ধাবিত হওয়া ও সক্ষমতা লাভের ফলে তিনি অন্যতম জনপ্রিয় অস্ট্রেলীয় খেলোয়াড়ের মর্যাদা পান বিশেষ করে খেলা সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান চ্যানেল নাইন ও বিপণনকারী পিবিএলের কাছ থেকে ভূয়সী প্রশংসা পান। এ দুটো প্রতিষ্ঠান বিশ্বাস করতো যে, তার বেশ বাণিজ্যিক মূল্য ও আবেদন রয়েছে। কিন্তু নির্বাচকমণ্ডলী এ ধরনের উচ্চ মূল্যায়ণ করতে নারাজ। তিনি উইকেট-রক্ষক ও ব্যাটসম্যানেরা ছিলেন কিন্তু ব্যতিক্রমধর্মী অসাধারণ বা ধারাবাহিকভাবে ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শনে সক্ষমতা দেখাতে পারেননি। পরিসংখ্যানও তার এ মূল্যায়ণে একাত্মতা পোষণ করে না।[২৫]

সর্বাধিক ১৮ টেস্টে কোন স্ট্যাম্পিং বাদেই ৪৩ ক্যাচ নেয়ার রেকর্ড গড়েছেন যা অদ্যাবধি টিকে রয়েছে।[২৬]

২০০৭ সালে লিবারেল পার্টির দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া শাখার প্রধান তহবিল সংগ্রাহকের দায়িত্ব পালনে সম্মতিজ্ঞাপন করেন।[২৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. South Australia v Victoria Sheffield Shield 1977/78 Adelaide Oval on 10-13 February 1978
  2. Victoria v South Australia Sheffield Shield 1980/81 Kardinia Park, Geelong on 6-9 March 1981
  3. "Solid effort by SA batsmen"The Canberra Times55, (16,598)। Australian Capital Territory, Australia। ৭ মার্চ ১৯৮১। পৃষ্ঠা 46। সংগ্রহের তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০১৬ – National Library of Australia-এর মাধ্যমে। 
  4. "CRICKET Shield earned by South Australia."The Canberra Times (ACT : 1926 - 1995)। ACT: National Library of Australia। ২ মার্চ ১৯৮২। পৃষ্ঠা 16। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  5. South Australia v Pakistanis, Pakistan in Australia 1981/82, Adelaide Oval on 26-29 December 1981
  6. "Darling and Phillips defy Pakistan attack"The Canberra Times56, (16,893)। Australian Capital Territory, Australia। ২৮ ডিসেম্বর ১৯৮১। পৃষ্ঠা 18। সংগ্রহের তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০১৬ – National Library of Australia-এর মাধ্যমে। 
  7. South Australia v Queensland, Sheffield Shield 1981/82, Adelaide Oval on 8-10 January 1982
  8. "Unbeaten 203 for Phillips."The Canberra Times (ACT : 1926 - 1995)। ACT: National Library of Australia। ৯ জানুয়ারি ১৯৮২। পৃষ্ঠা 36। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  9. "Kim Hughes to lead Pakistan-tour team."The Canberra Times (ACT : 1926 - 1995)। ACT: National Library of Australia। ২৬ মার্চ ১৯৮২। পৃষ্ঠা 22। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  10. "CRICKET Wayne Phillips' hopes stumped"The Canberra Times58, (17,810)। Australian Capital Territory, Australia। ৩ জুলাই ১৯৮৪। পৃষ্ঠা 20। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৮ – National Library of Australia-এর মাধ্যমে। 
  11. Pakistan Invitation XI v Australians, Australia in Pakistan 1982/83, Jinnah Stadium, Sialkot on 10-12 October 1982
  12. "CRICKET Match ends in draw."The Canberra Times (ACT : 1926 - 1995)। ACT: National Library of Australia। ১৩ অক্টোবর ১৯৮২। পৃষ্ঠা 38। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  13. 3rd ODI Australia vs Pakistan, Karachi 22 October 1982 Cricinfo
  14. New South Wales v South Australia, Sheffield Shield 1982/83, Sydney Cricket Ground on 3-6 December 1982
  15. South Australia v Tasmania, Sheffield Shield 1982/83, Adelaide Oval on 21-24 January 1983
  16. "CRICKET Rackemann out of Test side."The Canberra Times (ACT : 1926 - 1995)। ACT: National Library of Australia। ১০ ডিসেম্বর ১৯৮২। পৃষ্ঠা 26। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  17. Zimbabwe v Young Australia, Young Australia in Zimbabwe 1982/83, Harare Sports Club on 17 April 1983
  18. 1st Test Australia vs Pakistan, Perth 11-14 November 1983 Cricinfo
  19. West Indies v Australia, Australia in West Indies 1983/84 (1st Test) Venue Bourda, Georgetown on 2-4 and 6-7 March 1984
  20. Australia in West Indies 1983/84 (3rd Test) Kensington Oval, Bridgetown on 30th, 31 March, 1, 3, 4 April 1984 (5-day match) Cricket Archive
  21. Martin Williamson, 'How to win friends ...', Cricinfo, 15 July 2006 accessed 8 June 2012
  22. Peter McFarline, 'Tour manager has to explain', The Age, 15 March 1984 p15 accessed 20 July 2012
  23. Peter McFarline, "The long list of failures in the Caribbean", Sydney Morning Herald 24 April 1984 accessed 27 March 2014
  24. Christian Ryan, 'Six obsession', Cricinfo, 15 January 2009
  25. Graham Halbish, Runout: My Dismissal and the Inside Story of Cricket, Melbourne Books, 2003 p 59
  26. Walmsley, Keith (২০০৩)। Mosts Without in Test Cricket। Reading, England: Keith Walmsley Publishing Pty Ltd। পৃষ্ঠা 457। আইএসবিএন 0947540067 .
  27. 'It's over for Emma, Kevin Foley' by Genevieve Meegan, Sunday Mail (SA), 28 April 2007

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]