ইতিহাস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইতিহাস

ইতিহাস ἱστορία,[১] বা History শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে গ্রিক শব্দ Historia থেকে যার অর্থ মানুষের অতীত ঘটনা ও কার্যাবলীর অধ্যয়ন।[২][৩] বৃহৎ একটি বিষয় হওয়া সত্ত্বেও এটি কখনও মানবিক বিজ্ঞান এবং কখনওবা সামাজিক বিজ্ঞানের একটি শাখা হিসেবে আলোচিত হয়েছে। অনেকেই ইতিহাসকে মানবিক এবং সামাজিক বিজ্ঞানের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হিসেবে দেখেন। কারণ ইতিহাসে এই উভয়বিধ শাস্ত্র থেকেই পদ্ধতিগত সাহায্য ও বিভিন্ন উপাদান নেয়া হয়। একটি শাস্ত্র হিসেবে ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করতে গেলে অনেকগুলো উপবিভাগের নাম চলে আসে: দিনপঞ্জি, ইতিহাস-লিখন, কুলজি শাস্ত্র, পালিওগ্রাফি এবং ক্লায়োমেট্রিক্‌স। স্বাভাবিক প্রথা অনুসারে ইতিহাসবেত্তাগণ ইতিহাসের লিখিত উপাদানের মাধ্যমে বিভিন্ন ঐতিহাসিক প্রশ্নের উত্ত দেয়ার চেষ্টা করেন, যদিও কেবল লিখিত উপাদান হতে ইতিহাসে সকল তত্ত্ব উদ্ধার করা সম্ভব নয়। ইতিহাস চর্চার ক্ষেত্রে যে উৎসগুলো বিবেচনা করা হয়, সেগুলোকে তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়: লিখিত, মৌখিক এবং শারীরিক বা প্রত্যক্ষ করণ। ইতিহাসবেত্তারা সাধারণত তিনটি উৎসই পরখ করে দেখেন। তবে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে লিখিত উপাদান সর্বজন স্বীকৃত। এই উৎসটির সাথে লিখন পদ্ধতির ইতিহাস অঙ্গাঅঙ্গীভাবে জড়িত। ইতিহাসের জনক হিসেবে হেরোডোটাসকে আখ্যায়িত করা হয়।

বুৎপত্তি[সম্পাদনা]

ইতিহাস লিখনধারা[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: ইতিহাস লিখনধারা

তারিখভিত্তিক ইতিহাস[সম্পাদনা]

সময়কালভিত্তিক[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Joseph, Brian (Ed.); Janda, Richard (Ed.) (২০০৮)। The Handbook of Historical Linguistics। Blackwell Publishing (প্রকাশিত ৩০ ডিসেম্বর ২০০৪)। পৃ: ১৬৩। আইএসবিএন 978-1-4051-2747-9 
  2. "History Definition"। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৪ 
  3. "What is History & Why Study It?"। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]