উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি বাংলাদেশের নেত্রকোণা জেলার, বিরিশিরিতে অবস্থিত।[১]

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, বিরিশিরি

বর্ণনা[সম্পাদনা]

বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পরিচর্যা, উন্নয়ন ও চর্চা এবং লালনের লক্ষ্যে ১৯৭৭ সালে সংকৃতি মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষ প্রকল্পের মাধ্যমে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার নেত্রকোণা মহকুমার দুর্গাপুর থানাধীন বিরিশিরিতে এ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমিটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃহত্তর ময়মনসিংহে বসবাসরত গারো, হাজং, কোচ, বানাই, ডালু,মান্দাই এসব নৃ-গোষ্ঠীর রয়েছে নিজস্ব ভাষা, সামাজিক প্রথা, পোশাক-পরিচ্ছদ, খাদ্যাভাস, নৃত্য-গীত, লোকাচার তথা ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি। কিন্তু কালের বিবর্তনে সেসব আকর্ষণীয়, বর্ণিল মূল্যবান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সমূহ হারিয়ে যাচ্ছে। কোন কোন নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সাংস্কৃতিক উপাদান গুলো একবারেই হারিয়ে গেছে। এমতাবস্থায় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এ প্রতিষ্ঠানটি অত্রাঞ্চলের সেসব ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীয়দের বিলীয়মান সংস্কৃতি সংরক্ষণ, লালন, চর্চা ও প্রয়োজনীয় উন্নয়নসাধন সহ বৃহত্তর জাতীয় সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে সেগুলোর বিকাশকে সাবলীল, সহজীকরণ ও সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এলক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সম্মুখে রেখেই এসব নৃ-গোষ্ঠী সমূহের ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস, নৃত্য-গীত প্রভৃতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, নিয়মিত চর্চা, সংশ্লিষ্ট নৃ-গোষ্ঠীদের নিজ সংস্কৃতি ভালোবাসা ও সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধকরণ; তাদের প্রধান উৎসব সমূহ সংরক্ষণ; প্রকাশনা, অডিও-ভিজুয়্যাল প্রভৃতির মাধ্যমে সংরক্ষণ; জাতীয় সংস্কৃতির মূল শ্রোতধারার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর সংস্কৃতিকে জাতীয় সংস্কৃতির অন্যতম উপাদান হিসেবে এর উপর গবেষণা ও উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখা এসব গুরুত্বপূর্ণ কার্যাদি সম্পাদন করা হয়েছে।[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]