বুড়ীমারি-লালমনিরহাট-পার্বতীপুর লাইন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বুড়িমারী-লালমনিরহাট-পার্বতীপুর লাইন
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
ধরনবাংলাদেশের রেললাইন
অবস্থাসক্রিয়
সেবাগ্রহণকারী অঞ্চল বাংলাদেশ
বিরতিস্থলসমূহ২৪
ক্রিয়াকলাপ
উদ্বোধনের তারিখ১৮৭৯
মালিকবাংলাদেশ রেলওয়ে
পরিচালনাকারীবাংলাদেশ রেলওয়ে
প্রযুক্তিগত
ট্র্যাক গেজমিটারগেজ ১,০০০ মিলিমিটার (৩ ফুট   ইঞ্চি)
চালন গতি৮০
বুড়ীমারি-লালমনিরহাট-পার্বতীপুর লাইন
চ্যাংড়াবান্ধা
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত
বুড়িমারী
পাটগ্রাম
আলাউদ্দিন নগর
বাউরা
বড়খাতা
হাতীবান্ধা
শহীদ বোরহান নগর
ভোটমারী
তুষভান্ডার
কাকিনা
নামুরিরহাট
আদিতমারী
থেকে গীতলদহ
ভাঙ্গা ব্রিজ সহ ধরলা নদী
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত
মোগলহাট
লালমনিরহাট জংশন
মহেন্দ্রনগর
সিঙ্গারদাবাড়ি হাট
রাজারহাট
কুড়িগ্রাম
পুরাতন কুড়িগ্রাম
পাঁচর মাজার
উলিপুর
বালাবাড়ি
রমনা বাজার
তিস্তা জংশন
তিস্তা নদী
কাউনিয়া
থেকে সান্তাহার-কাউনিয়া লাইন
মিরবাগ
রংপুর
শ্যামপুর
আউলিয়াগঞ্জ
বদরগঞ্জ
খোলাহাটি
পার্বতীপুর জংশন

সূত্র: বাংলাদেশ রেলওয়ে মানচিত্র

বুড়িমারী-লালমনিরহাট-পার্বতীপুর লাইনটি পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের অধীনে রক্ষনাবেক্ষণ ও পরিচালিত হয়।[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

স্টেশন তালিকা[সম্পাদনা]

বুড়িমারি-লালমনিরহাট-পার্বতীপুর লাইনে ২৪টি রেলওয়ে স্টেশন আছে। নিম্নে তা উল্লেখ করা হলো:

শাখা লাইন[সম্পাদনা]

মোঘলহাট-গোলকগঞ্জ[সম্পাদনা]

মোঘলহাট - গোলকগঞ্জ(ভারত) রেললাইন ১৯৬৫ সালের পর বন্ধ হয়ে যায়। মোঘলহাট -গোলকগঞ্জ সেকশনটি মিটারগেজ রেললাইন ছিলো। মোঘলহাট থেকে লাইনটি ভারতের গিতলদহ[৩] থেকে বামনহাট[৪] হয়ে বাংলাদেশের (পাটেশ্বরী-ভুরুঙ্গামারি-সোনাহাট) হয়ে আবার ভারতে ঢুকে গোলকগঞ্জ পর্যন্ত যায়। পরে পাটেশ্বরী-ভুরুঙ্গামারি-সোনাহাট এর বাংলাদেশি অংশ তুলে ফেলা হয়। এখন সোনাহাট সেতু সড়ক সেতু হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।[৫]

তিস্তা জংশন-চিলমারী লাইন[সম্পাদনা]

১৮৭৯ সালে তৈরি পার্বতীপুর-লালমনিরহাট-বুড়িমারী লাইনের একটি শাখা তিস্তা জংশন থেকে বের হয়ে কুড়িগ্রাম পর্যন্ত যায়। এটি প্রথমে ন্যারোগেজ লাইন ছিল। তিস্তা জংশন থেকে কুড়িগ্রাম পর্যন্ত লাইনটিকে ১৯২৮-১৯২৯ সালে মিটারগেজ রুপান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৬৭ সালে কুড়িগ্রাম থেকে চিলমারী পর্যন্ত নতুন ২৮.৫৫ কিলোমিটার মিটারগেজ রেললাইন তৈরি হয়। কিন্তু ১৯৭০ এর দশকের প্রথম দিকের বন্যায় চিলমারী রেলওয়ে স্টেশন বহ্মপুত্র নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। বর্তমানে শুধু রমনা বাজার রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত ট্রেন চলাচল করে। তিস্তা জংশন থেকে রমনা বাজার[৬] রেলপথের দৈর্ঘ্য ৫৬ কিলোমিটার।[৭]

সংযোগ লাইন[সম্পাদনা]

সান্তাহার-কাউনিয়া লাইন[সম্পাদনা]

ব্রহ্মপুত্র-সুলতানপুর রেলওয়ে কোম্পানি ১৮৯৯-১৯০০ সালে ফুলছড়ি (তিস্তামুখ) এর সান্তাহার থেকে ৯৪ কিলোমিটার দীর্ঘ (৫৮ মাইল) মিটার গেজ রেলপথ ট্র্যাক নির্মিত। বর্তমানে লাইন ফুলছড়ি উপজেলার বালাসী ঘাট পর্যন্ত আছে। ৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ (২৭ মাইল) বোনারপাড়া-কাউনিয়া লাইন ১৯০৫ সালে নির্মাণ করা হয়।[৮]

সম্পর্কিত নিবন্ধ[সম্পাদনা]

উত্তরবঙ্গ মেইল

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "একটা 'রাজকীয়' অন্যটা 'মফিজ'"কালের কণ্ঠ। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-২৭ 
  2. "ভোটমারী-বুড়িমারী পথে দুই সপ্তাহ পর ট্রেন চলাচল শুরু"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-২৭ 
  3. সংবাদদাতা, নিজস্ব। "রেলে জুড়ুক ভারত-বাংলাদেশ, দাবি উঠল দিনহাটায়"anandabazar.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-২৯ 
  4. "দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ফের বামনহাট থেকে চালু হতে চলেছে উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস"। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-২৯ 
  5. "হুমকিতে সোনাহাট সেতু"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-২৯ 
  6. "তিস্তা-কুড়িগ্রাম রেলপথ এখন বিলুপ্তির পথে"দৈনিক নয়াদিগন্ত। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-২৯ 
  7. "তিস্তা-কুড়িগ্রাম-রমনা রেলপথ নাজুক | সারাদেশ"ইত্তেফাক। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-২৯ 
  8. Hurd, John; Kerr, Ian J. (২০১২-০১-০১)। India's Railway History। BRILL। আইএসবিএন 978-90-04-23115-3