বাংলা একাডেমী
|
|
এই article উইকিপিডিয়ার জন্য মান সম্পন্ন অবস্থায় আনতে পরিচ্ছন্ন করা প্রয়োজন। (প্রয়োজনে আরও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিন।) সম্ভব হলে অনুগ্রহ করে article এর মান উন্নয়ন করুন। আলাপ পাতায় এই সংক্রান্ত বিস্তারিত বর্ণনা থাকতে পারে। |
বাংলা একাডেমী ১৯৫৫ সালের ৩রা ডিসেম্বর ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা, গবেষণা ও প্রচারের লক্ষ্যে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশে) এই একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন-পরবর্তী কালের প্রেক্ষাপটে বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার দাবি ওঠে। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন "বর্ধমান হাউজ"-এ এই একাডেমীর সদর দপ্তর স্থাপিত হয়। শামসুজ্জামান খান বাংলা একাডেমীর বর্তমান মহাপরিচালক।
সূচিপত্র |
[সম্পাদনা] বিভাগ
বাংলা একাডেমীর বর্তমান বিভাগগুলো হচ্ছে:
- গবেষণা, সঙ্কলন ও ফোকলোর বিভাগ
- ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও পত্রিকা বিভাগ
- পাঠ্যপুস্তক বিভাগ
- প্রাতিষ্ঠানিক পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ বিভাগ
[সম্পাদনা] ইতিহাস
বশীর আল হেলালের মতে, বাংলা একাডেমীর মতো প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও সংগঠনের চিন্তা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ প্রথম করেন।[১] ডঃ শহীদুল্লাহ ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৪৮ এ পূর্ব পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলনে ভাষা সংক্রান্ত একটি একাডেমি প্রতিষ্ঠার দাবী করেন।[২] এছাড়া দৈনিক আজাদ পত্রিকা বাংলা একাডেমী গঠনে জনমত সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। ১৯৫২ সালের ২৯ এপ্রিল পত্রিকাটি 'বাংলা একাডেমী' প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা জানিয়ে এ প্রসঙ্গে সম্পাদকীয় প্রকাশ করে। এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে সময় কিছু প্রচেষ্টা নেয়।[৩][৪] ১৯৫৪ সালে এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রস্তাবও গ্রহণ করা হয়। কিন্তু অর্থাভাবে প্রস্তাবটি বাস্তবায়ন হয়নি। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হলে শিক্ষামন্ত্রী সৈয়দ আজিজুল হক নির্দেশ দেন,[৫]
যুক্তফ্রন্টের প্রধানমন্ত্রী বর্ধমান হাউজের বদলে অপেক্ষাকৃত কম বিলাসের বাড়িতে বাসস্থান নির্দিষ্ট করিবেন এবং বর্ধমান হাউজকে আপাতত ছাত্রাবাস ও পরে বাংলাভাষার গবেষণাগারে পরিণত করা হইবে।
অবশেষে ১৯৫৫ সালে ৩ ডিসেম্বর পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার উদ্বোধন করেন 'বাংলা একাডেমী'র। বাংলা একাডেমীর প্রথম সচিব মুহম্মদ বরকতুল্লাহ। তার পদবী ছিল 'স্পেশাল অফিসার'।[৬] ১৯৫৬ সালে একাডেমীর প্রথম পরিচালক নিযুক্ত হন অধ্যাপক মুহম্মদ এনামুল হক। বাংলা একাডেমীর প্রথম প্রকাশিত বই আহমদ শরীফ সম্পাদিত দৌলত উজির বাহরাম খান রচিত 'লাইলী মজনু'। স্বাধীনতার পর থেকে একাডেমী চত্বরে স্বল্প পরিসরে বইমেলা শুরু হয় এবং ১৯৭৪ সাল থেকে বড় আকার ধারণ করে। [৭]
[সম্পাদনা] মহাপরিচালক
বাংলা একাডেমীর প্রধান হিসেবে রয়েছেন একজন মহাপরিচালক। বর্তমান মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন শামসুজ্জামান খান।[৮]
[সম্পাদনা] ফেলোশিপ প্রদান
বাংলা একাডেমী ৩০ ডিসেম্বর, ২০১১ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অমর্ত্য সেনকে তাদের বার্ষিক সাধারণ সভায় সম্মানসূচক ফেলোশিপ প্রদান করে।[৯]
[সম্পাদনা] বাংলা একাডেমী অভ্যন্তরের ছবি
[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র
- ↑ দৈনিক সংবাদের নিবন্ধ
- ↑ বাংলাপিডিয়ার ভুক্তি
- ↑ http://174.120.99.127/~thedaily/details.php?news=27&action=main&option=all&menu_type=&pub_no=118
- ↑ http://www.banglapedia.org/httpdocs/HT/B_0134.HTM
- ↑ http://174.120.99.127/~thedaily/details.php?news=27&action=main&option=all&menu_type=&pub_no=118
- ↑ http://www.banglapedia.org/httpdocs/HT/B_0134.HTM
- ↑ http://174.120.99.127/~thedaily/details.php?news=27&action=main&option=all&menu_type=&pub_no=118
- ↑ বাংলার বিকৃত উচ্চারণের জন্য গণমাধ্যমের একাংশ দায়ী - ডয়চে ভেলে, সংগ্রহঃ ৯ জানুয়ারী, ২০১২ইং
- ↑ অমর্ত্য সেনকে বাংলা একাডেমীর সম্মানসূচক ফেলোশিপ - ডয়চে ভেলে, সংগ্রহঃ ৩১ ডিসেম্বর, ২০১১ইং
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |