বরিশাল সিটি কর্পোরেশন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন লোগো.png
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সিলমোহর
সংস্থার রূপরেখা
গঠিত২৫ জুলাই ২০০২; ২০ বছর আগে (2002-07-25)
অধিক্ষেত্রবাংলাদেশ সরকার
সদর দপ্তরনগর ভবন, বরিশাল
বার্ষিক বাজেটবাজেট সংশোধিত ২০২১-২০২২
সংস্থা নির্বাহীগণ
মূল সংস্থাস্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
ওয়েবসাইটbarishalcity.gov.bd

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন বাংলাদেশের অন্যতম মহানগরী বরিশাল এর স্থানীয় সরকার সংস্থা। ১৮৬৯ সালে বরিশাল টাউন কমিটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় ও ১৮৭৬ সালে বরিশাল মিউনিসিপ্যালিটিতে উন্নীত হয়। ১৯৮৫ সালে একে একটি প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে ২০০২ সালে "বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (সংশোধন) আইন ২০০২" এর মাধ্যমে পৌরসভা বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হয়। বর্তমানে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবাসকারী জনসংখ্যা প্রায় ৫ লক্ষ ও আয়তন ৫৮ বর্গ কিলোমিটার। বর্তমানে ৩০টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত সিটি কর্পোরেশনে ৩০জন সাধারণ আসনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হন এবং ১০ জন সংরক্ষিত আসনে মহিলা কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। ৩০টি ওয়ার্ডের মধ্য থেকে মেয়র ও সম্মানিত কাউন্সিলরগণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে থাকেন।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ব্রিটিশ সরকার নাগরিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে বরিশাল শহরে ১৮৬৯ সালে ‘বরিশাল টাউন কমিটি’ নামে প্রথম মিউনিসিপ্যালিটি গঠন করে। যা ‘টাউন কমিটি অ্যাক্ট VI, ১৮৬৮’ দ্বারা বাস্তবায়িত হয় ও পদাধিকার বলে তৎকালীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা পরবর্তীকালের ডেপুটি কমিশনারগণ তার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতেন।[১] সে অনুযায়ী তৎকালীন জেলা প্রশাসক জে.সি. প্রাইজ টাউন কমিটির প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।[২]

১৮৭৬ সালে মিউনিসিপ্যালিটি অ্যাক্ট দ্বারা বরিশাল শহরকে মিউনিসিপ্যালিটি হিসাবে ঘোষণা করা হয়।[৩] স্থানীয় বুদ্ধিজীবীদের মধ্য থেকে ১ জন চেয়ারম্যান, ১ জন ভাইস চেয়ারম্যান ও ১৫ জন কমিশনার দ্বারা মিউনিসিপ্যালিটি গঠন করা হয়। চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, কমিশনারদের মধ্যে ১০ জন নির্বাচিত, ৪ জন মনোনীত ও ১ জন প্রাক্তন কর্মকর্তা। জনসাধারণের মধ্যে থেকে রুপাই মাঝি ছিলেন বরিশাল মিউনিসিপ্যালিটির প্রথম চেয়ারম্যান। সেসময় বরিশাল মিউনিসিপ্যালিটির আয়তন ছিল ৭ বর্গমাইল (১৮.১৩ বর্গ কিলোমিটার)[৩] ও জনসংখ্যা ছিল ১২,৫০১ জন।[৪] প্রতিষ্ঠাকালে বরিশাল মিউনিসিপ্যালিটির ওয়ার্ড ছিল ২টি, পাকিস্তান আমলে বাড়িয়ে ১০টি ওয়ার্ড করা হয় ও শহরের আয়তন হয় ২০ বর্গকিলোমিটার ও জনসংখ্যা প্রায় ১ লাখ।[৪] বাংলাদেশ স্বাধীনের পূর্ব পর্যন্ত এ মিউনিসিপ্যালিটির ১০টি ইউনিয়নের নির্বাচিত মেম্বারদের ভোটে একজন চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতেন। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে পৌরসভার আয়তন বাড়িয়ে ২৫ বর্গকিলোমিটার করা হয়।[৪] ১৯৮৫ সালে বরিশাল পৌরসভাকে প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে সিটি কর্পোরেশন স্থাপনকল্পে "বরিশাল সিটি কর্পোরেশন আইন, ২০০১" প্রণীত হয় ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে একটি স্থানীয় প্রশাসনিক ইউনিট হিসেবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকা প্রতিষ্ঠিত হয়৷ এই আইন ২০০২ সালে সংশোধিত হয়ে "বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (সংশোধন) আইন ২০০২" প্রণীত হয় ও ২৫ জুলাই ২০০২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হয়[৫] ২৫ বর্গকিলোমিটার থেকে বর্ধিত এর আয়তন দাঁড়ায় ৫৮ বর্গকিলোমিটারে।

