স্ট্রবেরি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

স্ট্রবেরী
Strawberry BNC.jpg
স্ট্রবেরি ফল
Strawberry Cross BNC.jpg
স্ট্রবেরি ফল প্রস্থচ্ছেদ
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Plantae
বিভাগ: ম্যাগনলিওফাইটা
শ্রেণী: Magnoliopsida
বর্গ: Rosales
পরিবার: Rosaceae
গণ: স্ট্রবেরি
প্রজাতি: F. × ananassa
দ্বিপদী নাম
Fragaria × ananassa
Duchesne

স্ট্রবেরী হল এক ধরনের ফ্র্যাগারিয়া (ইংরেজি: Fragaria) জাতীয় উদ্ভিদ এবং সারা বিশ্বে এটি ফল হিসেবে চাষ করা হয়। গন্ধ, বর্ণ ও স্বাদে আকর্ষণীয় এই ফল, ফলের রস, জ্যাম, আইস ক্রীম, মিল্ক শেক এবং আরও অনেক খাদ্য তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। শিল্পায়িত খাদ্য তৈরিতে স্ট্রবেরীর সুগন্ধ ব্যবহৃত হয়। ১৭৪০ খ্রিস্টাব্দে ফ্রান্সের ব্রিটানি অঞ্চলে সর্বপ্রথম স্ট্রবেরীর চাষ করা হয়। এটি পরবর্তীতে চিলি, আর্জেন্টিনা এবং কালক্রমে অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে বাংলাদেশের যেসব এলাকায় শীত বেশি পড়ে ও বেশি দিন থাকে সেসব এলাকায় বারি স্ট্রবেরি-১ নামে একটি উচ্চফলনশীল জাতের স্ট্রবেরি চাষ করা হচ্ছে। স্ট্রবেরির পাকা ফল টকটকে লাল রঙের হয়। এ ফলটি সুগন্ধীযুক্ত, টক মিষ্টি স্বাদের। জমির পাশাপাশি টব, বাড়ির ছাদ বা বারান্দায় এ ফল চাষ করা সম্ভব। [১] বর্তমানে আমাদের দেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, যশোর, শ্রীমঙ্গল, ময়মনসিংহ, সিরাজগঞ্জ প্রভৃতি জায়গায় ব্যবসায়িক ভিত্তিতে স্ট্রবেরি চাষ ও বাজারজাত করা হচ্ছে। একজন বেকার নারী বা পুরুষ নিজের কর্মসংস্থান ব্যবস্থার জন্য নিজের জমিতে অথবা বর্গা নেওয়া জমিতে স্ট্রবেরি চাষ করে ব্যবসা শুরু করতে পারেন।[২]

উৎপাদন[সম্পাদনা]

২০১৭ সালে সারা বিশ্বে স্ট্রবেরির উৎপাদন ছিল ৯২.২লক্ষ টন। এর মধ্যে শতকরা ৪০ ভাগ উৎপাদন চীনের এবং শতকরা ১৬ ভাগ উৎপাদন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।[৩]

স্ট্রবেরি শীতকালীন দেশের ফল হলেও বর্তমানে বাংলাদেশের যেসব এলাকায় শীত বেশি পড়ে ও অনেক দিন স্থায়ী হয় সেসব এলাকায় বারি স্ট্রবেরি-১ নামে একটি উচ্চফলনশীল জাতের স্ট্রবেরি চাষ করা হচ্ছে। স্ট্রবেরির পাকা ফল টকটকে লাল রঙের হয়। এ ফলটি সুগন্ধিযুক্ত, টক ও মিষ্টি স্বাদের। জমির পাশাপাশি টব, বাড়ির ছাদ বা বারান্দায় এ ফল চাষ করা সম্ভব। আমাদের দেশের অনেক জায়গায় এখন ব্যবসায়িক ভিত্তিতে স্ট্রবেরি চাষ ও বাজারজাত করা হচ্ছে।[১]

পুষ্টিমান[সম্পাদনা]

স্ট্রবেরি অত্যন্ত পুষ্টিসমৃদ্ধ একটি ফল। আছে ভিটামিন এ, সি, ই, ফলিক এসিড, সেলেনিয়াম, ক্যালসিয়াম, পলিফেনল, এলাজিক এসিড, ফেরালিক এসিড, কুমারিক এসিড, কুয়েরসিটিন, জ্যান্থোমাইসিন ও ফাইটোস্টেরল। স্টবেরী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় , হার্টের অসুখের ঝুঁকি কমায় , ডায়াবেটিস ও কোস্টকাঠিন্য দূর করে , ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় , ওজন কমাতে সহায়ক , দেহের হাড় ও ত্বক সুরক্ষা করে ,চুল পড়া রোধ করে , স্মৃতিশক্তি এবং রূপচর্চায় উপযোগী।

গ্যালারী[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. স্ট্রবেরি চাষ-কৃষিতথ্য সার্ভিস; খামারবাড়ি, ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫।
  2. "স্ট্রবেরি উৎপাদন"জাতীয় ই-তথ্যকোষ। ৮ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০১৩ 
  3. "Strawberry production in 2017, Crops/Regions/World list/Production Quantity (pick lists)". UN Food and Agriculture Organization, Corporate Statistical Database (FAOSTAT). 2018. Retrieved 26 June 2019.