এমির কুস্তুরিৎসা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এমির কুস্তুরিৎসা
Емир Кустурица
Emir Kusturica at Guadalajara film festival 2009.jpg
২০০৯ সালে গুয়াদালাইয়ারা চলচ্চিত্র উৎসবে কুস্তুরিৎসা
জন্ম এমির কুস্তুরিৎসা
(১৯৫৪-১১-২৪) ২৪ নভেম্বর ১৯৫৪ (বয়স ৬০)
সারায়েভো, সমাজ-প্রজাতন্ত্রী বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা,
সমাজতান্ত্রিক ফেডারেল প্রজাতন্ত্রী ইয়োগোস্লাভিয়া
জাতীয়তা সার্বীয়
অন্য নাম নেমানিয়া
পেশা চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্য লেখক
কার্যকাল ১৯৭৮-বর্তমান
দম্পতি মাইয়া কুস্তুরিৎসা
সন্তান স্ত্রিবোর কুস্তুরিৎসা
দুনিয়া কুস্তুরিৎসা
ওয়েবসাইট
www.kustu.com

এমির নেমানিয়া কুস্তুরিৎসা (সার্বিয় সিরিলিক বর্ণমালায়: Емир Немања Кустурица, লাতিন বর্ণমালায়: Emir Nemanja Kusturica) (জন্ম: ২৪শে নভেম্বর, ১৯৫৪) প্রখ্যাত সার্বীয় চলচ্চিত্রকার, অভিনেতা এবং সঙ্গীতশিল্পী।[১] আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মূলত তার পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমাগুলোর জন্য সুপরিচিত। কান চলচ্চিত্র উৎসবে দুই বার সর্বোচ্চ পুরস্কার পাম দোর অর্জন করেছেন, প্রথম বার হোয়েন ফাদার ওয়াজ অ্যাওয়ে এবং পরের বার আন্ডারগ্রাউন্ড-এর জন্য। এছাড়া তিনি ফরাসি অর্ডার Ordre des Arts et des Lettres-এর কমান্ডার পদবী লাভ করেছেন।[২][৩]

২০০০-এর দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে কুস্তুরিৎসার প্রধান বাসস্থান সার্বিয়ার মোকরা গোরা অঞ্চলের Drvengrad নামক একটি গ্রাম। এই ঐতিহাসিক গ্রামের কিছু অংশ তার লাইফ ইজ আ মিরাকল সিনেমার জন্য পুনর্নির্মাণ করেছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

কুস্তুরিৎসার প্রথম নাম এমির প্রধানত একটি মুসলিম নাম যা আরবি আমির শব্দ থেকে এসেছে। তার বাবা মুরাত কুস্তুরিৎসা ছিলেন একজন ধর্মনিরপেক্ষ বসনীয় মুসলিম। কিন্তু ২০০৫ সালে এমির সার্বীয় অর্থোডক্স চার্চে ব্যাপটিজম গ্রহণ করার মাধ্যমে নেমানিয়া কুস্তুরিৎসা নামটি গ্রহণ করেন এবং খ্রিস্টান অর্থোডক্স চার্চের একজন সদস্য হন।[৪][৫] অনেকে তার এই সিদ্ধান্তকে বসনীয় মুসলিম ঐতিহ্যের প্রতি চূড়ান্ত বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে আখ্যায়িত করলে প্রত্যুত্তরে নেমানিয়া বলেন,

আমার বাবা নাস্তিক ছিলেন এবং নিজেকে সব সময় সার্ব হিসেবে পরিচয় দিতেন। হয়ত আমরা ২৫০ বছর ধরে মুসলিম ছিলাম, কিন্তু তার আগে আমাদের মূল পরিচয় ছিল অর্থোডক্স, এবং অন্তরের গহীনে আমরা সব সময়ই ছিলাম সার্ব। ধর্ম সেটা পরিবর্তন করে দিতে পারে না। আমরা মুসলিম হয়েছিলাম কেবল তুর্কীদের হাত থেকে বাঁচার জন্য।[৬]

পরিচালিত চলচ্চিত্রসমূহ[সম্পাদনা]

  • গুয়ের্নিকা, ১৯৭৮, স্বল্পদৈর্ঘ্য
  • দ্য বার্ডস আর কামিং (Nevjeste dolaze), ১৯৭৮, টেলিভিশন চলচ্চিত্র
  • বুফে টাইটানিক (Bife Titanik), ১৯৭৯, টেলিভিশন চলচ্চিত্র
  • ডু ইউ রিমেম্বার ডলি বেল? (Sjećaš li se Dolly Bell), ১৯৮১
  • Nije čovjek ko ne umre, ১৯৮৪, টেলিভিশন চলচ্চিত্র
  • হোয়েন ফাদার ওয়াজ অ্যাওয়ে অন বিজনেস (Otac na službenom putu), ১৯৮৫
  • টাইম অফ দ্য জিপসিস (Dom za vešanje), ১৯৮৮
  • অ্যারিজোনা ড্রিম, ১৯৯৩
  • আন্ডারগ্রাউন্ড (Podzemlje), ১৯৯৫
  • ব্ল্যাক ক্যাট, হোয়াইট ক্যাট (Crna mačka, beli mačor), ১৯৯৮
  • সুপার এইট স্টোরিস, ২০০১, documentary
  • লাইফ ইজ আ মিরাকল (Život je čudo), ২০০৪
  • প্রমিজ মি দিস (Zavet), ২০০৭
  • ম্যারাডোনা, ২০০৮, প্রামাণ্য চিত্র
  • টুইকারস ডিলাইট, ২০১১ (প্রাক-নির্মাণ)
  • কুল ওয়াটার, ২০১২ (প্রাক-নির্মাণ)
  • ওয়াইল্ড রোজেস, টেন্ডার রোজেস, ২০১২ (প্রাক-নির্মাণ)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Emir Kusturica। "Biography"। Kustu.com। সংগৃহীত ৯ ডিসেম্বর ২০১০ 
  2. "Politika"। Politika.rs। সংগৃহীত ২ এপ্রিল ২০১০ 
  3. "Ministere de la culture"। Culture.gouv.fr। সংগৃহীত ২ এপ্রিল ২০১০ 
  4. "Article about Kusturica's religion on"। Pionirovglasnik.com। ২৬ জুলাই ২০০৫। সংগৃহীত ২ এপ্রিল ২০১০ 
  5. "News of Kusturica's baptism"। Hem.passagen.se। সংগৃহীত ২ এপ্রিল ২০১০ 
  6. Emir Kusturica (৪ মার্চ ২০০৫)। "An interview for Guardian"। London: Film.guardian.co.uk। সংগৃহীত ২ এপ্রিল ২০১০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]