গ্রেগরি উইন্টার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
স্যার গ্রেগরি উইন্টার
Gregory Winter, 2016 (cropped).jpg
'
জন্মগ্রেগরি পল উইন্টার
(1951-04-14) ১৪ এপ্রিল ১৯৫১ (বয়স ৭০)
লেস্টার, লেস্টারশায়র, ইংল্যান্ড
নাগরিকত্বযুক্তরাজ্য
কর্মক্ষেত্রপ্রাণরসায়ন
প্রতিষ্ঠানকেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়
লেবরেটরি অফ মলিকিউলার বায়োলজি
ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন
শিক্ষারয়্যাল গ্রামার স্কুল, নিউক্যাসল আপঅন টাইন
প্রাক্তন ছাত্রট্রিনিটি কলেজ, কেমব্রিজ (এমএ, পিএইচডি)
সন্দর্ভসমূহব্যাসিলাস স্টিয়ারোথার্মোফিলাস থেকে ট্রাইপ্টোফেনিলের টিআরএনএ সংশ্লেষ অ্যামিনো অ্যাসিড ক্রম (১৯৭৭)
পিএইচডি উপদেষ্টাব্রায়ান এস. হার্টলে
পরিচিতির কারণকেমব্রিজ অ্যান্টিবডি টেকনোলজি
দোমন্তিস[১]
বাইসাইকেল থেরাপিউটিক্স[২]
অ্যান্টিবডি প্রকৌশল
উল্লেখযোগ্য
পুরস্কার
কলওয়ার্থ পদক (১৯৮৬)
এমবো সদস্যপদ (১৯৮৭)[৩]
মেডিসিনের জন্য লুই-জ্যানটেট পুরস্কার (১৯৮৯)[৪]
নাইট ব্যাচেলর (২০০৪)
রয়্যাল পদক (২০১১)
প্রিন্স মাহিডল পুরস্কার (2016)[৫]
রসায়নে নোবেল পুরস্কার (২০১৮)
ওয়েবসাইট
LMB web page

স্যার গ্রেগরি পল উইন্টার (জন্ম ১৪ই এপ্রিল ১৯৫১)[৬][৭] হলেন একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্রিটিশ প্রাণরসায়নবিদমোনোক্লোনিং অ্যান্টিবডির চিকিৎসাবিদ্যাগত ব্যবহার সম্পর্কে তাঁর কাজের জন্য তিনি সবচেয়ে বেশি পরিচিত। তাঁর গবেষণা জীবন প্রায় পুরোপুরি কেটেছে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজের এমআরসি আণবিক জীববিজ্ঞান গবেষণাগার এবং এমআরসি প্রোটিন প্রকৌশল কেন্দ্রে

অ্যান্টিবডির মানবিকীকরণের (১৯৮৬) এবং পরে, চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য ফাজ প্রদর্শন অ্যান্টিবডি ব্যবহার করে পুরোপুরি মানবিকীকরণের কৌশল উদ্ভাবনের জন্য তাঁকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়।[২][৮][৯][১০][১১][১২][১৩] পূর্বে, অ্যান্টিবডিগুলি ইঁদুর থেকে সংগ্রহ করা হত, সেগুলিকে মানবদেহে চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা সহজ ছিলনা, কারণ মানব শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থায় ইঁদুরের অ্যান্টিবডিবিরোধী প্রতিক্রিয়া ছিল।[৬][১৪][১৫][১৬][১৭][১৮] মানবিকীকরণের উদ্ভাবনের জন্য, ২০১৮ সালে উইন্টারকে জর্জ স্মিথ এবং ফ্রান্সিস আর্নল্ডের সাথে রসায়নে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়েছিল।[১৯][২০]

