শ্যামলী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
| নীতিবাক্য | শিক্ষা ও প্রযুক্তির জন্য এসো ,শান্তি ও প্রযুক্তির জন্য এগিয়ে যাও! |
|---|---|
| ধরন | বেসরকারী |
| স্থাপিত | ২০০৯ |
| প্রতিষ্ঠাতা | এম.এ. সাত্তার |
প্রাতিষ্ঠানিক অধিভুক্তি | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় |
| আচার্য | রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ |
| উপাচার্য | মো: আখতারুরজামান |
| অধ্যক্ষ | প্রফেসর ডা. মো: মোফাজ্জেল হোসেন |
| পরিচালক | প্রফেসর মো: হাসানুরজ্জামান |
শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গ | ২০ |
প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ | ১২ |
| শিক্ষার্থী | ৫২০ |
| স্নাতক | ৫২০ |
| ঠিকানা | রোড - ১, চাঁদ উদ্যান, মোহাম্মদপুর (নতুন ক্যাম্পাস) , , ১২০৭ , |
| শিক্ষাঙ্গন | শহুরে |
| ভাষা | ইংরেজি ও বাংলা |
| সংক্ষিপ্ত নাম | শ্যাইক |
| ওয়েবসাইট | www |
![]() | |

শ্যামলী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (পূর্বে: শ্যামলী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ) হচ্ছে বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত এবং ঢাবির প্রযুক্তি ইউনিটের অঙ্গিভূত একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের অধীনে পরিচালিত হয়। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে যাচাই করে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা এখানে ভর্তি হবার সুযোগ পায়।[১] কলেজটির পূর্বের নাম ছিলো শ্যামলী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (স্টেক) যা ২০২৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অনুমতিতে পরিবর্তন করে বর্তমান নাম রাখা হয় শ্যামলী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (শ্যাইক) । একইসাথে লোগো / মনোগ্রামও পরিবর্তন করা হয়।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]শ্যামলী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজটির দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। "১৯৯৭ সালে, শ্যামলী লেডিয়াল টেকনিক্যাল কলেজ (এসআইটিসি) প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত শিক্ষা অর্জনের জন্য শ্যামলীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। নতুন পরিশীলিত ও সর্বশেষ প্রযুক্তির চাহিদা বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সিআইটিসি চেয়ারম্যান এই প্রতিষ্ঠানকে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ২০০০ সালে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সাথে যুক্ত হয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিতে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা দেওয়ার জন্য এটিকে নাম দিয়েছিলেন শ্যামলী লেডিয়াল পলিটেকনিক লনস্টিটি (এসআইপিআই)।টেক্সটাইল সেক্টরে বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত শিক্ষা ও গবেষণায় দক্ষতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও বিশ্বের অবদান; শিল্প ও সমাজের জন্য মূল্যবান সংস্থান হিসাবে পরিবেশন করা; এবং সকল বাংলাদেশের জন্য গর্বের কারণ হিসাবে রয়েছেন এসআইটিসি চেয়ারম্যান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সংযুক্ত হয়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ৪ বছরের স্নাতক ডিগ্রি দেওয়ার জন্য ২০১০ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি বি.এসসি. ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং এর নাম রাখেন শ্যামলী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।[২]
বিভাগ ও কোর্সসমূহ
[সম্পাদনা]- বি.এসসি ইন কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং
- বি.এসসি ইন ইলেক্ট্রিকাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিয়ারিং
- বি.এসসি ইন ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং
বি.এসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সসমূহ
- বি.এসসি ইন ইয়ার্ন ম্যানুফ্যাকচারিং।
- বি.এসসি ইন ফেব্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং।
- বি.এসসি ইন ওয়েট প্রোসেসিং।
- বি.এসসি ইন গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং।
আসন সংখ্যা
[সম্পাদনা]| ক্রম | বিভাগ | আসন সংখ্যা |
|---|---|---|
| ১ | বি.এস.সি ইন কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং | ৫০ |
| ২ | বি.এস.সি ইন ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং | ৬০ |
| ৩ | বি.এস.সি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং | ৬০ |
| ৪ | বি.এস.সি ইন ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড অ্যাপারেল ইন্জিনিয়ারিং | ৬০ |
বিভাগসমূহের ল্যাবরেটরি
[সম্পাদনা]শ্যামলী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর ওয়ার্কশপ এবং ল্যাবরেটরি সমূহ
- প্রোগ্রামিং ল্যাব
- সার্কিট ল্যাব
- অফিস অ্যাপ্লিকেশন লেব
- ফেব্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং ল্যাবরেটরি
- ইয়ার্ন ম্যানুফ্যাকচারিং ল্যাবরেটরি
- ওয়েট প্রোসেসিং ল্যাবরেটরি
- গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং ল্যাবরেটরি
- কম্পিউটার ল্যাবরেটরি
- ফিজিক্স ল্যাবরেটরি
ক্যাম্পাস
[সম্পাদনা]শ্যামলী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (এসটেক) রাজধানী ঢাকা এর মোহাম্মদপুর এর চাঁদ উদ্যানে অবস্থিত।
- ক্যাম্পাস ভবন
- কেমিস্ট্রি ল্যাব
ছাত্রাবাস
[সম্পাদনা]এসটিইসি-তে ছেলে এবং মেয়েদের উভয় শিক্ষার্থীর জন্য ছাত্রাবাস রয়েছে। এটির নিজস্ব দুটি হোস্টেল ভবন রয়েছে। প্রতিটিতে ৪ তলা বিল্ডিং সজ্জিত রয়েছে। একটি ক্যান্টিন সুবিধা এবং সাধারণ কক্ষ সহ পুরুষ শিক্ষার্থীদের জন্য উত্সর্গীকৃত। আর একটি মহিলা ছাত্রদের জন্য।
ছাত্রাবাসের প্রতিটি ঘরে স্নান এবং টয়লেট সংযুক্ত এবং শিক্ষার্থীদের থাকার জন্য আসবাবপত্র রয়েছে।
- মেয়েদের হোস্টেল
- মেয়েদের হোস্টেল (ডাবল বেড)
- মেয়েদের হোস্টেল (ডাবল বেড)
ক্যানটিন
[সম্পাদনা]
প্রাতিষ্ঠানিক একটি ক্যান্টিন রয়েছে। টিফিন টাইমে শিক্ষার্থীরা এখান থেকে খাবার খায়। শিক্ষার্থীদের কাছে এখানের কফি খাওয়া নিয়ে জমে আছে অনেকটাই স্মৃতি।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গিভুক্ত কলেজ (পিডিএফ)" (পিডিএফ)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দাফতরিক ওয়েবসাইট। সংগ্রহের তারিখ ২ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রম"। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দাফতরিক ওয়েবসাইট। ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
