ইস্টিশন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ইস্টিশন
ইস্টিশন উপন্যাসের প্রচ্ছদ.jpg
ইস্টিশন উপন্যাসের প্রচ্ছদ
লেখকহুমায়ূন আহমেদ
দেশ বাংলাদেশ
ভাষাবাংলা
প্রকাশিত১৯৯৯
মিডিয়া ধরনছাপা (হার্ডকভার)

হুমায়ূন আহমেদের ইস্টিশন উপন্যাসটি ১৯৯৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।

চরিত্রসমুহ[সম্পাদনা]

  • মোতাহার উদ্দিন টগর
  • আজহার উদ্দিন–  টগরেরে বাবা
  • সুরমা–  আজহার উদ্দিনের স্ত্রী
  • আখলাক হোসেন রঞ্জু–  টগরেরে ভাই
  • কুসুম–  টগরেরে ফুফাতো বোন
  • রহিমা–  টগরেরে ফুফু

কাহিনীসংক্ষেপ[সম্পাদনা]

নান্দাইল রোড ইস্টিশনের ইস্টিশন মাস্টার আজহার উদ্দিন রেলের কোয়াটারে থাকেন। তার সংসারে থাকে তার বোন এবং বোনের মেয়ে। সেবার আজহার উদ্দিনের বড় ছেলে রঞ্জু পরপর দুবার মেট্রিক পরীক্ষায় ফেল করে। সে আবার পরীক্ষা দিবে বলে ভাবে। অন্যদিকে গল্পের কথক টগর পড়ে ক্লাস সিক্সে। টগরের ফুফাতো বোন কুসুম অতি রূপবতীদের একজন। সে পড়ালেখায়ও ভালো। সে ক্লাস টেনে পড়ে।

নান্দাইল রোড ইস্টিশনের পাসেই মগরা ব্রিজ। বৃষ্টি বেশি হওয়ায় নদীর পানি বেড়ে যায়। ব্রিজ ঠিক রাখার জন্য লোক আসে। ছোট দল তাদের। দলের প্রধান একজন তরুণ ইঞ্জিনিয়ার। তরুণ ইঞ্জিনিয়ার একদিন টগরদের বাড়িতে আসে সেইদিন তরুণ ইঞ্জিনিয়ার কুসুমের সাথে পরিচয় হয় তার। এরপর টগরদের বাড়িতে আসা যাওয়া চলতে থাকে তার। একসময় ক্রেন চালক সহ সকলেই কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে চলে যায় মগরা ব্রিজ থেকে। খাওয়ার  অসুবিধার কারণে ইঞ্জিনিয়ার টগরদের বাড়িতেই থাকা শুরু করে।

একসময় আবার শুরু হয় মগরা ব্রিজের কাজ। এবার সাথে আসে এক চীনা ইঞ্জিনিয়ার। ঘটনার এক পর্যায়ে চীনা ইঞ্জিনিয়ারকে হত্যা করা হয়। ফাঁসির আদেশ হয় তরুণ ইঞ্জিনিয়ার সহ ক্রেন চালক এবং আরও ২ জনের। শেষে কুসুম তার বাবার কাছে থেকে পড়াশুনা করে। রঞ্জু চলে যাইয় নিউজিল্যান্ড এ।  

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]