স্ত্রীস্তবক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Magnolia × wieseneri এর ফুল জাতে অনেকগুলো গর্ভকেশর একত্রিত হয়ে একটি স্ত্রীস্তবক গঠন করেছে
হিপেস্ট্রাম ফুলে গর্ভমুণ্ড, গর্ভদণ্ড, গর্ভাশয় দেখা যাচ্ছে
হিপেস্ট্রাম ফুলের গর্ভমুণ্ডসমূহ এবং গর্ভদণ্ড
স্ত্রী স্তবকসহ মস উদ্ভিদ, বিটপের শীর্ষে আর্কিগোনিয়া গুচ্ছ দেখা যাচ্ছে

স্ত্রীস্তবক ( /ɡˈnsɪəm/ থেকে প্রাচীন গ্রিক γυνή ( gyne, "মহিলা") এবং οἶκος oikosoikos) ডিম্বক উৎপাদনকারী ফুলের অংশগুলির জন্য সম্মিলিত শব্দ হিসাবে সাধারণত ব্যবহৃত হয় এবং যা শেষ পর্যন্ত ফল এবং বীজে বিকশিত হয়। স্ত্রীস্তবক একটি ফুলের সবচেয়ে ভেতরের স্তবক ; এটি (এক বা একাধিক) গর্ভপত্র নিয়ে গঠিত এবং এটি সাধারণত পরাগ- উৎপাদনকারী প্রজনন অঙ্গ, পুংকেশর যা সম্মিলিতভাবে পুংস্তবক নামে পরিচিত দ্বারা চারপাশ থেকে ঘিরে থাকে । স্ত্রীস্তবক-কে প্রায়ই স্ত্রী-গ্যামেট উৎপাদক অংশ হিসাবে উল্লেখ করা হয় যদিও সরাসরি জননকোষ উৎপাদনের চেয়ে, স্ত্রীস্তবক উৎপন্ন মেগাস্পোর করে থাকে ,যা থেকে একটি স্ত্রী-গ্যামেটোফাইটের বিকাশ হয়, যা থেকে পরে ডিম্বাণু কোষ উৎপন্ন হয়।

স্ত্রীস্তবক প্রায়ই স্ত্রী লিঙ্গ হিসেবে উল্লেখ করা হয় কারণ এটি স্ত্রী (ডিম্বাণু উৎপাদনকারী) গ্যামটোফাইটের জন্ম দেয়; যাইহোক, দৃঢ়ভাবে বলতে গেলে স্পোরোফাইটের কোন লিঙ্গ নেই, শুধুমাত্র গ্যামেটোফাইটের রয়েছে ।[১] স্ত্রীস্তবক উন্নয়ন এবং ব্যবস্থা পদ্ধতিগত গবেষণা এবং সপুষ্পক উদ্ভিদ সনাক্তকরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে ফুলের অংশসমূহের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন হতে পারে।[২]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

মন্তব্য[সম্পাদনা]

 

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Judd07 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  2. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Satt74 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি

গ্রন্থাগার[সম্পাদনা]

  •  এই নিবন্ধটি একটি প্রকাশন থেকে অন্তর্ভুক্ত পাঠ্য যা বর্তমানে পাবলিক ডোমেইনেRendle, Alfred Barton (১৯১১)। "Flower"। চিসাম, হিউ। ব্রিটিশ বিশ্বকোষ। Volume 10 (১১তম সংস্করণ)। কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস। পৃষ্ঠা 553–573। [[বিষয়শ্রেণী:উইকিসংকলনের তথ্যসূত্রসহ ১৯১১ সালের এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা থেকে উইকিপিডিয়া নিবন্ধসমূহে উদ্ধৃতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে]]</img>
  • Greyson, R. I. (১৯৯৪)। The Development of Flowers। Oxford University Press। আইএসবিএন 978-0-19-506688-3 978-0-19-506688-3