হাওড়া–নাগপুর–মুম্বই লাইন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(হাওড়া-নাগপুর-মুম্বই লাইন থেকে পুনর্নির্দেশিত)
হাওড়া–নাগপুর–মুম্বই রেলপথ
(Howrah - Mumbai) Express and Gitanjali Express Route map.jpg
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
অন্য নামকলকাতা–মুম্বই রেলপথ
সিস্টেমবৈদ্যুতিক
অবস্থাসক্রিয়
অঞ্চল
বিরতিস্থলহাওড়া স্টেশন
মুম্বই সিএসটি
ক্রিয়াকলাপ
মালিকভারতীয় রেল
পরিচালক
প্রযুক্তিগত
রেলপথের দৈর্ঘ্য১,৯৬৮ কিলোমিটার (১,২২৩ মাইল)
ট্র্যাক গেজব্রডগেজ (১৬৭৬ এমএম বা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি)
চালন গতি১৬০ কিমি/ঘণ্টা

হাওড়া–নাগপুর–মুম্বই রেলপথ বা কলকাতা-মুম্বই রেলপথ পূর্ব ভারতের বৃহত্তম মহানগর কলকাতার সঙ্গে মুম্বই মহানগরের সরাসরি সংযোগ ঘটিয়েছে। এই রেলপথের মোট দৈর্ঘ্য হল ১,৯৬৮ কিলোমিটার (১,২২৩ মাইল)। এই রেলপথ ভারত এর পাঁচটি রাজ্য অতিক্রম করেছে। রেলপথটি ১৯০০ সালের যাত্রী পরিবহনের জন্য চালু করা হয়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৮৫৩ সালে এই লাইন এর থানের অংশে রেল চলাচল শুরু করে। এর পর ১৮৫৪ সালে কল্যাণ, ১৮৫৭ সালে ভুষাল, ১৮৬০ সালে নাগপুর ও ১৮৬৭ সলের মধ্যে ছত্তিশগড় পর্যন্ত রেলপথ চালু হয়। ১৮৭০ সালে হাওড়া থেকে এলাহাবাদ হয়ে মুম্বই রেলপথ চালু হয়। কিন্তু এই পথ ছিল দীর্ঘ। এর পর ১৮৯৯ সালের মধ্যে ছত্তিশগড় থেকে আসানসোল পর্যন্ত রেল চালু হয়। ১৯০০ সালে খড়গপুর-কলাঘাট হয়ে মুম্বই লাইন যুক্ত হয় হাওড়ার সঙ্গে।

বিভাগ[সম্পাদনা]

এই রেলপথ কয়েকটি বিভাগে বিভক্ত। এইগুলি হল-

ভূগোল[সম্পাদনা]

হাওড়া-নাগপুর-মুম্বাই রেলপথটি পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকের ভারতের কেন্দ্রীয় অংশের মধ্যদিয়ে অগ্রসর হয় এবং নিম্ন পশ্চিমবঙ্গের সমভূমি, ছোট নাগপুর মালভূমির দক্ষিণ অংশ, দাক্ষিণাত্য মালভূমি, পশ্চিম ঘাটপর্বত এবং অবশেষে পশ্চিমা উপকূলীয় সমভূমিকে অতিক্রম করে।[১][২][৩]

গতি[সম্পাদনা]

এই রেলপথটি একটি "এ শ্রেণীর" রেলপথ। এই রেলপথে ট্রেনের সর্বোচ্চ গতিবেগ ১৬০ কিমি/ঘণ্টা।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Chakradharpur Division"। South Eastern Railway। ১৬ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ মার্চ ২০১৩ 
  2. "Sundergarh District"Geography and Physical Features। Sundergarh district administration। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৩-২০ 
  3. Ranade, Prabha Shastri (১৯৯০)। Population dynamics in Indiapage 35আইএসবিএন 9788170243076। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৩-২০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]