বিষয়বস্তুতে চলুন

আপেল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

আপেল
ম্যালাস ডমেস্টিকা
হানিক্রিস্প জাতের ফল
আপেলের ফুল
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: উদ্ভিদ
শ্রেণী: সপুষ্পক উদ্ভিদ
বর্গ: রোসালেস
পরিবার: রোসাসি
উপপরিবার: ম্যালোডি
গোত্র: ম্যালি
গণ: ম্যালাস
প্রজাতি: ম্যালাস ডমেস্টিকা
দ্বিপদী নাম
ম্যালাস ডমেস্টিকা
বোর্খ.
প্রতিশব্দ[]
  • Malus communis Desf.
  • Malus pumila Mil.
  • M. frutescens Medik.
  • M. paradisiaca (L.) Medikus
  • M. sylvestris Mil.
  • Pyrus malus L.
  • Pyrus malus var. paradisiaca L.
  • Pyrus dioica Moench

আপেল বা সেব এক প্রকারের ফল। অবশ্য উদ্ভিদ বিজ্ঞানের দিক থেকে আপেল প্রকৃত ফল নয়। আপেলের রসালো পুষ্পাধারটিকেই আমরা খেয়ে থাকি। এইরকম ফলকে পোম বলা হয়।[] আপেল গাছ রোসাসি (Rosaceae) পরিবারের ম্যালিয়াস ডমেস্টিকা (Malus domestica) প্রজাতিভুক্ত। আপেল মূলত তার মিষ্টি স্বাদের জন্য জনপ্রিয়। সারা পৃথিবীব্যাপী আপেলের চাষ হয়ে থাকে এবং সবচেয়ে বেশি চাষকৃত প্রজাতি হচ্ছে জেনাস ম্যলুস (genus Malus)মধ্য এশিয়াকে আপেলের উৎপত্তিস্থল মনেকরা হয়, যেখানে এখনও তার পূর্বতন বুনো প্রজাতি ম্যলুস সিভেরসিকে (Malus sieversii) দেখতে পাওয়া যায়। হাজার হাজার বছর ধরে এশিয়া এবং ইউরোপ জুড়ে আপেলের চাষ হয়ে আসছে এবং ইউরোপীয় বসতি স্থাপনকারীদের মাধ্যমে লাতিন আমেরিকায় এর পদার্পণ হয়। অনেক সংস্কৃতিতে আপেলের ধর্মীয় এবং পৌরাণিক তাৎপর্য আছে, এদের মধ্যে নর্স, গ্রীক এবং ইউরোপীয়ান খ্রিস্টীয় ঐতিহ্য অন্যতম। সাধারণত আপেলের জাতগুলি মূলের কলমের মাধ্যমে তৈরি করা হয়, যা ফলস্বরূপ গাছের আকার নিয়ন্ত্রণ করে। আপেলের প্রায় ৭,৫০০ টির বেশি পরিচিত প্রজাতি রয়েছে।[]

ব্যাকরণ

[সম্পাদনা]

প্রাচীন ইংরেজিতে আপেল শব্দটির বানান প্রথমে এইপেল ছিলো, প্রোটো-জার্মানিক এর ক্ষেত্রে মূল *এপ (এ)লাজ থেকে উদ্ভূত যা সাধারণত ফলও বুঝায়। এটি শেষ পর্যন্ত প্রোটো-ইন্দো-ইউরোপীয় *আব (ই)এল থেকে উদ্ভূত, তবে সঠিক শব্দটির অর্থ এবং উভয় শব্দের মধ্যে [স্পষ্টকরনের প্রয়োজনীয়তা] অনুপস্থিত।

উদ্ভিদের তথ্য

[সম্পাদনা]
আপেল গাছ ও ফল
আপেল

আপেল একটি মাঝারি গাছ সাধারণত ২ থেকে ৪.৫ মিটার, বুনো প্রজাতি ৯ মিটার লম্বা হয়ে থাকে। যখন চাষাবাদ করা হয় তখন আকার-আকৃতি এবং শাখা প্রশাখার ঘনত্ব টি ছাঁটাই পদ্ধতির মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়। পাতাগুলি পর্যায়ক্রমে সবুজ আকৃতির ডিম্বাশয় যুক্ত বাঁকা মার্জিন এবং কিছুটা নিচু আন্ডারসাইড সহ সজ্জিত হয়। ৫-১২ মিটার দীর্ঘ এবং চওড়া ও শাখা প্রশাখা যুক্ত শীর্ষভাগ বিশিষ্ট বৃক্ষ। আপেল ফল হেমন্ত কালে পাকে এবং ৫-৮ সেমি ব্যাসের হয়ে থাকে। পুষ্পকলি বসন্তকালে পাতার অঙ্কুরোদগম সহ একসাথে উৎপন্ন হয়, স্পার এবং কিছু দীর্ঘ অংকুরের উপর একসাথে উৎপন্ন হয়। ৩ থেকে ৪ সে.মি. (১-১^২/২ ইঞ্চি) ফুলগুলি গোলাপি রঙের টিনএজের সাথে সাদা হয় যা ধীরে ধীরে বিবর্ণ হয়ে যায়। পাঁচটি পাপ্রি হয় একটি ফুলের ৪-৬ টি ফুলের সাথে সাইম থাকে। ফুলের কেন্দ্রীয় অংশকে "কিং ব্লুম" বলা হয়। গ্রীষ্মের শেষের দিকে এবং শরতকালে ফল পরিপক্ক হয় এবং বিভিন্ন ধরনের আকারের বিভিন্ন জাত রয়েছে। বাণিজ্যিক উৎসাহ করা বাজারের পছন্দ অনুসারে একটি আপেল উৎপাদন করার লক্ষে রাখছেন যার ব্যাস ৭-৮.৫ সেন্টিমিটার হয়।

