সোনাগাজী উপজেলা
| সোনাগাজী | |
|---|---|
| — উপজেলা — | |
|
|
|
| স্থানাঙ্ক: 22°51′N 91°23.5′E / 22.85°উ 91.3917°পূস্থানাঙ্ক: 22°51′N 91°23.5′E / 22.85°উ 91.3917°পূ | |
| দেশ | |
| বিভাগ | চট্টগ্রাম বিভাগ |
| জেলা | ফেনী জেলা |
| আয়তন | |
| • মোট | ২৩৫.০৭ |
| জনসংখ্যা (১৯৯১) | |
| • মোট | ২,১৫,১২২ |
| • ঘনত্ব | ৯১৫ |
| সময় অঞ্চল | বিএসটি (ইউটিসি+৬) |
| ওয়েবসাইট | সোনাগাজীর সরকারি মানচিত্র |
সোনাগাজী বাংলাদেশের ফেনী জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। বাংলাদেশের মানচিত্রে ফেনী জেলার গৌরবময় ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের স্বাক্ষী সাগরস্নাত উপকূলীয় উপজেলা সোনাগাজী। এ জনপদের লোকেরা নিজ জেলা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সমাজ ও দেশ গঠনে নিরন্তর প্রচেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের সম্ভবনাময় উপজেলা হিসেবে সোনাগাজী উপজেলা সারাদেশের অন্যান্য উপজেলা হতে সবক্ষেত্রে অনেকবেশী উন্নত।
পরিচ্ছেদসমূহ |
অবস্থান [সম্পাদনা]
অবস্থানঃ সোনাগাজী উপজেলার উত্তরে ফেনী সদর উপজেলা, দক্ষিনে বঙ্গপসাগর. পূর্বে মিরসরাই উপজেলা (চট্টগ্রাম), পশ্চিমে কম্পানিগঞ্জ উপজেলা (নোয়াখালী), এবং ফেনী নদী ও ছোট ফেনী নদী দ্বারা বেষ্টিত।
- যোগাযোগ সুবিধাঃ পাকা রাস্তা ৫২ কিঃ মিঃ, আধা পাকা ২০ কিঃ মিঃ, এবং কাচা রাস্তা ৭১০ কিঃ মিঃ, পানিপথ ২২ নটিক্যাল মাইল, এবং ছোট ফেনী নদীর উপর সেতু না থাকার কারনে কম্পানিগঞ্জ নোয়াখালীর সাথে যোগা-যোগ বাধাগ্রস্থ হয়ে আছে। তাই ছোট ফেনী নদীর উপর একটি সেতু খুবই জরুরী ভিত্বিতে তৈরি করার জন্য আমি নাসির উদ্দিন (খোকন)এবং আমরা সোনাগাজীবাসি সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
সংক্ষিপ্ত তথ্য [সম্পাদনা]
- সোনাগাজী পৌরসভা শহরের আয়তনঃ ২.০৯ বর্গ কিঃ মিঃ
- সোনাগাজী থানা ১৯২০ইং সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, এবং ১৯৮৩ইং সালে উপজেলা হিসাবে কার্যক্রম চালু করা হয়েছিল।
- জনসংখ্যাঃ ১৯৯১ইং সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ২,১৫,১১২জন ৪৯,৮০% পুরুষ এবং ৫০,২০%মহিলা।
- ধর্মিয় প্রতিষ্ঠানঃ মসজিদ ২৭৬টি এবং মন্দির ৩টি।
- শিক্ষার গড় হারঃ ৩২,২%
- ৪০.০১ পুরুষ এবং ২৪.০৬ মহিলা।
