পাবলো জাবালেতা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পাবলো জাবালেতা
Zabaleta Capitan.PNG
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম পাবলো হ্যাভিয়ের জাবালেতা গিরোদ[১]
জন্ম (১৯৮৫-০১-১৬) ১৬ জানুয়ারি ১৯৮৫ (বয়স ২৯)
জন্ম স্থান বুয়েনোস আইরেস, আর্জেন্টিনা
উচ্চতা ১.৭৬ মিটার (৫–৯)[২]
মাঠে অবস্থান রক্ষনভাগ / ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার
ক্লাবের তথ্য
বর্তমান ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি
জার্সি নম্বর
তারূণ্যের কর্মজীবন
১৯৯৫–১৯৯৭ ওব্রাস স্যানিতারিয়াস
১৯৯৭–২০০২ স্যান লরেঞ্জো
বলিষ্ঠ কর্মজীবন*
বছর দল উপস্থিতি (গোল)
২০০২–২০০৫ স্যান লরেঞ্জো ৬৬ (৮)
২০০৫–২০০৮ ইস্প্যানিওল ৮০ (৩)
২০০৮– ম্যানচেস্টার সিটি ১২০ (৬)
জাতীয় দল
২০০৩–২০০৫ আর্জেন্টিনা অনুর্ধ্ব ২০ ২৮ (৪)
২০০৮– আর্জেন্টিনা অনুর্ধ্ব ২৩ (০)
২০০৫– Argentina ২৪ (০)
* পেশাদারী ক্লাবের উপস্থিতি ও গোলসংখ্যা

শুধুমাত্র ঘরোয়া লিগের জন্য গণনা করা হয়েছে এবং তারিখ অনুযায়ী সঠিক ১৩ জানুয়ারি ২০১৩।
† উপস্থিতি(গোল সংখ্যা)।

‡ জাতীয় দলের হয়ে খেলার সংখ্যা এবং গোল তারিখ অনুযায়ী সঠিক ১০ জুন ২০১২

পাবলো হ্যাভিয়ের জাবালেতা গিরোদ (জন্ম ১৬ জানুয়ারি ১৯৮৫) একজন আর্জেন্টাইন ফুটবলার, যিনি রক্ষনভাগের খেলোয়াড় হিসেবে প্রিমিয়ার লীগের ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলে খেলেন। জাবালেতা দুই দলের হয়েই একজন রক্ষনভাগের খেলোয়াড় বা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে খেলতে পারেন।

ক্লাব ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

স্যান লরেঞ্জো[সম্পাদনা]

জাবালেতার জন্ম আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনোস আইরেসে। তার ক্যারিয়ার শুরু হয় ক্লাব অ্যাতলেতিকো স্যান লরেঞ্জো দেল আলম্যাগ্রোতে। ২০০২ সালে তিনি দলের যুব একাডেমী থেকে বের হন। ১২ বছর বয়সে তিনি স্থানীয় ক্লাব অব্রাস স্যানিতারিয়াসের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে শুরু করলেও, পরবর্তীতে তিনি মাঝমাঠের ডান পার্শ্বে চলে যান।

ইস্প্যানিয়োল[সম্পাদনা]

২০০৫ সালে ফিফা অনুর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে তিনি আর্জেন্টিনা দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিযোগিতায় আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়। এরপরই তিনি ৩ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে যোগ দেন আরসিডি ইস্প্যানিয়োলে

২০০৭ সালের জানুয়ারিতে, জাবালেতা কাঁধের ইনজুরিতে আক্রান্ত হন। ফলে তাকে প্রায় তিন মাস মাঠের বাহিরে থাকতে হয়। অবশ্য ততদিনে তিনি নিজেকে প্রথম একাদশের একজন নিয়মিত সদস্যে পরিণত করেন।

ম্যানচেস্টার সিটি[সম্পাদনা]

ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে খেলছেন জাবালেতা।

২০০৮ সালের গ্রীষ্মে জুভেন্টাসের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে জাবালেতা যোগ দেন প্রিমিয়ার লীগের দল ম্যানচেস্টার সিটিতে। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, “ম্যানচেস্টার সিটির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা অসম্ভব।”[৩] মেডিক্যাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ২০০৮ সালের ৩১ আগস্ট জাবালেতা সিটির সাথে পাঁচ বছরের চুক্তি স্বাক্ষর করেন। সিটিতে জাবালেতার যোগদানের পরের দিনই আবু ধাবি ইউনাইটেড গ্রুপ ক্লাবটিকে কিনে নেয়।

