ফিল হর্ন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ফিল হর্ন
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামফিলিপ অ্যান্ড্রু হর্ন
জন্ম(১৯৬০-০১-২১)২১ জানুয়ারি ১৯৬০
ওয়েলিংটন, নিউজিল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১৬২)
১২ মার্চ ১৯৮৭ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
শেষ টেস্ট২৬ অক্টোবর ১৯৯০ বনাম পাকিস্তান
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৫৫)
১৮ মার্চ ১৯৮৭ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
শেষ ওডিআই৩১ অক্টোবর ১৯৮৭ বনাম ভারত
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৫৩ ৩৪
রানের সংখ্যা ৭১ ৫০ ২,৮৭৯ ৭৫২
ব্যাটিং গড় ১০.১৪ ১২.৫০ ৩৪.২৭ ২৬.৮৫
১০০/৫০ ০/০ ০/০ ৫/১৭ ১/৩
সর্বোচ্চ রান ২৭ ১৮ ২০৯ ১২০*
বল করেছে ৩০
উইকেট
বোলিং গড় ১৬.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ১/৫
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৩/– ০/– ৪২/– ১৩/–

ফিলিপ অ্যান্ড্রু হর্ন (ইংরেজি: Phil Horne; জন্ম: ২১ জানুয়ারি, ১৯৬০) ওয়েলিংটনের আপার হান্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা ও সাবেক নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৮৭ থেকে ১৯৯০ সময়কালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ফিল হর্ন। দলে তিনি মূলতঃ বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছেন।

ঘরোয়া ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৭৯-৮০ মৌসুম থেকে ১৯৯০-৯১ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট জীবন চলমান ছিল ফিল হর্নের। ঘরোয়া ক্রিকেটে চমৎকার ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেছিলেন তিনি। বামহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন তিনি। এছাড়াও কভার অঞ্চলে দক্ষ ফিল্ডার হিসেবেও সুনাম ছিল তাঁর।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

ঘরোয়া ক্রিকেটে ভীষণভাবে সফল হলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রানের ফুলঝুড়ি ছোটাতে পারেননি ফিল হর্ন। অংশগ্রহণকৃত চার টেস্টে মাত্র ১০.১৪ গড়ে রান তুলেছিলেন। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান তুলেন মোটে ২৭। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে চারটিমাত্র টেস্ট ও চারটি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করার সুযোগ হয়েছিল ফিল হর্নের।[১][২] ১২ মার্চ, ১৯৮৭ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়েছিল তাঁর। ১৯৮৬-৮৭ মৌসুমে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বিপক্ষে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত খেলার জন্যে মনোনীত হন তিনি। নিউজিল্যান্ড দল রিচার্ড হ্যাডলি (৬/৫০) ও মার্টিন স্নেডেনের (৫/৬৮) কল্যাণে খেলায় ৫ উইকেটে জয়লাভের পাশাপাশি সিরিজ ১-১ ব্যবধানে ড্র করলেও ব্যক্তিগতভাবে তিনি ব্যর্থ ছিলেন। জোয়েল গার্নারের বলে ৯ ও কোর্টনি ওয়ালসের বলে ০ রান তুলে বিদায় নেন তিনি। মৌসুমের শুরুতে সফরকারীদের বিপক্ষে ৮১ রানের ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন তিনি। একই সফরে তাঁর ওডিআই অভিষেক হয়।

টেস্টের ন্যায় এখানেও চারটি ওডিআইয়ে তিনি সফলতার স্বাক্ষর রাখতে পারেননি। ভারত ও পাকিস্তানে যৌথভাবে অনুষ্ঠিত ১৯৮৭ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে খেলেন। ঐ প্রতিযোগিতায় তার দল গ্রুপ-পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল।

১৯৯০-৯১ মৌসুমে পাকিস্তান গমনের জন্যে মনোনীত হন। ঘরোয়া রেকর্ডের উল্টোপিঠ এখানেও বহমান ছিল। ছয়টি ইনিংস খেলেন মাত্র ৩৮ রান তুলেন। তন্মধ্যে, নিজস্ব সর্বশেষ টেস্টে ০ ও ১২ রান তুলতে পেরেছিলেন ফিল হর্ন। ঐ মৌসুম শেষে ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

ব্যাডমিন্টনে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি ব্যাডমিন্টন খেলায়ও তাঁর দক্ষতা রয়েছে। স্কটল্যান্ডের এডিনবরায় অনুষ্ঠিত ১৯৮৬ সালের কমনওয়েলথ গেমসে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ব্যাডমিন্টনের পুরুষ এককে প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি।[৩]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

তাঁর সহোদর কনিষ্ঠ ভ্রাতা ম্যাট হর্ন নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন ও তাঁর তুলনায় অধিকতর সফল ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত তিনি। তাঁর সন্তান বেন হর্ন নিউজিল্যান্ড ও অকল্যান্ডের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Players / New Zealand / ODI caps"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১২-৩১ 
  2. "New Zealand ODI Batting Averages"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১২-৩১ 
  3. "Times Archives"। Oxfordshire Libraries। 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]