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঃ ১টি মহিল কলেজ সহ কলেজ ৩টি, উচ্চ বিদ্যালয় ১৭টি,নিন্মমাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩টি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৭৬টি, বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়১৭টি, কিন্ডারগার্টেন ৮টি, সুখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মঙ্গলকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়(১৯২৫ইং সালে প্রতিষ্ঠিত) এবং নবাব পুর উচ্চ বিদ্যালয় (১৯২৩ইং সালে প্রতিষ্ঠিত)
- সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানঃ পাবলিক লাইব্রেরী ২টি, ক্লাব ৩০টি, নারী সংস্থা ১৪টি, খেলার মাঠ ২০টি। তথ্য সংগ্রহ নাসির উদ্দিন (খোকন) S/O মাষ্টার আবুল হাশেম, মাতা সুলতানা রেজীয়া চৌধুরী। সওদাগর হাট পাঠাগার, চরচান্দিয়া।
- পেশা সমূহঃ কৃষি ৩৯.৭৪%, মাছ ধরা ০১.০৫%, পরিবহন ২.৪৪%, ব্যবসা ৯.৬%, চাকরি ১৬.৯১%, শিল্প এবং নির্মাণ ২.৬২%, অন্যান্য ১০.২১%।
- আবাদি জমিঃ ২,৫৯,৮৯৪ হেক্টর, ১ফসলি ৫৬%, দোফসলি৩০%, ত্রিফসলি১৪%। ১২% সেচের আওতায়।
- প্রধান ফসল ঃ ধান, গম, আলু, ঢেড়ষ, বেগুন, মসূর, সরিষা,
- ভূমি নিয়ন্ত্রনঃ কৃষকের মধ্যে ১২%ভূমিহীন, ৫৮%ছোট, ১২% মধ্যবর্তী, ১৮%ধনী।
- যোগাযোগ সুবিধাঃ পাকা রাস্তা ৫২ কিঃ মিঃ, আধা পাকা ২০ কিঃ মিঃ, এবং কাচা রাস্তা ৭১০ কিঃ মিঃ, পানিপথ ২২ নটিক্যাল মাইল, এবং ছোট ফেনী নদীর উপর সেতু না থাকার কারনে কম্পানিগঞ্জ নোয়াখালীর সাথে যোগা-যোগ বাধাগ্রস্থ হয়ে আছে। তাই ছোট ফেনী নদীর উপর একটি সেতু খুবই জরুরী ভিত্বিতে তৈরি করার জন্য আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
- কুটির শিল্পঃ দুগ্ধ খামার ২১টি, মৎস খামার ৪০টি, পোল্ট্রী ফার্ম ১০টি, হাঁস-মুরগির কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র ১টি। ওয়েল্ডিং ১০টি, স্বণকার ১১টি কামার ১৫টি, কাঠের কাজ ৬০টি, সেলাই ৪৫টি, হাত তাঁত ৭টি, বাঁশ কাজ ১১টি।
- এনজিও কার্যক্রমঃ ব্র্যাক, প্রশিকা, আশা, গ্রামীন ব্যাংক, স্বনির্ভর বাংলাদেশ।
- আয়তনঃ ২৮৪.৯ বর্গ কিলোমিটার (১১০ বর্গ মাইল) ।
- জনসংখ্যা (২০০১ সালের আদম শুমারী অনুযায়ী)ঃ ২,৩৫,২২৯ জন।
- ঘনত্বঃ প্রতি বর্গ কিঃ মিঃ-৮২৬ জন।
- নির্বাচনী এলাকা : ফেণী-৩, ২৬৭ ।
- খানা/ইউনিয়নঃ ০৯টি।
- মৌজাঃ ৯৪টি।
- সরকারী হাসপাতালঃ ০১টি
- স্বাস্থ্য কেন্দ্র/ক্লিনিকঃ ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র-০৫টি,স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র-০৮টি,স্যাটেলাইট ক্লিনিক-৭২টি।
- পোস্ট অফিসঃ ০৪টি,সাব পোস্ট অফিস-৩টি, শাখা পোস্ট অফিস-১৬টি।
- নদ-নদীঃ ০২টি (বড় ফেণী ও ছোট ফেণী নদী) ।
- হাট বাজারঃ ২৮ টি।
- ব্যাংকঃ ১৭টি ।
পটভূমি [সম্পাদনা]