তিনি কেমব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের একজন ফেলো এবং এর সাথে ২০১২ সালের ২রা অক্টোবর তিনি ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার অফ কেমব্রিজ নিযুক্ত হন।[২১] ২০০৬ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি আণবিক জীববিজ্ঞান গবেষণাগার, মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের উপ-পরিচালক ছিলেন, ২০০৭ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রোটিন এবং নিউক্লিক অ্যাসিড রসায়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক এবং ১৯৯৪ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ঐ বিভাগের প্রধান ছিলেন। ১৯৯০ সাল থেকে ২০১০ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়া পর্যন্ত তিনি প্রোটিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এমআরসি কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ছিলেন।[২২][২৩]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

উইন্টার নিউক্যাসল আপঅন টাইনে রয়্যাল গ্রামার স্কুলে পড়াশুনো করেছিলেন।[৬] তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করতে যান এবং ১৯৭৩ সালে ট্রিনিটি কলেজ, কেমব্রিজ থেকে স্নাতক হন। আণবিক জীববিজ্ঞানের এমআরসি পরীক্ষাগার থেকে তাঁকে পিএইচডি ডিগ্রি দেওয়া হয়েছিল। ১৯৭৭ সালে জিওব্যাসিলাস স্টিয়ারোথার্মোফিলাস ব্যাক্টেরিয়া থেকে ট্রিপটোফ্যানিল টিআরএনএ সংশ্লেষের অ্যামিনো অ্যাসিড ক্রমের ওপর গবেষণার জন্য তাঁকে এই ডিগ্রি দেওয়া হয়েছিল।[২৪]গবেষণাকার্যে ব্রায়ান এস. হার্টলে তাঁর তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন।[২৫] পরে, উইন্টার লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজ থেকে একটি এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক্স ইনস্টিটিউট থেকে আর একটি ডক্টরাল পরবর্তী ফেলোশিপের মেয়াদ শেষ করেন।।[২৬]

কর্মজীবন এবং গবেষণা[সম্পাদনা]

পিএইচডি শেষ করার পর, উইন্টার, কেমব্রিজের আণবিক জীববিজ্ঞান গবেষণাগারে তাঁর পোস্টডক্টোরাল গবেষণা শেষ করেন।[২৭][২৮] তিনি প্রোটিন এবং নিউক্লিক অ্যাসিড অনুক্রমের কাজ চালিয়ে গিয়েছিলেন এবং ১৯৮১ সালে এমআরসি আণবিক জীববিজ্ঞান গবেষণাগারে দলনেতা হন। সমস্ত অ্যান্টিবডিগুলির যে একই প্রাথমিক কাঠামো রয়েছে এবং কেবলমাত্র ছোট ছোট পরিবর্তন তাদের একটি লক্ষ্যের জন্য নির্দিষ্ট করে তোলে, তিনি এই ধারণাটিতে আগ্রহী হয়ে উঠলেন। জর্জেস কোহলার এবং সিজার মিলস্টিন আণবিক জীববিজ্ঞানের গবেষণাগারে তাঁদের কাজের জন্য ১৯৮৪ সালের নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, তাঁদের কাজের বিষয়টি ছিল বিভিন্ন অ্যান্টিবডি প্রোটিনের ভিড়ের মধ্যে থেকে পৃথক বা মোনোক্লোনাল অ্যান্টিবডিগুলি আলাদা এবং পুনরুৎপাদন করার পদ্ধতি আবিষ্কার করা, যাতে প্রতিরোধ ব্যবস্থা শরীরের উপর আক্রমণকারী বিদেশী আক্রমণকারীদের সন্ধান এবং ধ্বংস করতে সক্ষম হতে পারে।[২৯] তবে এই মোনোক্লোনাল অ্যান্টিবডিগুলির মানব ওষুধে প্রয়োগ সীমিত ছিল, কারণ ইঁদুরের মোনোক্লোনাল অ্যান্টিবডিগুলি মানুষের প্রতিরোধের প্রতিক্রিয়ার ফলে দ্রুত কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলত, এর ফলে তারা দীর্ঘমেয়াদী কোন সুবিধা প্রদান করতে পারত না।

