কুষ্টিয়া পাবলিক লাইব্রেরি
| দেশ | |
|---|---|
| প্রতিষ্ঠিত | ১৯১০ |
| অবস্থান | এনএস রোড, থানাপাড়া, কুষ্টিয়া |
| সংগ্রহ | |
| সংগৃহীত আইটেম | ২৫,০০০ (প্রায়) |
| অন্যান্য তথ্য | |
| কর্মচারী | ৫ জন |
| মানচিত্র | |
![]() | |
কুষ্টিয়া পাবলিক লাইব্রেরি কুষ্টিয়া জেলার একটি প্রাচী গ্রন্থাগার।[১] ১৯১০ সালে কুষ্টিয়ার স্বনামধন্য জমিদার ও ব্যক্তিদের মাধ্যমে গ্রন্থাগারটি স্থাপিত হয়।[২][৩] গবেষক আবুল আহসান চৌধুরী কর্মজীবনে এই গ্রন্থাগারের সম্পাদক ছিলেন।[৪]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]প্রতিষ্ঠার ইতিহাস
[সম্পাদনা]১৯১০ সালে নদিয়া জেলার অন্তর্গত কুষ্টিয়া মহকুমার তৎকালীন প্রশাসক কৃষ্ণদয়াল প্রামণিকের উৎসাহ পেয়ে গৌরিশঙ্কর আগরওয়াল একটি গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠার জন্য কুষ্টিয়ার নবাব সিরাজউদ্দৌলা রোডে (তৎকালীন নাম হাই স্ট্রিট) ১০ কাঠা জমি দান করেন। কুষ্টিয়ার বাড়াদী জমিদার হরিশচন্দ্র রায় গ্রন্থাগারের ভবনটি নির্মাণ করে দেন।[২]
যুদ্ধ ও রাজনৈতিক প্রভাব
[সম্পাদনা]প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় গ্রন্থাগাটির যথেষ্ট ক্ষতি হয়। ভারত বিভাজনের কারণে গ্রন্থাগারের অনেক পৃষ্ঠপোষক ভারতে চলে যান। ফলে গ্রন্থাগারটি প্রায় অচল হয়ে যায়। ১৯৪৭–১৯৫২ সাল পর্যন্ত গ্রন্থাগারের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। গ্রন্থাগারের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় এটি স্থানান্তরের ফলে। সরকারি প্রয়োজনে সাময়িক ভিত্তিতে গ্রন্থাগার ভবনটি দখল নেয় এবং গ্রন্থাগারটি মহকুমা কার্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়। গ্রন্থাগার স্থানান্তরের সময় ভূমিস্বত্ব সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র হারিয়ে যায়। গ্রন্থাগারের জমির পশ্চিম দিকে পাকিস্তান সরকারের সময়ে কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ ডাকবাংলো নির্মাণ করা হয়।[২]
বর্তমান অবস্থা
[সম্পাদনা]বর্তমানে গ্রন্থাগারের বইয়ের সংখ্যা ২৫,০০০ এর বেশি। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই একটি গ্রন্থাগার পরিচালনা পরিষদ গ্রন্থাগারের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বর্তমানে গ্রন্থাগারের দৈনন্দন কার্যাবলী সম্পন্ন করার জন্য ৫ জন কর্মচারী রয়েছেন এবং পাঠকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। শুধুমাত্র গ্রন্থাগার ভবনের দ্বিতীয় তলা তলায় গ্রন্থাগারটি পরিচালিত হচ্ছে। নিচতলা অন্য প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে গ্রন্থাগারের সামনের মাঠে বিভিন্ন মেলার আয়োজন হয়ে থাকে।[১][২]
গ্রন্থাগার ভবন
[সম্পাদনা]১৯১০ সালে বাড়াদীর জমিদার হরিশচন্দ্র রায় চৌধুরী গ্রন্থাগারের ভবনটি নির্মাণ করে দিয়েছিলেন। ভবনের উভয় তলাতেই সম্মুখদিকে বারান্দা রয়েছে এবং জোড়া গোলাকার স্তম্ভ রয়েছে। বর্তমানে মোট জমির পরিমাণ ০.৩৯৮৭ একর (১,৬১৩ বর্গমিটার)।[২]
| কুষ্টিয়া পাবলিক লাইব্রেরি | |
|---|---|
![]() | |
| সাধারণ তথ্যাবলী | |
| অবস্থা | চালু |
| স্থাপত্যশৈলী | ব্রিটিশ স্থাপত্য |
| অবস্থান | থানাপাড়া |
| শহর | কুষ্টিয়া |
| দেশ | |
| স্থানাঙ্ক | ২৩°৫৪′৩০″ উত্তর ৮৯°০৭′৪৬″ পূর্ব / ২৩.৯০৮৪৪৯৮° উত্তর ৮৯.১২৯৩৯২৮° পূর্ব |
| উন্মুক্ত হয়েছে | ১৯১০ |
| সংস্কার |
|
| কারিগরি বিবরণ | |
| তলার সংখ্যা | ২ |
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 প্রতিনিধি, কুষ্টিয়া (২৮ এপ্রিল ২০১৭)। "কুষ্টিয়া পাবলিক লাইব্রেরির হালচাল"। বাংলা নিউজ ২৪। ২৬ মে ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০২৪।
- 1 2 3 4 5 মোঃ রেজাউল করিম, সম্পাদক (২০২৩)। কুষ্টিয়ার প্রত্ননিদর্শন। ঢাকা: গতিধারা। পৃ. ১১৬–১১৮। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৩৪৬০৮-১-৩।
- ↑ Bengal Librorv Directory [বেঙ্গল লাইব্রেরি ডিরেক্টরি] (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৪২। পৃ. ১৪৯। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ কুমুদনাথ মল্লিক (১৯৮৮) [১৯১২]। মোহিত রায় (সম্পাদক)। নদীয়া-কাহিনী (পিডিএফ) (দ্বিতীয় সংস্করণ)। রানাঘাট: পুস্তক বিপণি। পৃ. ষোলো, সতেরো।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- মোঃ রেজাউল করিম, সম্পাদক (২০২৩)। কুষ্টিয়ার প্রত্ননিদর্শন। ঢাকা: গতিধারা। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৩৪৬০৮-১-৩।
উইকিমিডিয়া কমন্সে কুষ্টিয়া পাবলিক লাইব্রেরি সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।