ধারণা করা হয় পলাশী যুদ্ধের পর ১৭৮০ খ্রিঃ থেকে ১৮০০ খ্রিঃ এর মাঝামাঝি সময় নয়ন গাজী নামে জনৈক ব্যক্তি ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য উপমহাদেশের পশ্চিম অংশ থেকে অত্র এলাকায় আগমন করেন। সোনাগাজী নামে তার এক ছেলে ধন সম্পদের অধিকারী হয়ে এ এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেন। সম্ভবত তাঁর নাম অনুসারে অত্র উপজেলার নাম সোনাগাজী নামকরণ করা হয়।
উল্লেখযোগ্য স্থান বা স্থাপনা [সম্পাদনা]
মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদ স্বরণে মুক্তিযদ্ধ স্মৃতি সৌধ, মুহুরী সেচ প্রকল্প, সুজাপুর ওয়ালি ভূঁঞা বাড়ী জামে মসজিদ, বাদশা মিয়া চৌধুরী বাড়ী জামে মসজিদ, কুঠির কালী বাড়ী মন্দির, আঞ্চলিক ধান গবেষণা কেন্দ্র, আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার এবং বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র।[১]
জনসংখ্যার উপাত্ত [সম্পাদনা]
শিক্ষা [সম্পাদনা]
==অর্থনীতি==সোনাগাজীবাসির অর্থনীতি অনেকটা প্রবাসি নির্ভর, অথচ জেনারেল মাষুধ চৌধুরী, এবং তত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সি এস করিমের মত এমন অনেক ক্ষমতাধর ব্যাক্তিদের জন্মস্থান সোনাগাজীর এমন অবস্থা কাম্য নয়। কেননা এই এলাকার যথেষ্ট সম্ভবনা আছে, যেমন ছোটফেনী নদীর শেষ প্রান্তে নির্মিত রেগুলেটরটা যদি সচল করা হত, তাহলে সোনাগাজীর উন্নয়ন আরো তরান্বিত হতো। কেননা রেগুলেটরের অভাবে উম্মুক্ত নদী ইচ্ছামত গতি পরিবর্তন করার কারনে নদীপাড়ের মানুষদেরকে সহায় সম্বলহীন করছে প্রতিনিয়ত।কেননা ক্ষরস্রোত প্রবাহিত নদীর ভাংগনের কারনে সেখানের মানুষ গুলো সব সময় আতংকের মধ্যে থাকে, কখন নদীতে ভেংগে নিয়ে যায় তাদের সহায় সম্বল। আর সওদাগর হাটের উপর দিয়ে যে রাস্তাটা কম্পানিগঞ্জের দিকে গেছে তাহা নদীর কারনে যোগা-যোগের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে আছে। নদীর উপর সেতু না থাকার কারনে, এলাকার উৎপাদিত পন্য পরিবহনে সময় ও খরচ বেশী হওয়ার কারনে, অনেক সময় উৎপাদিত পন্য নষ্ট হয়ে উৎপাদন কারি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হন। এবং উন্নয়ন ব্যাহত হয়। তাই আমি নাসির উদ্দিন (খোকন) ঝ/ঙ মাষ্টার আবুল হাশেম এবং আমরা সোনাগাজীবাসি সরকারের কাছে ছোটফেনী নদীর শেষ প্রান্তে নির্মিত রেগুলেটরটা সচল করার এবং ছোটফেনী নদীর উপর একটি সেতু নির্মানের দাবি জানাচ্ছি। যদি এই নদীর উপর একটা ব্রিজ করে দেয়া যায়, তাহলে কম্পানিগঞ্জ সহ বৃহত্তর নোয়াখালীর সাথে আমাদের এলাকার আমদানি রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। এতে এলাকার অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। আমাদের এলাকার কর্মক্ষম লোকদের জন্য স্থানিয় কোন কর্মসংস্থান নেই। অথচ, সোনাগাজীর দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলের নদী-তীরবর্তি এলাকার বৃহত্তম অংশ অনাবাদি এবং অরক্ষিত। তাই নদী তীরবর্তি এলাকাতে যোগা-যোগের ব্যাবস্থা তথা রাস্তা ঘাটের উন্নতি হলে, চিংড়ি চাস,দুগ্ধ খামার, হাঁস মুরগির খামার সহ বিভিন্ন ধরনের জাতিয় উন্নয়ন মুলক কাজের ক্ষেত্র প্রসারিত হতো। সোনাগাজীর দক্ষিন পশ্চিম উপকুলিয় অংশে যদি একটি অভ্যন্তরিন নৌবন্দর এবং পর্যটন কেন্দ্র হতো। তাহলে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্র্রাম সহ হাঁতিয়া এবং সন্দিপের সাথে খুব সহজেই অল্প খরছে যাতায়াত করা যেত। এতে করে জাতীয় সড়ক ব্যাবস্থার উপর চাপ কমতো। এলাকার যুবকদের বেকারত্ব দুর হতো। এই এলাকার মানুষগুলো বিনা শর্তে নেতাদেরকে ভোটদেয়। নেতারা ভোট নিয়ে কেটে পড়ে, ভোট শেষ হয়ে গেলে নেতারা আর এলাকায় আসেনা। কেননা এলাকার সমশ্যায় নেতারা ভোগেনা, তবুও আমরা নেতাদেরকে ভোট দেই। হয়ত এর জন্য আমরাই দায়ী, কেননা মনে হয় নেতাদের সামনে দাড়িয়ে আমাদের সমশ্যা গুলা তুলে ধরার সাহস বা যোগ্যতা আমাদের নেই। আমারা শুধু ভোট দিতে জানি, কেননা ভোট দিতে কোন যোগ্যতার প্রয়োজন হয়না। তাই আমি নাসির উদ্দিন (খোকন) আমার এলাকাবাসিকে অনুরোধ করছি, বিষেশ বিষেশ সমশ্যা গুলোকে চিন্নিত করে সংঘবদ্ধ ভাবে নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষন করার জন্য। কেননা কথায় বলে ছেলে না কাঁদলে মায় দুধ দেয়না। তাই আমরা আগামী সংসদ নির্বাচনের আগেই আমাদের এলাকার উল্যেক্ষিত সমশ্যা গুলোর অগ্রগতি দেখতে চাই, তা নাহলে আমরা সোনাগাজী বাসি সম্মিলিত ভাবে ভোট বর্জন করব।
==কৃতী ব্যক্তিত্ব==মাষ্টার আবুল হাশেম, তিনি ১৯৩৪ইং সালে সোনাগাজী থানার চরচান্দিয়া গ্রামে একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন চট্টগ্রাম থেকে বাড়ি ফেরার পথে মুহুরী নদীতে নৌকা ডুবে গেলে তিনি আহত হন। এবং মুক্তিযুদ্ধের গোলযোগপুর্ণ পরিস্থিতিতে উপযুক্ত চিকিসার অভাবে ১৯শে জুন ১৯৭১ সালে তিনি মারা যান। তিনি সওদাগরহাট পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন। এবং তিনি একজন শিক্ষানুরাগি ব্যাক্তিত্ব ছিলেন।
বিবিধ [সম্পাদনা]
আরও দেখুন [সম্পাদনা]
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
| ফেনী জেলা | |
|---|---|
| উপজেলা/থানাঃ সোনাগাজী | ছাগলনাইয়া | পরশুরাম | ফুলগাজী | দাগনভূঁইয়া | ফেনী সদর |
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |