কলকাতা মেট্রো লাইন ২

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কলকাতা মেট্রো লাইন ২
Kolkata Metro Logo.svg
ইস্ট–ওয়েস্ট মেট্রো
Cenreal park metro Station Train trail (Kolkata Metro Line 2) 03.jpg
সেন্ট্রাল পার্ক মেট্রো স্টেশনের কাছে মেট্রো রেলের পরীক্ষামূলক যাত্রা (কলকাতা মেট্রো লাইন ২)
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
অন্য নামইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো
ধরনদ্রুত পরিবহন
শৃঙ্খলাংশকলকাতা মেট্রো
অবস্থানির্মীয়মান
বিরতিস্থলহাওড়া ময়দান (পশ্চিম)
সল্টলেক সেক্টর ৫(পূর্ব)
ক্রিয়াকলাপ
উদ্বোধনের তারিখমার্চ ২০১৯ (প্রস্তাবিত)
পরিচালনাকারীকলকাতা মেট্রো রেল কর্পোরেশন
চরিত্রউত্তোলিত এবং ভূগর্ভস্থ
প্রযুক্তিগত
চালন গতি৮০ কিমি

কলকাতা মেট্রো লাইন ২ একটি নির্মীয়মান মেট্রো রেল। এটি কলকাতা মেট্রো রেল ব্যবস্থার অংশ। এই রেলপথে ১২টি স্টেশন রয়েছে। এই স্টেশনগুলি উত্তোলিত ও ভূগর্ভস্থ। ৬টি উত্তোলিত ও ৬টি ভূগর্ভস্থ। এই পথের দৈর্ঘ্য ১৪.৬৭ কিমি। এটি সল্টলেক সেক্টর ৫ ও হাওড়া ময়দানকে যুক্ত করবে । এই রেল পথটি গঙ্গা নদীর নীচ দিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মহাপরিকল্পনাটি ১৯৭১ সালের নির্বাচিত পথকে কলকাতা মেট্রো লাইন ২-এর জন্য নির্বাচিত করে। ভারতের প্রথম মেট্রো এবং দিল্লি মেট্রো নেটওয়ার্কের সাফল্যের অভিজ্ঞতা পূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডরয়ের অনুমোদন দেয় যা হাওড়া রেলওয়ে স্টেশনকে হুগলি নদীর নীচে দিয়ে সুড়ঙ্গ পথে উপনগরী শহর সল্ট লেকের সাথে সংযুক্ত করবে। জানুয়ারী ২০০৪ সালে, প্যাসিফিক কনসালটেন্ট ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপ লাইন জন্য একটি সম্ভাব্যতা গবেষণা পরিচালনা করে। এর পর সংস্থাটি হুগলি নদীর নীচে রাস্তা ও সুড়ঙ্গ নির্মাণের প্রস্তাব করে।

কলকাতা মেট্রো রেল করপোরেশন লিমিটেড (কেএমআরসি) নামে একটি নতুন সংগঠন গঠন করা হয়, ২০০৯ সালে, যা এই লাইনের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। [১] কেএমআরসি-এর আট জন পরিচালক রয়েছেন, যার মধ্যে চার জন রাজ্য সরকার এবং বাকি চারজন কেন্দ্রীয় সরকার থেকে নিযুক্ত হয়। প্রথমে ঠিক হয় প্রকল্পের খরচ রাজ্য সরকার (৩০ শতাংশ), কেন্দ্রীয় শহর উন্নয়ন মন্ত্রক (২৫ শতাংশ) এবং জাপান ব্যাঙ্ক ফর ইন্টারন্যাশনাল কোর্পোরেশন (জেবিআইসি) (৪৫ শতাংশ) মিলিত ভাবে প্রদান করবে। [২] কিন্তু ২০১১ সালে এই প্রকল্পের অধিকাংশ অংশ ভারতীয় রেলয়র উপর ন্যস্ত হয় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাপান ব্যাঙ্কয়ের (জেবিআইসি) সঙ্গে। প্রকল্পটির জন্য খরচ অনুমান করা হয় ₹ ৫০ বিলিয়ন (US $ ৭৩০ মিলিয়ন) টাকা। [৩]

