লুইস ফেদেরিকো লেলইর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(Luis Federico Leloir থেকে পুনর্নির্দেশিত)
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
লুইস ফেদেরিকো লেলইর
Luis Federico Leloir - young.jpg
বিশ বছর বয়সকালে লেলইরের স্থিরচিত্র
জন্ম (১৯০৬-০৯-০৬)সেপ্টেম্বর ৬, ১৯০৬
প্যারিস, ফ্রান্স
মৃত্যু ডিসেম্বর ২, ১৯৮৭(১৯৮৭-১২-০২) (৮১ বছর)
বুয়েন্স আয়ার্স, আর্জেন্টিনা
বাসস্থান বুয়েন্স আয়ার্স, আর্জেন্টিনা
জাতীয়তা আর্জেন্টিনা আর্জেন্টিনীয়
কর্মক্ষেত্র প্রাণরসায়ন
প্রতিষ্ঠান বুয়েন্স আয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়
ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি ইন সেন্ট লুইস (১৯৪৩-১৯৪৪)
কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৪৪-১৯৪৫)
ফান্দাসিওন ইনস্টিটুটো ক্যাম্পোমার (১৯৪৭-১৯৮১)
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৩৬-১৯৪৩)
প্রাক্তন ছাত্র বুয়েন্স আয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়
পরিচিতির কারণ গালাকটোজমিয়া
ল্যাকটোজ ইন্টোলার‌্যান্স
কার্বোহাইড্রেট মেটাবলিজম
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার

লুইস ফেদেরিকো লেলইর, ফরমেমআরএস[১] (স্পেনীয়: Luis Federico Leloir; জন্ম: ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯০৬ - মৃত্যু: ২ ডিসেম্বর, ১৯৮৭) ফ্রান্সের প্যারিসে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত আর্জেন্টিনীয় চিকিৎসকজৈবরসায়নবিদ ছিলেন।[২] ১৯৭০ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি। ফ্রান্সে জন্মগ্রহণ করলেও তাঁর জীবনের অধিকাংশ সময়ই বুয়েন্স আয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন। এরপর ১৯৮৭ সালে মৃত্যু-পূর্ব পর্যন্ত ফান্দাসিওন ইনস্তিতুতো নামীয় ব্যক্তিগত গবেষণা দলের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।

যদিও তাঁর গবেষণাগারে প্রায়শঃই আর্থিক সহযোগিতার অভাবে নিষ্ক্রীয় অবস্থায় থাকতো এবং দ্বিতীয়সারির যন্ত্রপাতির ব্যবহার হতো; তাস্বত্ত্বেও চিনির নিউক্লিওটাইডের গবেষণা, শর্করার বিপাক এবং রেনাল উচ্চ রক্তচাপের ন্যায় কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করে ও প্রভূতঃ সুনাম বয়ে নিয়ে আসে। ২ ডিসেম্বর, ১৯৮৭ তারিখে তাঁর দেহাবসান ঘটে ও বুয়েন্স আয়ার্সের লা রিকোলেতা সিমেট্রিতে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

লেলইরের পিতা-মাতা ফেদেরিকো লেলইর ও হর্তনসিয়া আগুইর ডে লেলইর ১৯০৬ সালের মাঝামাঝি সময়কালে বুয়েন্স আয়ার্স থেকে প্যারিসে চলে যান। সেখানে ফেদেরিকো অসুস্থতার জন্য চিকিৎসাকর্মে ব্যস্ত থাকেন। আগস্টের শেষদিকে ফেদেরিকোর দেহাবসান ঘটার কয়েক সপ্তাহ পর আর্ক দ্য ত্রিয়োম্‌ফের কয়েক ব্লক দূরে প্যারিসে ৮১ ভিক্টর হুগো রোডের একটি পুরনো গৃহে লুইসের জন্ম হয়।[৩] ১৯০৮ সালে তারা আর্জেন্টিনায় ফিরে আসেন। লেলইর তার আট ভাই-বোনকে নিয়ে একত্রে বড় হতে থাকেন। ‘এল তুয়ো’য় তাদের পরিবারের বিশাল সম্পত্তি ছিল। ঐ সম্পত্তি তাঁর দাদা স্পেনের উত্তরাঞ্চলীয় বাস্ক কান্ট্রি থেকে অভিবাসিত হবার পর ক্রয় করেন। স্পেন: এল তুয়ো ৪০০ বর্গকিলোমিটারের বালুকাময় ভূমি যা সান ক্লিমেন্টে ডেল তুয়ো থেকে মার ডে আজো উপকূল রেখা বরাবর অবস্থিত। এরপর থেকেই এলাকাটি জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণ কেন্দ্রে পরিণত হয়।[৪]