প্রশাসনিক অবকাঠামো[সম্পাদনা]

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ৩টি থানা, ৩০টি ওয়ার্ড ও ২২৫টি মহল্লা নিয়ে গঠিত। ৩০টি ওয়ার্ডে ৩০ জন সাধারণ আসনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং ১০ জন সংরক্ষিত আসনে মহিলা কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। ৩০টি ওয়ার্ডের মধ্য থেকে মেয়র ও কাউন্সিলরগণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে থাকেন।

ভৌগোলিক সীমানা[সম্পাদনা]

বরিশাল সিটি করপোরেশন অধিভুক্ত নগর এলাকার আয়তন ৫৮ বর্গ কিমি এবং এর অবস্থান ২২°৩৮' থেকে ২২°৪৫' উত্তর অক্ষাংশে এবং ৯০°১৮' থেকে ৯০°২৩' পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। এর উত্তরে কাউনিয়া ও এয়ারপোর্ট থানা, দক্ষিণে বন্দর থানা এবং নলছিটি ও বাকেরগঞ্জ উপজেলা, পূর্বে কাউনিয়া ও বন্দর থানা, পশ্চিমে এয়ারপোর্ট ও কোতোয়ালী থানা এবং নলছিটি উপজেলা।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মোট জনসংখ্যা ৩,২৮,২৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১,৬৯,৪৭৫ জন এবং মহিলা ১,৫৮,৮০৩ জন। মোট পরিবার ৭২,৭০৯টি।[৬]

জনসংখ্যার পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

সাল জনসংখ্যা সূত্র
১৮৭২ ১২,৫০১ [১]
১৮৯১ ১৫,৪৮২ [১]
১৯০১ ১৮,৯৭৮ [১]
১৯১১ ২২,৪৭৩
১৯২১ ২৬,৭৪৪
১৯৩১ ৩৫,৭১৬
১৯৪১ ৬১,৩১৬
১৯৫১ ৮৯,৬৯৪
১৯৬১ ৬৯,৯৩৬
১৯৭৪ ৯৮,১২৭
১৯৯১ ১,৪২,০৯৮ [৭]
২০০১ ২,২৪,৩৮৯ [২]
২০১১ ৩,২৮,২৭৮ [৮]

উপর্যুক্ত ছকে শুধুমাত্র বরিশাল সিটিকর্পোরেশন আওতাধীন এলাকার জনসংখ্যা দেখানো হয়েছে।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাক্ষরতার হার ৭৫.৩%।[৬]

প্রশাসক, চেয়ারম্যান এবং মেয়রদের তালিকা[সম্পাদনা]

