গৌরনদী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
গৌরনদী
পৌরশহরউপজেলা সদর
গৌরনদী বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
গৌরনদী
গৌরনদী
বাংলাদেশে গৌরনদী শহরের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°৫৮′২৫″ উত্তর ৯০°১৩′২৬″ পূর্ব / ২২.৯৭৩৭২° উত্তর ৯০.২২৩৭৬° পূর্ব / 22.97372; 90.22376স্থানাঙ্ক: ২২°৫৮′২৫″ উত্তর ৯০°১৩′২৬″ পূর্ব / ২২.৯৭৩৭২° উত্তর ৯০.২২৩৭৬° পূর্ব / 22.97372; 90.22376
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগবরিশাল বিভাগ
জেলাবরিশাল জেলা
উপজেলাগৌরনদী উপজেলা
উপজেলা সদর১৯৮২
পৌরশহর১৯৯৬
সরকার
 • ধরনপৌরসভা
 • শাসকগৌরনদী পৌরসভা
 • পৌরমেয়রমো. হারিছুর রহমান [১]
আয়তন
 • মোট১৬.৮৩ বর্গকিমি (৬.৫০ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা
 • মোট৪২,৪৩৮
 • জনঘনত্ব২,৫০০/বর্গকিমি (৬,৫০০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চলবাংলাদেশ সময় (ইউটিসি+৬)

গৌরনদী বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি ছোট শহর। এটি বরিশাল বিভাগের অন্তর্গত বরিশাল জেলায় অবস্থিত গৌরনদী উপজেলার প্রধান শহর। প্রশাসনিকভাবে শহরটি গৌরনদী উপজেলার সদর দফতর। এটি জনসংখ্যার বিচারে বরিশাল জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর।

ভৌগোলিক উপাত্ত[সম্পাদনা]

গৌরনদী শহরের অবস্থানের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ হল ২২°৫৮′২৫″ উত্তর ৯০°১৩′২৬″ পূর্ব / ২২.৯৭৩৭২° উত্তর ৯০.২২৩৭৬° পূর্ব / 22.97372; 90.22376। সমুদ্র সমতল থেকে শহরটির গড় উচ্চতা ৮ মিটার

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৮০৬ সালে ঢাকা জেলা হতে গৌরনদী ও বুড়ীরহাট থানা তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৮৩০ সালের ৫ মার্চ জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মি. গ্যারেটের সুপারিশে গৌরনদী থানা পালরদী বন্দরে স্থাপিত হয়। ১৯৮২ সালে থানাটি উপজেলায় উন্নীত হয়।[২] তখন গৌরনদীকে উপজেলা সদর করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে গৌরনদী পৌরসভা গঠিত হলে গৌরনদী পৌরশহরের মর্যাদা লাভ করে।

প্রশাসন[সম্পাদনা]

গৌরনদী শহরটি গৌরনদী পৌরসভা দ্বারা পরিচালিত হয় যা ৯টি ওয়ার্ড এবং ১৭টি মহল্লায় বিভক্ত। ১৬.৮৩ বর্গ কি.মি. আয়তনের গৌরনদী শহরের ১১.৫ বর্গ কি.মি. গৌরনদী পৌরসভা দ্বারা পরিচালিত হয়।[৩]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের আদমশুমারি ও গৃহগণনা-২০১১ অনুযায়ী গৌরনদী শহরের মোট জনসংখ্যা ৪২,৪৩৮ জন যার মধ্যে ২১,২০৫ জন পুরুষ এবং ২১,২৩৩ জন নারী। এ শহরের পুরুষ এবং নারী অনুপাত ১০০:১০০৷ [৪]

শিক্ষা ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

গৌরনদী শহরের স্বাক্ষরতার হার শতকরা ৬৮.৯ শতাংশ। উচ্চ শিক্ষার জন্য শহরে ১টি সরকারি কলেজ ও ১টি বেসরকারি মহিলা কলেজ রয়েছে। এছাড়াও প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য ৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৪টি মাদ্রাসা রয়েছে।

খেলাধুলা[সম্পাদনা]

এখানকার জনপ্রিয় খেলার মধ্যে বর্তমানে ক্রিকেটফুটবলের আধিপত্য দেখা যায়। গৌরনদী বেশ কয়েকটি খেলার মাঠ রয়েছে। এর মধ্যে গৌরনদী সরকারী কলেজ খেলার মাঠ , বাটাজোর হাই স্কুল মাঠ, মাহিলাড়া ডিগ্রী কলেজ মাঠ, গৌরনদী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ ইত্যাদি। প্রতি বছর এসব মাঠে ফুটবল, ক্রিকেট সহ নানান প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।[৫]

নদ-নদী[সম্পাদনা]

গৌরনদীর উল্লেখযোগ্য নদী পালরদী ও আড়িয়াল খাঁ। পালরদী নদীটি শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত। গৌরনদী উপজেলা পরিষদ এ নদীর তীরে অবস্থিত।[৬]

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

  • কসবা মসজিদ
  • কমলাপুর জামে মসজিদ
  • মাহিলারা মঠ[৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "গৌরনদী পৌরসভার মেয়র"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-২৮ 
  2. "গৌরনদী শহরের পটভূমি"। বরিশালপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-২৮ 
  3. "এক নজরে পৌরসভা"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-২৮ 
  4. "Urban Centers in Bangladesh"। Population & Housing Census-2011 [আদমশুমারি ও গৃহগণনা-২০১১] (PDF) (প্রতিবেদন)। জাতীয় প্রতিবেদন (ইংরেজি ভাষায়)। ভলিউম ৫: Urban Area Rport, 2011। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। মার্চ ২০১৪। পৃষ্ঠা ১৭২। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-২৮ 
  5. "খেলাধুলা ও বিনোদন"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-২৮ 
  6. "নদ-নদী"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-২৮ 
  7. "উল্লেখযোগ্য স্থান ও স্থাপনা"। ২৮ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-২৮