উইন্টার ইঁদুরের মোনোক্লোনাল অ্যান্টিবডিগুলিকে "মানবিকীকরণ" করার জন্য একটি পদ্ধতি আবিষ্কার করেছিলেন; আণবিক জীববিজ্ঞান ল্যাবরেটরি এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা ক্যাম্পাথ -১ এইচ এর বিকাশে এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করেছিলেন।[৩০] এই অ্যান্টিবডি এখন মাল্টিপল স্ক্লেরোসিসের চিকিৎসার দিশা খুলে দিয়েছে। আজ বাজারে অ্যান্টিবডি ভিত্তিক ওষুধের সংখ্যাগরিষ্ঠের মধ্যে মানবিকীকরণ মোনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি এবং বেশ কয়েকটি প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডি অন্তর্ভুক্ত, এর মধ্যে একটি হল কীট্রুডা, যা নির্দিষ্ট ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে আপনার প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করে।

১৯৮৯ সালে উইন্টার কেমব্রিজ অ্যান্টিবডি টেকনোলজি এবং বাইসাইকেল থেরাপিউটিক্স চিকিৎসা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।[৩১][৩২][৩৩][৩৪]

তিনি কোভাগেন এর বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা বোর্ড নিয়ে কাজ করেছিলেন,[৩৫][৩৬] (এখন সিলাগের অংশ) এবং বায়োসেপ্টর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের বৈজ্ঞানিক পরামর্শদাতা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদেও রয়েছেন।

১৯৮৯ সালে, উইন্টার কেমব্রিজ অ্যান্টিবডি টেকনোলজি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, এটি অ্যান্টিবডি প্রকৌশলের সাথে জড়িত প্রারম্ভিক বাণিজ্যিক জৈবপ্রযুক্তি সংস্থাগুলির মধ্যে একটি। বিকাশপ্রাপ্ত সবচেয়ে সফল অ্যান্টিবডি ঔষধগুলির মধ্যে একটি হল হুমিরা (আদালিমুমাব), এটি কেমব্রিজ অ্যান্টিবডি টেকনোলজি ডি২ই৭ নামে আবিষ্কার করেছিল, এবং অ্যাবট ল্যাবরেটরিজ এর বিকাশ ও বিপণন করেছিল। টিএনএফ আলফার অ্যান্টিবডি হুমিরা ছিল বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণরূপে মানব অ্যান্টিবডি,[৩৭] এটি ২০১৭ সালে বিশ্বের সর্বাধিক বিক্রিত ওষুধের সম্মান লাভ করেছিল, এর বিক্রয়মূল্য পাওয়া গিয়েছিল ১৮ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।[৩৮] অ্যাস্ট্রাজেনেকা ২০০৬ সালে কেমব্রিজ অ্যান্টিবডি টেকনোলজিকে ৭০২ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে অধিগ্রহণ করেছিল।[৩৯]

২০০০ সালে, উইন্টার, ডোমেন অ্যান্টিবডিগুলির ব্যবহারের পথিকৃতের জন্য, দোমন্তিসকে প্রতিষ্ঠা করেছিল, এর সম্পূর্ণ আকারের অ্যান্টিবডিগুলির কেবলমাত্র সক্রিয় অংশ ব্যবহার করত। গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে দোমন্তিসকে ২৩০ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে অধিগ্রহণ করেছিল।[১][৪০]

উইন্টার পরবর্তী সময়ে বাইসাইকেল থেরাপিউটিক্স লিমিটেড নামে একটি সংস্থার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যে সংস্থাটি একটি সমযোজী বন্ধনীকৃত জলবিরোধী মজ্জার উপর ভিত্তি করে খুব ছোট প্রোটিন অনুকরণের বিকাশ করছে।[৪১]

পুরস্কার এবং সম্মান[সম্পাদনা]

স্টকহোমে নোবেল সংবাদ সম্মেলনের সময়, গ্রেগ উইন্টার, ডিসেম্বর ২০১৮

উইন্টার ১৯৯০ সালে রয়েল সোসাইটির ফেলো (এফআরএস) নির্বাচিত হয়েছিলেন,[৪২] প্রোটিন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং থেরাপিউটিক মোনোক্লোনাল অ্যান্টিবডিগুলির অগ্রণী কাজের জন্য এবং "আবিষ্কারক ও উদ্যোক্তা হিসাবে তাঁর অবদানের জন্য" ২০১১ সালে রয়্যাল সোসাইটি কর্তৃক রয়্যাল পদকে ভূষিত করেছেন।[৪৩] ১৯৯৪ সালে তাঁকে শিলে পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।

১৯৯৫ সালে, উইন্টার ঔষধের (আণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা) জন্য কিং ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কার এবং ১৯৯৯ সালে ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট উইলিয়াম বি কোলি পুরস্কার সহ বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কার জিতেছিলেন। উইন্টার আগে প্রোটিন এবং নিউক্লিক এসিড রসায়ন-জৈবপ্রযুক্তি বিভাগের যুগ্ম প্রধান ছিলেন,[৪৪] এবংকেমব্রিজ, আণবিক জীববিজ্ঞানের ল্যাবরেটরিতে উপ-পরিচালক, এটি যুক্তরাজ্য মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল দ্বারা অর্থায়িত একটি সংস্থা। তিনি এমআরসি-প্রোটিন প্রকৌশল সেন্টারের উপ-পরিচালকও ছিলেন, পরে এটি আণবিক জীববিজ্ঞানের ল্যাবরেটরিতে মিশে যায়। তিনি বিজ্ঞান ও প্রকৌশল প্রচারণার জন্য উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।[৪৫] উইন্টার ১৯৯৭ সালে অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (সিবিই) এবং ২০০৪ সালে নাইট ব্যাচেলর নিযুক্ত হন। তিনি ২০১২ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কেস্টারব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টারের দায়িত্ব পালন করেছেন।[৪৬][৪৭] ২০১৫ সালে তিনি উইলহেলম এক্সনার পদক পেয়েছিলেন।[৪৮]

মানবিকীকরণের উদ্ভাবনের জন্য, ২০১৮ সালে উইন্টারকে জর্জ স্মিথ এবং ফ্রান্সিস আর্নল্ডের সাথে রসায়নে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়েছিল।[১৯] ২০২০ সালে তিনি টাইমস বিজ্ঞান শক্তি তালিকায় নিবন্ধিত হয়েছিলেন।[৪৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "GSK snaps up Domantis to move into biotech field"The Independent। ৯ ডিসেম্বর ২০০৬। 
  2. The Scientific Founders ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে of Bicycle Therapeutics Ltd. – Christian Heinis and Sir Greg Winter, FRS.
  3. "EMBO MEMBER: Gregory P. Winter"people.embo.org 
  4. "Doctor Gregory P. WINTER | Jeantet"। ১ অক্টোবর ২০১৭। 
  5. "Announcement of the Prince Mahidol Award 2016"। princemahidolaward.org। ১৪ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭ 
  6. "WINTER, Sir Gregory (Paul)"হু'স হুukwhoswho.com2016 (online Oxford University Press সংস্করণ)। এ অ্যান্ড সি ব্ল্যাক, ব্লুম্‌সবারি পাবলিশিং পিএলসি মুদ্রিত।  (সাবস্ক্রিপশন বা ইউকে পাবলিক লাইব্রেরি সদস্যতা প্রয়োজন) (সদস্যতা প্রয়োজনীয়)
  7. "Sir Gregory P. Winter – Facts – 2018"NobelPrize.org। Nobel Media AB। ৬ অক্টোবর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৮ 
  8. McCafferty, J.; Griffiths, A.; Winter, G.; Chiswell, D. (১৯৯০)। "Phage antibodies: filamentous phage displaying antibody variable domains"। Nature348 (6301): 552–554। এসটুসিআইডি 4258014ডিওআই:10.1038/348552a0পিএমআইডি 2247164বিবকোড:1990Natur.348..552M 
  9. "Trinity College Cambridge"। ৬ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  10. টেমপ্লেট:Scopus
  11. Winter, G; Griffiths, A. D.; Hawkins, R. E.; Hoogenboom, H. R. (১৯৯৪)। "Making antibodies by phage display technology"। Annual Review of Immunology12: 433–455। ডিওআই:10.1146/annurev.iy.12.040194.002245পিএমআইডি 8011287 
  12. Griffiths, A. D.; Williams, S. C.; Hartley, O; Tomlinson, I. M.; Waterhouse, P; Crosby, W. L.; Kontermann, R. E.; Jones, P. T.; Low, N. M.; Allison, T. J. (১৯৯৪)। "Isolation of high affinity human antibodies directly from large synthetic repertoires"The EMBO Journal13 (14): 3245–60। ডিওআই:10.1002/j.1460-2075.1994.tb06626.xপিএমআইডি 8045255পিএমসি 395221অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  13. Hoogenboom, H. R.; Griffiths, A. D.; Johnson, K. S.; Chiswell, D. J.; Hudson, P.; Winter, G. (১৯৯১)। "Multi-subunit proteins on the surface of filamentous phage: Methodologies for displaying antibody (Fab) heavy and light chains"Nucleic Acids Research19 (15): 4133–4137। ডিওআই:10.1093/nar/19.15.4133পিএমআইডি 1908075পিএমসি 328552অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  14. Anon (২০১১)। "The inventor of humanized monoclonal antibodies and cofounder of Cambridge Antibody Technology, Greg Winter, muses on the future of antibody therapeutics and UK life science innovation"। Nature Biotechnology29 (3): 190। এসটুসিআইডি 205275386ডিওআই:10.1038/nbt.1815পিএমআইডি 21390009 
  15. Winter, G.; Fields, S.; Brownlee, G. G. (১৯৮১)। "Nucleotide sequence of the haemagglutinin gene of a human influenza virus H1 subtype"। Nature292 (5818): 72–5। এসটুসিআইডি 4312205ডিওআই:10.1038/292072a0পিএমআইডি 7278968বিবকোড:1981Natur.292...72W  closed access publication – behind paywall
  16. Fields, S.; Winter, G.; Brownlee, G. G. (১৯৮১)। "Structure of the neuraminidase gene in human influenza virus A/PR/8/34"। Nature290 (5803): 213–7। এসটুসিআইডি 8051512ডিওআই:10.1038/290213a0পিএমআইডি 7010182বিবকোড:1981Natur.290..213F  closed access publication – behind paywall
  17. Riechmann, L.; Clark, M.; Waldmann, H.; Winter, G. (১৯৮৮)। "Reshaping human antibodies for therapy"। Nature332 (6162): 323–7। এসটুসিআইডি 4335569ডিওআই:10.1038/332323a0পিএমআইডি 3127726বিবকোড:1988Natur.332..323R  closed access publication – behind paywall
  18. Marks, J. D.; Hoogenboom, H. R.; Bonnert, T. P.; McCafferty, J.; Griffiths, A. D.; Winter, G. (১৯৯১)। "By-passing immunization"। Journal of Molecular Biology222 (3): 581–97। ডিওআই:10.1016/0022-2836(91)90498-Uপিএমআইডি 1748994  closed access publication – behind paywall
  19. "Live blog: direction evolution takes chemistry Nobel prize"। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০১৮ 
  20. "Nobel Prize in Chemistry 2018 – live"The Guardian। ৩ অক্টোবর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০১৮ 
