গুয়াহাটি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
গুয়াহাটি
গুৱাহাটী
প্রাগ্‌জ্যোতিষপুর (প্রাচীন), গৌহাটি (আধুনিক)
শহর
Guwahati sg.png
নাম: Gateway to Northeast India,[১][২] City of Temples,[৩] Light of the East[৪]
গুয়াহাটি আসাম-এ অবস্থিত
গুয়াহাটি
গুয়াহাটি
অসমে গুয়াহাটির অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৬°১১′ উত্তর ৯১°৪৪′ পূর্ব / ২৬.১৮৩° উত্তর ৯১.৭৩৩° পূর্ব / 26.183; 91.733স্থানাঙ্ক: ২৬°১১′ উত্তর ৯১°৪৪′ পূর্ব / ২৬.১৮৩° উত্তর ৯১.৭৩৩° পূর্ব / 26.183; 91.733
দেশভারত
রাজ্যঅসম
RegionLower Assam
DistrictKamrup Metropolitan district
সরকার
 • ধরনRepublic
 • শাসকGuwahati Municipal Corporation
 • মহানাগরিকআবির পাত্র
(ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস)
 • ডেপুটি কমিশনারDr. M Angamuthu, IAS[৫]
 • পুলিশ কমিশনারমুকেশ আগরওয়াল, আইপিএস[৬]
আয়তন[৭]
 • শহর২১৬ কিমি (৮৩ বর্গমাইল)
 • মহানগর১৫২৮ কিমি (৫৯০ বর্গমাইল)
উচ্চতা৫৫.৫ মিটার (১৮২.১ ফুট)
জনসংখ্যা (২০১১)[৮]
 • শহর৯,৫৭,৩৫২
 • ক্রম৪৮তম
 • জনঘনত্ব৪৪০০/কিমি (১২০০০/বর্গমাইল)
 • মহানগর[৯]১২,৫৩,৯৩৮
বিশেষণগুয়াহাটীয়
ভাষা
 • সরকারীঅসমীয়া, ইংরেজি
সময় অঞ্চলআইএসটি (ইউটিসি+5:30)
পিন781 XXX
টেলিফোন কোড+91 - (0) 361 - XX XX XXX
যানবাহন নিবন্ধনAS-01 (Kamrup Metro) / AS-25 (Kamrup Rural and Dispur)
Planning agencyGuwahati Metropolitan Development Authority
জলবায়ুCwa (Köppen)
ওয়েবসাইটwww.gmcportal.in

গুয়াহাটি (অসমীয়া: গুৱাহাটী গুয়াহাটি) উত্তর পূর্ব ভারতের অসম অঙ্গরাজ্যের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী শহর। শহরটি পশ্চিম অসমে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে, মেঘালয় অঙ্গরাজ্যের সাথে সীমান্তের কাছে অবস্থিত।[১০]

গুয়াহাটি একটি শিল্পশহর, গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর এবং অসমের বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এখানে পাট, তুলা, চাল এবং চায়ের বাজার আছে। এখানকার কলকারখানার মধ্যে ভোজ্য তেল পরিশোধন, সাবান ও কাঠ উৎপাদন, বস্ত্র বয়ন, এবং ময়দা পেষার কল। খ্রিস্টীয় ৫ম শতকের শুরুর দিকে গৌহাটি হিন্দু বর্মণ এবং পাল রাজবংশের অধীনে প্রাচীন প্ৰাগজ্যোতিষপুর এবং দুর্জয় (উত্তর গুয়াহাটি) নগরী প্রাচীন কামরূপ রাজ্যের রাজধানী ছিল।[১১] এখানে বহু প্রাচীন মন্দির দেখতে পাওয়া যায় এবং বহুদিন ধরেই হিন্দুদের একটি তীর্থস্থান, এজন্য এটাকে "মন্দিরের শহর" বলা হয়।[১২] এদের মধ্যে কামাখ্যা ও ঊমানন্দা মন্দির দুইটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। শহরের কেন্দ্রস্থলে ১০ম শতকে নির্মিত জনার্দন মন্দির দাঁড়িয়ে আছে; এই হিন্দু মন্দিরটিতে বুদ্ধের একটি চিত্র আছে। দিসপুর, আসামের রাজধানী, গুয়াহাটির ভিতরে হচ্ছে একটা প্রধান শহর এবং আসাম সরকারের একটি আসন।

গুয়াহাটিতে ১৯৪৮ সালে গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়।

১৯শ শতকে গুয়াহাটি সাময়িকভাবে বার্মার অধীনে ছিল। ১৮২৬ সাল থেকে ১৮৭৪ সাল পর্যন্ত এটি ব্রিটিশ শাসনাধীন অসমের রাজধানী ছিল। বর্তমানে এখানে ৮ লক্ষেরও বেশি লোক বাস করেন।

নামের ব্যুৎপত্তি[সম্পাদনা]

গুয়াহাটি নামটি অসমীয়া ভাষার দুটি শব্দ 'গুয়া' (অৰ্থ-সুপারি) এবং 'হাট' (অৰ্থ-বাজার)-এর থেকে উদ্ভব হয়েছে। ব্রিটিশ উপনিবেশ কালে এই নামটি "গৌহাটী" করা হয়েছিল এবং ১৯৮০-র দশকের শেষভাগ থেকে এটি বৰ্তমান রূপ পায়।[১৩]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রাচীন ইতিহাস[সম্পাদনা]

গুয়াহাটির কিংবদন্তী এবং ইতিহাস কয়েকহাজার বছরের পুরনো। যদিও নগরীটির উৎপত্তির সঠিক ইতিহাস জানা যায়নি, তবে মহাকাব্য, পুরাণ এবং অন্যান্য পরম্পরাগত ইতিহাসে উল্লেখ করা কাহিনীসমূহের থেকে এটাকে এশিয়ার একটি অন্যতম পুরনো নগর হিসেবে অনুমান করা হয়। ইতিহাসের মতে গুয়াহাটিতে কয়েকটি প্ৰাচীন রাজ্যের রাজধানী ছিল। মহাভারতের মতে এটি নরকাসুর এবং ভগদত্ত রাজ্যের রাজধানী ছিল।[১৪] নীলাচল পাহাড়ে অবস্থিত কামাখ্যা দেবীর প্রাচীন শক্তিপীঠ (তান্ত্রিক এবং ভাজ্যারন বৌদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন), চিত্ৰাচল পাহাড়ে অবস্থিত প্ৰাচীন এবং জ্যোতিষ্কচৰ্চার মন্দির নবগ্রহ, বশিষ্ঠ-তে প্রত্নতাত্বিক সম্পদ এবং অন্যান্য স্থানের কিংবদন্তীমূলক ইতিহাস গুয়াহাটির কথাকে সমৰ্থন করে।[১৫]

খেলাধুলা[সম্পাদনা]

ফুটবল[সম্পাদনা]

ইন্দিরা গান্ধী অ্যাথলেটিক স্টেডিয়াম শহরের প্রধান ফুটবল স্টেডিয়াম।

ক্রিকেট[সম্পাদনা]

নবনির্মিত বর্ষাপাড়া স্টেডিয়াম উত্তর-পূর্ব ভারতের একমাত্র আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম।

পরিবহণ[সম্পাদনা]

আকাশপথে[সম্পাদনা]

লোকপ্ৰিয় গোপীনাথ বরদলৈ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মুখ্য আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Thai Airways explores feasibility of Guwahati-Thailand flight"। Economic Times। সংগ্রহের তারিখ October 2015  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  2. "An insider's guide to Guwahati: more than just a gateway to India's northeast"। The Guardian। সংগ্রহের তারিখ October 2015  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  3. "About Guwahati"। guwahationline.in। সংগ্রহের তারিখ October 2015  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  4. "Kamrup Metro District"। Kamrup(M) District Administration। সংগ্রহের তারিখ October 2015  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  5. "Assam Chief Minister Tarun Gogoi Officers List"। tarungogoi.in। সংগ্রহের তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ 
  6. "Police Commissionerate Guwahati"। Guwahati City Police। সংগ্রহের তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ 
  7. "Magisterial powers for Guwahati top cop"। The Telegraph। সংগ্রহের তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ 
  8. "Guwahati City Census"। censusindia.gov.in। সংগ্রহের তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ 
  9. "District At A Glance"। Kamrup Metro Administration। সংগ্রহের তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ 
  10. "Capital of Assam"। Assam Online Portal। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০১৫ 
  11. "History"। Government of Assam। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০১২ 
  12. "About Guwahati"। guwahationline.in। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৫ 
  13. "Kamrup Metro District"। Kamrup(M) District Administration। সংগ্রহের তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ 
  14. (Gait 1906:13–15)
  15. "Guwahati"। guwahatitimes.com। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]