ইসরায়েল

স্থানাঙ্ক: ৩১° উত্তর ৩৫° পূর্ব / ৩১° উত্তর ৩৫° পূর্ব / 31; 35
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(Israel থেকে পুনর্নির্দেশিত)
ইসরায়েল

সঙ্গীত: হাতিকভাহ
(বাংলা: "আশা"
Location of Israel (in green) on the globe.
১৯৪৯ এর আর্মিস্টাইস বর্ডার (গ্রিন লাইন)
১৯৪৯ এর আর্মিস্টাইস বর্ডার (গ্রিন লাইন)
রাজধানী
ও বৃহত্তম নগরী বা বসতি
জেরুসালেম (সীমিত স্বীকৃতি)[fn ১]
৩১°৪৭′ উত্তর ৩৫°১৩′ পূর্ব / ৩১.৭৮৩° উত্তর ৩৫.২১৭° পূর্ব / 31.783; 35.217
সরকারি ভাষাহিব্রু
স্বীকৃত ভাষাআরবি[fn ২]
জাতিগোষ্ঠী
(২০১৯)
ধর্ম
(২০১৯)
জাতীয়তাসূচক বিশেষণইসরায়েলি
সরকারএককেন্দ্রিক সংসদীয় সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র
রিউভেন রিভলিন
বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু
ইয়ারিভ লেভিন
এস্থার হায়ুত
আইন-সভানেসেট
ব্রিটিশ সাম্রাজ্য থেকে স্বাধীনতা
১৪ই মে ১৯৪৮[১৫]
১১ই মে ১৯৪৯
১৯৫৮–২০১৮
আয়তন
• মোট
২০,৭৭০–২২,০৭২ কিমি (৮,০১৯–৮,৫২২ মা)[a] (১৫০তম)
• পানি/জল (%)
২.৭১ (২০১৫ অনুযায়ী)[১৬]
জনসংখ্যা
• ২০২১ আনুমানিক
৯,৩৪৮,৮৫০[১৭][fn ৩] (৯৯তম)
• ২০০৮ আদমশুমারি
৭,৪১২,২০০[১৮][fn ৩]
• ঘনত্ব
৪২৪ /কিমি (১,০৯৮.২ /বর্গমাইল) (৩৫তম)
জিডিপি (পিপিপি)২০২০[২১] আনুমানিক
• মোট
বৃদ্ধি $৩৭২.৩১৪ বিলিয়ন[fn ৩] (৫১তম)
• মাথাপিছু
বৃদ্ধি $৪০,৩৩৬[fn ৩] (৩৪তম)
জিডিপি (মনোনীত)২০২০[২১] আনুমানিক
• মোট
বৃদ্ধি $৪১০.৫০১ বিলিয়ন[fn ৩] (৩১তম)
• মাথাপিছু
বৃদ্ধি $৪৪,৪৭৪[fn ৩] (১৯তম)
জিনি (২০১৮)৩৪.৮[fn ৩][২২]
মাধ্যম · ৪৮তম
এইচডিআই (২০১৯)বৃদ্ধি ০.৯১৯[fn ৩][২৩]
অতি উচ্চ · ১৯তম
মুদ্রাইসরায়েলি শেকেল (‎) (ILS)
সময় অঞ্চলইউটিসি+২ (ইসরায়েলি মান সময়)
• গ্রীষ্মকালীন (ডিএসটি)
ইউটিসি+৩ (ইসরায়েলি গ্রীষ্ম সময়)
তারিখ বিন্যাস
গাড়ী চালনার দিকডান
কলিং কোড+৯৭২
আইএসও ৩১৬৬ কোডIL
ইন্টারনেট টিএলডি.il
.ישראל
  1. ^ ২০,৭৭০ কিমি হলো গ্রিন লাইনের মধ্যে ইসরায়েল। ২২,০৭২ কিমি এর মধ্যে আত্মসাৎকৃত গোলান মালভূমি (আনুমানিক ১,২০০ কিমি (৪৬০ মা)) এবং পূর্ব জেরুসালেম (আনুমানিক ৬৪ কিমি (২৫ মা)) অন্তর্ভুক্ত।