কিন্তু কিছু কারণে প্রকল্পটি বিলম্বিত হয়েছিল। এই বিলম্বিত প্রধানত হয়েছিল ভূমি অধিগ্রহণ, বস্তি স্থানান্তর এবং রুট পরিবর্তনের ফলে উৎপন্ন সমস্যাগুলির কারণে। পূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর মূলত ২০১২ সাল নাগাদ চালু হওয়ার কথা ছিল, তবে পরবর্তীতে এটি ২০১৫ সালের মধ্যে চালু করার কথা বলা হয়। কিন্তু ওই সময়ে প্রকল্প শেষ কর্তে নির্মান সংস্থা ব্যর্থ হয়। প্রকল্পটি এখন চারটি পর্যায়ে বাস্তবায়িত হবে। প্রথম পর্যায়ে সেক্টর -৫ থেকে সল্ট লেক স্টেডিয়ামে ২০১৮ সালের জুনে লাইনটি চালুর জন্য কাজ শুরু হয়। কিন্তু সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হওয়ায় এই পথে প্রথম মেট্রো রেল ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে চালু করা হবে বলে ঘোষনা করা হয়। ২০১৯ সালের জুন মাসের মধ্যে এই প্রকল্পের প্রথম ধাপের দ্বিতীয় অংশে ফুলবাগান পর্যন্ত মেট্রো চালু হবে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে শিয়ালদহ পর্যন্ত কার্যক্রম চলু হবে প্রথম ধাপের তৃতীয় অংশ হিসাবে। চূড়ান্ত পর্যায়ে বা দ্বিতীয় ধাপে যা গঙ্গার নীচে সুড়ঙ্গের মধ্য দিয়ে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত মেট্রো রেল যাত্রা করবে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে।

সময়রেখা[সম্পাদনা]

  • ২০০৯: কলকাতা মেট্রো রেল কর্পোরেশন স্পেনের কনস্ট্রুসিওনিন্স অ্যান্ড অক্কি দে ডিফ্রোকারিলিলেস (সিএএফ) -এর কাছে মেট্রো ট্রেন নির্মান চুক্তি প্রদান করে।
  • ২০০৯: ভূগর্ভস্থ স্টেশনগুলি এবং উড়ালসেতু (ভায়াডাক) নির্মাণের জন্য চুক্তি বদ্ধ হয় গ্যামন এবং সিম্পল্ফ অব ইনফ্রাস্ট্রাকচার
  • ২০০৯: সুভাষ সরবর থেকে সেন্ট্রাল স্টেশন পর্যন্ত ভূগর্ভস্থ অংশ নির্মাণের চুক্তি "আইটিড-আইটিড সিমেন্টেশন জেভি"কে প্রদান করা হয়।
  • ২০০৯: ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর নির্মাণ শুরু।
  • ২০১০: সেন্ট্রাল স্টেশন থেক হওড়া ময়দান পর্যন্ত ভূগর্ভস্থ অংশ নির্মানের জন্য আফকোনস-এর সঙ্গে চুক্তি করা হয়।
  • ২০১২: ব্রাবোন রোডের বৌউবাজার এলাকা ও হাকার সহ ৮০ টি পরিবারকে স্থানান্তর করার প্রয়াসের প্রস্তাব।
  • ২০১৪: "কেএফএল"কে রোলিং স্টক নির্মানের জন্য চুক্তি করে "কেএমআরসি" খরচ বৃদ্ধির কারণে।

পথ পরিবর্তন[সম্পাদনা]

লাইন ২ প্রথমে লাইন ১-এর সঙ্গে সেন্ট্রাল স্টেশনে যুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও পরে সিদ্ধান্ত হয় লাইন ১ ও লাইন ২ এসপ্ল্যানেডে যুক্ত হবে। এর ফলে লাইন ২-এর দৈর্ঘ্য ২ কিলোমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নির্মাণ খরচ ৬০০ কোটি টাকা (₹) বৃদ্ধি পায়।

প্রথম অংশ[সম্পাদনা]

এই মেট্রো পথটিকে দুটি অংশে নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রথম অংশ হল সল্টলেক সেক্টর ফাইব থেকে শিয়ালদহ স্টেশন। এই অংশে ৮টি স্টেশন রয়েছে এবং এই স্টেশন গুলির মধ্য ৬টি উত্তোলিত ও ২টি ভূগর্ভস্থ। এই অংশের দৈর্ঘ্য ১০ কিমির বেশি। শিয়ালদহ ও ফুলবাগান স্টেশন দুটি ভূগর্ভস্থ আর বাকি ৬টি উত্তোলিত। এই অংশটি ২০১৭ সালে ডিসম্বরে উদ্বোধনের কথা রয়েছে।

দ্বিতীয় অংশ[সম্পাদনা]

এই অংশটি শিয়ালদহ স্টেশন থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত গেছে। এই অংশের দৈর্ঘ্য ৬ কিমি । এই অংশে ৪ টি স্টেশন রয়েছে; এর সব গুলি স্টেশন ভূগর্ভস্থ।মহাকরণ ও হাওড়া স্টেশন এর মাঝে গঙ্গা নদীর নীচ দিয়ে সুড়ঙ্গ খুড়ে রেল পথ নির্মাণ করা হবে। এটিই হবে ভারত তথা দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদীর নীচের মেট্রো সুড়ঙ্গ বা রেল সুড়ঙ্গ।এই রেলপথ নির্মাণের শেষের সময় হিসাবে ২০১৯ সাল ধরা হয়েছে।