বন্য পূর্বপুরুষ

[সম্পাদনা]

মালুস সোয়েসিয়ার মূল বন্য পূর্বপুরুষ ছিল মালুস সিভেরসি। এগুলো দক্ষিণ কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের চীনের মধ্য এশিয়ার পাহাড়গুলো তে বড়ো হবার জাতের জঙ্গল দেখতে পাওয়া যায়। প্রজাতির চাষাবাদ, সম্ভবত তিয়ান শিয়ান পর্বতমালার বনভূমি থেকে শুরু হয়েছিল। তা দীর্ঘ সময় ধরে চালু ছিল এবং অন্যান্য প্রজাতির জিনের জন্য উন্মুক্ত ছিল। []

জিনোম

[সম্পাদনা]

আপেল ডিপ্লয়েড (যদিও ট্রিপলয়েড জাতগুলো অস্বাভাবিক নয়) এতে ১৭ টি ক্রোমোজোম এবং আনুমানিক জিনোম আকার প্রায় ৬৫০ (এম বি) হয়। বেশ কয়েকটি পুরো জিনোম সিকোয়েন্স উপলভ্য করা হয়েছে। ২০১০ সালে প্রথমটি ছিল ডিপ্লয়েড চাষকারি 'গোল্ডেন ডিলিশ' এর উপর ভিত্তি করে। যাই হোক এই প্রথম জিনোম ক্রমটি বেশ কয়েকটি ত্রুটি ধারণ করে কিছু অংশে ডিপ্লোডিড আপেল গুলোতে উচ্চতর ডিগ্রিবিহীনতা থাকার কারণে যা প্রাচীন জিনোম এর মডেল এর সাথে যুক্ত হয়ে সমাবেশকে আরও জটিল করে তোলে। সম্প্রতি দ্বিগুণ এবং ট্রিপলয়েড গুলোকে ক্রমযুক্ত করা হয়েছে, উচ্চমানের ফলন সমৃদ্ধ পুরো জিনোম সিকোয়েন্সদেরও। প্রথমে পুরো জিনোম সমাবেশটি প্রায় ৫৭০০০ টি জিন ধারণ করেছিলো বলে অনুমান করা হয়। যদিও সাম্প্রতিক জিনোম সিকোয়েন্স গুলি ৪২০০০ থেকে ৪৪৭০০ টি প্রোটিন কোডিং জিনের মধ্যে আরও মাঝামাঝি অনুমানকে সমর্থন করে। []

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

ধারণা করা হয় যে সমস্ত উদ্ভিদ সর্বপ্রথম চাষের আওতায় আসে আপেল তাদের মধ্যে অন্যতম এবং হাজার বছর ধরে নির্বাচনের মাধ্যমে এর মান উন্নত হয়ে আসছে। ধরা হয় আলেকজাণ্ডার দি গ্রেট সর্বপ্রথম ৩২৮ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে কাজাখস্তানে খাটো প্রজাতির আপেল খুঁজে পান তা তিনি মেসিডোনিয়াতে নিয়ে যান। হাজার বছর ধরে এশিয়া এবং ইউরোপ জুড়ে আপেলকে গুরূত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। চিনা নরম আপেল যেমন এম এশিয়াটিকা এবং এম প্রুনিফোলিয়া। চীনে ২০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্য আপেল চাষ করা হচ্ছে। এগুলি কাজাখাস্তানের এম বাকাটা এবং এম সিভারসি এর সংকর বলে মনে করা হয়। মানব চাষীদের দ্বারা নির্বাচিত বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে- আকার, অম্লতা, ফলের রং। গৃহপালিত ফলের মধ্যে অস্বাভাবিকভাবে ব্যবহৃত বন্য এম। সিভেরসি আধুনিক গৃহপালিত আপেলের চেয়ে সামান্য ছোট।[] []

ইউরোপিয়ান সংস্কৃতি এবং সমাজ ব্যবস্থায় এর তাৎপর্য

[সম্পাদনা]