  • জে.সি. প্রাইজ (১৮৬৯-১৮৮৪)[২] বরিশাল টাউন কমিটির প্রথম সভাপতি, পদাধিকার বলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে। এ ধারা চলে ১৮৮৪ সাল পর্যন্ত।
  • প্যারীলাল রায়, বরিশাল পৌরসভার প্রথম মনোনীত চেয়ারম্যান (১৮৮৫-১৮৮৮)[২]
  • দীনবন্ধু সেন, ভাইস চেয়ারম্যান (১৮৮৫-১৮৮৮)
  • দ্বারকানাথ দত্ত, চেয়ারম্যান (১৮৮৯-১৮৯২)
  • ডাঃ তারিণী কুমার গুপ্ত, ভাইস চেয়ারম্যান (১৮৮৯-১৮৯২)
  • অশ্বিনী কুমার দত্ত (১৮৯৩-১৯০৯), চেয়ারম্যান, মোট ১১ বছর[৯][১০]
  • ডাঃ তারিণী কুমার গুপ্ত, ভাইস চেয়ারম্যান (১৮৯৩-১৮৯৬)
  • ডাঃ তারিণী কুমার গুপ্ত, চেয়ারম্যান (১৯১০-১৯১৯) (পরপর ৩ বার)
  • নিবারন চন্দ্র দাশগুপ্ত (১৯২০-১৯৩৪), চেয়ারম্যান, পরপর ৫ বার, কার্যকাল মোট ১৫ বছর (সর্বোচ্চ)
  • শরৎ চন্দ্র গুহ (১৯৩৫-১৯৪০), চেয়ারম্যান, পরপর ২ বার, কার্যকাল মোট ৬ বছর
  • বরদাকান্ত ব্যানার্জি, চেয়ারম্যান, (১৯৪১-১৯৪৫)
  • মৌলভী মোফাজ্জেল হক, (১৯৪৬-১৯৫২) পর্যন্ত ৭ বছর। বরিশাল পৌরসভার প্রথম মুসলিম চেয়ারম্যান।
  • খানবাহাদুর হাশেম আলী খান (১৯৫২-১৯৫৪) পর্যন্ত ৩ বছর।[১১][১২]
  • মৌলভী মোফাজ্জেল হক (১৯৫৪-১৯৫৮), চেয়ারম্যান (দ্বিতীয় দফায়)।
  • ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসন জারী করায় ও মুক্তিযুদ্ধের পরে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত ১৫ বছর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব বর্তায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের উপর।
  • আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (১৯৭৩-১৯৭৫), চেয়ারম্যান[১৩]
  • ডাঃ মোঃ আব্দুল আজিজ,ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, (১৯৭৫-১৯৭৮)
  • আবদুর রহমান বিশ্বাস (১৯৭৬-৭৭) [১৪]
  • আনিচ তালুকদার (৫ জুলাই ১৯৭৯-২৪ মার্চ ১৯৮১), (৩১ আগস্ট ১৯৮১-২৪ জুন ১৯৮২) (ভারপ্রাপ্ত)[১৫]
  • গোলাম মাওলা (১৯৮৪-১৯৯০)[১৬]
  • আহসান হাবিব কামাল (১৯৯১-২০০৩)[১৩][১৭][১৮]
  • মজিবুর রহমান সারওয়ার (২০০৩-২০০৮) [১৯]
  • আওলাদ হোসেন দিলু (২২ জুলাই ২০০৭-১১ সেপ্টেম্বর ২০০৮) (ভারপ্রাপ্ত)[২০]
  • শওকত হোসেন হিরণ (২০০৮-২০১৩) [২১][২২]
  • আলতাফ মাহমুদ শিকদার (জুন ২০১৩-অক্টোবর ২০১৩) (ভারপ্রাপ্ত)[২৩]
  • আহসান হাবিব কামাল (২০১৩-আগস্ট ২০১৮)[২৪]
  • সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ (২০১৮-বর্তমান)[১]

শিক্ষাব্যবস্থা[সম্পাদনা]

বরিশাল শহরবাসীর শিক্ষার হার ৭৫.৩% যা দেশের গড় শিক্ষার হার (৫৬.৫%) থেকে তুলনামূলক বেশি।[২৫] বরিশাল শহরে আধুনিক শিক্ষার প্রসার ঘটে ১৮২৯ সালে বরিশাল ইংলিশ স্কুল স্থাপনের মাধ্যমে যা বর্তমানে বরিশাল জিলা স্কুল নামে পরিচিত। এটি সমগ্র বরিশাল বিভাগের মধ্যে প্রথম ও দেশের অন্যতম প্রাচীন বিদ্যালয়। আধুনিক শিক্ষার প্রসারের জন্য অশ্বিনীকুমার দত্ত ১৮৮৪ সালে ব্রজমোহন বিদ্যালয় ও ১৮৮৯ সালে ব্রজমোহন কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। তখন এ কলেজের মান এতই উন্নত ছিল যে অনেকে একে দক্ষিণ বাংলার অক্সফোর্ড বলে আখ্যায়িত করেন।[২৬] এটি সহ উচ্চশিক্ষার জন্য বর্তমানে বরিশাল শহরে একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, একটি মেডিকেল কলেজ, একটি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, বরিশাল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও বেশ কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারী কলেজ রয়েছে। এর মধ্যে সরকারী সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, সরকারী মহিলা কলেজ, অমৃত লাল দে কলেজ, সরকারী বরিশাল কলেজ, তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া কলেজ, শহীদ এডভোকেট আবদুর রব সেরনিয়াবাত আইন মহাবিদ্যালয়(ল'কলেজ) উল্লেখযোগ্য।

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

বরিশাল মহানগরী এলাকার জন্য একটি স্বতন্ত্র পুলিশ বাহিনী গঠনের লক্ষ্যে বরিশাল মহানগরী পুলিশ আইন, ২০০৯ প্রণীত হয় ও ২৬ অক্টোবর ২০০৬ সালে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ গঠন করা হয়।[২৭][২৮] বর্তমানে বরিশাল মেট্রোপলিটনের অধীনে চারটি থানা রয়েছে। [২৯]