শৈশবকালেই ভবিষ্যতের নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর মাঝে প্রাকৃতিক শক্তির বিষয়ে সবিশেষ আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। তাঁর বিদ্যালয়ের কাজ ও পড়াশোনার সাথে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান ও জীববিদ্যার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা ইস্কুলা জেনারেল সান মার্টিনে, মাধ্যমিক শিক্ষা কলেজিও লাকোরেডারে এবং কয়েক মাস ইংল্যান্ডের বিউমন্ট কলেজে কাটে। তবে তাঁর ফলাফল তেমন দর্শনীয় ছিল না। কলেজে থাকাকালে স্থাপত্যবিদ্যা শিক্ষা বাদ দেন ও প্যারিস ইকোল পলিটেকনিকে ভর্তি হন।[৫]

১৯২০-এর দশকে ‘সলসা গল্ফ’ আবিষ্কার করেন। অর্থনৈতিক সমস্যার প্রেক্ষিতে লেলইরের গবেষণাগার ও গবেষণা ভেস্তে যায়। তখন তিনি আক্ষেপ করে বলতেন, যদি আমি ঐ সসের স্বত্ত্বাধিকারী হতাম, তাহলে আমরা অনেক অর্থলাভ করতাম ও গবেষণা ব্যয় করতে পারতাম।[৬]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

আর্জেন্টিনায় ফিরে আসার পর লেলইর তাঁর আজেন্টিনীয় নাগরিকত্ব লাভ করেন ও বুয়েন্স আয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন মেডিসিন বিভাগে যোগ দেন। তবে শুরুটা তাঁর মোটেই ভালো হয়নি। শরীরবিদ্যা পরীক্ষায় কৃতকার্য হবার জন্য তাঁকে চারবার অংশগ্রহণ করতে হয়েছে।[৭] অবশেষে ১৯৩২ সালে তিনি ডিপ্লোমা লাভ করেন ও হসপিটাল ডে ক্লিনিকাসে আবাস গড়েন। রামোস মেজিয়া হাসপাতালে ডাক্তারি ইন্টার্নশীপ করেন। কিন্তু সহকর্মীদের সাথে মতবিরোধ ও রোগীদের রোগ নিরসনকল্পে তাঁর সেবার ধরন প্রবল বাঁধার সম্মুখীন হন। এরফলে লেলইর গবেষণাগারে গবেষণা কর্মে মনোনিবেশ ঘটানোকল্পে নিজেকে উৎসর্গ করেন। তিনি দাবী করেন, আমরা রোগীদের জন্য কিছুটা হলেও করবো ... ঐ সময়ে অ্যান্টিবায়োটিক, সাইকোঅ্যাক্টিভ ও নতুন ধরনের থেরাপিউটিক উপাদানের বিষয়গুলো অজানা ছিল।

১৯৩৩ সালে বার্নার্দো হোসে’র সাথে স্বাক্ষাৎ করেন। তিনি লেলইরকে তাঁর ডক্টরাল অভিসন্দর্ভে সুপ্রারেনাল গ্রন্থি ও কার্বোহাইড্রেটের বিপাক বিষয়ে অনুসন্ধানের দিকে ধাবিত হবার কথা বলেন।

১৯৫৭ সালে ক্যাম্পোমারের মৃত্যুর পর লেলইর ও তাঁর সঙ্গীরা জাতিসংঘের নিয়ন্ত্রণাধীন জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে অর্থ বরাদ্দের জন্য আবেদন করে। আশ্চর্যজনকভাবে তাঁদের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছিল। ১৯৫৮ সালে ইনস্টিটিউটটি আর্জেন্টিনীয় সরকারের অর্থানুকূল্যে প্রতিষ্ঠিত সাবেক অল-গার্লস স্কুলে প্রতিষ্ঠিত হয়। ফলশ্রুতিতে লেলইর ও তাঁর গবেষক দল ব্যাপক প্রশংসা পায়। আর্জেন্টিনীয় গবেষণা সংস্থা থেকেও আরও গবেষণাকর্ম আসতে থাকে। পরবর্তীতে ইনস্টিটিউটটি বুয়েন্স আয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলে যায়।[৮]