২০০৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর, ম্যানচেস্টার সিটিতে জাবালেতার অভিষেক হয়। সিটি অফ ম্যানচেস্টার স্টেডিয়ামে চেলসির বিপক্ষে ঐ খেলায় সিটি ১–৩ গোলে পরাজিত হয়।[৪] ৫ অক্টোবর, লিভারপুলের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লীগে নিজের চতুর্থ খেলায় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় জাবালেতাকে। ঐ খেলায় সিটি ২–৩ গোলে পরাজিত হয়।[৪] ২০০৯ সালের ১৭ জানুয়ারি, সিটির হয়ে প্রথম গোল করেন জাবালেতা। তার একমাত্র গোলেই উইগান অ্যাথলেটিকের বিপক্ষে জয় লাভ করে সিটি।[৫]

২০১০ সালের ২১ নভেম্বর, ফুলহামের বিপক্ষে ম্যানচেস্টার সিটির ৪–১ গোলে জয়ের খেলায় জাবালেতা একটি গোল করেন যা প্রিমিয়ার লীগে তার দ্বিতীয় গোল। ঐ খেলায় তিনি কার্লোস তেবেসের একটি গোলে সহায়তাও করেন।[৬]

২০১১ সালের ১ জানুয়ারি, সিটির হয়ে সব ধরণের প্রতিযোগিতায় নিজের ১০০তম খেলায় বদলি হিসেবে মাঠে নামেন জাবালেতা। ব্ল্যাকপুলের বিপক্ষে ঐ খেলায় সিটি ১–০ গোলে জয় লাভ করে। ১৫ জানুয়ারি, উভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে জাবালেতা একটি গোলে সহায়তা করেন। খেলায় ৪–৩ গোলের ব্যবধানে জয় লাভ করে সিটি।[৭] এই জয়ের ফলে লীগে শীর্ষস্থানে উঠে আসে সিটি। অবশ্য ফেব্রুয়ারি এবং মার্চে ফর্মহীনতার কারণে লীগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড় থেকে ছিটকে পড়ে তারা।

২০১১ সালের ১ মে, ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেডের বিপক্ষে সিটির হয়ে জয়সূচক গোল করেন জাবালেতা। এটি ছিল মৌসুমে তার দ্বিতীয় গোল এবং এই জয়ের ফলে চতুর্থ স্থান লাভের দৌড়ে লিভারপুল এবং টটেনহ্যামের চেয়ে সাত পয়েন্ট এগিয়ে যায় সিটিজেনরা।[৮]

২০১১ সালের ১৪ মে, এফএ কাপের ফাইনালে খেলায় ৮৮তম মিনিটে বদলি হিসেবে নামেন জাবালেতা। স্টোক সিটিকে ১–০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় ম্যানচেস্টার সিটি।[৯]

২০১১ সালের গ্রীষ্মে, প্রকাশিত হয় যে ফরাসি ক্লাব রোমা জাবালেতার সাথে চুক্তি করতে আগ্রহী। কিন্তু ম্যানচেস্টার সিটির পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয় যে জাবালেতা বিক্রয়ের জন্য নয়।[১০] ২০১১ সালের জুলাইয়ে, জাবালেতা সিটির সাথে তিন বছরের জন্য চুক্তি নবায়ন করে।[১১] ২০১১ সালের ১ অক্টোবর, ব্ল্যাকবার্ন রোভার্সের বিপক্ষে তিনি পুরো ৯০ মিনিট খেলেন এবং ম্যানচেস্টার সিটি ৪–০ গোলের ব্যবধানে জয় লাভ করে। ২৩ অক্টোবর, নগর প্রতিদ্বন্দী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে ওল্ড ট্রাফোর্ডে সিটিজেনদের ১–৬ গোলে জয়ের খেলায় মিকাহ্ রিচার্ডসের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন জাবালেতা।[১২]

২০১১ সালের নভেম্বরে, জাবালেতা সিটির সাথে তার চুক্তির মেয়াদ ২০১৫ সালের গ্রীষ্ম পর্যন্ত বাড়িয়ে নেন। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমি খুব ভাল একটি দলে আছি, এবং আমি ক্লাব, দল এবং সমর্থকদের জন্য আমার সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করি। আমি দ্বিতীয়বার চিন্তা করিনি, খুব দ্রুতই উত্তর দিয়েছি কারণ আমি চুক্তি করতে খুবই আগ্রহী ছিলাম।”[১৩][১৪]

২০১২ সালের ৩০ এপ্রিল, ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে পুরো ৯০ মিনিট খেলেন জাবালেতা খেলায় ম্যানচেস্টার সিটি ১–০ গোলের ব্যবধানে জয় লাভ করে। মৌসুমের শেষ খেলায় কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সের বিপক্ষে ৩–২ গোলের নাটকীয় জয় পায় সিটি। সিটির পক্ষে প্রথম গোলটি করেন জাবালেতা। এই জয়ের ফলে ১৯৬৮ সালের পর প্রথম বারের মত প্রিমিয়ার লীগ শিরোপা জিতে ম্যানচেস্টার সিটি।[১৫]

