সাঁতরাগাছি জংশন রেলওয়ে স্টেশন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(সাঁতরাগাছি রেলওয়ে স্টেশন থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সাঁতরাগাছি জংশন স্টেশন
সাঁতরাগাছি জংশন
ভারতীয় রেল
Santragachi Railway Station - Howrah 2012-01-26 1624.JPG
অবস্থানহাওড়া, হাওড়া জেলা, পশ্চিমবঙ্গ
ভারত
স্থানাঙ্ক২২°৩৫′০২″ উত্তর ৮৮°১৭′০৩″ পূর্ব / ২২.৫৮৩৮° উত্তর ৮৮.২৮৪৩° পূর্ব / 22.5838; 88.2843স্থানাঙ্ক: ২২°৩৫′০২″ উত্তর ৮৮°১৭′০৩″ পূর্ব / ২২.৫৮৩৮° উত্তর ৮৮.২৮৪৩° পূর্ব / 22.5838; 88.2843
উচ্চতা১২ মিটার (৩৯ ফু)
মালিকানাধীনভারতীয় রেল
পরিচালিতদক্ষিণ পূর্ব রেল
লাইন (সমূহ)হাওড়া-মুম্বাই
হাওড়া-চেন্নাই
হাওড়া-গুয়াহাটি
প্ল্যাটফর্ম
রেলপথ
সংযোগসমূহট্রাক্সি স্টান্ড, বাস স্টান্ড, কোনা জাতীয় সড়ক
নির্মাণ
গঠনের ধরণআদর্শ (ভূপিষ্ঠ স্টেশন)
পার্কিংআছে
অন্য তথ্য
অবস্থাসক্রিয়
স্টেশন কোডSRC
জোন(সমূহ) দক্ষিণ পূর্ব রেল
বিভাগ(সমূহ) খড়গপুর
ইতিহাস
চালু১৯০০
বৈদ্যুতীকরণ১৯৬৭-৬৯
আগের নামহাওড়া-নাগপুর-মুম্বই লাইন
পরিসেবাসমূহ
পূর্ববর্তী স্টেশন   কলকাতা শহরতলি রেল   পরবর্তী স্টেশন
দক্ষিণ পূর্ব রেল
অবস্থান

সাঁতরাগাছি রেলওয়ে স্টেশন হল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হাওড়া জেলার সাঁতরাগাছি এলাকার একটি স্টেশন। এই স্টেশনটিকে বর্তমানে টার্মিনাল স্টেশন হিসাবে গড়ার পরিকল্পনা চলছে।

রেল জোন[সম্পাদনা]

সাঁতরাগাছি রেল স্টেশনের যাত্রী টার্মিনাল

দক্ষিণ পূর্ব রেল আমতা, মেচেদা, পাশকুরা, হলদিয়া, কাঁথি, মেদিনীপুর ও খড়গপুরকে স্থানীয় ট্রেনের কাছে নিয়ে যায়। এবং সেন্ট্রাল, পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারতে মেইল ​​/ এক্সপ্রেস ট্রেন। বেঙগল নাগপুর রেলওয়ে, যা বর্তমানে দক্ষিণ পূর্ব রেল নামে পরিচিত, ১৯০০ সালে হাওড়া স্টেশনে সংযুক্ত করা হয়েছিল। এই সময়, সাঁতরাগাছি থেকে শালিমার স্টেশনের ৩ মাইল দীর্ঘ শর্ট শাখা তৈরি করা হয়েছিল যাতে রপ্তানি দ্রব্যগুলির ভারী ট্র্যাফিক পুনঃনির্দেশিত করা হয়, বড় ফেরি স্টিমার্সের মাধ্যমে কলকাতায় খিদিরপুর ডক থেকে।

তাৎপর্য[সম্পাদনা]

