ভেরা রুবিন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ভেরা রুবিন
ভেরা রুবিন
২০০৯ সালে ভেরা রুবিন
জন্মভেরা কুপার
(১৯২৮-০৭-২৩)২৩ জুলাই ১৯২৮
ফিলাডেলফিয়া, পেনসিলভেনিয়া
মৃত্যু২৫ ডিসেম্বর ২০১৬(2016-12-25) (বয়স ৮৮)
প্রিন্সটন, নিউ জার্সি
বাসস্থানপ্রিন্সটন, নিউ জার্সি
জাতীয়তামার্কিন
কর্মক্ষেত্রজ্যোতির্বিজ্ঞান
প্রতিষ্ঠানজর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়, কার্নেগি ইনস্টিটিউট অভ ওয়াশিংটন
প্রাক্তন ছাত্রভ্যাসার কলেজ, কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়, জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়
সন্দর্ভসমূহফ্লাকচুয়েশন্‌স ইন দ্য স্পেস ডিস্ট্রিবিউশন অভ দ্য গ্যালাক্সিজ (Fluctuations in the Space Distribution of the Galaxies, "ছায়াপথসমূহের স্থানিক বিতরণে দোদুল্যমানতা") (১৯৫৪)
পিএইচডি উপদেষ্টাজর্জ গ্যামভ
অন্যান্য 
শিক্ষায়তনিক উপদেষ্টা
উইলিয়াম শ', মার্থা কার্পেন্টার
উল্লেখযোগ্য ছাত্রবৃন্দস্যান্ড্রা ফাবার, রেবেকা অপেনহাইমার
পরিচিতির কারণছায়াপথ ঘূর্ণন সমস্যা, তমোপদার্থ, রুবিন-ফোর্ড ক্রিয়া
উল্লেখযোগ্য
পুরস্কার
ব্রুস পদক, বিজ্ঞানে ডিকসন পুরস্কার, রাজকীয় জ্যোতির্বিজ্ঞান সমিতির স্বর্ণপদক, জাতীয় বিজ্ঞান পদক

ভেরা ফ্লোরেন্স কুপার রুবিন (ইংরেজি: Vera Florence Cooper Rubin; ২৩শে জুলাই, ১৯২৮- ২৫শে ডিসেম্বর, ২০১৬) একজন মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী ছিলেন যিনি ছায়াপথসমূহের ঘূর্ণনের হারের উপরে সর্বাগ্রগামী গবেষণাকর্মের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছে।[১] তিনি ছায়াপথের ঘূর্ণন বক্ররেখাগুলি অধ্যয়ন করে ছায়াপথগুলির পূর্বাভাসকৃত কৌণিক গতি এবং পর্যবেক্ষণকৃত গতির মধ্যকার বিচ্যুতি বের করেন। এই ঘটনাটি ছায়াপথ ঘূর্ণন সমস্যা নামে পরিচিতি লাভ করে, এবং এটি ছিল তমোবস্তু-র অস্তিত্বের একটি প্রমাণ।[২] যদিও রুবিনের গবেষণার ফলাফল প্রথমে সন্দেহের চোখে দেখা হয়েছিল, এর পরবর্তী দশকগুলিতে সেগুলি নিশ্চিত করে প্রমাণিত হয়। মার্কিন দৈনিক দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর মতে ভেরা বিশ্বতত্ত্ব ক্ষেত্রে নিকোলাউস কোপের্নিকুস মাপের একটি পরিবর্তন এনেছিলেন।[১][৩]

শিক্ষার্থী-জীবনে রুবিন ভ্যাসার কলেজে একমাত্র ছাত্রী হিসেবে জ্যোতির্বিজ্ঞান অধ্যয়ন করেন। এরপর তিনি কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় ও জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনা ও গবেষণা করেন, যেখানে হাবল প্রবাহ থেকে বিচ্যুতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং ছায়াপথ মহাস্তবকগুলির অস্তিত্বের পক্ষে প্রমাণ দেন।[১][৩]

রুবিনের উপাত্তগুলি ছিল তমোপদার্থের সবচেয়ে প্রথমদিককার কিছু প্রমাণ। এর আগে ১৯৩০-এর দশকে ফ্রিৎস জভিকি এটির ব্যাপারে ভবিষ্যৎবাণী দিয়েছিলেন। রুবিন সমগ্র কর্মজীবন জুড়ে তাঁর কৃতিত্বের জন্য সম্মাননা লাভ করেন। তিনি ব্রুস পদক, রাজকীয় জ্যোতির্বিজ্ঞান সমিতির স্বর্ণপদক ও জাতীয় বিজ্ঞান পদক বিজয় করেন।[৩][৪] তিনি সারা জীবন বিজ্ঞানে নারীদের অংশগ্রহণের সরব প্রবক্তা ছিলেন। তিনি উচ্চাকাঙ্খী নারী জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের বিজ্ঞ পরামর্শদাত্রী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনিই প্রথম নারী যার নামে একটি বৃহৎ মানমন্দিরের নামকরণ করা হয়: এটি হল চিলিতে অবস্থিত ভেরা সি. রুবিন মানমন্দির[৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Overbye, Dennis (ডিসেম্বর ২৭, ২০১৬)। "Vera Rubin, 88, Dies; Opened Doors in Astronomy, and for Women"The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ২৭, ২০১৬ 
  2. de Swart, Jaco; Bertone, Gianfranco; van Dongen, Jeroen (২০১৭)। "How dark matter came to matter"। Nature Astronomy1 (59): 0059। arXiv:1703.00013অবাধে প্রবেশযোগ্যএসটুসিআইডি 119092226ডিওআই:10.1038/s41550-017-0059বিবকোড:2017NatAs...1E..59D 
  3. "1996 November 8 meeting of the Royal Astronomical Society"। The Observatory117: 129–135। জুন ১৯৯৭। বিবকোড:1997Obs...117..129. 
  4. Domonoske, Camila (ডিসেম্বর ২৬, ২০১৬)। "Vera Rubin, Who Confirmed Existence Of Dark Matter, Dies At 88"NPR News। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ২৭, ২০১৬ 
  5. Overbye, Dennis (২০২০-০১-১১)। "Vera Rubin Gets a Telescope of Her Own"The New York Times (ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0362-4331। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-১৭