কাজী আবুল কাশেম স্টেডিয়াম

স্থানাঙ্ক: ২২°২১′৪৫.৩০″ উত্তর ৯০°১৯′৫৯.৮০″ পূর্ব / ২২.৩৬২৫৮৩৩° উত্তর ৯০.৩৩৩২৭৭৮° পূর্ব / 22.3625833; 90.3332778
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কাজী আবুল কাশেম স্টেডিয়াম
পটুয়াখালী স্টেডিয়াম
অবস্থানপটুয়াখালী, বাংলাদেশ
স্থানাঙ্ক২২°২১′৪৫.৩০″ উত্তর ৯০°১৯′৫৯.৮০″ পূর্ব / ২২.৩৬২৫৮৩৩° উত্তর ৯০.৩৩৩২৭৭৮° পূর্ব / 22.3625833; 90.3332778
মালিকজাতীয় ক্রীড়া পরিষদ
পরিচালকপটুয়াখালী জেলা ক্রীড়া সংস্থা
ধারণক্ষমতা১০০০০
উপরিভাগঘাস
স্কোরবোর্ডনেই
নির্মাণ
কপর্দকহীন মাঠ১৯৭৩
নির্মাণাধীন১৯৭৭-১৯৭৮
পুনঃসংস্কার১৯৯৩-১৯৯৪, ২০১৭
সম্প্রসারণ১৯৯৮
নির্মাণ ব্যয় ২৫.৬২ লক্ষ (সংস্কার, ১৯৯৪)
২ কোটি ৭৮.৩৩ লক্ষ (সংস্কার, ২০১৭)

কাজী আবুল কাশেম স্টেডিয়াম (পটুয়াখালী স্টেডিয়াম নামেও পরিচিত) ১৯৭৩ সালে স্থাপিত, বাংলাদেশের একটি জেলা পর্যায়ের স্টেডিয়াম।[১][২] ১০ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ক্রীড়া স্থাপনাটি বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার প্রথম ও একমাত্র স্টেডিয়াম।[৩] এটি জেলার পুরাতন বাস স্ট্যান্ডের দক্ষিণে টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের পূর্বে অবস্থিত। ক্রীড়া স্থাপনাটি বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা ও প্রশিক্ষণ, বাংলাদেশের জাতীয় দিবসসমূহের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহার করা হয়।[৩] জমি অধিগ্রহণের পর বেশ কয়েক পর্যায়ে স্টেডিয়ামটির নির্মাণ ও সংস্কার করা হয়েছে। বাংলাদেশের বেশীর ভাগ স্টেডিয়ামের মত এই ক্রীড়া স্থাপনাটিও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধিভূক্ত[১] এবং স্থানীয় পুটুয়াখালী জেলা ক্রীড়া সংস্থার তত্বাবধায়নে রয়েছে।

নির্মাণ ইতিহাস[সম্পাদনা]

পটুয়াখালী স্টেডিয়াম ১৯৭৩ সালে নির্মাণের পরিকল্পনা ও জমি অধিগ্রহণ করা হয়।[৪] ১৯৭৭-১৯৭৮ অর্থবছরে স্টেডিয়ামের নির্মাণ শুরু হয়।[৩] ১৯৯০ সালে স্টেডিয়ামের অংশ হিসেবে নবনির্মিত ব্যায়ামাগার যুক্ত হয়।[৪] ১৯৯৩-১৯৯৪ সালে ২৫ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা ব্যয়ে স্টেডিয়ামটির কিছু সংস্কার করা হয়।[৫] ১৯৯৮ সালে স্টেডিয়ামের প্যাভিলিয়ন বর্ধন করা হয়।[৩] দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে স্টেডিয়ামটি পরিত্যাক্ত হয়েছিল।[৪] ২০১১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর দর্শক গ্যালারির কিছু অংশ ও প্যাভিলিয়ন ভবনের চারটি স্তম্ভ ধসে পড়ে।[৩] ২০১৭ সালের জুনের মধ্যে স্টেডিয়ামটির দ্বিতল প্যাভিলিয়ন ও ১১ ধাপ বিশিষ্ট ১০০ ফুট গ্যালারী ২ কোটি ৭৮ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা ব্যয়ে পুনঃনির্মাণ করা হয়।[৬] ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সংস্কারের পর স্টেডিয়ামটি কাজী আবুল কাশেমের নামে নামকরণ করে পুনরায় উদ্বোধন করা হয়।[৭]

কাঠামো ও ধারণ ক্ষমতা[সম্পাদনা]

পটুয়াখালী স্টেডিয়ামটির উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্ত ডিম্বাকার। স্টেডিয়ামের মূল মাঠ আয়ত-ডিম্বাকৃতির। মূল মাঠটি পুরপুরি গ্যালারী বেস্টিত নয়, শুধু পশ্চিমাংশে প্যাভিলিয়ন ও ১১ ধাপ বিশিষ্ট দর্শকদের বসার সারি আছে।[৬] ২০১৪ সালের হিসাব অনুযায়ী স্টেডিয়ামটির গ্যালারী ১০ হাজার দর্শক ধারণ করতে পারে।[৩]

আয়োজন[সম্পাদনা]

পটুয়াখালী স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের জাতীয় দিবসসমূহ তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসবিজয় দিবসের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান নিয়মিত আয়োজিত হয়।[৩] স্টেডিয়ামটি জেলা আর আঞ্চলিক পর্যায়ের বয়স ভিত্তিক ফুটবল,[৮] মল্লক্রীড়া, ব্যাডমিন্টনকাবাডি প্রতিযোগিতা এবং স্থানীয় ভলিবল ও ক্রিকেট লীগের খেলার মূল স্থান হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।[৯] অনিয়মিত কার্যক্রম হিসেবে এখানে বিভিন্ন জনসামাবেশ হয়ে থাকে।[১০]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "অবকাঠামো | অন্যান্য সকল"জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। ২০২০-০২-০২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-০৪ 
  2. "জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন ক্রীড়া স্থাপনা" (PDF)যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ)। ৭ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০১-০৭ 
  3. দাস, শংকর (২০১৪-০৯-১৭)। "স্টেডিয়ামে ধস, স্থবির ক্রীড়াঙ্গন"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০১-১১ 
  4. "সংস্কার হবে পটুয়াখালী স্টেডিয়ামের"কালের কণ্ঠ। ২০১৫-০৫-২৯। ২০২২-০১-১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০১-১১ 
  5. "Barisal Division Stadium"জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৫-০১-১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  6. "বাংলাদেশ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ২০১৬-১৭ অর্থবছরের সমাপ্ত প্রকল্পের মূল্যায়ন" (PDF)যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় - বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ। ১১ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০১-১০ 
  7. "দিনব্যাপী সফরে পটুয়াখালী-বরিশালে প্রধানমন্ত্রী"বাংলাদেশ জার্নাল। ২০১৮-০২-০৮। ২০২২-০১-১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০১-১১ 
  8. "জেএফএ কাপ দিয়ে শুরু বাংলাদেশ গেমসের নারী ফুটবল"দৈনিক মানবজমিন। ২০২১-০৩-১৪। ২০২২-০১-১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০১-১১ 
  9. "খেলাধূলা ও বিনোদন"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন - পটুয়াখালী জেলা। ১১ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০১-১০ 
  10. "যুব সমাজকে যুবশক্তিতে পরিণত করতে হবে: শেখ পরশ"দৈনিক সমকাল। ২০২১-১২-২০। ২০২২-০১-১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০১-১১