চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (June 2008) |
|
|
এই নিবন্ধ উইকিপিডিয়ার জন্য মানসম্পন্ন অবস্থায় আনতে পরিচ্ছন্ন করা প্রয়োজন। (প্রয়োজনে আরও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিন।) সম্ভব হলে অনুগ্রহ করে নিবন্ধ এর মান উন্নয়ন করুন। আলাপ পাতায় এই সংক্রান্ত বিস্তারিত বর্ণনা থাকতে পারে। (June 2008) |
| চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলা জেলা | |
| বিভাগ | রাজশাহি বিভাগ |
| স্থানাঙ্ক | 24.73° N 88.20° E |
| আয়তন | ১৭০২.৫৫ বর্গ কিমি |
| সময় স্থান | বিএসটি (ইউটিসি+৬) |
| জনসংখ্যা (২০০১) - ঘণত্ব - পুরুষ - নারী - শিক্ষার হার - পুরুষ - নারী |
১,৬৪৭,৫২১ - ৮১৩.৮০/কিমি² - ৫০.১২% - ৪৯.৮৮% - ৪২.০৯% - ২৮.৫% - ১৯.১০% |
| ডাকঘর কোড | ৬৩০০ |
| ওয়েবসাইট: Chapainawabganj | |
| মানচিত্র সংযোগ: চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলা জেলার প্রাতিষ্ঠানিক মানচিত্র | |
| প্রশাসনিক বিভাগ | রাজশাহী |
| আয়তন (বর্গ কিমি) | ১,৭৪৪ |
| জনসংখ্যা | মোট: ১৪,১৯,৫৩৬ পুরুষ:৫০.১২% মহিলা: ৪৯.৮৮% |
| শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: | বিশ্ববিদ্যালয়: ০ কলেজ : ৪৩ মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ১৭৫ মাদ্রাসা : ৯৭ |
| শিক্ষার হার | ২৩.৮ % |
| বিশিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব | মধুসূদন চৌধুরী,ইলা মিত্র,রফিকুন্নবি, |
| প্রধান শস্য | ধান, পাট, ইক্ষু, গম |
| রপ্তানী পণ্য | আম, কাঠাল, পান |
চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটা রাজশাহী বিভাগের অন্তরগত একটি জেলা। ভারত উপমহাদেশ বিভাগের আগে এটি মালদহ জেলার একটি অংশ ছিল।১৯৪৭ সালে এটি মালদহ থেকে আলাদা হয়ে পশ্চিম পাকিস্থানে অন্তরভুক্ত হয় এবং রাজশাহি জেলার একটি মহাকুমা হিসেবে গন্য হয়।১৯৮৪ সালে একটি একক জেলা হিসেবে আত্তপ্রকাশ করে।
পরিচ্ছেদসমূহ |
ভৌগোলিক সীমানা [সম্পাদনা]
চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার মোট আয়তন ১৭৪৪
প্রশাসনিক এলাকাসমূহ [সম্পাদনা]
পাঁচটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত। ১.চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ২.গোমস্তাপুর ৩.শিবগঞ্জ ৪.নাচোল ৫.ভোলাহাট
ইতিহাস [সম্পাদনা]
- তেভাগা আন্দোলন
নাচোলে তেভাগা আন্দোলন শুরূ হয় ।
পদ্মা-মহানন্দা-পুনর্ভবার কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা চাঁপাইনবাবগঞ্জ ছিল মধ্যযুগের মুসলিম বাংলার প্রাণকেন্দ্র গৌড় নগরীর এক অগ্রসর জনপদ। ইতিহাসের দীর্ঘ পথপরিক্রমায় এই জনপদ কখনোই বাংলার শাশ্বত প্রতিবাদমুখর ঐতিহ্যের পথ থেকে বিচ্যুত হয়নি; বরং স্বদেশী ও ভিনদেশী সব রকমের শোষণ, নিপীড়ন ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সংগ্রামে এখানকার বরেন্দ্রভূমি চিরকাল স্বাধীনচেতা মানুষের বুকের রক্তে রঞ্জিত হয়েছে। সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশের বিরুদ্ধে সংঘটিত নীল বিদ্রোহ ও সাঁওতাল বিদ্রোহ, পাকিস্তান আমলে নাচোলের কৃষক বিদ্রোহ, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং এমনকি স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক ও স্বাধিকার আন্দোলনে চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসী তাঁদের বিদ্রোহী ও অধিকারসচেতন সত্তার প্রমাণ দিয়েছেন।
অর্থনীতি [সম্পাদনা]
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার অর্থনিতি মূলত কৃষি নির্ভর। এই জেলার বেশিরভাগ মানুষ গ্রামে বাস করে।তারা মুলত কৃষিকাজ করে তাদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মিটিয়ে থাকে।
চিত্তাকর্ষক স্থান [সম্পাদনা]
ছোট সোনামসজিদ, চিকা মসজিদ, সপ্নপল্লী, নাচোল রাজবাড়ী, বাবুডাইং,
আনুষঙ্গিক নিবন্ধ [সম্পাদনা]
|
|||||||||||||||||||||||||
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
- June 2008 তারিখ থেকে উৎসবিহীন নিবন্ধ
- উৎসবিহীন নিবন্ধ
- June 2008 তারিখ থেকে নিবন্ধসমূহের পরিষ্করণ প্রয়োজন
- Articles with invalid date parameter in template
- June 2008 তারিখ থেকে সমস্ত নিবন্ধসমূহের পরিষ্করণ প্রয়োজন
- June 2008 তারিখ থেকে Cleanup tagged articles without a reason field
- অকার্যকর চিত্র সংযোগসহ পাতাসমূহ
- অসম্পূর্ণ
- বাংলাদেশের জেলা