ইসরায়েল (হিব্রু ভাষায়: מְדִינַת יִשְׂרָאֵלমেদিনাত্‌ য়িস্‌রা'এল্‌ ; আরবি: دَوْلَةْ إِسْرَائِيل‎‎ দাউলাত্‌ ইস্‌রা'ঈল্‌) পশ্চিম এশিয়া তথা মধ্যপ্রাচ্যের একটি রাষ্ট্র। এটি ভূমধ্যসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব তীরে ও লোহিত সাগরের উত্তর তীরে অবস্থিত। দেশটির উত্তর স্থলসীমান্তে লেবানন, উত্তর-পূর্বে সিরিয়া, পূর্বে জর্দানফিলিস্তিনি-অধ্যুষিত ভূখণ্ড পশ্চিম তীর, পশ্চিমে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজা উপত্যকা এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে মিশর অবস্থিত।

ইসরায়েল সমগ্র জেরুসালেম শহরকে তার রাজধানী হিসেবে দাবী করে আসছে, যদিও এই মর্যাদা সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রই স্বীকার করে না।[২৪] শহরের পশ্চিমভাগ ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণাধীন এবং এখানে দেশটির সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি অবস্থিত।[টীকা ১] অর্থনৈতিকভাবে ইসরায়েল একটি অত্যন্ত উন্নত শিল্পপ্রধান রাষ্ট্র। ভূমধ্যসাগরের উপকূলে অবস্থিত তেল আবিব দেশটির অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত প্রাণকেন্দ্র এবং বৃহত্তম নগর এলাকা।[২৫] ইসরায়েলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গুয়াতেমালা ও ইতালি ব্যতীত অন্য ৮৭টি দেশের দূতাবাস তেল আবিব নগর বা জেলায় অবস্থিত (২০২১ সালের তথ্যানুযায়ী)।[২৬] স্থূল আভ্যন্তরীণ উৎপাদনের হিসেবে ইসরায়েল বিশ্বের ৩৪তম বৃহত্তম অর্থনীতি। দেশটি অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার সদস্যরাষ্ট্র। বিশ্বব্যাংকের হিসাবমতে জাপানদক্ষিণ কোরিয়ার সাথে এটি এশিয়ার ৩টি উচ্চ-আয়ের রাষ্ট্রগুলির একটি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের মতে এটি বিশ্বের ৩৯টি অগ্রসর অর্থনীতিসমৃদ্ধ দেশগুলির একটি।

ইসরায়েলে প্রায় ৮৩ লক্ষ লোকের বাস। এটি মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ; এখানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৩৮১ জন অধিবাসী বাস করে। এদের মধ্যে ৬১ লক্ষ ইহুদী জাতি ও ধর্মাবলম্বী এবং ১৭ লক্ষ আরব জাতিভুক্ত (যাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান)। এটিই বিশ্বের একমাত্র রাষ্ট্র যেখানে ইহুদীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়। ইসরায়েলের জনগণ অত্যন্ত উচ্চশিক্ষিত; এখানকার প্রায় অর্ধেক জনগণের (২৫-৬৪ বছর বয়সীদের মধ্যে) বিশ্ববিদ্যালয় বা তার সমপর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা আছে, যা বিশ্বের ৩য় সর্বোচ্চ।[২৭] দেশটির জীবনযাত্রার মান সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ, এশিয়াতে ৫ম এবং বিশ্বে ১৯তম।[২৩]

ইসরায়েল নিজেকে একটি ইহুদী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে দাবী করে। এখানে একটি প্রতিনিধিত্বমূলক সংসদীয় গণতন্ত্র বিদ্যমান। এর এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভার নাম ক্নে‌সেত। প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।

ইসরায়েলের জন্ম, ইতিহাস ও রাজনীতি মধ্যপ্রাচ্য সংকটের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। স্বাধীনতা ঘোষণার পর থেকেই ইসরায়েল প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলির সাথে বেশ কয়েকবার যুদ্ধে লিপ্ত হয়। দেশটি ১৯৬৭ সাল থেকে ফিলিস্তিনি-অধ্যুষিত পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা সামরিকভাবে দখল করে আছে। বর্তমানে পৃথিবীর ১৬১টি রাষ্ট্র ইসরায়েলকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও ৩১টি রাষ্ট্র (মূলত মুসলমান অধ্যুষিত) এখনও ইসরায়েলের সার্বভৌমত্ব মেনে নেয়নি এবং দেশটির সাথে তাদের কোনও কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তাদের অনেকের মতে ইসরায়েল স্বাধীন রাষ্ট্র ফিলিস্তিনের একটি অংশের অবৈধ দখলদার বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত ভূখণ্ড। তবে নিকটতম দুই আরব প্রতিবেশী মিশরজর্দানের সাথে ইসরায়েল শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেছে ও দেশ দুইটির স্বীকৃতিও লাভ করেছে।

