ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের লোগো.png
অবস্থান
মোহাম্মদপুর, ঢাকা
বাংলাদেশ
তথ্য
ধরনস্বায়ত্বশাসিত
প্রতিষ্ঠাকাল১৯৬০
অধ্যক্ষব্রিগেডিয়ার জেনারেল Kazi Shameem Farhad, NDC, PSC, (প্রত্তন ডি.আর.এম.সি. শিক্ষার্থী
কর্মকর্তা১৬২(১ম শ্রেণী-০৩, ২য় শ্রেণী-০৩, ৩য় শ্রেণী-৩০, ৪র্থ শ্রেণী-১৩২)
শ্রেণীতৃতীয় থেকে দ্বাদশ
শিক্ষার্থী সংখ্যা৫০০০ জন (প্রায়)
ক্যাম্পাসের আকার৫২ একর
ওয়েবসাইট

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত একটি স্কুল ও কলেজ। এটি একটি সরকারি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। এই কলেজে বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য তিন বিভাগেই শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে। ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ বাংলাদেশের অন্যতম খ্যাতনামা কলেজ।[১][২][৩] এই প্রতিষ্ঠানে তৃতীয় হতে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদান করানো হয়। তৎকালীন পাকিস্তান সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম বড় আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।[৪] এই কলেজ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক খ্যাতিমান ব্যক্তির জন্ম দিয়েছে।

প্রতিষ্ঠা ও বর্তমান অবস্থা[সম্পাদনা]

১৯৬০ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান সরকার ইংল্যান্ডের বিখ্যাত পাবলিক স্কুলের অনুরূপ বিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল স্থাপনের কাজ শুরু করেন। শেরে বাংলা নগরের পাশের মিরপুর রোডের উপর এক মনোরম পরিবেশে ৫০ একর জমির উপর এর স্থান নির্বাচন করা হয়। বিদ্যালয়ের ইমারত, খেলার মাঠ, ছাত্রদের হাউস (হোস্টেল), প্রশাসনিক ভবন, শিশু পার্ক, জিমনেশিয়াম, মসজিদ, সুইমিংপুল, মিলনায়তন এবং অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, শিক্ষক ও বিভিন্ন পদের কর্মচারীদের বাসস্থান ইত্যাদি তৈরির কাজ পর্যায়ক্রমে হাতে নেয়া হয়। ১৯৬২ সালে কেন্দ্রীয় সরকার প্রাদেশিক সরকারের নিকট বিদ্যালয়ের দায়িত্বভার হস্তান্তর করেন। বিদ্যালয় পরিচালনার জন্য প্রাদেশিক সরকার একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বোর্ড অব গভর্নর নিযুক্ত করেন এবং বিদ্যালয়টিকে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা দান করেন। ১৯৬৭ সালে কেন্দ্রীয় সরকার পুনরায় বিদ্যালয়টির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। কিন্তু এর স্বায়ত্তশাসিত মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখা হয়। এ সময় এ বিদ্যালয়কে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত করা হয়। স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালে শিক্ষা সচিবকে পদাধিকার বলে চেয়ারম্যান নিজুক্ত করে এ প্রতিষ্ঠানের বোর্ড অব গভর্নস গঠন করা হয়। প্রতিষ্ঠানের বোর্ড অব গভর্নস এর কাঠামো নিম্নরূপঃ

  • চেয়ারম্যানঃ সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয় , গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
  • সদস্যঃ যুগ্ম সচিব, সংস্থাপন মণত্রণালয়
  • সদস্যঃ মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
  • সদস্যঃ চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা
  • সদস্যঃ যুগ্ম সচিব (প্রশাসন), অর্থ মন্ত্রণালয়
  • সদস্যঃ অভিভাবক প্রতিনিধি-২ জন
  • সদস্যঃ শিক্ষক প্রতিনিধি-২ জন
  • সদস্য-সচিবঃ অধ্যক্ষ

রাজধানী ঢাকা শহরের ক্রমবর্ধমান ভর্তি সংকট নিরসনে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ একটি স্বনামধন্য আবাসিক প্রতিষ্ঠান। তা সত্ত্বেও দ্বিতীয় শিফট চালু করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি জাতির প্রতি তার কর্তব্যের হাত প্রসারিত করেছে। ১৯৯৩ সালের মার্চ মাসে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা সচিবের নির্দেশে এবং প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এই শিফট চালু হয়েছে।

হাউস[সম্পাদনা]

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের ছাত্রদের বসবাসের জন্য সর্বাধুনিক ছয়টি (ছোটদের জন্য ২টি এবং বড়দের জন্য ৪টি) পূর্ণাঙ্গ ছাত্রাবাস রয়েছে। সম্পূর্ণ ঘরোয়া পরিবেশ হওয়ায় এদের "হাউস" নামে ডাকা হয়। এগুলো হলঃ