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

স্টেশন[সম্পাদনা]

নির্মাণাধীন করুণাময়ী মেট্রো স্টেশন - তৃতীয় এভিনিউ, সল্ট লেক সিটি, কলকাতা

যাত্রীদের মেট্রো রেল ট্র্যাক থেকে দূরে রাখার জন্য এই লাইনের সমস্ত স্টেশনগুলি প্লাটফর্ম স্ক্রিন ডোর দ্বারা সজ্জিত। [৪] ম্যাট ম্যাকডোনাল্ড সমস্ত উঁচু স্টেশনগুলির জন্য বিশদ ডিজাইন পরামর্শদাতা, লি হ্যারিস পোমরয় আর্কিটেক্টস সমস্ত ভূগর্ভস্থ স্টেশন ডিজাইন করেছেন। ৬ টি ভূগর্ভস্থ স্টেশনগুলির মধ্যে ৩ টি নির্মাণ করা হবে আইটিড সিমেন্টেশন, ইটালিয়ান-থাইল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পাবলিক কোম্পানীর একটি অংশ এবং অন্য ৩ টি স্টেশন নির্মাণ করবে এফকনস, যার মধ্যে ৫২০ মিটার সুড়ঙ্গ হুগলী নদীর নিচে নির্মিত হবে। সমস্ত ঊর্ধ্বতন স্টেশনগুলি কলকাতা ভিত্তিক সিম্পলক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড দ্বারা নির্মিত হবে। [৫][৬]

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

স্টেশনগুলির তালিকা (পূর্ব থেকে পশ্চিম)[সম্পাদনা]

কলকাতা মেট্রো লাইন ২ রুট
সল্ট লেক সেক্টর ৫
করুণাময়ী
সেন্ট্রাল পার্ক
সিটি সেন্টার
বেঙ্গল কেমিক্যাল
যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন
ফুলবাগান
শিয়ালদহ Mainline rail interchange
এসপ্ল্যানেড
মহাকরণ
হুগলি নদী
হাওড়া Mainline rail interchange
হাওড়া ময়দান

সল্টলেক (বিধাননগর) ও হাওড়া ময়দানের মধ্যে নির্মাণাধীন কলকাতা মেট্রো রেলের কলকাতা মেট্রো লাইন ২ (পূর্ব-পশ্চিম করিডর) এর স্টেশন গুলি হল-

লাইন ২ (ইস্ট ওয়েস্ট করিডোর)
ক্রম স্টেশনের নাম অবস্থান উদ্বোধন সংযোগ বিন্যাস স্থানাঙ্ক টীকা
বাংলা ইংরেজি
সল্ট লেক সেক্টর ফাইভ Salt Lake Sector V বিধাননগর নির্মানাধীন     কলকাতা মেট্রো লাইন ৬ (নির্মাণাধীন) উত্তলিত ২২°৩৪′৫২″ উত্তর ৮৮°২৫′৪৪″ পূর্ব / ২২.৫৮১০৩১° উত্তর ৮৮.৪২৮৯৯১° পূর্ব / 22.581031; 88.428991 কলকাতার আই.টি. হাব হিসাবেও পরিচিত
করুণাময়ী Karunamoyee বিধাননগর নির্মানাধীন না উত্তলিত ২২°৩৫′১২″ উত্তর ৮৮°২৫′১৭″ পূর্ব / ২২.৫৮৬৬৭৪° উত্তর ৮৮.৪২১২৬৮° পূর্ব / 22.586674; 88.421268 আন্তর্জাতিক বাস টার্মিনাস
সেন্ট্রাল পার্ক Central Park বিধাননগর নির্মানাধীন না উত্তলিত
সিটি সেন্টার City Center-1 বিধাননগর নির্মানাধীন না উত্তলিত বিধাননগর কলেজের কাছাকাছি
বেঙ্গল কেমিক্যালস Bengal Chemical and Pharmaceuticals বিধাননগর নির্মানাধীন না উত্তলিত
যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন Salt Lake Stadium বিধাননগর নির্মানাধীন না উত্তলিত ভারতে বৃহত্তম স্টেডিয়াম
ফুলবাগান Phoolbagan ফুলবাগান নির্মানাধীন না ভূগর্ভস্থ
শিয়ালদহ Sealdah শিয়ালদহ নির্মানাধীন Mainline rail interchange শিয়ালদহ রেলওয়ে স্টেশন (ভারতীয় রেল) ভূগর্ভস্থ শহরতলি এবং দূরপাল্লার ট্রেনের জন্য পরিবর্তন
এসপ্ল্যানেড Esplanade ধর্মতলা নির্মানাধীন      কলকাতা মেট্রো লাইন ১     কলকাতা মেট্রো লাইন ৩ ভূগর্ভস্থ এছাড়াও ধর্মতলা নামে পরিচিত(ধর্মতলা)
১০ মহাকরণ Mahakaran বি. বি. বাগ নির্মানাধীন না ভূগর্ভস্থ বি. বি. বাগ নামেও পরিচিত
১১ হাওড়া স্টেশন Howrah Station হাওড়া নির্মানাধীন Mainline rail interchange হাওড়া স্টেশন (ভারতীয় রেলওয়ে) ভূগর্ভস্থ স্থানীয় এবং জাতীয় ট্রেনের জন্য পরিবর্তন
১২ হাওড়া ময়দান Howrah Maidan হাওড়া নির্মানাধীন না ভূগর্ভস্থ

সম্প্রসারণ[সম্পাদনা]

রাজ্য সরকার ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পকে ভিআইপি রোডের হলদিরাম পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ায় প্রস্তাব দেয়। তাতে সম্মতি দিয়েছে রেল বোর্ড। ঠিক হয়েছে, সেন্ট্রাল পার্ক মেট্রো স্টেশন থেকে ভিআইপি রোড দিয়ে বাগুইআটি, দমদম পার্ক হয়ে প্রকল্প শেষ হবে হলদিরামে গিয়ে। ওখানেই সেটি জুড়বে নিউ গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রো প্রকল্পের সঙ্গে। এই প্রকল্প বিমানবন্দরের সঙ্গে যুক্ত হলে নিত্যযাত্রীদের সুবিধে হবে।[৭]

অপর দিকে হাওড়া ময়দান থেকে সাঁতরাগাছি পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পকে। সেখানে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ২১ হেক্টর জমিতে মেট্রোর ডিপো তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সাঁতরাগাছি ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর শেষ স্টেশন হলেও ওই রুটে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন হতে চলেছে শালিমার। সম্প্রতি মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে রাজ্য প্রশাসনের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভবিষ্যতে রেলের যে ‘স্পিড করিডর’ তৈরি করার কথা চলছে, সেটিকে শালিমার পর্যন্ত নিয়ে আসা হবে। সে ক্ষেত্রে শালিমার স্টেশন থেকেই মেট্রো ধরে কলকাতায় দ্রুত চলে আসতে পারবেন যাত্রীরা। সে কারণেই শালিমার ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন মেট্রোর কর্তারা।

রাজ্য প্রশাসন সূত্রের খবর, প্রাথমিক ভাবে ঠিক করা হয়েছে, ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো সাঁতরাগাছি পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার সম্প্রসারণ করা হবে। এর মধ্যে তিন কিলোমিটার পথ যাবে মাটির তলা দিয়ে। বাকি সাত কিলোমিটার মাটির উপর দিয়ে। সিদ্ধান্ত হয়েছে, হাওড়া ময়দান থেকে নবান্ন পর্যন্ত মাটির নীচ দিয়েই চলবে মেট্রো। নবান্ন পর্যন্ত মেট্রোকে মাটির উপর দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ কার্যত নেই বললেই চলে। এক দিকে দ্বিতীয় হুগলি সেতু থেকে নামা উড়ালপুল আর অন্য দিকে ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকা। সেই কারণে ওই এলাকায় সব রকম সমীক্ষা চালানোর পরে সুড়ঙ্গ খোঁড়ার পথই নির্দিষ্ট করা হবে।[৮] নবান্নের পর থেকে মেট্রো মাটির উপরে উঁচু পথ (এলিভেটেড রুট) ধরে পৌঁছবে সাঁতরাগাছি পর্যন্ত। ময়দান থেকে সাঁতরাগাছি ট্রেন দাঁড়াকে ৮ বার। অর্থাৎ ১০ কিলোমিটার পথে থাকবে ৮টি স্টেশন। যার একটি হবে মাটির নিচে।[৯]

আরও[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "East-West Metro gets new boss"The Telegraph 
  2. "East-West Metro's route likely to change"Business Standard 
  3. Pramanik, Abhishek Law, Ayan (১৭ জুলাই ২০১২)। "Kolkata Metro inks purchase pact for coaches for East-West corridor" 
  4. "KMRC=2013-07-22" 
  5. "Mott MacDonald is detailed design consultant on Salt Lake City Stations"। ২০১০-০৭-২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৭-২২ 
  6. "Railway Technology"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৭-২২ 
  7. "East-West eyes easy route to airport"The Telegraph (Calcutta) 
  8. "Waterlogging due to E-W Metro slurry under green tribunal's lens"The Times of India 
  9. "2017 start for Howrah EW Metro"The Times of India 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]