ডিসেম্বর ২০১২[১৬] এবং জানুয়ারি ২০১৩[১৭] উভয় মাসের জন্যই ম্যানচেস্টার সিটির সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন জাবালেতা। এছাড়া জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ভিনসেন্ট কোম্পানির ইনজুরির সময় তিনি দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।[১৮] ২০১২–১৩ মৌসুমের পিএফএ বর্ষসেরা দলে জায়গা করে নেয়া ম্যানচেস্টার সিটির একমাত্র খেলোয়াড় ছিলেন জাবালেতা।[১৯]

২০১৩ এফএ কাপের ফাইনালে, খেলার ৮৪তম মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় জাবালেতাকে। খেলায় উইগান ১–০ গোলের ব্যবধানে জয় লাভ করে। ফলে শিরোপা হাতছাড়া হয় সিটিজেনদের।[২০]

একটি দূর্দান্ত মৌসুম কাটানোর পর জাবালেতা ২০১২/১৩ ইতিহাদ ম্যানচেস্টার সিটি এফসি বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।[২১][২২]

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

আর্জেন্টিনার হয়ে খেলছেন জাবালেতা।

১৪ বছর বয়সে আর্জেন্টিনার অনুর্ধ্ব-১৫ দলে ডাক পান জাবালেতা। তিনি অসংখ্য যুব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করেন। যার মধ্যে রয়েছে ২০০৩ এবং ২০০৫ সালের ফিফা অনুর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ। এর মধ্যে ২০০৫ সালের প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় অর্জেন্টিনা। যুব দলগুলোর হয়ে ৭৫টি খেলায় মাঠে নামেন জাবালেতা এবং ২০০৫ সাল থেকে সিনিয়র দলের হয়ে খেলছেন তিনি। ২০০৮ বেইজিং অলিম্পিকে ফুটবলে স্বর্ণপদক জয়ী আর্জেন্টিনা দলের সদস্যও ছিলেন তিনি। অবশ্য ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপের জন্য দিয়েগো মারাদোনার ঘোষিত আর্জেন্টিনা দলে তিনি ছিলেন না। তবে বর্তমানে তিনি নিজেকে দলের একজন নিয়মিত খেলোয়াড়ে পরিণত করেছেন। ২০১১ সালের ১ জুন, নাইজেরিয়ার বিপক্ষে একটি প্রীতি খেলায় জাবালেতা প্রথম বারের মত আর্জেন্টিনার অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।[২৩]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

জাবালেতার জন্ম আর্জেন্টিনার বুয়েনোস আইরেসে। শৈশবে তার বাবা জর্জ তাকে ফুটবলের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। তার বয়স যখন ১৫ তখন তার মা মারা যান।[২৪] জাবালেতার বুকে তার মা’র নাম লেখা একটি ট্যাটু আছে।[২৫]

২০১১ সালে, জাবালেতার বাবা আর্জেন্টিনায় সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষনে রাখা হয়। ফলে ম্যানচেস্টার সিটি জাবালেতাকে অনির্দিষ্ট কালের ছুটি প্রদান করে।

ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

ক্লাব মৌসুম লীগ ঘরোয়া কাপ[২৬] আন্তর্জাতিক কাপ[২৭] মোট
উপস্থিতি গোল Yellow card.svg Red card.svg উপস্থিতি গোল Yellow card.svg Red card.svg উপস্থিতি গোল Yellow card.svg Red card.svg উপস্থিতি গোল Yellow card.svg Red card.svg
স্যান লরেঞ্জো ২০০২–০৩ ১১ - - - - ১২
২০০২–০৪ ২৭ - - - - ৩০
২০০৪–০৫ ২৮ - - - - ৩৭
মোট ৬৬ ১৩ ৭৯ ১৩
ইস্প্যানিয়োল ২০০৫–০৬ ২৭ ৩৯ ১০
২০০৬–০৭ ২০ ৩২ ১৩
২০০৭–০৮ ৩২ ১৪ - - - - ৩৬ ১৪
মোট ৭৯ ২৮ ১২ ১৬ ১০৭ ৩৭
ম্যানচেস্টার সিটি ২০০৮–০৯ ২৮ ১১ ৪১
২০০৯–১০ ২৭ - - - - ৩৫ ১১
২০১০–১১ ২৬ ১১ ৪৫ ১০
২০১১–১২ ২২ ৩২
২০১২–১৩ ১৫ ২২
মোট ১০৩ ১১৮ ২৮ ২৪ ৩২ ১৭৫ ৩৬
ক্যারিয়ারে সর্বমোট ২৪৮ ১৫ ৬১ ৩৫ ৫৬ ১৫ ৩৪০ ১৭ ৮২