  21. http://www.takedasf.com/corporate/winter.htm  |শিরোনাম= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  22. "Sir Gregory Winter Chairman"। ২৯ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  23. "Greg Winter wins 2018 Nobel Prize for Chemistry - MRC Laboratory of Molecular Biology"MRC Laboratory of Molecular Biology। ৩ অক্টোবর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৮ 
  24. Winter, Gregory Paul (১৯৭৬)। The amino acid sequence of tryptophanyl RNA synthetase from bacillus stearothermophilus (গবেষণাপত্র)। University of Cambridge। ওসিএলসি 500591023টেমপ্লেট:EThOS 
  25. Winter, G. P.; Hartley, B. S. (১৯৭৭)। "The amino acid sequence of tryptophanyl tRNA Synthetase fromBacillus stearothermophilus"। FEBS Letters80 (2): 340–342। আইএসএসএন 0014-5793এসটুসিআইডি 39202845ডিওআই:10.1016/0014-5793(77)80471-7পিএমআইডি 891985 
  26. "King Faisal Prize | Professor Sir Gregory P. Winter"kingfaisalprize.org (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-১০-০৪ 
  27. "Scientific Advisory Board"। Heptares। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৩ 
  28. টেমপ্লেট:Google scholar id
  29. "The Nobel Prize in Physiology or Medicine 1984"NobelPrize.org। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৮ 
  30. "Therapeutic Antibodies - MRC Laboratory of Molecular Biology"MRC Laboratory of Molecular Biology। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৮ 
  31. "Greg Winter"MRC Laboratory of Molecular Biology 
  32. "Sir Gregory Winter | Royal Society" 
  33. Gregory Winter (৮ মে ২০০১)। "Gregory Winter: Executive Profile & Biography – Businessweek"Bloomberg BusinessWeek। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৩ 
  34. "www.bicycletherapeutics.com"। bicycletherapeutics.com। ১০ ডিসেম্বর ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৩ 
  35. "Covagen AG | September 2011: Sir Gregory Winter joins Covagen's Scientific Advisory Board"। Covagen.com। ২০ সেপ্টেম্বর ২০১১। ২৬ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৩ 
  36. "Covagen AG | Scientific Advisory Board"। Covagen.com। ২৬ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৩ 
  37. Lawrence, Stacy (২০০৭)। "Billion dollar babies—biotech drugs as blockbusters"। Nature Biotechnology25 (4): 380–2। এসটুসিআইডি 205266758ডিওআই:10.1038/nbt0407-380পিএমআইডি 17420735  closed access publication – behind paywall
  38. "Global Pharmaceutical 2017 Industry Statistics" (PDF)। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০১৮ 
  39. http://www.astrazeneca.com/media/latest-press-releases/2006/5266?itemId=3891617 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে
  40. GSK is to buy Domantis – a company based on discoveries by MRC scientists ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৬ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে LMB webpage
  41. Heinis, C.; Rutherford, T.; Freund, S.; Winter, G. (২০০৯)। "Phage-encoded combinatorial chemical libraries based on bicyclic peptides"। Nature Chemical Biology5 (7): 502–507। ডিওআই:10.1038/nchembio.184পিএমআইডি 19483697  closed access publication – behind paywall
  42. "Sir Gregory Winter CBE FMedSci FRS"। London: Royal Society। ১৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  43. "Royal Society announces 2011 Copley Medal recipient"। Royal Society। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  44. "LMB Structure"। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  45. "Advisory Council of the Campaign for Science and Engineering"। ২৮ আগস্ট ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  46. "Sir Gregory Winter CBE FRS appointed Master of Trinity College, Cambridge University"। 10 Downing Street। ১৬ ডিসেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৩ 
  47. "Master of Trinity College, Cambridge &' events"। University of Cambridge। ১২ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৩ 
  48. Sir Gregory Winter, retrieved on 17 March 2020 in Wilhelmexner.org
  49. Franklin-Wallis, Oliver (২৩ মে ২০২০)। "From pandemics to cancer: the science power list"The Times (ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0140-0460। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-২৬ 

টেমপ্লেট:CC-notice

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

including the Nobel Lecture on 8 December 2018 Harnessing Evolution to Make Medicines