নামকরণের ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৪৮ সালে দেশটির স্বাধীনতা লাভের সময় নাম রাখা হয় 'স্টেট অব ইসরায়েল', হিব্রু ভাষায় নাম রাখার কথা ভাবা হয়েছিলো যেমন: ইস্রায়েল দেশ, সিয়োন অথবা যিহূদিয়া। তবে ইসরায়েল নামটি হিব্রু এবং আরবি দুটো ভাষারই হওয়াতে এই নাম রাখারই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।[২৮]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

সপ্তম শতকে মুসলিমরা ইসরায়েল ভূখণ্ডটি তাদের দখলে নিয়ে নেয়, ১০৯৯ সালে এটি খ্রিস্টানদের দখলে যায়, ১১৮৭ সালে এটি আবার আইয়ুবীয় রাজবংশ এর অধীনে চলে যায়, ত্রয়োদশ শতাব্দীতে ইসরায়েল মিশরের মামলুক সুলতান এর নিয়ন্ত্রণে আসে, ১৫১৭ সালে এটি উসমানীয় সাম্রাজ্যভুক্ত হয়; ইহুদীরা সপ্তম শতাব্দী থেকেই বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে বেড়িয়েছে এবং পরে তারা ইউরোপ মহাদেশে পাড়ি জমায়।[২৯]

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্কের উসমানীয় সাম্রাজ্যের পতনের পর ইসরায়েল ভূখণ্ডটি ব্রিটিশরা তাদের অধীনে নিয়ে নেয় এবং নাম রাখে 'মেন্ডেটরি প্যালেস্টাইন'।[৩০] ১৯১৭ সালের ২রা নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার জেমস বালফোর ইহুদীবাদীদেরকে লেখা এক পত্রে ফিলিস্তিনী ভূখণ্ডে একটি ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেন। বেলফোর ঘোষণার মাধ্যমে ফিলিস্তিনে ইহুদিদের আলাদা রাষ্ট্রের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয় এবং বিপুলসংখ্যক ইহুদি ইউরোপ থেকে ফিলিস্তিনে এসে বসতি স্থাপন করতে থাকে।

১৯২৩ সালে স্বাধীন তুরস্কের জন্ম হলে এই অঞ্চলে ইহুদীরা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য উদগ্রীব হয়ে যান। ইউরোপের বিভিন্ন দেশ যেমন ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, নরওয়ে, পোল্যান্ড, গ্রীস এবং সুইজাল্যান্ডে বসবাসকারী ইহুদীদেরকে নেতারা আহ্বান জানান ইসরায়েলে বসতি গড়তে। তাছাড়া ব্রিটিশ সরকার ইহুদীদেরকে তাদের নিজস্ব ভূমি ছেড়ে দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে প্রায় আড়াই লাখ ইহুদী মানুষ ইসরায়েল ভূখণ্ডে পাড়ি জমায়।[৩১]

১৯২১ সালে ইহুদীরা 'হাগানাহ' নামের এক বাহিনী তৈরি করে।[৩২] এ বাহিনী ইহুদীবাদীদের রাষ্ট্র তৈরির কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রথমে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ইহুদীবাদীদের সহায়তা করা হাগানাহ বাহিনীর দায়িত্ব হলেও পরবর্তীকালে তারা আধা-সামরিক বাহিনীতে পরিণত হয় এবং স্বাধীনতার পরে এই বাহিনী ইসরায়েলের মূল সামরিক বাহিনী গঠন করে।[৩৩]

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হলে ইউরোপ থেকে আরো ইহুদী মানুষ ইসরায়েলে আসে এবং তাদের অনেককেই হাগানাহ সহ অন্যান্য বাহিনীতে নেওয়া হয় ভবিষ্যৎ যুদ্ধের মোকাবেলা করার জন্য।[৩৪]

১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিনী ভূখণ্ডকে দ্বিখণ্ডিত করা সংক্রান্ত ১৮১ নম্বর প্রস্তাব গৃহীত হয়। জাতিসংঘ ফিলিস্তিনকে দ্বিখণ্ডিত করার প্রস্তাব পাশ করে ৪৫ শতাংশ ফিলিস্তিনীদের এবং বাকি ৫৫ শতাংশ ভূমি ইহুদীবাদীদের হাতে ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।[৩৫] এভাবে ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইসরায়েল স্বাধীনতা ঘোষণা করে। ড্যাভিড বেন গুরিয়ন ইসরায়েলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।[৩৬]

১৯৪৮ সালের ১৭ মে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ইসরায়েলকে প্রথম স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।[৩৭] ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে তুরস্ক সরকার ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম মুসলিমসংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ছিলো।[৩৮][৩৯]

রাজনীতি[সম্পাদনা]

ইসরায়েলের রাজনীতি একটি সংসদীয় প্রতিনিধিত্বমূলক বহুদলীয় গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কাঠামোয় সংঘটিত হয়। রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের প্রধান। সরকারপ্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী। রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা তার উপর ন্যস্ত।[৪০] আইন প্রণয়নের ক্ষমতা নেসেট নামের আইনসভার উপর ন্যস্ত।[৪১] বিচার বিভাগ নির্বাহী ও আইন প্রণয়ন বিভাগ থেকে স্বাধীন।[৪২]

পররাষ্ট্র নীতি[সম্পাদনা]

ইসরায়েলের সঙ্গে ১৭০টি দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আছে।[৪৩] তবে ফিলিস্তিন বিবাদের জন্য মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে শীতল সম্পর্ক রয়েছে।[৪৪]

প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ[সম্পাদনা]

ইসরায়েলে ছয়টি জেলা আছে, এগুলো হলোঃ জেরুসালেম জেলা, উত্তর জেলা, হায়ফা জেলা, মধ্য জেলা, তেল আবিব জেলা এবং দক্ষিণ জেলা এবং জুডিয়া এ্যান্ড সামারিয়া এলাকা।[৪৫]

সামরিক বাহিনী[সম্পাদনা]

ইসরায়েলের সশস্ত্র বাহিনী (ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস, সংক্ষেপে আইডিএফ) তিনটি মিলিটারি সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত।[৪৬] সংস্থাগুলো হচ্ছে স্থলবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী।[১৫] তিন বাহিনীকে এক বাহিনী ধরা হয়; এই বাহিনী দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন। অফিশিয়ালি ইসরায়েল সশস্ত্র বাহিনী প্রতিষ্ঠা করা হয় ১৯৪৮ সালের ২৬ মে কেবিনেটের সিদ্ধান্তক্রমে। এ জন্য লিখিত আদেশ দেয় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ১৯৪৮ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় বাধ্যতামূলকভাবে অনেক ইহুদিকে এই বাহিনীতে নিয়োগ দেয়া হয়। এ ছাড়াও ইহুদিদের তিনটি সংগঠন হাগানাহ, ইরগান ও লেহির সদস্যদের নিয়ে প্রাথমিকভাবে এই বাহিনী গঠন করা হয়। যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠা আর নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে অনেকগুলো যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে হয় এই বাহিনীকে।[১৫]

বিভিন্ন দেশের সাথে এই বাহিনীর অস্ত্র ও প্রযুক্তির বেশ পার্থক্য রয়েছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মারকাভা মেইন ব্যাটল ট্যাঙ্ক, উজি সাব মেশিনগান এবং গালিল ও টাভর অ্যাসল্ট রাইফেল। আইডিএফ’র উন্নয়নে বিভিন্ন খাতে অর্থসহযোগিতা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য খাত হচ্ছে এফ-১৫১ জেট বিমান, টিএইচ।[১৫]

ইসরায়েলি বিমান বাহিনী[সম্পাদনা]

  • লকহিড মার্টিন এফ-৩৫ লাইটনিং দ্বিতীয়
  • এফ-১৬ ফাইটনিং ফ্যালকন
  • ম্যাকডনেল ডগলাস এফ-১৫ ই স্ট্রাইক ইগল
  • এফ-১৫ ঈগল

ভূগোল[সম্পাদনা]

ইসরায়েল পশ্চিম এশিয়াতে ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত। এই ভূমধ্যসাগরীয় উপকূল ধরে সমভূমি অবস্থিত। ইসরায়েলের দক্ষিণে রয়েছে বিশাল নেগেভ মরুভূমি আর উত্তরে আছে বরফাবৃত পর্বতমালা। দক্ষিণে লোহিত সাগরে এক চিলতে প্রবেশপথ আছে।[৪৭][৪৮]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