জার্মানিক পৌত্তলিকতা

[সম্পাদনা]
লাল পোশাকে একটি মেয়ের চিত্র, একটি হাতে তিনটি মোমবাতি ধরে দাঁড়িয়ে এবং অন্য হাতে এক ঝুড়ি আপেল
"ব্রিটা এ্যায ইডুনা" (১৯০১) কার্ল ল্যারসনএর মাধ্যমে

নর্স পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে আইউন দেবকে গদ্য এড্ডায় চিত্রিত করা হয়েছে (ত্রয়োদশ শতাব্দীতে স্নরি স্টার্লসন লিখেছেন) দেবতাদের আপেল সরবরাহ করেছিলেন যা তাদের শাশ্বত যৌবন দেয়। আর এলিচ ডেভিডসন জার্মানিক পৌত্তলিক ধর্মে আপেলকে সংযুক্ত করেছেন। যা থেকে নর্স পৌত্তলিকতার বিকাশ ঘটে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে নরওয়ের ওসেবার্গ জাহাজের সমাধিস্থলে আপেলের বালতি পাওয়া গিয়েছিল, ফল ও বাদাম ইংল্যান্ডের জার্মানিদের প্রাথমিক অবস্থায়র কবর গুলিতে পাওয়া গিয়েছিল এবং ইউরোপ মহাদেশের অন্য কোথাও যার প্রতীকী অর্থ হতে পারে, এবং বাদাম গুলি দক্ষিণ পশ্চিম ইংল্যান্ডের উর্বরতার স্বীকৃত প্রতীক। ডেভিডসন নরস পুরানে উর্বরতার সাথে দেবতাদের উপজাতি আপেল এবং ভানিরের মধ্যে একটি সম্পর্ক উপস্থাপন করেছেন, এগারোটা সোনার আপেল ইস্কারানির দ্বারা সুন্দর গেরারকে উপহার দেওয়ার জন্য একটি সুন্দর উদাহরণ দিয়েছিলেন, যিনি প্রধান ভানির দেবতার জন্য বার্তা বাহক এর ভূমিকা পালন করেছিলেন।

গ্রিক পুরাণবিঙ্গান

[সম্পাদনা]
হেরাকেলেস আপেলের সঙ্গে হেসপেরাইডস

আপেল অনেকগুলি ধর্মীয় ঐতিহ্যে প্রদর্শিত হয়, প্রায়শই একটি রহস্যময় বা নিষিদ্ধ ফল হিসেবে। ধর্ম পৌরাণিক কাহিনী এবং লোকাচার গুলিতে আপেল চিহ্নিত করতে সমস্যা গুলোর মধ্যে একটি হলো "আপেল" শব্দটি ১৭ তম শতাব্দীর শেষের দিকে বাদাম সহো বেরি ছাড়া অন্য সকল বিদেশি ফলের জন্য জেনেরিক শব্দ ব্যবহৃত হতো। গ্রীক পুরাণের কাহিনী অনুসারে গ্রীক নায়ক হেরাকলসকে তার দ্বাদশ শ্রম দন্ডের অংশ হিসেবে হেস্পেরাইডে উদ্যান ভ্রমণ করতে হয়েছিল এবং এর কেন্দ্রবিন্দু তে বেড়ে ঊঠা গাছের সোনালী আপেল বাছাই করা হয়েছিল।[][][১০]

খ্রিস্টীয় শীল্প

[সম্পাদনা]

যদিও আদিপুস্তক পুস্তকে এডেনের নিষিদ্ধ ফল চিহ্নিত করা যায় নি, জনপ্রিয় খ্রিস্টান ঐতিহ্য ধরে রেখেছে যে এটি এমন একটি আপেল ছিল যা আদমকে হাওয়া এর সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত করে তোলে। বাইবেলের সময়ে মধ্য প্রাচ্যে অজানা একটি ফলের সাথে জনপ্রিয় পরিচয়ের উৎস লাতি্ন (একটি আপেল) এবং মলম্ (মন্দ) একটি বিভ্রান্তির মধ্যে পাওয়া যায়, যার প্রতিটি সাধারণত ম্যালাম আকারে লিখিত করা হয়।

প্রজাতি

[সম্পাদনা]

