খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(কুয়েট থেকে পুনর্নির্দেশিত)
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
KUET LOGO.svg
লাতিন: Khulna University of Engineering and Technology
প্রক্তন নামসমূহ
খুলনা প্রকৌশল কলেজ (1967-1986) Bangladesh Institute of Technology (BIT), Khulna (1986-2003)
নীতিবাক্য প্রভু আমায় জ্ঞান দাও
বাংলায় নীতিবাক্য
Oh Lord! Bestow me with Knowledge
ধরন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
স্থাপিত ১৯৬৭, বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে ২০০৩
আচার্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো আলমগীর ( ২০ জুলাই ২০১০ থেকে বর্তমান )
ডীন অধ্যাপক. মো: মাহবুব আলম অধ্যাপক. ডঃ তারাপদ ভৌমিক,
অধ্যাপক ডঃ এ এন এম মিজানুর রহমান
প্রশাসনিক কর্মকর্তা
300+
শিক্ষার্থী 5200
স্নাতক 4178
স্নাতকোত্তর 986
29
অবস্থান ফুলবাড়িগেট, খান জাহান আলী, খুলনা, বাংলাদেশ
শিক্ষাঙ্গন ১০১ একর
অধিভুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
ওয়েবসাইট www.kuet.ac.bd

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) বাংলাদেশের একটি অন্যতম সরকারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের খুলনা বিভাগের খুলনা জেলায় অবস্থিত। পূর্বে এর নাম ছিল বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি, খুলনা ও তারও আগে, খুলনা প্রকৌশল মহাবিদ্যালয়। এটি বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অন্যতম। এখানে প্রায় ৫২০০ ছাত্রছাত্রী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রকৌশল ও বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছে। এখানকার শিক্ষক সংখ্যা ৪০০-এরও অধিক। বিশ্ববিদ্যালয়টির অঙ্গন সম্প্রসারণে নতুন কিছু ভবন তৈরি করা হয়েছে যেমন- একাডেমিক ভবন, অডিটোরিয়াম কমপ্লেক্স, ছাত্রাবাস, গ্রন্থাগার, শিক্ষক ডরমিটরি ভবন ইত্যাদি এবং আরও কিছু ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস খুলনা শহর থেকে ১৪ কি.মি. উত্তরে, যশোর-খুলনা মহাসড়কের পাশে ফুলবাড়ীগেটে অবস্থিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

নতুন একাডেমিক ভবন

বাংলাদেশের নেতৃস্থানীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) অন্যতম । কুয়েট খুব উচ্চ মানের শিক্ষা, প্রকৌশল পাশাপাশি মৌলিক বিজ্ঞানের প্রধান শাখাসমূহ গবেষণা ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচীর জন্য ভালোভাবে পরিচিত। দেশের এবং বিশেষ করে দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের বর্তমান চাহিদা একটি মানসম্পন্ন শিক্ষা, গবেষণা এবং অগ্রগতি অর্জন কুয়েট এর মূল উদ্দেশ্য যা এটাকে " শ্রেষ্ঠ কেন্দ্র" হিসাবে গড়ে তুলেছে। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ১৯৬৭ সালে বাংলাদেশ খুলনা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান নির্দেশে প্রতিষ্ঠানটি তার অভীষ্ট যাত্রা শুরু করে ৩রা জুন ১৯৭৪ সালে।[১]

পরে ভাল একাডেমিক এবং গবেষণা ক্ষমতা এবং পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য, এটি একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান থেকে রূপান্তরিত করে ১৯৮৪ সালে রাখা হয় বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি (বিআইটি),খুলনা। একাডেমিক এবং গবেষণার ক্ষেত্রে যুগের চাহিদা মেটানোর জন্য ২০০৩ সালে বিআইটি থেকে উন্নীত করে এবং নাম পরিবর্তিত করে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রাখা হয়।[১]