ইসরায়েলের অর্থনীতি আধুনিক পশ্চিমা অর্থনীতির সমপর্যায়ের। ইসরায়েলের নিজস্ব সম্পদের পরিমাণ খুব কম। দেশটি ১৯৭০-এর দশক থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ আর্থিক অনুদান পেয়ে আসছে, তবে ১৯৯৮-এর পর এই অনুদানের পরিমাণ কমিয়ে দেয়া হয়। ইসরায়েল ও.ই.সি.ডি. (অরগ্যানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো - অপারেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট) এর সদস্য। দেশটির মানুষের জীবনযাত্রার মান খুবই উন্নত এবং ২০১২ সাল অনুযায়ী দেশটির মাথাপিছু আয় ৩৫,০০০ মার্কিন ডলার।[৪৯][৫০] ইসরায়েলের উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা এবং সরকারের ভালো সদিচ্ছা থাকার কারণে দেশটিতে বেকারত্ব খুবই কম।[৫১]

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

ইসরায়েলের জনসংখ্যা প্রায় ৯ মিলিয়ন।

ভাষা[সম্পাদনা]

ইসরায়েল ভাষাগত ও সংস্কৃতিগতভাবে বিচিত্র। এথনোলগের ১৫শ সংস্করণ অনুসারে ইসরায়েলে ৩৩টির মত ছোট-বড় ভাষা ও উপভাষা প্রচলিত[৫২]। ইসরায়েলি নাগরিকেরা নিজেদের মধ্যে ভাব আদান প্রদানের জন্য মূলত আধুনিক হিব্রু ভাষা ব্যবহার করেন। আধুনিক হিব্রু ভাষাটি ১৯শ শতকের শেষ দিকে প্রাচীন হিব্রু ভাষার বিভিন্ন উপভাষার উপর ভিত্তি করে সৃষ্টি হয়েছিল এবং এতে স্লাভীয়জার্মানিয় ভাষাসমূহের কিছু প্রভাব আছে। ভাষার সরকারি মর্যাদা ও ভাষা সংক্রান্ত নীতিমালার উপর ইসরায়েলে বেশ কিছু আইন আছে। বর্তমানে হিব্রুআরবি ইসরায়েলের সরকারি ভাষা।[৫৩]

সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

ইসরায়েলের সংস্কৃতি পশ্চিমা ঘরানার।[৫৪]

পর্যটন[সম্পাদনা]

ইসরায়েলের পর্যটন মূলত ইহুদী, ইসলাম ধর্মের পবিত্র ও ঐতিহাসিক স্থানগুলিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। দেশটির সর্বত্র ইহুদী ধর্মের ও সভ্যতার স্মৃতিবিজড়িত নানা প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। ইহুদীদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় শহর এবং মুসলিম ও খ্রিস্টানদেরও গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান হল জেরুজালেম শহর। জেরুজালেমের ইহুদী মন্দির ও পশ্চিম দেওয়াল বিখ্যাত। এছাড়া আছে যিশুখ্রিস্টের জন্মস্থান বেথেলহেম, বাসস্থান নাজারেথ।এখানে হারাম আল শরীফ তথা আল-আকসা মসজিদ অবস্থিত।ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ যা মুসলিমদের প্রথম কিবলা হিসাবে পরিচিত। ভূমধ্যসাগরের তীর জুড়ে রয়েছে অনেক অবকাশ যাপন কেন্দ্র। আরও আছে লবণাক্ত মৃত সাগর, যার পানিতে ভেসে থাকা যায়। লোহিত সাগরের উপকূল এবং গ্যালিলির সাগরের উপকূলেও অনেক অবকাশ কেন্দ্র আছে।[৫৫]

গ্যালারি[সম্পাদনা]

টীকা[সম্পাদনা]

  1. The Jerusalem Law states that "Jerusalem, complete and united, is the capital of Israel" and the city serves as the seat of the government, home to the President's residence, government offices, supreme court, and parliament. The United Nations and most countries do not accept the Jerusalem Law (see Kellerman 1993, পৃ. 140) and maintain their embassies in other cities such as Tel Aviv, Ramat-Gan, and Herzliya(see the CIA Factbook and Map of Israel) The Palestinian Authority sees East Jerusalem as the capital of a future Palestinian State and the city's final status awaits future negotiations between Israel and the Palestinian Authority (see "Negotiating Jerusalem", University of Maryland ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৪ মে ২০০৬ তারিখে). See Positions on Jerusalem for more information.