শিক্ষা কার্যক্রম[সম্পাদনা]

পাঠ্যক্রম[সম্পাদনা]

এ কলেজে ৩য় থেকে ১২শ শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্রদের পাঠদান করা হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীতে বিজ্ঞান, মানবিকবাণিজ্য শাখায় শিক্ষার্জনের সুযোগ রয়েছে।

পাঠদান পদ্ধতি[সম্পাদনা]

এ কলেজে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড় থাকায় ছাত্রদেরকে হাতে-কলমে যত্নসহকারে পাঠদান করা হয়। পর্বশেষ পরীক্ষা ছাড়াও প্রতি পর্বে দু'টি করে শ্রেণী-পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। প্রাইমারি ও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য ছাত্রদেরকে সুপরিকল্পিতভাবে প্রস্তুতি গ্রহণে সহায়তা করা হয়। অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ বৃন্দ শ্রেণী শিক্ষকের মাধ্যমে ছাত্রদের পাঠন্নতি নিয়মিতভাবে মনিটরিং করেন।

ফলাফল[সম্পাদনা]

প্রতিষ্ঠাকালীন সময় হতে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল করছে এবং সেরা স্কুল-কলেজের মধ্যে অবস্থান করছে।[৫][৬] ২০০৮ সালে বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার এইচ.এস.সি পরীক্ষায় অসাধারণ কৃতিত্ব প্রদর্শনের জন্য এই কলেজটিকে পুরস্কৃত করেছে।[৭] ২০০৫ হতে ২০০৯ পর্যন্ত ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের এইস.এস.সি পরীক্ষার ফলাফল নিম্নরূপঃ

শিক্ষাবর্ষ ছাত্রসংখ্যা উত্তীর্ণ ছাত্র পাসের শতকরা হার জি.পি.এ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রের সংখ্যা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে অবস্থান তথ্যসূত্র
২০০৫ ২৯০ ২৯০ ১০০% ১৩১ ১ম [৮][৯][১০]
২০০৬ ৩১১ ৩১০ ৯৯.৭% ১৯০ ১ম [১১]
২০০৭ ৩০৯ ৩০৮ ৯৯.৬৭% ১৭৮ ২য় [১২][১৩][১৪]
২০০৮ ৩১৩ ৩১৩ ১০০% ২৬৯ ১ম [১৫][১৬]
২০০৯ ৩১৭ ৩১৬ ৯৯.৬৮% ২৬৮ ১০ম [১৭][১৮]

২০০৬ হতে ২০০৯ সাল পর্যন্ত এইচ.এস.সি পরীক্ষায় এ কলেজের ফলাফল নিম্নরূপঃ

শিক্ষাবর্ষ ছাত্রসংখ্যা উত্তীর্ণ ছাত্রসংখ্যা পাসের শতকরা হার জি.পি.এ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রসংখ্যা তথ্যসূত্র
২০০৫ ৪১০ ৪০৯ ৯৯.৭৫% ১৩১ [১৯]
২০০৬ ৪৮১ ৪৭৮ ৯৯.৩৭% ১৩৪ [১৯]
২০০৭ ৪৩৬ ৪৩০ ৯৮.৬২% ১৯৩ [১৯]
২০০৮ ৪৩৬ ৪৩৪ ৯৯.৫৪% ২৩২ [১৯]
২০০৯ ৪৬০ ৪৫৭ ৯৯.৩৫% ২১৭ [১৯]

সহ পাঠ্যক্রম ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদেরকে দৈহিক ও মানসিক সুসমন্‌বিত উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে সহ-পাঠ্যক্রম কর্মসূচির ব্যবস্থা করা হয়। এখানে আবাসিক ছাত্রদের জন্য প্রাতঃকালীন শরীর-চর্চা ও বৈকালিক খেলাধুলা বাধ্যতামূলক। ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, ভলিবল, বাস্কেটবল নিয়মিত খেলা হয়। এছাড়া আন্তঃকক্ষ খেলাধুলা ও প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা রয়েছে। ছাত্রদের মধ্যে সাংস্কৃতিক চেতনা উজ্জীবিত করার লক্ষ্যে বার্ষিক সাংস্কৃতিক সপ্তাহের আয়োজন করা হয়। এতে হামদ-নাত, ক্‌বিরাত, বক্তৃতা, বিতর্ক, আবৃতি, অভিনয়, কৌতুক, ছড়াগান, গল্প বলা, নাট্যানুষ্ঠান, সংগীতানুষ্ঠান, চিত্রাংকন ইত্যাদি প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়। ডাক টিকেট সংগ্রহ, চিত্রাংকন, ছবি তোলা, বাগান করা, মাটির কাজ, সঙ্গীত চর্চা, স্কাউটিং, নাট্যচর্চা, বিজ্ঞান ক্লাব, ব্যাণ্ড শিক্ষা, জুনিয়্র ক্যাডেট কোর প্রভৃ কার্যক্রমও এর আওতাভুক্ত। এই কলেজের শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন শিক্ষা সহায়ক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে থাকে।[২০][২১][২২][২৩]

