মার্টিন স্নেডেন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মার্টিন স্নেডেন
ক্রিকেট তথ্য
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা ২৫ ৯৩
রানের সংখ্যা ৩২৭ ৫৩৫
ব্যাটিং গড় ১৪.৮৬ ১৫.২৮
১০০/৫০ ০/০ ০/১
সর্বোচ্চ রান ৩৩* ৬৪
বল করেছে ৪৭৭৫ ৪৫২৫
উইকেট ৫৮ ১১৪
বোলিং গড় ৩৭.৯১ ২৮.৩৯
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ৫/৮ ৪/৩৪
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৭/- ১৯/-
উৎস: Cricinfo, ১৯ জুলাই ২০১৫

মার্টিন কলিন স্নেডেন, সিএনজেডএম (জন্ম: ২৩ নভেম্বর, ১৯৫৮) মাউন্ট এডেনে জন্মগ্রহণকারী সাবেক নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটারনিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের পক্ষে টেস্টএকদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নিয়েছেন। ১৯৮০-এর দশকে স্যার রিচার্ড হ্যাডলিইয়ান চ্যাটফিল্ডের সাথে নিউজিল্যান্ডের সিম বোলিং আক্রমণে যোগ দেন মার্টিন স্নেডেন। মূলতঃ তিনি বোলার ছিলেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি নিচের সারির ব্যাটসম্যান হিসেবে বামহাতে ব্যাটিং করতেন। ঘরোয়া রাজ্য ক্রিকেটে অকল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেন।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

একদিনের আন্তর্জাতিকে প্রথম বোলার হিসেবে ৬০-ওভারের খেলায় শতাধিক রান দেন। ঐ খেলায় তার বোলিং পরিসংখ্যান ছিল ১২-১-১০৫-২। পরবর্তীকালে মার্চ, ২০০৬ সালে তার এ অমর্যাদাকর কীর্তিগাথাটি অস্ট্রেলীয় বোলার মিক লুইস ভেঙ্গে ফেলেন।[১] নীচের সারির ব্যাটসম্যান হলেও একবার ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমে নিজস্ব সর্বোচ্চ ৬৪ রান তোলেন।

অবসর[সম্পাদনা]

পেশায় তিনি একজন আইনজীবীনিউজিল্যান্ড ক্রিকেটে বেশ কয়েক বছর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু ডিসেম্বর, ২০০৬ সালে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট থেকে ২০১১ সালের রাগবি বিশ্বকাপের সাংগঠনিক কর্মকর্তার প্রধান হিসেবে মনোনীত হওয়ায় পদত্যাগ করেন। ২০১২ সালে নববর্ষের সম্মাননায় ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদান রাখায় তাকে নিউজিল্যান্ড অর্ডার অব মেরিট উপাধিতে ভূষিত করা হয়।[২]

তার কাকা কলিন স্নেডেন নিউজিল্যান্ডের পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট খেলেছেন। বাবা ওয়ারউইক স্নেডেন, দাদা নেসি স্নেডেন - উভয়েই প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ভাই প্যাট্রিক স্নেডেন একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও মানবতাবাদী।[৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Guardian, South Africa shatter Australia with record 438-run winning chase
  2. "New Year Honours List 2012"Department of the Prime Minister and Cabinet। ৩১ ডিসেম্বর ২০১১। ২ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১১ 
  3. "Philanthropy NZ Conference 2011 Speakers"। ১০ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]