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Australia recognises West Jerusalem as Israeli capital"BBC News। ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৪ আগস্ট ২০২০ 
  2. "Foreign Ministry statement regarding Palestinian-Israeli settlement"www.mid.ru। ৬ এপ্রিল ২০১৭। 
  3. "Czech Republic announces it recognizes West Jerusalem as Israel's capital"Jerusalem Post। ৬ ডিসেম্বর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৬ ডিসেম্বর ২০১৭The Czech Republic currently, before the peace between Israel and Palestine is signed, recognizes Jerusalem to be in fact the capital of Israel in the borders of the demarcation line from 1967." The Ministry also said that it would only consider relocating its embassy based on "results of negotiations. 
  4. "Honduras recognizes Jerusalem as Israel's capital"The Times of Israel। ২৯ আগস্ট ২০১৯। 
  5. "Guatemala se suma a EEUU y también trasladará su embajada en Israel a Jerusalén" [Guatemala joins US, will also move embassy to Jerusalem]। Infobae (স্পেনীয় ভাষায়)। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭।  Guatemala's embassy was located in Jerusalem until the 1980s, when it was moved to Tel Aviv.
  6. "Nauru recognizes J'lem as capital of Israel"Israel National News (ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ আগস্ট ২০১৯। 
  7. "Trump Recognizes Jerusalem as Israel's Capital and Orders U.S. Embassy to Move"The New York Times। ৬ ডিসেম্বর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৬ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  8. Frot, Mathilde (৪ সেপ্টেম্বর ২০২০)। "Kosovo to normalise relations with Israel"The Jewish Chronicle। সংগ্রহের তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  9. "Kosovo and Serbia hand Israel diplomatic boon after US-brokered deal"The Guardian। ৪ সেপ্টেম্বর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  10. "Arabic in Israel: an official language and a cultural bridge"Israel Ministry of Foreign Affairs। ১৮ ডিসেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০১৮ 
  11. "Israel Passes 'National Home' Law, Drawing Ire of Arabs"The New York Times (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ জুলাই ২০১৮। 
  12. Lubell, Maayan (১৯ জুলাই ২০১৮)। "Israel adopts divisive Jewish nation-state law"Reuters 
  13. "Press Releases from the Knesset"Knesset website। ১৯ জুলাই ২০১৮। The Arabic language has a special status in the state; Regulating the use of Arabic in state institutions or by them will be set in law. 
  14. Israel's Independence Day 2019 (PDF) (প্রতিবেদন)। Israel Central Bureau of Statistics। ৬ মে ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০১৯ 
  15. Qposter-লেখকঃ মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান। "ইসরাইলের সমরশক্তি"www.qposter.com। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  16. "Surface water and surface water change"। Organisation for Economic Co-operation and Development (OECD)। সংগ্রহের তারিখ ১১ অক্টোবর ২০২০ 
  17. "Home page"। Israel Central Bureau of Statistics। সংগ্রহের তারিখ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 
  18. Population Census 2008 (PDF) (প্রতিবেদন)। Israel Central Bureau of Statistics। ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০১৬ 
  19. OECD 2011
  20. Quarterly Economic and Social Monitor, Volume 26, October 2011, p. 57: "When Israel bid in March 2010 for membership in the 'Organization for Economic Co-operation and Development'... some members questioned the accuracy of Israeli statistics, as the Israeli figures (relating to gross domestic product, spending and number of the population) cover geographical areas that the Organization does not recognize as part of the Israeli territory. These areas include East Jerusalem, Israeli settlements in the West Bank and the Golan Heights."
  21. "World Economic Outlook Database, October 2019"International Monetary Fund। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  22. "Income inequality"data.oecd.org। OECD। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০২০ 
  23. Human Development Report 2020 The Next Frontier: Human Development and the Anthropocene (PDF)। United Nations Development Programme। ১৫ ডিসেম্বর ২০২০। পৃষ্ঠা 343–346। আইএসবিএন 978-92-1-126442-5। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০২০  উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "HDI" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  24. Kate Samuelson (ডিসেম্বর ১৬, ২০১৬), Why Jerusalem Isn't Recognized as Israel's Capital, Time Magazine 
