পদার্থ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

সাধারণভাবে পদার্থ সংজ্ঞায়িত করা হয় উপাদান হিসেবে যা একত্র হয়ে ভৌত বস্তু গঠন করে। এই দিয়ে প্রতীয়মান মহাবিশ্ব গঠিত। সনাতন ধারনা অনুযায়ী পদার্থ এবং শক্তি আলাদা । তবে আপেক্ষিকতাবাদ অনুযায়ী পদার্থ এবং শক্তি স্বাতন্ত্র্য নয়, কারণ পদার্থকে শক্তিতে এবং শক্তিকে পদার্থতে রূপান্তরিত করা যায়। দর্শনশাস্ত্র অনুযায়ী, পদার্থ দিয়ে সমস্ত জিনিসের আকারহীন সারবত্তা গঠিত হয়, যার কেবল সম্ভাব্য অস্তিত্ব রয়েছে এবং যেখান থেকে বাস্তব উদ্ভূত হয়।


পদার্থের প্রকারভেদ[সম্পাদনা]

পদার্থের অবস্থার ওপর ভিত্তি করে পদার্থকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে । যথা,কঠিন , তরল এবং বায়বীয় । এছাড়াও প্লাজমা এবং তরল স্ফটিক নামে পদার্থের আরো দুইটি রূপ আছে ।

কঠিন পদার্থ[সম্পাদনা]

যে পদার্থের নির্দিষ্ট আকার,আকৃতি এবং অবস্থান আছে , তাকে কঠিন পদার্থ বলে ।যেমন, পাথর , ইট ইত্যাদি ।

তরল পদার্থ[সম্পাদনা]

যে পদার্থের নির্দিষ্ট ভর এবং আয়তন আছে,তবে নির্দিষ্ট আকার নেই,যখন যে পাত্রে রাখা হয়,তখন সে পাত্রের আকার ধারন করে,তাকে তরল পদার্থ বলে ।যেমনঃদুধ,পানি ইত্যাদি ।

বায়বীয় পদার্থ[সম্পাদনা]

যে পদার্থের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন কিছুই নেই ,শুধু নির্দিষ্ট ভর আছে , তাকে বায়বীয় পদার্থ বলে । যেমনঃ অক্সিজেন ,হাইড্রোজেন ইত্যাদি ।

বিজ্ঞানে পদার্থ[সম্পাদনা]

পদার্থবিজ্ঞানে, সমস্ত পদার্থ প্রাথমিক ফার্মিয়ন দিয়ে গঠিত। পদার্থ স্থান দখল করে এবং এর ভর আছে। এটি মূলত পরমাণু দিয়ে গঠিত, যারা আবার প্রোটন, নিউট্রন, এবং ইলেকট্রন দিয়ে গঠিত হয়। চারটি মৌলিক বলের মধ্যস্থতাকারী গেজ বোসন কণাদের (উদাঃ ফোটন এক ধরনের বোসন কণা) পদার্থ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না, যদিও তাদের নিশ্চিতভাবে শক্তি এবং এমনকি কিছু ভরও আছে। সুতরাং পদার্থ কেবলমাত্র কোয়ার্ক এবং লেপ্টন কণা দিয়ে গঠিত ধরা হয়।