গবেষণাগারে তাঁর দায়িত্ব শেষ হবার পর লেলইর শিক্ষাদানকার্য চালিয়ে যেতে থাকেন। বুয়েন্স আয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক বিজ্ঞান দপ্তরে এ দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৩ সালে তৃতীয় বিশ্বের বিজ্ঞান একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হন লেলইর। এ সংস্থাটিই পরবর্তীকালে টিডব্লিউএএস নামে পুণঃনামাঙ্কিত হয়েছিল।

নোবেল পুরস্কার লাভ[সম্পাদনা]

২ ডিসেম্বর, ১৯৭০ তারিখে লেলইর সুইডেনের রাজার কাছ থেকে রসায়নে নোবেল পুরস্কার গ্রহণ করেন। তিনি ল্যাকটোজে বিপাকপ্রক্রিয়ার পথ আবিষ্কারে সক্ষমতা দেখিয়েছিলেন। এরফলে তৃতীয় আজেন্টিনীয় হিসেবে যে-কোন বিষয়ে এ মর্যাদাপূর্ণ সম্মানে অভিষিক্ত হন তিনি। স্টকহোমেপুরস্কার গ্রহণকালে কমন্স সভায় ১৯৪০ সালে উইনস্টন চার্চিলের প্রদেয় খ্যাতনামা বক্তব্য, ‘আমি কখনো এতো অল্পের জন্য এতো বড় কিছু আশা করিনি’ - বক্তব্যটির পুণরুল্লেখ করেন।[৯] লেলইরের নির্দেশনায় পরিচালিত ফান্ডাসিও ইনস্টিটিউটো ক্যাম্পোমারে অংশগ্রহণকারী দলের সদস্যরা টেস্ট টিউব থেকে শ্যাম্পেন পানীয় দিয়ে উৎসব পালন করে। গৃহীত $৮০,০০০ মার্কিন ডলারের সমূদয় অর্থ গবেষণাকর্মের জন্য সরাসরি প্রদান করা হয়।[৭] তাঁর এ অর্জনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন:[১০]

মূল্যায়ণ[সম্পাদনা]

১৯৮৩ সালে জৈবরসায়নের বার্ষিক পর্যালোচনা সংখ্যায় ‘লং এগো এন্ড ফার এওয়ে’ শীর্ষক সংক্ষিপ্ত আকারে আত্মজীবনী প্রকাশ করেন। ঐ লেখায় লেলইর দাবী করেন, জনৈক উইলিয়াম হেনরি হাডসনের উপন্যাসে দেশের বন্যজীবন ও লেলইরের শৈশবকালের সাথে সম্পর্কযুক্ত লেখা থেকে তিনি উদ্বুদ্ধ হয়েছেন।[৩]

২ ডিসেম্বর, ১৯৮৭ তারিখে তাঁর দেহাবসান ঘটে ও লা রিকোলেতা সিমেট্রিতে তাঁকে সমাহিত করা হয়। গবেষণাগার থেকে বাড়ী ফেরার পথে হৃদযন্ত্রক্রীয়ায় আক্রান্ত হন। লেলইরের বন্ধু ও সহকর্মী মারিও বাঞ্জ মন্তব্য করেন যে, ‘তাঁর সর্বশেষ কীর্তিগাঁথা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিজ্ঞানীদের গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করেছে। তবে, অনুন্নত দেশে মাঝারী মানের রাজনৈতিক শত্রুতায় নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা খুবই স্বাভাবিক বিষয়।’ কিন্তু, লেলইরের দৃঢ়তাপূর্ণ নজরদারি ও ইচ্ছাশক্তির ফলেই এ সফলতা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।[১১] ভয়ানকভাবে আর্থিক সঙ্কটে থাকার ফলে ব্যক্তিগত জিনিসপত্রাদিও গবেষণাগারে দান করেছেন। গবেষণাগারের গ্রন্থাগার রক্ষার্থে তিনি অস্থায়ীভাবে আবরণ দিয়েছিলেন।[৮]