মানুষের জানা শোনা ৭,৫০০ টিরও বেশি আপেলের জাত (চাষ যোগ্য) রয়েছে। একই মূল থেকে জন্মানোর পরেও কৃষকরা তাদের আকার এবং ফলন নিশ্চিত করেন। নাতিশীতোষ্ণ এবং ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ুর জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রজাতি পাওয়া যায়। যুক্তরাজ্যের জাতীয় ফল সংগ্রহ অধিদপ্তর যা পরিবেশ খাদ্য এগুলোর দায়িত্বে আছে। এই দপ্তরের প্রায় ২০০০ এরও বেশি কেন্টে আপেলের জাত রয়েছে। যুক্তরাজ্যের জাতীয় ফল সংগ্রহের তথ্যশালায় অনেকগুলি আপেলের বৈশিষ্ট্য এবং তাদের প্রজাতি সম্পর্কে তথ্য রয়েছে মূলত একই "জিনগত" আপেল চাষ কারির নামের মূলসহ। এই জাতগুলির বেশিরভাগই তাজা (মরুভূমির আপেল) খাওয়ার জন্য প্রজনন করা হয় যদিও কিছু রান্না করার জন্য ব্যবহার করা হয়। সিডার জাতের আপেল গুলো তাজা খেতে খুব তীব্র লাগে তবে তারা পানীয়গুলোতে অনেক গন্ধ সৃষ্টি করে যা ডেজার্ট আপেল পারে না।

চাষাবাদ

[সম্পাদনা]

বংশ বিস্তার

[সম্পাদনা]

অনেক জাতের আপেল বীজ থেকে সহজেই বৃদ্ধি পায়। তবে অনেক বহুবর্ষজীবী ফল আছে যা মাতৃ গাছের চেয়ে মিষ্টি হয়। সে কারণে বীজ থেকে উৎপন্ন চারা গাছটিকে বলে জাইগোসিটি। মাতৃ গাছ থেকে যে চারা বানানো হয় সেটা জীনগত কিছুটা পরিবর্তন হয়।[১১] প্রকৃতঅর্থে আপেলের বীজ থেকে চারা রোপণ করার সময় ভালোভাবে বংশবৃদ্ধি হয় না, কলম করে সাধারণত নতুন আপেল গাছ উৎপাদন করতে হয়। গ্রাফ্টের নিচের অংশের জন্য ব্যবহৃত রুটস্টকগুলি বিভিন্ন ধরনের আকারের গাছ উৎপাদন করতে নির্বাচন করা যেতে পারে, কলম করার সময় গাছের নিচের অংশের রুটস্টকগুলি (রুটস্টক হচ্ছে একটি উদ্ভিদের অংশ, প্রায়শই একটি ভূগর্ভস্থ অংশ, যা থেকে নতুন ভূগর্ভস্থ বৃদ্ধি উৎপাদিত হতে পারে) গুলো ব্যবহার করতে হয়, যার কারণে বিভিন্ন ধরনের আকারের গাছ উৎপাদন করতে নির্বাচন করা যেতে পারে। এছাড়া শীত থেকে রক্ষা পেতে, পোকামাকড়, রোগবালাই দমন ও পুষ্ট গাছের জন্য মাটি নির্বাচন করা প্রযোজন।[১২]

খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ অবধি ইরান এবং এশিয়া মাইনরের ইতিহাস থেকে বামন শেকড় থেকে আপেল গাছের চারা তৈরি কথা জানা যায়। মহান আলেকজান্ডার বামন আপেল গাছের নমুনা এরিস্টটলের লিসিয়ামে প্রেরণ করেছিলেন। পঞ্চদশ শতাব্দীর মধ্যে বামন রুটস্টকগুলি বা শেকড় পদ্ধতি প্রচলিত হয়ে ওঠে এবং পরে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা এবং বিভিন্ন চক্রের মধ্য দিয়ে বিস্তার লাভ করে।[১৩]

পরাগায়ন

[সম্পাদনা]
একটি পুরাতন আপেলের ফুল আরশিরে বীজ
ফুলের বাগানের মৌমাছি একটি আপেলের পুষ্পাক্ষের উপরে, British Columbia, কানাডা

আপেলের পরাগায়ন অসামঞ্জস্যপূর্ণ। ফলের বিকাশের ও উৎপাদনের জন্য অবশ্যই ক্রস-পরাগায়ন করতে হবে। প্রতি মৌসুমে ফুল ফোটার সময়, আপেল চাষীরা প্রায়শই পরাগরেণুর জন্য পরাগ বাহন ব্যবহার করেন। বিশেষ করে মৌমাছি ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও বাগানে বিশেষ ধরনের মাছি ব্যবহার করা হয় বাণিজ্যিকভাবে ফলন বাড়াতে।[১৪][১৫]

জলবায়ুর উপর ভিত্তি করে আপেল গুলিতে ৪-৭ টি পরাগায়ন গ্রুপ রয়েছে:

গ্রুপ ক– তাড়াতাড়ি ফুল আসে। মে মাসের ১-৩ তারিখ (ইংল্যান্ড)
গ্রুপ খ– মে মাসের ৪-৭ তারিখ।
গ্রুপ গ– মধ্য সময়ের প্রজনন, মে মাসের ৮-১১ তারিখ
গ্রুপ ঘ– মধ্য/শেষ ভাগের প্রজনন, মে মাসের ১২-১৫ তারিখ।
গ্রুপ ঙ– দেরিতে প্রজনন, মে মাসের ১৬-১৮ তারিখ
গ্রুপ চ– মে মাসের ১৯-২৩ তারিখ
গ্রুপ ছ– মে মাসের ২৪-২৮ তারিখ

