ইয়ান চ্যাটফিল্ড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ইয়ান চ্যাটফিল্ড
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামইয়ান জন চ্যাটফিল্ড
জন্ম (1950-07-03) ৩ জুলাই ১৯৫০ (বয়স ৬৯)
ড্যানেভির্কে, নিউজিল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট
ভূমিকাফাস্ট বোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১৩১)
২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৫ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯ বনাম পাকিস্তান
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৩৪)
১৬ জুন ১৯৭৯ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
শেষ ওডিআই৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯ বনাম পাকিস্তান
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৭৩/৭৪–১৯৮৯/৯০ওয়েলিংটন
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৪৩ ১১৪ ১৫৭ ১৭১
রানের সংখ্যা ১৮০ ১১৮ ৫৮২ ১৫৬
ব্যাটিং গড় ৮.৫৭ ১০.৭২ ৯.০৯ ১০.৪০
১০০/৫০ –/– –/– –/– –/–
সর্বোচ্চ রান ২১* ১৯* ২৪* ১৯*
বল করেছে ১০৩৬০ ৬০৬৫ ৩৭১৬০ ৯১৬১
উইকেট ১২৩ ১৪০ ৫৮৭ ২২২
বোলিং গড় ৩২.১৭ ২৫.৮৪ ২২.৮৭ ২৩.৬৮
ইনিংসে ৫ উইকেট ২৭
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৬/৭৩ ৫/৩৪ ৮/২৪ ৫/৩৪
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৭/– ১৯/- ৫১/– ২২/–

ইয়ান জন চ্যাটফিল্ড (ইংরেজি: Ewen Chatfield; জন্ম: ৩ জুলাই, ১৯৫০) ড্যানেভির্কে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারনিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের পক্ষে টেস্টএকদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন।

দলে তিনি মূলতঃ মিডিয়াম-পেস বোলার ছিলেন। নিখুঁত নিশানায় বল প্রেরণ, মিতব্যয়ী বোলিং তার প্রধান অস্ত্র ছিল। তবে, সীমিত ওভারের ক্রিকেটে নিখুঁত লক্ষ্য ও নিশানার ভিন্নতার দরুণ শেষদিকে বোলিং করে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ইয়ান চ্যাটফিল্ড

ঘরোয়া ক্রিকেট[সম্পাদনা]

ফেব্রুয়ারি, ১৯৮০ সালে ওয়েলিংটনের পক্ষে তিন-দিনের খেলায় প্রায় একাকী সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলকে পরাজিত করেছিলেন তিনি।[১] প্রথম ইনিংসে ছয় ও দ্বিতীয় ইনিংসে সাত উইকেট পান চ্যাটফিল্ড। হক কাপে হাট ভ্যালি দলের পক্ষে খেলেন। ১৯৮৪ সালে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে হাট সিটি বর্ষসেরা ক্রীড়াব্যক্তিত্ব পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি।[২]

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ৪৩ টেস্ট ও ১১৪টি একদিনের আন্তর্জাতিকে নিউজিল্যান্ড দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। ১৯৭৪-৭৫ মৌসুমে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত টেস্টে মাঠে ব্যাটিংরত অবস্থায় মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পান। দলের একাদশ ব্যাটসম্যান হিসেবে জিওফ হাওয়ার্থের সাথে শেষ উইকেট জুটি গড়েন। ইংরেজ ফাস্ট বোলার পিটার লিভার চ্যাটফিল্ডকে বাউন্সার দিলে ঐ সময়ে হেলমেটের প্রচলন না থাকায় বলটি তার মাথায় সরাসরি আঘাত হানে। ১৯৮৪-৮৫ মৌসুমে তৎকালীন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বল হাতে নিয়ে নিজেকে তুলে ধরেন। ঐ একই মৌসুমে জেরেমি কোনি’র সাথে জুটি গড়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে দলকে টেস্ট সিরিজ জয় করতে প্রভূতঃ সহায়তা করেন। খেলায় তিনি তার সর্বোচ্চ অপরাজিত ২১* করেন। এ রান করতে তিনি ৮৪ বল মোকাবেলা করেন যাতে জেরেমি কোনি’র অংশগ্রহণ ছিল ৪৮* রান। পরবর্তীতে ১৯৮৬-৮৭ মৌসুমে নিজ দেশে অনুষ্ঠিত টেস্ট সিরিজ ড্র করতে বাধ্য করান। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দেশে-বিদেশে প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়ী দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। স্যার রিচার্ড হ্যাডলি’র সাথে খেলোয়াড়ী জীবনের অধিকাংশ সময় বোলিংয়ে জুটি গড়েন।

অবসর[সম্পাদনা]

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে চ্যাটফিল্ড বিভিন্ন ধরনের কাজের সাথে জড়িয়ে পড়েন। তন্মধ্যে ওয়েলিংটনের সাথে একীভূত হবার পূর্ব-মুহূর্ত পর্যন্ত হাট ভ্যালি অ্যাসোসিয়েশনে কোচের দায়িত্বে ছিলেন। এরপর চিপ শপ, কুরিয়ারসহ খামারে ভ্যান ড্রাইভারের দায়িত্বে থাকেন। ২০০৯ সালে ওয়েলিংটনে ট্যাক্সি ড্রাইভার হিসেবে কর্মজীবন অতিবাহিত করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://static.espncricinfo.com/db/ARCHIVE/1970S/1979-80/WI_IN_NZ/WI_WELL_16-18FEB1980.html
  2. Monga, Sidharth (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯)। "Sans 'tache, plus cab"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০০৯ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]