লেলইর তাঁর নম্রতাপূর্ণ আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গী ও দৃঢ়তার কারণে পরিচিত হয়ে আছেন। অনেকেই তাঁকে ‘বিজ্ঞানের প্রকৃত সন্ন্যাসীরূপে’ আখ্যায়িত করেছেন।[৭] প্রত্যেক সকালে তাঁর স্ত্রী আমেলিয়া তাঁদের ফিয়াট ৬০০ গাড়ী চালিয়ে ১৭১৯ জুলিয়ান আলভারেজ স্ট্রীটে অবস্থিত ফান্দাসিওন ইনস্টিটিউটো ক্যাম্পোমারে নামিয়ে দিতেন। লেলইর ধূসর রঙের একই পোষাকে যেতেন। রুক্ষ্ম আসনে বসে কাজ করে গেছেন দশকের পর দশক। সহকর্মীদেরকে উৎসাহিত করতেন। সময়কে মূল্যায়ণ করতে গবেষণাগারেই দুপুরের খাবার সেরে নিতেন। পর্যাপ্ত মাংস এনে সকলের মাঝে সমবন্টন করতেন তিনি।[৭] সংযমতা পালন ও গবেষণায় নিবেদিতপ্রাণ হওয়া স্বত্ত্বেও সামাজিক মানুষ হিসেবে একাকী কোন কাজ করতে পছন্দ করতেন না।[১২]

ফান্দাসিওন ইনস্টিটিউটো ক্যাম্পোমার প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করে ফান্দাসিওন ইনস্টিটিউটো লেলইর নামকরণ করা হয়। এর আয়তন বৃদ্ধি করে ২১,০০০ বর্গফুটের ভবন করা হয়। এতে ২০জন জ্যেষ্ঠ গবেষক, ৪২জন কারিগর ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ৮জন পোস্ট ডক্টরেট ফেলো এবং ২০জন পিএইচডি প্রার্থী রয়েছেন। এ ইনস্টিটিউটটি আলঝেইমার রোগ, পারকিনসন রোগসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষণা করে থাকে।[১৩]

সম্মাননা[সম্পাদনা]

  • ১৯৪৩ - তৃতীয় জাতীয় বিজ্ঞান পুরস্কার
  • ১৯৫৮ - টি. ডাসেট জোন্স মেমোরিয়াল পুরস্কার
  • ১৯৬৫ - বার্গ ওয়াই বর্ন ফাউন্ডেশন পুরস্কার
  • ১৯৬৬ - গেয়ার্ডেনার ফাউন্ডেশন, কানাডা
  • ১৯৬৭ - লুইস গ্রোস হরউৎজ পুরস্কার, কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়
  • ১৯৬৮ - বেনিতো জুয়ারেজ পুরস্কার
  • ১৯৬৮ - ডক্টর অনরিস কসা, কর্দোভা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
  • ১৯৬৮ - অ্যাসোসিয়াসিওন কুইমিকা আর্জেন্টিনা কর্তৃক ড. জুয়ান জে. জে. কাইল পুরস্কার
  • ১৯৬৯ - ইংল্যান্ড জৈবরসায়ন সমিতির সম্মানিত সদস্য
  • ১৯৭০ - রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ
  • ১৯৭১ - অর্ডার আন্দ্রেস বেলো, ভেনেজুয়েলা
  • ১৯৭৬ - অর্ডার অব বার্নার্দো ও’হিগিন্স গ্রেট ক্রস ডিগ্রি
  • ১৯৮২ - ফরাসী সরকার প্রদত্ত লেজিওঁ দনর
  • ১৯৮৩ - কোনেক্স ব্রিলিয়ান্ট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পুরস্কার
  • ১৯৮৪ - বুয়েন্স আয়ার্সের বর্ণাঢ্যময় নাগরিক

প্রকাশনা[সম্পাদনা]