সংরক্ষণ

[সম্পাদনা]
বিভিন্ন জাতের আপেলপ্রজাতি একটি ফলের মার্কেট এ

বাণিজ্যিকভাবে আপেল কিছু মাস ধরে নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায় পক্ষে ইথিলিন প্রয়োগের মাধ্যমে ফল পাকা দেরিতে করানো যায়। আপেল গুলি সাধারণত কার্বন-ডাই-অক্সাইড এবং উচ্চ বায়ু পরিস্রাবণ এর উচ্চ বায়ুর ঘনত্ব সম্পন্ন চেম্বারে সংরক্ষণ করা হয়। এই অবস্থা ইথিলিনের ঘনত্বকে উচ্চ পরিমাণে বৃদ্ধি করে। বাড়িতে সংরক্ষণের জন্য বেশিরভাগ আপেল রেফ্রিজারেটরে ৫° সেন্টিগ্রেড এর নিচে রাখলে ভালো হয়।

প্রবাদ

[সম্পাদনা]

আপেল সম্পর্কে একটা প্রবাদ আছে যে An Apple a Day, Keeps the Doctor Away:- দিনে একটি আপেল খান, রোগ মুক্ত জীবন পান[১৬]

উৎপাদন

[সম্পাদনা]
আপেল উৎপাদন – ২০১৭
দেশ (মিলিয়ন টন)
৪১.৪
৫.২
৩.০
২.৪
২.৩
২.১
১.৯
বিশ্বব্যাপী
৮৩.১

২০১৭ সালে উৎপাদিত ফলের তালিকায় আপেল ছিল ৮১.১ মিলিয়ন টন। এরমধ্যে চীন উৎপাদন করেছে ৫০% এবং তুরস্ক সহ ইউরোপ মোট উৎপাদন ১৭% করেছে। বিশ্বের মোট উৎপাদনের ৩ থেকে ৫% উৎপাদক হলো উল্লেখযোগ্য আমেরিকা, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক এবং পোল্যান্ড[১৭]

আপেলের পুষ্টিগুণ

[সম্পাদনা]

খোসাসহ আপেলের খাদ্যযোগ্য প্রতি ১০০ গ্রাম অংশে রয়েছে – আপেলে প্রায় ৮০% পানি থাকে যা শরীরের জন্য অতীব দরকারি।

খাদ্যশক্তি----- ৫২ কিলোক্যালরি
শর্করা----- ১৩.৮১ গ্রাম
চিনি----- ১০.৩৯ গ্রাম
খাদ্যআঁশ----- ২.৪ গ্রাম
চর্বি----- ০.১৭ গ্রাম
আমিষ----- ০.২৬ গ্রাম
জলীয় অংশ----- ৮৫.৫৬ গ্রাম
ভিটামিন এ----- ৩ আইইউবিটা
ক্যারোটিন----- ২৭ আইইউ
লুটেইন----- ২৯ আইইউ
থায়ামিন----- ০.০১৭ মিলিগ্রাম
রিবোফ্লেভিন----- ০.০২৬ মিলিগ্রাম
নিয়াসিন----- ০.০৯১ মিলিগ্রাম
প্যানটোথেনিক অ্যাসিড----- ০.০৬১ মিলিগ্রাম
ফোলেট----- ৩ আইইউ
ভিটামিন সি----- ৪.৬ মিলিগ্রাম
ভিটামিন ই----- ০.১৮ মিলিগ্রাম
ভিটামিন কে----- ২.২ আইইউ
ক্যালসিয়াম----- ৬ মিলিগ্রাম
আয়রন----- ০.১২ মিলিগ্রাম
ম্যাগনেসিয়াম----- ৫ মিলিগ্রাম
ম্যাংগানিজ----- ০.০৩৫ মিলিগ্রাম
ফসফরাস----- ১১ মিলিগ্রাম
পটাশিয়াম----- ১০৭ মিলিগ্রাম
সোডিয়াম----- ১ মিলিগ্রাম
জিংক----- ০.০৪ মিলিগ্রাম
ফ্লোরাইড----- ৩.৩ আইইউ [১৮]

ব্যবহারবিধি

[সম্পাদনা]
একটি আপেলর শাঁস, আপেলর একটি অংশ যেটা খাবার উপযোগী নয়, বীজ সহকারে

বীজ বাদে ত্বকসহ সমস্ত অংশই মানুষের ব্যবহারের উপযোগী মূল, কাণ্ড থেকে নিচে,বীজযুক্ত অংশ সাধারণত খাওয়া হয় না। এটা ফেলে দেয়া হয়। আপেল বিভিন্ন উপায়ে গ্রহণ করা যেতে পারে যেমন: রস হিসেবে, পিস হিসেবে রান্না করে, সালাদ হিসেবে এবং আপেল মাখন এর মতো ছড়িয়ে থাকা অংশগুলো। আপেল কখনো কখনো সসেজ এবং স্টাফিং এরকম মজাদার খাবার গুলির উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।[১৯]

জনপ্রিয় ব্যবহারবিধি

[সম্পাদনা]

আপেল প্রায়ই কাঁচা খাওয়া হয়। কাঁচা খাওয়ার জন্য উপযুক্ত জাত গুলিকে ডেজার্ট আপেল বা টেবিল আপেল বলা হয়। যুক্তরাজ্যে টফি আপেল হল প্রচলিত একটি মিষ্টান্ন যা গরম টফিতে আপেল লেপ করে এবং ঠাণ্ডা করতে সাহায্য করে।

জৈব উৎপাদন

[সম্পাদনা]

জৈব আপেল সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত হয়। পোকামাকড় এবং রোগের কারণে জৈব আপেল ইউরোপে উৎপাদন করা অত্যন্ত কঠিন। জৈব ফলন এবং গুণগত মানোন্নয়নের জন্য সালফার, তামা, অনুজীব, ভাইরাস এবং উদ্ভিদ নিষ্কাশন (পাইরেথ্রাম নিম) এর মতো রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়।

ফাইটোকেমিক্যাল

[সম্পাদনা]

আপেলের খোসায় এবং বীজে বিভিন্ন ফাইটোকেমিক্যালস রয়েছে, বিশেষত পলিফেনল গুলো যা তাদের সম্ভাব্য সাস্থের প্রভাবগুলোর জন্য প্রাথমিক গবেষণার অধীনে রয়েছে।

নন ব্রাউনিং আপেল

[সম্পাদনা]

ফিনোলিক যৌগের জারনকে ও কুইনস একটি বাদামি ফ্যাক্টর দ্বারা অনুঘটক করে, এনজাইম, পলিফেনল,অক্সিডেস কাঁটা আপেল গুলো কে বাদামি বর্ন করে তোলে। ব্রাউনিং আপেলের স্বাদ, রঙ,খাবারের মান হ্রাস করে। আর্টিকিক আপেল ২০১৯ এ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবর্তিত একটি নন-ব্রাউনিং আপেল পলিফেনোল অক্সিডেজ এর শব্দগুলি নিশ্চিহ্ন করার জন্য জিনগতভাবে সংশোধন করা হয়েছে।[২০][২১]

গবেষণা

[সম্পাদনা]

প্রাথমিক গবেষণায় আপেল সেবন করা কিছু ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকিতে প্রভাবিত করতে পারে কিনা তা তদন্ত চলছে।[২২]

এলার্জি

[সম্পাদনা]

আপেল এলার্জির এক রুপ যা প্রায়শই উত্তর ইউরোপে পাওয়া যায়, তাকে বার্চ-আপেল সিনড্রোম বলা হয় এবং এটি এমন লোকদের মধ্যে পাওয়া যায় যাদের বার্চ-পরাগজনিত অথবা এলার্জি রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া যা মুখের এলার্জির লক্ষণ এর আর্ন্তভুক্ত হয়, সাধারণত মুখ এবং গলাতে চুলকানি এবং প্রদাহ জড়িত থাকে, তবে বিরল ক্ষেত্রে প্রানঘাতী অ্যানাফিল্যাক্সিসও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এই প্রক্রিয়াটি তখনই ঘটে যখন কাঁচা ফল খাওয়া হয়। আপেলের সঠিক প্রজাতি,এর বয়স, এর সংরক্ষণ অবস্থা ইত্যাদি এইগুলো এই রোগ থেকে আমাদের কে দূরে রাখতে পারে। এলার্জেন রান্না প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষ হয় দীর্ঘ সংরক্ষণ সময় এর জন্যও বার্চ-আপেল সিনড্রোম হতে পারে যার কারণে প্রোটিন পরিমাণ বৃদ্ধি করতে পারে।[২৩]

সবুজ আপেল এর পুষ্টি গুণ

[সম্পাদনা]

লাল আপেলের চেয়ে সবুজ আপেলের গুণ বেশি। সবুজ আপেল লাল আপেলের মতো তেমন স্বাদযুক্ত না হলেও এই আপেলের রয়েছে অনেক উপকারিতা।[২৪]

  • আঁশঃ সবুজ আপেলে রয়েছে আঁশ। আঁশ হজমে সাহায্য করে। এটি বাউয়েল মুভমেন্ট ঠিক রাখে, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে।
  • হাড় শক্ত করেঃ সবুজ আপেলের মধ্যে রয়েছে আয়রন, কপার, ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, ম্যাঙ্গানিজম পটাশিয়াম ইত্যাদি। এই মিনারেলগুলো হাড়কে শক্ত রাখে। এটি থাইরয়েড গ্রন্থির সঠিক কার্যক্রমে সাহায্য করে।
  • কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করেঃ সবুজ আপেলের আঁশ কোলন ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে।
  • বিপাক ক্ষমতা বাড়ায়ঃ সবুজ আপেলের আঁশ হজম ভালো করে। বাউল মুভমেন্ট ভালো করে। এ জন্য এটি বিপাক ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
  • রক্তের বাজে কোলেস্টেরল কমায়ঃ সবুজ আপেল রক্ত থেকে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায়। ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ায়।
  • আলৎসহাইমারের রোগ প্রতিরোধ করেঃ সবুজ আপেলে থাকা উপাদান মানসিক স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে। এটি প্রবীণ বয়সে আলৎসহাইমারের রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।
  • লিভার সুস্থ রাখেঃ সবুজ আপেলের মধ্যে থাকা উপাদান লিভারকে ভালো রাখে। এটি বিভিন্ন ধরনের লিভারের সমস্যা প্রতিরোধ করে।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ সবুজ আপেলের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ও মিনারেল। এগুলো বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। তাই সবুজ আপেলকে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখুন।

অন্যান্য পণ্য

[সম্পাদনা]

কসমেটিক্স হিসেবে আপেল বীজের তেল পাওয়া যায় টেপা আপেল বীজ থেকে।[২৫]

বীজের বিষাক্ততা

[সম্পাদনা]

আপেলের বীজে অল্প পরিমাণে অ্যামিগডালিন থাকে, এটি একটি চিনি এবং সায়ানাইড যৌগিক যেটি সায়ানোজেনিক গ্লাইকোসাইড নামে পরিচিত। অল্প পরিমাণে আপেলের বীজ খাওয়ার ফলে কোন খারাপ প্রভাব পড়তে পারে না তবে অত্যন্ত বেশি পরিমাণে খেলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। বিষ কার্যকর হওয়ার আগে কয়েক ঘণ্টা সময় দিতে পারে, কারণ সায়ানাইড আয়ন নিঃসরণের আগে সায়ানোজেনিক গ্লাইকোসাইড গুলি হাইড্রোলাইজড হতে হয়।

চিত্রশালা

[সম্পাদনা]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Karen L. Wilson (২০১৭), "Report of the Nomenclature Committee for Vascular Plants: 66: (1933). To conserve Malus domestica Borkh. against M. pumila Miller", Taxon, ৬৬ (3): ৭৪২–৭৪৪, ডিওআই:10.12705/663.15
  2. বই উদ্ধৃতি=জীববিদ্যা | লেখক=গুহ-দাশগুপ্ত -সাঁতরা | শিরোনাম=ফল | প্রকাশক=মৌলিক লাইব্রেরী| বছর=২০০৪ | পাতা=৩৪৩
  3. Elzebroek, A.T.G.; Wind, K. (২০০৮)। Guide to Cultivated Plants। Wallingford: CAB International। পৃ. ২৭। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৪৫৯৩-৩৫৬-২
  4. Sam Kean (১৭ মে ২০১২)। "ScienceShot: The Secret History of the Domesticated Apple"। ১১ জুন ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত
  5. Duan, Naibin; Bai, Yang; Sun, Honghe; Wang, Nan; Ma, Yumin; Li, Mingjun; Wang, Xin; Jiao, Chen; Legall, Noah; Mao, Linyong; Wan, Sibao; Wang, Kun; He, Tianming; Feng, Shouqian; Zhang, Zongying; Mao, Zhiquan; Shen, Xiang; Chen, Xiaoliu; Jiang, Yuanmao; Wu, Shujing; Yin, Chengmiao; Ge, Shunfeng; Yang, Long; Jiang, Shenghui; Xu, Haifeng; Liu, Jingxuan; Wang, Deyun; Qu, Changzhi; Wang, Yicheng; এবং অন্যান্য (২০১৭)। "Genome re-sequencing reveals the history of apple and supports a two-stage model for fruit enlargement"Nature Communications (1): ২৪৯। বিবকোড:2017NatCo...8..249Dডিওআই:10.1038/s41467-017-00336-7পিএমসি 5557836পিএমআইডি 28811498
  6. Christopher M. Richards; Gayle M. Volk; Ann A. Reilley; Adam D. Henk; Dale R. Lockwood; Patrick A. Reeves & Philip L. Forsline (২০০৯), "Genetic diversity and population structure in Malus sieversii, a wild progenitor species of domesticated apple", Tree Genetics & Genomes, (2): ৩৩৯–৩৪৭, ডিওআই:10.1007/s11295-008-0190-9, এস২সিআইডি 19847067
  7. Duan, Naibin; Bai, Yang; Sun, Honghe; Wang, Nan; Ma, Yumin; Li, Mingjun; Wang, Xin; Jiao, Chen; Legall, Noah; Mao, Linyong; Wan, Sibao; Wang, Kun; He, Tianming; Feng, Shouqian; Zhang, Zongying; Mao, Zhiquan; Shen, Xiang; Chen, Xiaoliu; Jiang, Yuanmao; Wu, Shujing; Yin, Chengmiao; Ge, Shunfeng; Yang, Long; Jiang, Shenghui; Xu, Haifeng; Liu, Jingxuan; Wang, Deyun; Qu, Changzhi; Wang, Yicheng; এবং অন্যান্য (২০১৭), "Genome re-sequencing reveals the history of apple and supports a two-stage model for fruit enlargement", Nature Communications, (1): ২৪৯, বিবকোড:2017NatCo...8..249D, ডিওআই:10.1038/s41467-017-00336-7, পিএমসি 5557836, পিএমআইডি 28811498
  8. Wasson, R. Gordon (১৯৬৮)। Soma: Divine Mushroom of Immortality। Harcourt Brace Jovanovich। পৃ. ১২৮আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৫-৬৮৩৮০০-৯
  9. Ruck, Carl; Blaise Daniel Staples (২০০১)। The Apples of Apollo, Pagan and Christian Mysteries of the Eucharist। Durham: Carolina Academic Press। পৃ. ৬৪–৭০। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৯০৮৯-৯২৪-৩
  10. Heinrich, Clark (২০০২)। Magic Mushrooms in Religion and Alchemy। Rochester: Park Street Press। পৃ. ৬৪–৭০। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৯২৮১-৯৯৭-৩
  11. John Lloyd and John Mitchinson (২০০৬)। QI: The Complete First Series – QI Factoids (DVD)। 2 entertain।
  12. William G. Lord; Amy Ouellette (ফেব্রুয়ারি ২০১০)। "Dwarf Rootstocks for Apple Trees in the Home Garden" (পিডিএফ)। University of New Hampshire। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৩
  13. Esmaeil Fallahi; W. Michael Colt; Bahar Fallahi; Ik-Jo Chun (জানুয়ারি–মার্চ ২০০২)। "The Importance of Apple Rootstocks on Tree Growth, Yield, Fruit Quality, Leaf Nutrition, and Photosynthesis with an Emphasis on 'Fuji'" (পিডিএফ)Hort Technology১২ (1)। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০১৯
  14. Adamson, Nancy Lee. An Assessment of Non-Apis Bees as Fruit and Vegetable Crop Pollinators in Southwest Virginia ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে. Diss. 2011. Web. 15 October 2015.
  15. Bob Polomski; Greg Reighard। "Apple"। Clemson University। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০০৮
  16. Mieder, Wolfgang (১৯৯২)। A Dictionary of American Proverbs। Oxford University Press, USA। পৃ. ৫৪–। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৫০৫৩৯৯-৯
  17. 1 2 "Apple production in 2017; Crops/World Regions/Production Quantity"। FAOSTAT, UN Food & Agriculture Organization, Statistics Division। ২০১৭। ১১ মে ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জানুয়ারি ২০১৯
  18. "Nutrition Facts, Apples, raw, with skin [Includes USDA commodity food A343]. 100 gram amount"। Nutritiondata.com, Conde Nast from USDA version SR-21। ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২০
  19. Kellogg, Kristi। "81 Best Apple Recipes: Dinners, Desserts, Salads, and More"Epicurious
  20. "PPO silencing"। Okanagan Specialty Fruits, Inc.। ২০১৯। ২৭ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০১৯
  21. "United States: GM non-browning Arctic apple expands into foodservice"। Fresh Fruit Portal। ১৩ আগস্ট ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০১৯
  22. Fabiani, R; Minelli, L; Rosignoli, P (অক্টোবর ২০১৬)। "Apple intake and cancer risk: a systematic review and meta-analysis of observational studies."Public Health Nutrition১৯ (14): ২৬০৩–১৭। ডিওআই:10.1017/S136898001600032Xপিএমআইডি 27000627
  23. Landau, Elizabeth, Oral allergy syndrome may explain mysterious reactions ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৫ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে, 8 April 2009, CNN Health, accessed 17 October 2011
  24. "সবুজ আপেল কেন খাবেন?"এনটিভি। ২১ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০১৬
  25. Yu, Xiuzhu; Van De Voort, Frederick R.; Li, Zhixi; Yue, Tianli (২০০৭)। "Proximate Composition of the Apple Seed and Characterization of Its Oil"। International Journal of Food Engineering (5)। ডিওআই:10.2202/1556-3758.1283এস২সিআইডি 98590230

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]

https://en.wikipedia.org/wiki/Encyclop%C3%A6dia_Britannica

https://en.wikipedia.org/wiki/Encyclopedia_of_Life

http://www.catalogueoflife.org/col/details/species/id/52b2255cff5bc2b40778e3e4a2c7be71