সম্মাননা[সম্পাদনা]

ক্লাব[সম্পাদনা]

স্যান লরেঞ্জো দি অ্যালমাগ্রো
আরসিডি ইস্প্যানিয়োল
ম্যানচেস্টার সিটি

আন্তর্জাতিক[সম্পাদনা]

আর্জেন্টিনা

একক[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. 09.ashx/December 09.pdf "The FA Player Registrations – December 2009"। The Football Association। সংগৃহীত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  2. "Premier League Player Profile"। Premier League। সংগৃহীত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  3. Ladyman, Ian (২৬ আগস্ট ২০০৮)। "Espanyol's Zabaleta turns down Juventus to join Man City for £6.5m"Daily Mail (London)। সংগৃহীত ১২ জুন ২০১৩ 
  4. ৪.০ ৪.১ "5 Pablo Zabaleta"। Transfermarkt। সংগৃহীত ১২ জুন ২০১৩ 
  5. Bevan, Chris (১৭ জানুয়ারি ২০০৯)। "Man City 1–0 Wigan"। বিবিসি স্পোর্ট। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  6. "Fulham 1–4 Manchester City"। ইএসপিএন সকারনেট। ২১ নভেম্বর ২০১০। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  7. "Manchester 4–3 Wolves"। ইএসপিএন সকারনেট। ১৫ জানুয়ারি ২০১১। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  8. "Manchester City 2–1 West Ham"। ইএসপিএন সকারনেট। ১ মে ২০১১। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  9. White, Duncan (১৪ মে ২০১১)। "FA Cup final: Manchester City 1 Stoke City 0 match report"দ্য টেলিগ্রাফ। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  10. "Roma to launch £6m Zabaleta bid, but Manchester City unwilling to sell Argentina defender"ডেইলি মেইল (লন্ডন)। ১৪ জুনাই ২০১১। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  11. "Zabaleta agrees three-year deal"দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। ২৩ জুলাই ২০১১। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  12. McNulty, Phil (২৩ অক্টোবর ২০১১)। "Manchester City inflicted Manchester United's worst home defeat since February 1955 as they thrashed the champions in ruthless fashion to go five points clear at thetop of the Premier League."বিবিসি স্পোর্ট। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  13. "Going places! Johnson hails City ambition as he joins Zabaleta in agreeing new deal"ডেইলি মেইল (লন্ডন)। ১৮ নভেম্বর ২০১১। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  14. "City tie down Johnson and Zabaleta"উয়েফা। ১৮ নভেম্বর ২০১১। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  15. Custis, Shaun (১৫ মে ২০১২)। "Man City 3 QPR 2"দ্য সান (লন্ডন)। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  16. "Zabaleta is Etihad Player of the Month"ম্যানচেস্টার সিটি। ৭ জানুয়ারি ২০১৩। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  17. "Zabaleta voted Etihad Player of the Month"ম্যানচেস্টার সিটি। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  18. McDonnell, David (২৬ মার্চ ২০১৩)। "Mind games: Manchester City are missing United's winning mentality, admits Pablo Zabaleta"দ্য মিরর। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  19. "Gareth Bale wins PFA Player of Year and Young Player awards"বিবিসি স্পোর্ট। ২৮ এপ্রিল ২০১৩। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  20. McNulty, Phil। "FA Cup final: Manchester City 0-1 Wigan Athletic"বিবিসি স্পোর্ট। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  21. "Zabaleta is Etihad Player of the Year"ম্যানচেস্টার সিটি। ৪ জুন ২০১৩। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  22. Kerai, Husmukh (৪ জুন ২০১৩)। "Manchester City fans name Zabaleta their Player of the Year"Goal.com। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  23. "Zabaleta thrilled to captain Argentina"MTN Football। ১ জুন ২০১১। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  24. "Football's helped since death of mum says Pablo Zabaleta"দ্য মিরর। ২৮ ডিসেম্বর ২০০৮। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  25. "Pablo Zabaleta espera duro partido para Argentina contra Holanda"। EcoDiario। ১৩ আগস্ট ২০০৮। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৩ 
  26. এর মধ্যে রয়েছে কোপা দেল রে, স্পেনীয় সুপার কাপ, এফএ কাপ, ফুটবল লীগ কাপ এবং এফএ কমিউনিটি শিল্ড
  27. এর মধ্যে রয়েছে কোপা লিবের্তাদোরেস, কোপা সুদামেরিকানা, রিকোপা সুদামেরিকানা, উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ, উয়েফা ইউরোপা লীগ, উয়েফা সুপার কাপ এবং ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]