কৃতি শিক্ষার্থী[সম্পাদনা]

চিকিৎসা ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

ছাত্রদের চিকিৎসার জন্য কলেজ প্রাঙ্গনে ২০ শয্যা বিশিষ্ট একটি হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছে। দুইজন অভিজ্ঞ এম.বি.বি.এস (শিশু বিশেষজ্ঞ) ডাক্তার এবং অভিজ্ঞ ফার্মাসিস্ট ছাত্রদের চিকিৎসা প্রদানের জন্য সর্বদা নিয়োজিত আছেন। সাধারণ রোগের চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় টিকা দান ব্যবস্থা ইত্যাদি এখানেই সম্পন্ন করা হয়।

গ্রন্থাগার[সম্পাদনা]

কলেজে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার আছে। গ্রন্থাগারে দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক এবং মাসিক পত্র-পত্রিকা ছাড়াও প্রায় বিশ হাজার বই আছে। গ্রন্থাগারকে ক্রমাগত সমৃদ্ধ করা হচ্ছে এবং তা ধীরে ধীরে একটি মানসম্মত গ্রন্থাগারে পরিণত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "City colleges celebrate autumn"দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৫-০২ 
  2. "6 thousand city students unlikely to get admission"দৈনিক ইত্তেফাক। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৫-০২ 
  3. "About 900 colleges fail to meet enrolment requirement for years"। The Daily New Age। ২০০৮-০৬-১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৫-০২ 
  4. "Dhaka Residential Model College"। Banglapedia। ২০০৯-০৭-০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৬-০১ 
  5. DRMC ranking
  6. "6 thousand city students unlikely to get admission"দৈনিক ইত্তেফাক। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০২ 
  7. "Govt to make polls acceptable to all parties"দ্য ডেইলি স্টার। ২০০৮-১১-০৫। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-২৮The seven institutes awarded at the event are the Notre Dame College, Rajuk Uttara Model College, Dhaka Residential Model College... 
  8. "Dhaka's top 10 schools"দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০২ 
  9. "Top ten schools in DB"। News Form Bangladesh। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০২ 
  10. "54% pass in Bangla school final exams"। Gulf-Times। ২০ নভেম্বর ২০০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০২ 
  11. "The best schools in each board"। New Age। ২০০৭-১০-৩০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০২ 
  12. "Dhaka Board's top ten schools with GPA-5 holders."Access My Library। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০২ 
  13. "Top ten institutions"দৈনিক ইত্তেফাক। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০২ 
  14. "Viqarunnisa, Ideal, Monipur school on top"দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০২ 
  15. "Ideal, VN, Monipur top 3 schools"দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০২ 
  16. "72.18 pc pass SSC exams"দৈনিক ইত্তেফাক। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০২ 
  17. "Viqarunnisa, Ideal, Monipur on top"দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০২ 
  18. The Daily Ittefaq, DRMC ranking in 2009
  19. "DRMC Prospectus"। ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ। ২০১০-০৭-০৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-১২-০৭ 
  20. "Viqarunnisa Noon Science Fair"দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-৩০ 
  21. "What is Mondialogo Day? (Subtitle:Participating Schools)"দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-৩০ 
  22. "Food crisis one of the biggest challenges of the century"দৈনিক ইত্তেফাক। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-৩০ 
  23. "ESSAY CONTEST"। APSSSSNET। ২০০৯-০৩-১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-৩০ 
  24. "Businessmen to grab sports"The Daily Star। ২০০৯-০৯-৩০। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-৩০Dhanmondi Club, now a limited company, has been named after Sheikh Jamal, Prime Minister Sheikh Hasina's slain brother... 
  25. "Sheikh Jamal"Bangladesh Awami League। ২০০৯-১১-০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-৩০ 
  26. "A PROBE Report:Developing a friendship"। PROBE News Magazine। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০২ 
  27. "Profile of Tareq Rahman"। Tareq Rahman। ২০০৯-১১-২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০২ 
  28. "Shamsher M. Chowdhury, BB"Ministry of Foreign Affairs (Bangladesh)। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-৩০ 
  29. "Introducing Shamsher M. Chowdhury"। Du Plain International Speakers Bureau। ২০০৮-০৮-২৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-৩০ 
  30. "United to end child hunger across the world"। The Bangladesh Today। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০২ 
  31. Debate Fest in RUMC, Abdun Nur Tushar, president of Bangladesh Debate Federation (BDF)
  32. "Scholarships distributed"। Daily Star। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৯-০২ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]