জন রিচার্ড রিড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জন রিড
John Richard Reid.jpg
১৯৬৫ সালের পূর্বেকার সংগৃহীত স্থিরচিত্রে জন রিড
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামজন রিচার্ড রিড
জন্ম (1928-06-03) ৩ জুন ১৯২৮ (বয়স ৯১)
ডাকনামবোগো
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ-ব্রেক
ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
সম্পর্করিচার্ড রিড (পুত্র)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৫৮ ২৪৬
রানের সংখ্যা ৩৪২৮ ১৬১২৮
ব্যাটিং গড় ৩৩.২৮ ৪১.৩৫
১০০/৫০ ৬/২২ ৩৯/-
সর্বোচ্চ রান ১৪২ ২৯৬
বল করেছে ৭৭২৫
উইকেট ৮৫ ৪৬৬
বোলিং গড় ৩৩.৩৫ ২২.৬০
ইনিংসে ৫ উইকেট ১৫
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৬/৬০ ৭/২০
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৪৩/১ ২৪০/৭
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৩০ অক্টোবর ২০১৪

জন রিচার্ড রিড, সিএনজেডএম, ওবিই (ইংরেজি: John Richard Reid; জন্ম: ৩ জুন, ১৯২৮) অকল্যাণ্ডে জন্মগ্রহণকারী সাবেক নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারনিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম খেলোয়াড় জন রিড জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। প্রথমবারের মতো দলকে নিজ দেশে ও বিদেশে টেস্ট জয়ের সাথে সম্পৃক্ত করেছেন তিনি। ব্যাট ও বল হাতে খেলোয়াড়ী জীবনে দলের প্রধান চালিকাশক্তি ছিলেন তিনি।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

ঘরোয়া ক্রিকেটে ওয়েলিংটনের পক্ষে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের বিপক্ষে ২৯৬ রান করেন পনেরটি ছক্কার সাহায্যে যা তৎকালীন বিশ্বরেকর্ড ছিল। আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান রিড একবার কলকাতা টেস্টের সূচনালগ্নে সকালে দশ বল থেকে চারটি ছক্কা হাঁকিয়ে ছিলেন। ১৯৬২-৬৩ মৌসুমে ইংরেজ অধিনায়ক টেড ডেক্সটারের ভাষ্য অনুযায়ী জানা যায়, রিড বলকে সজোরে আঘাত করে মাঠের বাইরে ফেলেছেন ধারাবাহিকভাবে যা তিনি কখনো দেখেননি।

বোলিংয়েও তিনি বেশ দক্ষ ছিলেন। শুরুর দিকে তিনি বেশ দ্রুততার সাথে বোলিং করতেন। পরবর্তীকালে তিনি অফ-কাটার ও স্বল্প দৌঁড়ে স্পিন বোলিং করতেন। স্লিপ ও কভারে ফিল্ডিং করতেন। চূড়ান্ত টেস্টসহ ১৯৪৯ মৌসুমে ইংল্যান্ড সফরে সংরক্ষিত উইকেট-রক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন।[১]

রিড তার খেলোয়াড়ী জীবনে কখনো ইংল্যান্ড দলকে পরাজিত করতে পারেননি। কিন্তু ক্রাইস্টচার্চের ল্যাঙ্কাস্টার পার্কে অনুষ্ঠিত তৃতীয় টেস্টে ডেক্সটারের দলকে স্বল্প ব্যবধানে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে রেখেছিলেন। ফ্রেড ট্রুম্যানফ্রেড টিটমাসের বোলিংয়ে তার দল এ সুবিধা নিতে পারেনি। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫৯ রানে অল-আউট হয় তার দল। খেলায় তিনি শতরান করেন ও দলের দ্বিতীয় সর্বাধিক রান ছিল ২২। অদ্যাবধি, শতরান সহযোগে টেস্ট খেলায় সর্বনিম্ন সংগ্রহ হিসেবে স্বীকৃত।[২]

১৯৫৩-৫৪ মৌসুমে তার খারাপ সময় অতিবাহিত হয়। ১৯৬১-৬২ মৌসুমে সর্বাপেক্ষা সফল ছিলেন জন রিড। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে পাঁচ টেস্টে ৬০.৫৪ গড়ে ৫৪৬ রান করেন।

মূল্যায়ণ[সম্পাদনা]

জন মিহাফি’র জনপ্রিয় ক্রিকেট তারকা ছিলেন জন রিড। তাঁর মতে, ‘রিডের পরিসংখ্যান দলকে সঠিক পরিসংখ্যান প্রদানে ব্যর্থ হয়েছে। যে ব্যক্তি তাঁকে দেখেছেন ক্রিজে কিভাবে আকড়ে থেকে দলকে অগ্রসর করতে চেষ্টা করেছেন। তাঁর ব্যাটিং গড় আরও অর্ধেক বেড়ে যেতো যদি তিনি ১৯৮০-এর দশকে রিচার্ড হ্যাডলিমার্টিন ক্রো’র সাথে একত্রে খেলতেন।’[৩]

৭ আগস্ট, ২০১৫ তারিখে ট্রেভর বারবারের দেহাবসানের পর নিউজিল্যান্ডের সর্বাপেক্ষা বয়োঃজ্যেষ্ঠ টেস্ট ক্রিকেটারের মর্যাদা পাচ্ছেন তিনি।[৪][৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Wisden 1950, p. 209.
  2. Tests – Lowest Innings Totals to Include a Century, CricketArchive. Retrieved 19 October 2007.
  3. Mehaffey, John (৩০ মে ২০০৮)। "John Reid, Hit machine – A dashing, attacking batsman, he kept New Zealand cricket shining through its dark days"ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১২ 
  4. "List of oldest living Test players"। Stats.espncricinfo.com। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৫ 
  5. "Former New Zealand batsman Trevor Barber dies at 90"ESPNCricinfo। ১০ আগস্ট ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৫ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

পূর্বসূরী
হ্যারি কেভ
নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক
১৯৫৫/৫৬-১৯৬৫
উত্তরসূরী
ব্যারি সিনক্লেয়ার