  25. https://www.algemeiner.com/2015/09/30/tel-aviv-ranked-among-worlds-top-financial-centers/
  26. "Embassies and Consulates in Israel"। সংগ্রহের তারিখ 29 april 2021  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  27. "OECD.Stat Education and Training > Education at a Glance > Educational attainment and labor-force status > Educational attainment of 25-64 year-olds"। OECD। 
  28. "Popular Opinion"The Palestine Post। Jerusalem। ৭ ডিসেম্বর ১৯৪৭। পৃষ্ঠা 1। ১৫ আগস্ট ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  29. ""Aliyah": The Word and Its Meaning"। ২০০৫-০৫-১৫। ২০০৯-১২-১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৪-২৯ 
  30. "League of Nations decision confirming the Principal Allied Powers' agreement on the territory of Palestine"। ২০১৩-১১-২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  31. "Transfer Agreement"। Transfer Agreement। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৪-২৯ 
  32. "The Role of Jewish Defense Organizations in Palestine (1903–1948)"। Jewish Virtual Library। 
  33. Ilan Pappé (2000), p.79
  34. Hakohen, Devorah (২০০৩), Immigrants in Turmoil: Mass Immigration to Israel and Its Repercussions in the 1950s and After, Syracuse University Press, পৃষ্ঠা 267, আইএসবিএন 9780815629696 
  35. "A/RES/181(II) of 29 November 1947"। United Nations। ১৯৪৭। সংগ্রহের তারিখ ৮ ডিসেম্বর ২০১২ 
  36. Brenner, Michael; Frisch, Shelley (এপ্রিল ২০০৩)। Zionism: A Brief History। Markus Wiener Publishers। পৃষ্ঠা 184। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০১১ 
  37. Hashim S. H. Behbehani (১৯৮৬)। The Soviet Union and Arab nationalism, 1917-1966। Routledge। পৃষ্ঠা 69। আইএসবিএন 978-0-7103-0213-7 
  38. "Timeline of Turkish-Israeli Relations, 1949–2006" (PDF)। ১৯ মার্চ ২০০৯ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 
  39. "Turkey and Israel"। SMI। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ মে ২০১০ 
  40. "Field Listing — Executive Branch"The World Factbook। Central Intelligence Agency। ১৯ জুন ২০০৭। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুলাই ২০০৭ 
  41. "The Electoral System in Israel"। The Knesset। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০০৭ 
  42. "The Judiciary: The Court System"। Israel Ministry of Foreign Affairs। ১ আগস্ট ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০০৭ 
  43. "Israel's Diplomatic Missions Abroad: Status of relations"। Israel Ministry of Foreign Affairs। ২০ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ এপ্রিল ২০১৬ 
  44. "Exclusive: Israel to Open First Diplomatic Mission in Abu Dhabi - Israel News - Israel News - Haaretz Israeli News Source"। Haaretz.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-১১-২৮ 
  45. "Introduction to the Tables: Geophysical Characteristics" (doc)। Central Bureau of Statistics। সংগ্রহের তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০০৭ 
  46. "The State: Israel Defense Forces (IDF)"। Israel Ministry of Foreign Affairs। ১৩ মার্চ ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০০৭ 
  47. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; cia নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  48. Skolnik 2007, পৃ. 132–232
  49. Chua, Amy (২০০৩)। World On Fire। Knopf Doubleday Publishing। পৃষ্ঠা 219–220। আইএসবিএন 978-0385721868 
  50. "Northern and Western Asia" 
  51. David Adler (১০ মার্চ ২০১৪)। "Ambitious Israeli students look to top institutions abroad"। ICEF। সংগ্রহের তারিখ ২০ জানুয়ারি ২০১৫ 
  52. [১]
  53. Spolsky, Bernard (১৯৯৯)। Round Table on Language and Linguistics। Washington, D.C.: Georgetown University Press। পৃষ্ঠা 169–70। আইএসবিএন 0-87840-132-6In 1948, the newly independent state of Israel took over the old British regulations that had set English, Arabic, and Hebrew as official languages for Mandatory Palestine but, as mentioned, dropped English from the list. In spite of this, official language use has maintained a de facto role for English, after Hebrew but before Arabic. 
  54. "Asian Studies: Israel as a 'Melting Pot'"। National Research University Higher School of Economics। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১২ 
  55. Burstein, Nathan (১৪ আগস্ট ২০০৭)। "Tourist visits above pre-war level"The Jerusalem Post। সংগ্রহের তারিখ ২০ মার্চ ২০১২ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


উদ্ধৃতি ত্রুটি: "fn" নামক গ্রুপের জন্য <ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="fn"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি