বিষয়বস্তুতে চলুন

মোহাম্মদপুর থানা

(মোহাম্মদপুর, ঢাকা থেকে পুনর্নির্দেশিত)
মোহাম্মদপুর
থানা
মোহাম্মদপুর বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
মোহাম্মদপুর
মোহাম্মদপুর
বাংলাদেশে মোহাম্মদপুর থানার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৫′৫″ উত্তর ৯০°২১′৪৮″ পূর্ব / ২৩.৭৫১৩৯° উত্তর ৯০.৩৬৩৩৩° পূর্ব / 23.75139; 90.36333 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশবাংলাদেশ
বিভাগঢাকা বিভাগ
জেলাঢাকা জেলা
প্রতিষ্ঠা১৯৫৪
আয়তন
  মোট১২.১৩ বর্গকিমি (৪.৬৮ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০০১)
  মোট৪,৫৬,০৫৮
  জনঘনত্ব৩৮,০০০/বর্গকিমি (৯৭,০০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
  মোট৩৮.০৪%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড১২০৭ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৩০ ২৬ ৫০
মোহাম্মদপুর
মোহাম্মদপুরের একটি মসজিদ
শিয়া জামে মসজিদ, মোহাম্মদপুর

মোহাম্মদপুর ঢাকা শহরের একটি থানা। শুরুতে মোহাম্মদপুর একটি আবাসিক এলাকা হিসাবে গড়ে উঠলেও বর্তমানে এর বাণিজ্যিক গুরুত্বও দিন দিন বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে মোহাম্মদপুরের জনসংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তার পেছনে মোটা দাগে যে কারনটি রয়েছে তা হলো এর উন্নিত যোগাযোগ ব্যবস্থা। সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে মোহাম্মদপুরের শেরে বাংলা নগর থানায়। এছাড়া বেসরকারি চিকিৎসা সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে মোহাম্মাদপুর থানার লালমাটিয়ায়। মোহাম্মাদপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যাতায়াতের জন্য রয়েছে সরাসরি বাস। দ্রুত নগরায়নের ফলে এবং উন্নত চিকিৎসা সেবা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ফলে মোহাম্মদপুর একটি ছোট শহরের রূপ নিয়েছে এবং এর প্রাকৃতিক জলাশয়, বিল প্রভৃতি হারিয়ে যেতে বসেছে। মোহাম্মাদপুর আবাসিক এলাকা ও লালমাটিয়া আবাসিক এলাকাতে প্রতিটি ব্লকে রয়েছে একটি করে খেলার মাঠ ও পানির পাম্প।

পূর্বে মোহাম্মাদপুর-১২০৭ এর থানা সংখ্যা ছিল চারটি। বর্তমানে মোহাম্মদপুর-১২০৭ এর মধ্যে তিনটি থানা রয়েছে। যথা- শেরে বাংলা নগর থানা, মোহাম্মাদপুর থানা, আদাবর থানা। যার মাধ্যমে শেরে বাংলা নগর থানা প্রশাসনিক এবং মোহাম্মাদপুর থানা আবাসিক এলাকা হিসেবে যাত্রা শুরু করে। শুরুতে ১৯৫৪ সালের দিকে তেজগাও থানার বিশাল একটি অংশ নিয়ে শেরে বাংলা নগর থানা প্রশাসনিক এলাকা ও মোহাম্মদপুর থানা একটি আবাসিক এলাকা হিসাবে গড়ে তোলে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার। শেরে বাংলা নগরকে নতুন প্রশাসনিক কাঠামো প্রদান করে এবং মোহাম্মদপুরকে একটি পূর্ণাঙ্গ, পরিকল্পনা মাফিক আবাসিক এলাকা তৈরি করে।

সাম্প্রতিক সময়ে মোহাম্মদপুর থানার কিছু এলাকা নিয়ে আদাবর থানা নামে একটি নতুন থানা গঠন করা হয়েছে। পুর্বে হাজারিবাগ থানা মোহাম্মাদপুরের অংশ ছিল যা বর্তমানে ধানমন্ডি সার্কেলের অংশ।

অবস্থান

[সম্পাদনা]

মোহাম্মদপুরের অবস্থান ২৩.৭৫৪২ ডিগ্রি উত্তর এবং ৯০.৩৬২৫ ডিগ্রি পূর্ব। এর উত্তরে আদাবর থানা, দক্ষিণে ধানমন্ডি থানাহাজারীবাগ থানা, পূর্বে শেরে বাংলা নগর থানা এবং পশ্চিমে কেরানীগঞ্জ উপজেলা। মোহাম্মদপুরের আয়তন ১২.১৩ বর্গ কিলোমিটার এবং এখানে ৯৮,৭৬৩টি বাড়ি রয়েছে[]

জনপরিসংখ্যান

[সম্পাদনা]

মোহাম্মদপুর ঢাকা শহরের একটি দ্রুত বর্ধণশীল জনবহুল এলাকা। ২০০১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী মোহাম্মদপুরের মোট জনসংখ্যা ৪,৫৬,০৫৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫৪.৯৫% এবং মহিলা ৪৫.০৫%. মোহাম্মদপুরের গড় শিক্ষার হার ৬৩.৭০%; পুরুষদের মধ্যে শিক্ষার হার ৬৮.৬৬% এবং মহিলাদের মধ্যে শিক্ষার হার ৫৭.৫৭%। এ এলাকায় পরিবার প্রতি গড় সদস্য সংখ্যা ৫ জন[]

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

[সম্পাদনা]

এই এলাকায় প্রচুর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে। কিছু উল্লেখযোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হল:

  1. সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
  2. দ্য পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ
  3. বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি
  4. গ্রাফিক আর্টস ইন্সটিটিউট
  5. সরকারী শারীরিক শিক্ষা কলেজ
  6. সরকারি মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
  7. ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ
  8. ম্যানগ্রোভ (ইংলিশ মিডিয়াম) স্কুল
  9. মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল এন্ড কলেজ
  10. মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজ
  11. লালমাটিয়া মহিলা কলেজ
  12. মোহাম্মদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়
  13. মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজ
  14. ধানমন্ডি পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ
  15. ঢাকা প্রি ল্যাবরেটরী স্কুল
  16. সানফ্লাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
  17. প্রতিভা আইডিয়াল ইনষ্টিটিউট
  18. মোহাম্মদপুর ল্যাবরেটরী হাই স্কুল
  19. ন্যাশনাল প্রি ক্যাডেট এন্ড হাই স্কুল
  20. জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া
  21. ঢাকা উদয়ন পাবলিক স্কুল
  22. ধানমন্ডি গভ: বয়েজ হাই স্কুল
  23. মোহাম্মদপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়
  24. জামিলা আইনুন আনন্দ উচ্চ বিদ্যালয়
  25. আলী হোসেন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়
  26. ঢাকা আইডিয়াল ক্যাডেট স্কুল
  27. উদ্দীপন বিদ্যালয়
  28. মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজ
  29. জামিয়া ইসলামিয়া লালমাটিয়া
  30. কাদেরিয়া তৈয়্যবিয়া আলিয়া মাদ্রাসা
  31. নর্দান কলেজ
  32. ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ
  33. গাউছিয়া ইসলামিয়া ফাযিল (ডিগ্রী) মাদরাসা
  34. ড. এম. মিজানুর রহমান কলেজিয়েট স্কুল
  35. ড. এম. মিজানুর রহমান প্রফেশনাল কলেজ
  36. আল হেরা কলেজ
  37. ডিটারমাইন্ড মডেল স্কুল
  38. ঢাকা উদ্যান সরকারি কলেজ
  39. শ্যামলী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

[সম্পাদনা]

যোগাযোগ ব্যবস্থা

[সম্পাদনা]

মোহাম্মদপুর বাস স্ট্যান্ড পুরো মোহাম্মদপুর, লালমাটিয়া এবং ধানমন্ডি এলাকার জনসাধারণের জন্য গণপরিবহন ব্যবস্থার একটা কেন্দ্র। এখান থেকে উত্তরে মিরপুর, পূর্বে গুলশান-বাড্ডা এবং দক্ষিণ পূর্বে মতিঝিল সহ বিভিন্ন রুটের বাস চলাচল করে থাকে। মোহাম্মদপুর থেকে মিরপুর-বিমানবন্দর অবধি যাওয়ার জন্যে প্রজাপতি পরিবহনপরিস্থান পরিবহন নামে দুটি বাস পরিবহন ব্যাবস্থা আছে।

জেনেভা ক্যাম্প

[সম্পাদনা]

জেনেভা ক্যাম্প বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশি বিহারী জনগোষ্ঠীর একটি ঐতিহাসিক আবাসস্থল। এই জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ সদস্য ১৯৪৭ সালের উপমহাদেশ বিভক্তির সময় সংঘটিত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ভারতের বিহার, উত্তর প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) অভিবাসী হয়ে আসে।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এই জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন প্রক্রিয়া অসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে যায়। মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী রাজনৈতিক ও আইনি জটিলতার কারণে এই জনগোষ্ঠী দীর্ঘদিন রাষ্ট্রহীন অবস্থায় বসবাস করতে বাধ্য হয় এবং পরবর্তীতে জেনেভা ক্যাম্পসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা শতাধিক বিহারী ক্যাম্পে আশ্রয় গ্রহণ করে।

দীর্ঘ প্রায় চার দশক রাষ্ট্রহীন অবস্থায় থাকার পর ২০০৮ সালে মহামান্য হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের মাধ্যমে জেনেভা ক্যাম্পসহ দেশের বিহারী জনগোষ্ঠীর ভোটাধিকার স্বীকৃত হয়। এর ফলে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভ করে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্টসহ একজন নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও রাষ্ট্রীয় সেবাসমূহ প্রাপ্তির সুযোগ পায়।

গত প্রায় ৫০ বছরে জেনেভা ক্যাম্পে এই জনগোষ্ঠীর মধ্যে নতুন তিনটি প্রজন্মের জন্ম হয়েছে। তবে জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেলেও আবাসন অবকাঠামোর তেমন কোনো সম্প্রসারণ ঘটেনি। ফলে জেনেভা ক্যাম্প বর্তমানে অত্যন্ত ঘিঞ্জি ও ঘনবসতিপূর্ণ একটি এলাকা হিসেবে পরিচিত, যেখানে বাসস্থান, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধার সংকট দীর্ঘদিনের।

ভাষাগত দিক থেকে জেনেভা ক্যাম্পের বিহারীরা মূলত বিহারী (খারিবলি/উর্দু) ভাষা ও বাংলার সংমিশ্রণে গড়ে ওঠা একটি মিশ্র ভাষায় কথা বলে, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একটি স্বতন্ত্র কথ্য রূপ ধারণ করেছে। সাংস্কৃতিকভাবে তারা নিজেদের ঐতিহ্য ও স্থানীয় বাঙালি সংস্কৃতির মধ্যে এক ধরনের সমন্বয় বজায় রেখে বসবাস করছে।

ভৌগোলিকভাবে জেনেভা ক্যাম্পটির উত্তরে বাবর রোড, দক্ষিণে গজনবী রোড, পূর্বে হুমায়ুন রোড এবং পশ্চিমে শাহজাহান রোড অবস্থিত। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে এটি অবহেলিত একটি আবাসিক অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

লেখকঃ মোঃ এরশাদ আলম নয়ন

আসাদ গেট

[সম্পাদনা]
আসাদ গেট

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরের লালমাটিয়ায় অবস্থিত একটি তোরন। এই তোরনের নাম অনুযায়ী ঐ জায়গার নাম আসাদগেট হয়ে গেছে। এই রাস্তা আসাদগেট থেকে মোহাম্মদপুর চলে গিয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনের ডান পার্শ্বে অবস্থিত। এর আগের নাম আইয়ুব গেট। ১৯৬৯ সালে ১১ দফা দাবী আদায়ের গণ আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ। আসাদের শহীদ হওয়া সেই সময়ের গণ আন্দোলনে আনে নতুন মাত্রা। তবে আসাদুজ্জামান আসাদ বর্তমান আসাদ গেটের কাছে শহীদ হন নি। সেই সময়কার আন্দোলনটি ছিল প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে। সেজন্যই আসাদের স্মৃতি রক্ষার জন্য ঢাকাবাসী আইয়ুব গেটের নাম পরিবর্তন করে আসাদ গেট রাখেন। এই পরিবর্তনটি পাকিস্তান আমলেই হয়েছিল। ৬৯ এর গণ অভ্যুত্থানের সাক্ষী আসাদগেট আজও আমাদের চেতনায় উজ্জ্বল।

ঐতিহাসিক নিদর্শনাবলী

[সম্পাদনা]

ঢাকার মোহাম্মদপুরের ঐতিহাসিক সাত গম্বুজ মসজিদ খ্রিষ্টাব্দ ষোল শতকে মোঘল শাসন আমলে গড়ে উঠে। ১৬৮০ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়। নবাব শায়েস্তা খাঁ-এর পুত্র উমিদ খাঁ এর নির্মাতা। এই মসজিদে ৩টি বড় গম্বুজ এবং প্রতিটি কোণায় একটি করে ছোট বা অণু গম্বুজ ধারক বরুজ রয়েছে। এজন্য এর নাম সাত গম্বুজ মসজিদ। ৩টি খিলান মসজিদটিকে বেশ আকর্ষণীয় করে তুলেছে। এর পশ্চিম দেয়ালে ৩টি মেহরাব রয়েছে। মসজিদের ভিতরে ৪টি কাতারে প্রায় ৯০ জনের নামাজ পড়ার মত স্থান রয়েছে। মসজিদের পশ্চিমে মান্ধাতা আমলের একটি অজুখানা আছে। অজুখানাটি একটি পানির হাউজ যার চার পাশে বসে মুসল্লিগণ অজু করেন। সেখানে কিছু মাছও আছে। এখানে পাঁচওয়াক্ত নামাজ হয় এবং দুই ঈদেরও বিশাল জামাত হয় যা মসজিদ সংলগ্ন পুরোমাঠটি পরিপূর্ণ হয়ে রাস্তায় চলে যায়। তাছাড়া মসজিদের সামনে রয়েছে একটু কবরস্থান। পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বিশাল মাঠে ফুলের বাগান রয়েছে। মসজিদটি ছোট হলেও সাতটি আকর্ষণীয় গম্বুজ সকলের দৃষ্টি কেড়ে নেয়। এই মসজিদের নামানুসারে মসজিদ সংলগ্ন রাস্তাটি ধানমন্ডি পর্যন্ত ‘সাত মসজিদ রোড’ বলা হয়।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ২৬ অক্টোবর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১১