রাসায়নিক বন্ধন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search

রাসায়নিক বন্ধন (ইংরেজি: Chemical bond) হল পরমাণুসমূহ বা অণুসমূহের মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ। যার ফলে দুই বা ততোধিক পরমাণুর সমন্বয়ে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ তৈরি হয়। এই আকর্ষণ বিপরীত আধানের মধ্যে তড়িৎ চুম্বকীয় বলের ফলে তৈরি হয়। রাসায়নিক বন্ধনের প্রকার:

পরিচ্ছেদসমূহ

সমযোজী বন্ধন বা কোভ্যালেন্ট বন্ড[সম্পাদনা]

বন্ড ও অ্যান্টি বন্ড[সম্পাদনা]

সিগমা বন্ড[সম্পাদনা]

সিগমা বন্ধন এমন একটি বন্ধন যা দুটি পরমাণুর অরবিটালের মুখমুখি সংযুক্তি ঘটে।

পাই বন্ড[সম্পাদনা]

দুটি পরমাণুর প্রত্যেকটি হতে একটি করে দুটি সমান্তরাল p অরবিটালের পার্শ্ব অধিক্রমনের ফলে যে বন্ধন সৃষ্টি হয় তাকে পাই বন্ধন বলে ।

পাই বন্ড এর বৈশিষ্ট্য:

  • দুটি পরমানু সিগমা বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর উভয় পরমাণুর সমান্তরাল অক্ষবিশিষ্ট দুটি অরবিটাল এর পাশাপাশি অধিক্রমন
  • অধিক্রমন এলাকায় ইলেকট্রন মেঘের ঘনত্ব কম থাকে।
  • পাই বন্ড সিগমা বন্ড অপেক্ষা দুর্বল ।
  • সংকর অরবিটালে পাই বন্ধন ঘটেনা। s অরবিটাল ব্যতীত বিশুদ্ধ অন্য অরবিটালে ঘটে।

ডেলটা বন্ড[সম্পাদনা]

কোঅরডিনেট কোভ্যালেন্ট বন্ড[সম্পাদনা]

আয়নিক বন্ধন[সম্পাদনা]

Typical bond lengths in pm
and bond energies in kJ/mol.

Bond lengths can be converted to Å
by division by 100 (1 Å = 100 pm).
Data taken from University of Waterloo.[১]
Bond Length
(pm)
Energy
(kJ/mol)
H — Hydrogen
H–H 74 436
H–O 96 366
H–F 92 568
H–Cl 127 432
C — Carbon
C–H 109 413
C–C 154 348
C–C= 151
=C–C≡ 147
=C–C= 148
C=C 134 614
C≡C 120 839
C–N 147 308
C–O 143 360
C–F 134 488
C–Cl 177 330
N — Nitrogen
N–H 101 391
N–N 145 170
N≡N 110 945
O — Oxygen
O–O 148 145
O=O 121 498
F, Cl, Br, I — Halogens
F–F 142 158
Cl–Cl 199 243
Br–H 141 366
Br–Br 228 193
I–H 161 298
I–I 267 151

প্রতিটি পরমাণু হতে চায় স্থিতিশীল। এই স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য ধাতুসমূহ তাদের বহি:স্তর হতে এক বা একাধিক ইলেকট্রন অধাতুসমূহের বহি:স্তরে স্থানান্তরিত করে উভয়ই স্থিতিশীল হয়। তাই বলা যায় যে, ধাতুঅধাতু মৌলের রাসায়নিক বিক্রিয়া সময়কালীন ধাতুর পরমাণুর বহি:স্তর হতে এক বা একাধিক ইলেকট্রনসমূহ অধাতু পরমাণুর বহি:স্তরে স্থানান্তরিত হওয়ার মাধ্যমে সৃষ্ট ক্যাটায়নঅ্যানায়নের মধ্যে স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণ দ্বারা যে বন্ধন সৃষ্টি হয় তাকে আয়নিক বন্ধন বা তড়িৎযোজী বন্ধন বলে। আর উক্ত সৃষ্ট যৌগকে আয়নিক বা তড়িৎযোজী যৌগ বলে। যেমন ধাতব সোডিয়াম তার শেষ কক্ষপথের ১ টি ইলেকট্রন অধাতব ক্লোরিনকে দিয়ে আয়নিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে NaCl সৃষ্টি করে।

== হাইড্রোজেন বন্ধন ==H পরমানুযুক্ত পোলার অনুসমুহ যখন পরস্পরের নিকটে আসে তখন একটি অনুর ধনাত্মক প্রান্ত অর্থাৎ H প্রান্ত এবং অন্য অনুর ঋণাত্মক প্রান্তের মধ্যে একটি দুর্বল আকষন সৃষ্টি হয়।এই অাকষনের ফলে যে দুর্বল বন্ধনের সৃষ্টি হয় তাকে হাইড্রোজেন বন্ধন বলে।

বিশেষ প্রকার বন্ধনসমূহ[সম্পাদনা]

ব্যানানা বন্ড (বক্র সিগমা বন্ড)[সম্পাদনা]

উদাহরণ: সাইক্লোপ্রোপেন

ব্যাক বন্ড[সম্পাদনা]

পি-পাই ডি-পাই ব্যাক বন্ড[সম্পাদনা]

ডি-পাই ডি-পাই ব্যাক বন্ড[সম্পাদনা]

ডিলোকালাইজ্ড পাই বন্ড[সম্পাদনা]

অ্যারোমাটিক বন্ড[সম্পাদনা]

অ্যান্টি অ্যারোমাটিক বন্ড[সম্পাদনা]

পাই-ক্যাটায়ন বন্ড[সম্পাদনা]

ধাতব বন্ধন বা মেটালিক বন্ড[সম্পাদনা]

কঠিন অবস্থায় ধাতুর পরমানুসমূহ পরস্পরের সাথে যে আকর্ষন বা বন্ধনের মাধ্যমে আবদ্ধ থাকে , তাকে ধাতব বন্ধন বলে ।

ইলেক্ট্রন ডেফিসিয়েন্ট বন্ড[সম্পাদনা]

মালটি সেন্টার টু ইলক্ট্রন বন্ড[সম্পাদনা]

থ্রি-সি টু-ই বন্ড[সম্পাদনা]

থ্রি-সেণ্টার টু-ইলেক্ট্রন বন্ড। উদাহরণ: ডাইবোরেন। দেখতে বাঁকা বলে কেউ কেউ একেও "ব্যানানা বন্ড" নামে ডাকেন।

ডাইবোরেনের মাঝের ব্রিজ দুটি থ্রি-সি টু-ই বন্ড

মালটি সেন্টার মালটি ইলক্ট্রন বন্ড[সম্পাদনা]

উদাহরণ: বোরণের কুড়ি-তলক তিনটি কেলাসের মধ্যে বন্ধন।

ক্ষণস্থায়ী বা দুর্বল বন্ধন[সম্পাদনা]

এদের অনেকেই বন্ধন হিসাবে মানেন না।

স্থায়ী-দ্বিমেরু শৃঙ্খল[সম্পাদনা]

স্থায়ী-দ্বিমেরু আবিষ্ট দ্বিমেরু বন্ধন[সম্পাদনা]

ভ্যান্ডার ওয়াল বন্ধন[সম্পাদনা]

অস্থায়ী-দ্বিমেরু আবিষ্ট দ্বিমেরু আকর্ষণ। হাইড্রোজেন বন্ধন।

  1. "Bond Lengths and Energies"। Science.uwaterloo.ca। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-১০-১৫