  • ১৯৩৪: Adrenals and Metabolism of Carbohydrates
  • ১৯৪০: Pharmacology of hypertensin
  • ১৯৪৩: Nephrogenic arterial hypertension
  • ১৯৬৩: Perspectives in Biology
  • ১৯৬৪: Renal Hypertension
  • ১৯৬৫: "In Vitro Synthesis of Particulate Glycogen"
  • ১৯৬৭: Properties of Synthetic and Native Liver Glycogen
  • ১৯৮০: "Presence in a plant similar to the dolichyl diphosphate oligosaccharide of animal tissue" (R. J. Staneloni, M.E. Tolmasky, C. Petriella, R.A. Ugalde i L.F. Leloir), "Biochemical Journal"
  • ১৯৮০: "Lipid bound sugars in Rhizobium meliloti" (M.E. Tolmasky, R.J. Staneloni, R. A. Ugalde and L.F. Leloir), "Archives of Biochemistry and Biophysics"
  • ১৯৮১: "Transfer of oligosaccharide to protein from a lipid intermediate in plants" (R. J. Staneloni, M.E. Tolmasky, C. Petriella and L.F. Leloir), "Plant Physiology"
  • ১৯৮২: "Structural correspondence between an oligosaccharide bound to a lipid with the repeating unit of the Rhizobium meliloti" (M. E. Tolmasky, R. J. Staneloni and L. F. Leloir), "Annals of the Argentine Chemical Association"
  • ১৯৮২: "N-glycosylation of the proteins" (M. E. Tolmasky, H. K. Takahashi, R. J. Staneloni and L. F. Leloir), "Annals of the Argentine Chemical Association"
  • ১৯৮৩: Faraway and Long ago
  • ১৯৮৪: Lipid-bond Saccharides containing glucose and galactose in agrobacterium tumefaciens
  • ১৯৮৫: "An Intermediail in Cyclic 1-2 Glucan Biosynthesis"

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Ochoa, S. (১৯৯০)। "Luis Federico Leloir. 6 September 1906-3 December 1987"। Biographical Memoirs of Fellows of the Royal Society 35: 202–208। ডিওআই:10.1098/rsbm.1990.0009 
  2. "Biography of Luis Leloir"। Nobelprize.org। সংগৃহীত ৭ জুন ২০১০ 
  3. Leloir, Luis (১৯৮৩)। "Far Away and Long Ago"Annual Review of Biochemistry 52 (Annual Reviews)। পৃ: 1–15। ডিওআই:10.1146/annurev.bi.52.070183.000245পিএমআইডি 6351722 
  4. Welcomeargentina.com, "San Clemente del Tuyú: Historia de la ciudad y leyendas de la zona" web:http://www.welcomeargentina.com/sanclementedeltuyu/historia.html
  5. "Cientificos Argentinos Distinguidos Con El Premio Nobel En Ciencia" web:http://www.oni.escuelas.edu.ar/olimpi98/ConociendoNuestraCiencia/nobel%20leloir.html
  6. Pedro Tesone (২০০৬)। "Luis Federico Leloir"। Sociedad Argentina de Diabetes। সংগৃহীত ২০০৭-০৩-১৯ 
  7. Valeria Roman, "A cien años del nacimiento de Luis Federico Leloir" web:http://www.clarin.com/diario/2006/08/27/sociedad/s-01259864.htm
  8. World of Scientific Discovery, Thomas Gale, Thomson Corporation, 2005-2006
  9. Nobelprize.org: "Luis Leloir- Banquet Speech" web:http://nobelprize.org/nobel_prizes/chemistry/laureates/1970/leloir-speech.html
  10. Comodoro Rivadavia। "Luis Federico Leloir"। Chubut Argentina। সংগৃহীত ২০০৭-০৩-১৯ 
  11. Mario Bunge, "Luis F. Leloir" web:http://www.clubdelprogreso.com/index.php?sec=04_05&sid=43&id=2513
  12. Ariel Barrios Medina, "Luis Federico Leloir (1906-1987): un esbozo biográfico" web: http://www.houssay.org.ar/hh/bio/leloir.htm
  13. Leloir Institute

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

গ্রন্থপঞ্জী[সম্পাদনা]

  • Lorenzano (?), Julio Cesar. Por los caminos de Leloir. Editorial Biblos; 1a edition, July 1994. আইএসবিএন ৯৫০-৭৮৬-০৬৩-০
  • Zuberbuhler de Leloir (?), Amelia. Retrato personal de Leloir. Vol. 8, No. 25, pp. 45–46, 1983.
  • Nachón (?), Carlos Alberto. Luis Federico Leloir: ensayo de una biografía. Bank Foundation of Boston, 1994.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]