উল্লে­খযোগ্য স্থান ও স্থাপনা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. জ্যাক, জে, সি,। বাকেরগঞ্জ জেলা গ্যাজেটিয়ার Chapter 3 (PDF) (১৯২৮ সংস্করণ)। কলকাতাঃ বেঙ্গল সচিবালয় পুস্তক বিভাগ। পৃষ্ঠা ১২৯। ২৪ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০১৫ 
  2. "বরিশাল সিটি করপোরেশন"। বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০১৫ 
  3. জ্যাক, জে, সি,। বাকেরগঞ্জ জেলা গ্যাজেটিয়ার - স্থানীয় ও স্বায়ত্তশাসিত সরকার (PDF) (১৯২৮ সংস্করণ)। কলকাতাঃ বেঙ্গল সচিবালয় পুস্তক বিভাগ। পৃষ্ঠা ১১১। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০১৫ 
  4. "Barisal citizens want real development, not mere promises"। ঢাকা ট্রিবিউন। ২ জুন ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০১৫ 
  5. "বরিশাল সিটি কর্পোরেশন আইন, ২০০১ - (২০০১ সনের ১১ নং আইন"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার - লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ। ৯ এপ্রিল ২০০১। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০১৫ 
  6. "ইউনিয়ন পরিসংখ্যান সংক্রান্ত জাতীয় তথ্য" (PDF)web.archive.org। Wayback Machine। Archived from the original on ৮ ডিসেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০১৯ 
  7. Bangladesh - Population Census 1991। পৃষ্ঠা ২৮৭। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১৫ 
  8. "Bangladesh Bureau of Statistics Population Census 2011 page 17" (PDF)। Bangladesh Bureau of Statistics। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০১৫ 
  9. "অশ্বিনীকুমার দত্ত"http://bn.banglapedia.org/। বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১৫  |ওয়েবসাইট= এ বহিঃসংযোগ দেয়া (সাহায্য)
  10. "Aswini Kumar Datta - Famous Bengali and Related Peoples"BdBiography.com। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১৫ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  11. "খানবাহাদুর হাশেম আলী খান"http://bn.banglapedia.org/। বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১৫  |ওয়েবসাইট= এ বহিঃসংযোগ দেয়া (সাহায্য)
  12. "খানবাহাদুর হাশেম আলী খান স্মরণে"দৈনিক ইত্তেফাক। ১৭ এপ্রিল ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১৫ 
  13. "নব নির্বাচিত মেয়র কামাল বরিশাল মহানগরীর চাবি গ্রহণ করতে যাচ্ছেন"। দৈনিক ইনকিলাব। ৭ অক্টোবর ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১৫ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  14. "পুরোপুরি অবসর জীবনে সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস"। দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন। ২৫ জুলাই ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১৫ 
  15. "বরিশাল সাবেক পৌর চেয়ারম্যান আনিচ তালুকদারের ইন্তেকাল"। দৈনিক পরিবর্তন। ৭ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মে ২০১৫ 
  16. "বরিশাল পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যানের ইন্তেকাল"দৈনিক নয়াদিগন্ত। ১৫ মে ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০১৫ 
  17. "মেয়র প্রার্থী আহসান হাবিব কামাল"। বরিশাল নিউজ। ২৭ মে ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১৫ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  18. "কারও ভরসা নেই লিপস্টিক মার্কা উন্নয়নে :কামাল"দৈনিক সমকাল। ৫ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১৫ 
  19. "বরিশাল বিএনপিতে দুই যুগের কোন্দল"। আজকের বরিশাল। ২৭ মার্চ ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১৫ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  20. "রিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) প্রায় ৪শ' কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা"। দৈনিক মানবকন্ঠ। ২২ জুলাই ২০১৪। ১৬ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০১৫ 
  21. "শওকত হোসেন হিরণ আর নেই"দৈনিক ইত্তেফাক। ১৩ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০১৪ 
  22. "শওকত হোসেন হিরণের সংক্ষিপ্ত জীবনী"বরিশাল এইজ। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০১৪ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  23. "বিসিসি'স ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব নিলেন আলতাফ মাহমুদ"। আমাদের বরিশাল। ৩০ জুন ২০১৩। ৩ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১৫ 
  24. "বরিশালে মেয়র পদে বিজয়ী কামাল"। প্রিয়.কম। ১৬ জুন ২০১৩। ২৯ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১৫ 
  25. "Bangladesh Bureau of Statistics Region Census 2011 page 30" (PDF)। Bangladesh Bureau of Statistics। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  26. "বিএম কলেজ - আমাদের বরিশাল"। ১৬ জুন ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১৫ 
  27. "বরিশাল মহানগরী পুলিশ আইন, ২০০৯"। Legislative and Parliamentary Affairs Division - People's Republic of Bangladesh। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০১৫ 
  28. "Metropolitan Police Bangladesh"www.police.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০১৫ 
  29. "এক থানার জনবল দিয়ে চলছে চার থানা"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]