রিচার্ড আডলফ জিগমন্ডি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Richard Adolf Zsigmondy
রিচার্ড আডলফ জিগমন্ডি.jpg
জন্ম(১৮৬৫-০৪-০১)১ এপ্রিল ১৮৬৫
মৃত্যু২৩ সেপ্টেম্বর ১৯২৯(1929-09-23) (বয়স ৬৪)
জাতীয়তাFlag of Hungary.svg Hungarian
Flag of Austria.svg Austrian
মাতৃশিক্ষায়তনTechnical University of Vienna
University of Munich
দাম্পত্য সঙ্গীLaura Luise Müller
সন্তানAnnemarie
Käthe
পিতা-মাতাAdolf Zsidmondy
Irma Szakmáry
আত্মীয়Frigyes Schulek (cousin)
Dénes Zsigmondy
পুরস্কারNobel Prize in Chemistry (1925)
বৈজ্ঞানিক কর্মজীবন
কর্মক্ষেত্রChemistry
প্রতিষ্ঠানসমূহUniversity of Vienna
Technical University of Vienna
University of Munich
University of Graz
University of Göttingen
ডক্টরাল উপদেষ্টাWilhelm von Miller
যাদেরকে প্রভাবিত করেছেনAugust Kundt
রিচার্ড আডলফ জিগমন্ডি এর কবর

রিচার্ড অ্যাডলফ জিগমন্ডি (১ এপ্রিল ১৮৬৫ - ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯২৯) ছিলেন একজন অস্ট্রীয়-হাঙ্গেরীয় রসায়নবিদ। তিনি কলয়েডের গবেষণার জন্য পরিচিত ছিলেন, যার জন্য তিনি ১৯২৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

জীবনী[সম্পাদনা]

জিগমন্ডি অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় হাঙ্গেরীয় পিতামাতার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। জিগমন্ডি পরিবারের সদস্যরা লুথেরান ছিলেন রিচার্ড ১৮৮০ সালে তার পিতার প্রাথমিক মৃত্যুর পর তার মায়ের কাছে লালিত পালিত হন এবং ব্যাপক পরিসরে শিক্ষা লাভ করেন। তিনি তার ভাইবোনদের সঙ্গে আরোহণ এবং পর্বতারোহণ উপভোগ করেন। তার বড় ভাই, অটো (একজন দন্ত চিকিৎসক) এবং এমিল (একজন চিকিৎসক) সুপরিচিত পর্বতারোহী ছিলেন; তার ছোট ভাই কার্ল জিগমন্ডি ভিয়েনার একজন উল্লেখযোগ্য গণিতবিদ হয়ে ছিলেন। উচ্চ বিদ্যালয়ে রিচার্ড প্রাকৃতিক বিজ্ঞান, বিশেষ করে রসায়ন এবং পদার্থবিজ্ঞান এর প্রতি আগ্রহী উঠেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

তিনি ভিয়েনা মেডিকেল ফ্যাকাল্টি বিশ্ববিদ্যালয়ে তার একাডেমিক কর্মজীবন শুরু করেন, কিন্তু শীঘ্রই ভিয়েনার কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয়, এবং পরে মিউনিখ বিশ্ববিদ্যালয়ে, উইলহেল্ম ফন মিলার (১৮৪৮-১৮৯৯) এর অধীনে রসায়ন অধ্যয়ন করতে শুরু করেন। মিউনিখে তিনি ইনডেন এর উপর গবেষণা পরিচালনা করেন এবং ১৮৮৯ সালে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। [২]

জিগমন্ডি বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ে আগস্ট কুন্ডের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ যোগদানের জন্য জৈব রসায়ন বিভাগ ত্যাগ করেন, এবং ১৮৯৩ সালে গ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি তার হ্যাবিলিটেশন সম্পন্ন করেন। কাঁচ এবং এর রঙ সম্পর্কে তার জ্ঞানের কারণে, ১৮৯৭ সালে স্কট গ্লাস ফ্যাক্টরি তাকে একটি চাকরির প্রস্তাব দেয় যা তিনি গ্রহণ করেন। তিনি জেনার মিলচগ্লাস আবিষ্কার করেন এবং লাল রুবি গ্লাস নিযে কিছু গবেষণা পরিচালনা করেন। [৩]

জেসিগমন্ডি ১৯০০ সালে স্কট গ্লাস কোম্পানি ত্যাগ করেন, কিন্তু তার গবেষণা পরিচালনার জন্য প্রভাষক হিসেবে জেনাতে থেকে যান। গোটিঙ্গেন বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি অজৈব রসায়ন অধ্যাপক হিসেবে তার পেশাগত জীবনের বাকি সময় অতিবাহিত করেন। ১৯২৫ সালে জিগমন্ডি কলয়েড এবং আল্ট্রামাইক্রোস্কোপের মত পদ্ধতির উপর তার কাজের জন্য রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

জিগমন্ডি জৈব রসায়নে তার পিএইচডি সমাপ্ত করার আগে, তিনি রৌপ্য লবণ এবং দ্রবীভূত রৌপ্য কণা এর উপর গবেষণা প্রকাশ করেন।

গ্রাজে থাকাকালীন সময়ে, জিগমন্ডি তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য গবেষণা কাজ সম্পন্ন করেন যা ছিল কলয়েডের রসায়নের উপর। ক্র্যানবেরি বা রুবি গ্লাসের লাল রঙ এর সঠিক পদ্ধতি নির্ণয় তারই কলয়েড গবেষণার ফলাফল। পরবর্তী বছরগুলোতে তিনি গোল্ড হাইড্রোসল এর উপর কাজ করেন এবং প্রোটিন সমাধান চিহ্নিত করতে সেগুলি ব্যবহার করেন। জেনাতে থাকাকালীন সময়ে তিনি হেনরি সিডেনটোফ এর সঙ্গে একটি আল্ট্রামাইক্রোস্কোপ তৈরি করেন। তিনি গোটিঙ্গেনে চলে যাওয়ার পর, ১৯১২ সালে ইমার্সন আল্ট্রামাইক্রোস্কোপ চালু করেন।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

১৯০৩ সালে জিগমন্ডি লরা লুইস মুলারকে বিয়ে করেন, যার সাথে তার দুই কন্যা ছিল।কন্যাদের নাম যথাক্রমে অ্যানেমারি এবং কাতে। তিনি ১৯২৯ সালে অবসর গ্রহণের কয়েক বছর পর জার্মানির গোটিঙ্গেনে মারা যান।

তিনি স্থপতি ফ্রিগিস শুলেকের চাচাতো ভাই ছিলেন, যার মা ছিলেন অগুসতা জিগমন্ডি। তিনি বেহালাবাদক ডেনেস জিগমন্ডি এর সাথে তার আত্মীয়গতভাবে সম্পর্কিত।


তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Richard C. Frucht (২০০৫)। Eastern Europe: an introduction to the people, lands, and cultureABC-CLIO। পৃষ্ঠা 394। আইএসবিএন 9781576078006। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৬-০৬ 
  2. Miller, W. V.; Rohde, G. (১৮৮৯)। "Zur Synthese von Indenderivaten"Berichte der Deutschen Chemischen Gesellschaft22 (2): 1881–1886। ডিওআই:10.1002/cber.18890220227 
  3. Zsigmondy, R. (১৮৯৮)। "Ueber wässrige Lösungen metallischen Goldes"Justus Liebig's Annalen der Chemie301 (1): 29–54। ডিওআই:10.1002/jlac.18983010104