ভবানীপ্রসাদ ভট্টাচার্য

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ভবানীপ্রসাদ ভট্টাচার্য
Vabaniprasad Vattacharya.jpg
ভবানীপ্রসাদ ভট্টাচার্য
জন্ম২৩ আগস্ট, ১৯১৪
মৃত্যু৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৫
রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার
আন্দোলনব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন

ভবানীপ্রসাদ ভট্টাচার্য (ইংরেজি: Vabaniprasad Vattacharya) (২৩ আগস্ট,১৯১৪ - ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৫) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবী। ছাত্রাবস্থায় গুপ্ত বিপ্লবী দলে যোগ দেন। বাংলার কুখ্যাত গভর্নর অ্যাান্ডারসনকে হত্যার প্রতিজ্ঞা নিয়ে কলকাতা ও ঢাকা থেকে আগত অপর দুজন সঙ্গী নিয়ে ১৯৩৪ সালের মে মাসে দার্জিলিং পৌঁছান। এই হত্যা পরিকল্পনায় ভবানীপ্রসাদের সংগে যুক্ত ছিলেন বেঙ্গল ভলেন্টিয়ার্সের সুকুমার ঘোষ, উজ্জ্বলা মজুমদার (রক্ষিত রায়) রবীন্দ্রনাথ ব্যানার্জী, মনোরঞ্জন ব্যানার্জী প্রমুখ।[১] লেবং রেস কোর্স গ্রাউন্ডে তারা ৮ মে ১৯৩৪ তারিখে অ্যাান্ডারসনকে গুলি করেন। দুর্ভাগ্যবশত গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় এবং তারা তিনজনই ধরা পড়েন। বিচারে সঙ্গী সুকুমার ঘোষের ১৪ বছর কারাদন্ড হয় ও দুঃখপ্রকাশ করায় অপরজনের অল্প শাস্তি এবং ভবানীপ্রসাদের মৃত্যুদণ্ড হয়। তিনি ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৫ তারিখে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসিতে মৃত্যুবরণ করেন।[২][৩] সরকারের তথ্য অনুযায়ী,ওই ইংরেজ শাসকের নামে আলিপুরে অ্যান্ডারসন হাউস গড়ে তুলেছিল ব্রিটিশেরা। স্বাধীনতার পরে ওই বাড়ির নাম বদল নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি ওঠে। সে কথা মাথায় রেখেই ১৯৬৯ সালে অ্যান্ডারসন হাউসের নাম বদলে হয় ভবানী ভবন। এটি এখন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রাজ্য পুলিশের সদর দপ্তর।

জন্ম[সম্পাদনা]

ভবানীপ্রসাদ ভট্টাচার্য তৎকালীন ঢাকা জেলার জয়দেবপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম বসন্তকুমার ভট্টাচার্য।[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Emperor vs Bhawani Prosad Bhattacharjee And Ors."Indiankanoon। Calcutta High Court। সংগ্রহের তারিখ 26.01.17  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  2. সুবোধ সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত, সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, প্রথম খণ্ড, সাহিত্য সংসদ, কলকাতা, দ্বিতীয় মুদ্রণঃ নভেম্বর ২০১৩, পৃষ্ঠা ৫১৪, আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৯৫৫-১৩৫-৬
  3. ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্তী, জেলে ত্রিশ বছর, পাক-ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম, ধ্রুপদ সাহিত্যাঙ্গন, ঢাকা, ঢাকা বইমেলা ২০০৪, পৃষ্ঠা ১৯৩।