জোছনা ও জননীর গল্প

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জোছনা ও জননীর গল্প
জোছনা ও জননীর গল্প (২০০৪).jpg
প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ
লেখকহুমায়ুন আহমেদ
প্রচ্ছদ শিল্পীমাসুম রহমান
দেশবাংলাদেশ
ভাষাবাংলা
বিষয়বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ
ধরনউপন্যাস
প্রকাশিতফেব্রুয়ারি, ২০০৪
প্রকাশকঅন্যপ্রকাশ
মিডিয়া ধরনছাপা (হার্ডকভার)
পৃষ্ঠাসংখ্যা৫২৭ (প্রথম প্রকাশ)

জোছনা ও জননীর গল্প বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের উপর ভিত্তি করে হুমায়ুন আহমেদ রচিত একটি উপন্যাস। ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে (ফাল্গুন, ১৪০০ বঙ্গাব্দ) একুশে গ্রন্থমেলায় বাংলাদেশের অন্যপ্রকাশ, ঢাকা থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সংঘটিত তাঁর নিজ জীবনের এবং নিকট সম্পর্কিত ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন ব্যক্তির বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা তিনি উপন্যাসিক আঙ্গিকে এতে ফুটিয়ে তুলেছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানসহ তৎকালীন কিছু উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের ঘটনা তাঁর নিজস্ব দৃষ্টিকোণ থেকে উঠে এসেছে এই উপন্যাসটিতে।

গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রসমুহ[সম্পাদনা]

বাস্তব জীবন থেকে নেওয়া চরিত্রসমুহ[সম্পাদনা]

উপন্যাসের কাল্পনিক চরিত্রসমুহ[সম্পাদনা]

  • শাহেদ  – এটিও বাস্তব একটি চরিত্র তবে উপন্যাসে লেখক সত্যের সাথে কল্পনা যোগ কয়েছেন
  • ইরতাজউদ্দিন  – শাহেদের বড় ভাই
  • আসমানী  – শাহেদের স্ত্রী
  • রুনি  – শাহেদের মেয়ে
  • গৌরাঙ্গ  – শাহেদের বন্ধু
  • মোবারক হোসেন  – নাইমুলের শ্বশুর এবং পুলিশ ইন্সপেক্টর
  • নাইমুল  – শাহেদের বন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধা
  • মরিয়ম  – নাইমুলের স্ত্রী ও মোবারক হোসেনের কন্যা
  • কলিমুল্লাহ  – কবি,
  • এছাড়াও অনেকে…

টেলিভিশন ধারাবাহিক[সম্পাদনা]

২০০৮ সালে বিটিভিতে এই উপন্যাসের কাহিনী অবলম্বনে ধারাবাহিক সম্প্রচার শুরু হয়।[১] হুমায়ুন আহমেদ নিজেই এই ধারাবাহিকের পরিচালক ছিলেন। কিন্তু তিন পর্ব প্রচারিত হবার পরে ঢাকার বিমানবন্দর এলাকায় স্থাপিত লালন ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে তিনি এর কাজ বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে ২০১০ সালে আবারও এই ধারাবাহিকের কাজ শুরু হয়।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "আবার 'জোছনা ও জননীর গল্প'"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৯ অক্টোবর ২০১০ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]