এদিকে সুপার ট্র্যাশ এক্সপ্রেস ও মেইল ​​ট্রেনগুলির কোনও স্ট্র্যাটেজি সাঁতরাগাছি স্টেশন নেই। আসলে এই স্টেশনে এমনকি একক এক্সপ্রেস ট্রেনও থামেনি। সাম্প্রতিককালে সাঁতরাগাছি ও হাওড়া-কলকাতায় যোগাযোগ ব্যাপকভাবে উন্নত হয়েছে। ট্যাক্সি এবং বাস স্টেশন সেট করা হয়েছে বিভিন্ন নির্দেশাবলী মধ্যে ভ্রমণ বন্ধ বোর্ড যাত্রীদের পূরণ। কলকাতার নেতাজী সুভাষ চন্দ্র আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরকে এই অঞ্চলের সাথে সংযুক্ত করার জন্য একটি ডেডিকেটেড ভলভো বাস পরিষেবা রয়েছে। এই সমস্ত কারণগুলি গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশন হিসাবে সাঁতরাগাছি উত্থানে অবদান রাখে। উপরন্তু, মানুষ হাওড়া স্টেশনে অত্যধিক ঘোড়দৌড় থেকে বিরত থাকে এবং প্রায়ই স্যাট্রাগাচিতে ক্যাব এবং বাসে যাওয়ার জন্য নিচে নামতে থাকে। প্রায় সব হাওড়া / শালিমার আবদ্ধ / মেইল ​​ট্রেন বন্ধ করে দুরন্ত এক্সপ্রেস মত কয়েকটি ছাড়া। তবে হাওড়া / শালিমার থেকে শুরু হওয়া এই এক্সপ্রেস / মেল ট্রেনগুলি তাদের বাহ্যিক যাত্রাগুলিতে সাঁতরাগাছি স্টেশনে থামবে না।

প্লাটফর্ম তথ্য[সম্পাদনা]

  1. এই স্টেশন-উৎস ট্রেনগুলো
  2. এই স্টেশন-অন্ত ট্রেনগুলো

সম্প্রসারন[সম্পাদনা]

দক্ষিণ পূর্ব রেলের হাওড়া স্টেশনের চাপ কমাতে সাঁতরাগাছি ( সঙ্গে শালিমার ) থেকে কিছু দূরপাল্লার ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা দীর্ঘ দিনের। আর তা বাস্তবায়িত করতে ২০১৫ সাল থেকে এই স্টেশনেই কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। দক্ষিণ পূর্ব রেলের পরিকল্পধা অনুযায়ী, আগামী দিনে দক্ষিণ ও মধ্য ভারতমুখী সমস্ত নতুন ট্রেন এই স্টেশন (ও শালিমার) থেকে ছাড়বে। তাই সাঁতরাগাছিকে টার্মিনাল স্টেশন হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। দক্ষিণ পূর্ব রেল বিমানবন্দরের ধাঁচেই তৈরি করতে চলেছে স্টেশনটিকে। স্টেশনেই গড়া হবে সাততলা নতুন ভবন। তার বিভিন্ন তলে থাকবে যাত্রী-স্বাচ্ছন্দ্যের নানা রকম ব্যবস্থা। প্ল্যাটফর্ম থাকবে একতলায়। অন্যান্য তলে থাকবে পার্সেল রুম, ক্লোক রুম, ভিআইপি লাউঞ্জ, এটিএম, টিকিট সংরক্ষণের অফিস, রেস্তোরাঁ ও বিশ্রাম কক্ষ। সাঁতরাগাছি স্টেশনের কিছুটা দূরে কোনা এক্সপ্রেসওয়ে। স্টেশন থেকে সরাসরি ওই রাস্তায় আসার কোনও ব্যবস্থা নেই। তাই কোনা এক্সপ্রেসওয়ের পাশ থেকে তৈরি হচ্ছে এমন একটা উড়ালপুল, যা অর্ধবৃত্তাকারে পাক খেয়ে স্টেশন বিল্ডিং-এর তিনতলা ঘেঁষে কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে নামবে। যাত্রীরা যাতে স্টেশন বিল্ডিং থেকে প্রয়োজন মতো যে কোনও প্ল্যাটফর্মে পৌঁছতে পারেন, তার জন্য তৈরি হবে একটি ফুট ওভারব্রিজ। এ ছাড়া, মালপত্র নিয়ে নামা-ওঠার জন্য থাকবে এসক্যালেটর। যাত্রীরা যাতে প্ল্যাটফর্ম থেকে বেরিয়েই গাড়ি পান, তার জন্য থাকবে অটো ও ট্যাক্সির স্ট্যান্ড। তৈরি হচ্ছে সাবওয়ে। [১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "পণ্য পরিবহণ বন্ধ হবে শালিমারে" 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]