বাকের ভাই

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বাকের ভাই
কোথাও কেউ নেই চরিত্র
চরিত্রায়ণ আসাদুজ্জামান নূর
তথ্য
ডাকনামবাকের ভাই
পেশামুলত কিছুই করত না, সাধারনত মানুষদের বিপদে সাহায্য করত
পরিবারভাই এবং ভাবী
ধর্মইসলাম

বাকের ভাই (ইংরেজি: Baker bhai) হচ্ছে হুমায়ুন আহমেদের রচনায় বরকত উল্লাহ্‌র পরিচালনায় পরিচালিত ধারাবাহিক কোথাও কেউ নেই এর প্রধান চরিত্র, যা ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছিল এবং ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল।[১][২]

চরিত্র[সম্পাদনা]

দর্শক জনপ্রিয়তা[সম্পাদনা]

১৯৯৩ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, আদালতের রায়ে ফাঁসি কার্যকর করা হয় বাকের নামে একজন মাস্তানের। মজার ব্যাপার হচ্ছে এটি সত্যিকারের কোনো ঘটনা নয়। বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত ‘কোথাও কেউ নেই’ ধারাবাহিকের প্রধান চরিত্র বাকের যে তার পরোপকারী স্বভাবের কারণে এলাকার লোকজনের কাছে 'বাকের ভাই' হিসেবে পরিচিত।

তার এই ফাঁসি দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দর্শকদের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। উপমহাদেশে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সাহিত্যিক কর্ম বা সাহিত্য থেকে উঠে আসা কাল্পনিক চরিত্র নিয়ে নানা সময়ে আলোড়ন দেখা গেলেও বাকের ভাইয়ের ফাঁসি দেয়ার ঘটনাকে ঘিরে দর্শকদের মাঝে যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছিল তাকে এর সাথে সংশ্লিষ্ট লোকজনই মনে করছেন বিরল এবং বিস্ময়কর।

বাকের ভাই চরিত্রের অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ধারাবাহিকের শেষ পর্ব প্রচারের দিনটিতে ঢাকার চেহারা যেন কারফিউর মতো রূপ নিয়েছিল। বাকের ভাইর ফাঁসি হয় যার সাক্ষ্য দেয়ার কারণে সেই খল চরিত্রের অভিনেতা আব্দুল কাদের বলেন, বাকের ভাইয়ের ফাঁসির প্রতিবাদে সৃষ্ট বিক্ষোভের মুখে তারা থানায় জিডিও করেছিলেন।

বাকের ভাইয়ের কুলখানির নিমন্ত্রণও পেয়েছিলেন বলে জানান মি. কাদের। দেশের বিভিন্ন জায়গায় বাকের ভাইর ফাঁসির প্রতিবাদে মিছিল সমাবেশ হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মোর্শেদ নোমান বর্ণনা করেন সেই অভিজ্ঞতার কথা। আর নাট্যকার হুমায়ূন আহমেদ দর্শকদের এমন প্রতিক্রিয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেন[৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "BanglaNatok.com"। ২৭ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০১৪ 
  2. "Bangladesh : Writers- Humayun Ahmed"। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৬ 
  3. "He who told the best tales ..."The Daily Star। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৬