শহীদ মমতাজ উদ্দিন স্টেডিয়াম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
শহীদ মমতাজ উদ্দিন স্টেডিয়াম
লালপুর স্টেডিয়াম
শহীদ মমতাজ উদ্দিন স্টেডিয়াম বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
শহীদ মমতাজ উদ্দিন স্টেডিয়াম
শহীদ মমতাজ উদ্দিন স্টেডিয়াম
বাংলাদেশ মানচিত্রে স্টেডিয়ামের অবস্থান
প্রাক্তন নামলালপুর উপজেলা স্টেডিয়াম (২০ অক্টোবর,২০০৬ - ০৪ এপ্রিল, ২০১৩)
অবস্থানলালপুর উপজেলা, নাটোর, বাংলাদেশ
স্থানাঙ্ক২৪°১১′৫৬.০০″ উত্তর ৮৮°৫৯′২২.৮০″ পূর্ব / ২৪.১৯৮৮৮৮৯° উত্তর ৮৮.৯৮৯৬৬৬৭° পূর্ব / 24.1988889; 88.9896667স্থানাঙ্ক: ২৪°১১′৫৬.০০″ উত্তর ৮৮°৫৯′২২.৮০″ পূর্ব / ২৪.১৯৮৮৮৮৯° উত্তর ৮৮.৯৮৯৬৬৬৭° পূর্ব / 24.1988889; 88.9896667
মালিকজাতীয় ক্রীড়া পরিষদ
পরিচালকলালপুর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা
মাঠের আয়তনপ্রায় গোলাকার
ভূসম্পত্তির পরিমাণপাঁচ একর
উপরিভাগঘাস
স্কোরবোর্ডনেই
নির্মাণ
কপর্দকহীন ভূমি২০০৪
নির্মিত২০০৬
উন্মোচন২০ অক্টোবর ২০০৬
নির্মাণ খরচ ২,৩৭,৬২,৭০০

শহীদ মমতাজ উদ্দিন স্টেডিয়াম ২০০৬ সালে নির্মিত[১], বাংলাদেশের একটি উপজেলা পর্যায়ের স্টেডিয়াম। স্টেডিয়ামটি নাটোর জেলার লালপুর উপজেলা সদর হতে এক কিলোমিটার[২] পশ্চিমে বৈদ্যনাথপুর এলাকায় নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের আঁখচাষের ভূমিসীমার পূর্ব প্রান্তে লালপুর- গোপালপুর-ওয়ালিয়া-বনপাড়া সড়কের পাশে অবস্থিত।[১] এই স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস সমূহের কর্মসূচি, উপজেলা পর্যায়ের খেলাধুলা আয়োজিত হয়। [১] বাংলাদেশের অন্যান্য সকল ক্রীড়া ভেন্যুর মতই এই স্টেডিয়ামটি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধিভুক্ত[৩] ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

নির্মাণ ইতিহাস[সম্পাদনা]

২০০৪ সাল হতে ২ কোটি ৩৭ লক্ষ ৬২ হাজার ৭০০ টাকা ব্যয়ে স্টেডিয়াম নির্মাণ শুরু হয়[৪]। ২০ অক্টোবর, ২০০৬ তারিখে স্টেডিয়ামটির উদ্বোধন করা হয়।[১] ৪ এপ্রিল, ২০১৩ তারিখে স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করে শহীদ মমতাজ উদ্দিন স্টেডিয়াম রাখা হয়।[১][৫]

কাঠামো[সম্পাদনা]

স্টেডিয়ামটি পাঁচ একর জমির উপর নির্মিত।[১] মাঠটি পুরোপুরি গোলাকার নয়। স্টেডিয়ামটির কংক্রিট নির্মিত পূর্নাঙ্গ গ্যালারি রয়েছে। তবে প্যাভিলিয়ন নেই।

আয়োজন[সম্পাদনা]

নিয়মিত আয়োজন[সম্পাদনা]

  • এই স্টেডিয়ামে প্রতিবছর বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিজয় দিবসে কুচকাওয়াজ, শিশু সমাবেশ, শরীরচর্চা প্রদর্শনী এবং মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। [১][৬][৭]

উল্লেখযোগ্য আয়োজন[সম্পাদনা]

  • ২০১২ঃ এই ভেন্যুতে শহীদ মমতাজ উদ্দিন স্মৃতি ফুটবল কাপ খেলা হয়।[১]
  • ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ঃ এই ভেন্যুতে ৪৭তম বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল ও মাদরাসা গ্রীষ্মকালীন ফুটবল টুর্নামেন্ট এই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হয়।[৮]
  • ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ঃ লালপুর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে এই ভেন্যুতে জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ (অনূর্ধ্ব-১৭) ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।[৯]

সমস্যা[সম্পাদনা]

রক্ষণাবেক্ষণ, পর্যাপ্ত লোকবল ও সংস্কারের অভাবে স্টেডিয়ামটি খেলাধুলার অযোগ্য হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।[১]

অন্যান্য ব্যবহার[সম্পাদনা]

  • যাত্রাপালা ও সার্কাসের জন্য স্টেডিয়ামটি ব্যবহার করা হয়েছে।[১]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশের স্টেডিয়ামের তালিকা
  2. নাটোর জেলার স্টেডিয়ামঃ শংকর গোবিন্দ চৌধুরী স্টেডিয়াম
  3. বাংলাদেশের উপজেলা পর্যায়ের স্টেডিয়ামঃ সৈয়দপুর স্টেডিয়াম , শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামশহীদ আইভি রহমান পৌর স্টেডিয়াম

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "এটা স্টেডিয়াম, না কাশবন?"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-১০ 
  2. "লালপুরে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্টেডিয়ামে কাশফুল"www.dailybartoman.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-১০ 
  3. "অবকাঠামো | অন্যান্য সকল"জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-০৪ 
  4. "Upazila Stadium | National Sports Council l Ministry of Youth and Sports"web.archive.org। ২০১৫-০১-০২। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-১০ 
  5. "বীরশ্রেষ্ঠদের নামে পাঁচ জেলা স্টেডিয়াম"banglanews24.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-১০ 
  6. "লালপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত"Silkcity News। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-১০ 
  7. "নাটোরে লালপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত"News Dhaka 24। ২০১৯-০৩-২৬। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-১০ 
  8. "লালপুরে জাতীয় আন্তঃস্কুল ফুটবল টুর্নামেন্ট - Dainikshiksha"Dainik shiksha। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-১০ 
  9. "লালপুরে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ড কাপ ফুটবলে গোপালপুর পৌরসভা চ্যাম্পিয়ন"www.dailypraptiprosongo.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-০৪ 

বহির্সংযোগ[সম্পাদনা]

লালপুর উপজেলার খেলাধুলা ও বিনোদন