কুয়েটে প্রকৌশল ক্ষেত্রে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর উভয় এবং বিজ্ঞান শাখায় স্নাতকোত্তর পর্যায়ে গবেষণা করা হয়। বর্তমানে ৩টি অনুষদের অধীনে ১৬টি অ্যাকাডেমিক ডিপার্টমেন্টে প্রায় ৫২০০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ণ করে। দেশের শীর্ষ গ্রেডের মোট ১০০৫ জন কে খুব প্রতিযোগিতামূলক, স্বচ্ছ এবং মানসম্মত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিবছর বাছাই করা হয়। পাশাপাশি, উন্নত মানের মাত্রা স্নাতক M.Sc প্রকৌশল, M.Phil এবং Ph.D গবেষণায় এবং গবেষণা করা হয়।

দুর্বার বাংলা

এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন অনুষদে প্রায় ৩০০ এর ও বেশি প্রসিদ্ধ, পাণ্ডিত্যপূর্ণ ,বিশিষ্ট ব্যক্তিরা শিক্ষার বিভিন্ন শাখাসমূহে জড়িত। শিক্ষা ও শেখার ক্ষমতা প্রসারিত করার জন্য সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি নতুন বিভাগ খোলা হয়েছে এবং ইতিমধ্যে বর্তমান সেশনের ছাত্রের নাম নথিভুক্ত করা হযেছে। বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তিগত দিক নির্দেশনা গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ, বিশেষত তথ্য প্রযুক্তি খাতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদা মেটানোর জন্য ইনষ্টিটিউট অফ ইনফরমেশন এণ্ড কমিউনিকেশন (আইআইসিটি) খোলা হয়েছে। এছাড়াও সম্প্রতি প্রতিষ্ঠিত ছোট কোর্স, ডিপ্লোমা করার সুবিধা এখানে আছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস খুলনা সিটি কর্পোরেশন, সিটি সেন্টার থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার উত্তর -পশ্চিম কোণার দিকে একটি হৃদয়স্পর্শী প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সুবিশাল সবুজ গাছপালা সম্বলিত ১০১ একর আয়তনের উপর অবস্থিত।

একটি তাজা বায়ুময় ক্যাম্পাস এবং ছাত্রদের জন্য সুকোমল বাতাস যুক্ত আবাসিক হলের বাবস্থা রয়েছে। আবাসিক হল, একাডেমিক বিল্ডিং এবং প্রতিষ্ঠান, কর্মশালা, বাজান ভিত্তিতে স্বয়ংপরিবেশন ভোজনালয়, অডিটোরিয়াম, শিক্ষকদের আবাসস্থল ইত্যাদি সহ দৈহিক পরিকাঠামোো গঠনের জন্য সুন্দর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। প্রতি বছর ছয়শত এর বেশি শিক্ষার্থী এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিভিন্ন শাখায় স্নাতক ডিগ্রী লাভ করে।[২]

ক্যাম্পাস[সম্পাদনা]

কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের তৃতীয় বৃহত্তম বিভাগীয় শহর খুলনার উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের ফুলবাড়িগেটে অবস্থিত।

ক্যাম্পাস খুলনা সিটির জিরো পয়েন্ট থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে অবস্হিত। ক্যাম্পাস থেকে শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব ভালো । এটা জিলা বাস টার্মিনাল হতে ১২ কিলোমিটার দূরে এবং খুলনা রেলওয়ে হতে ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এটা ১০১ একর জায়গার উপরে অবস্থিত ।[৩]

মূল একাডেমিক ভবনে বিভিন্ন শিক্ষা ও গবেষণা সুবিধা আছে। প্রত্যেক বিভাগের একটি আলাদা চত্বর আছে। এরকম আলাদা কতগুলো চত্বর মিলে ক্যাম্পাসের মূল একাডেমিক চত্বরটি গঠিত।। হেভি প্রকৌশল ল্যাবরেটরি নিচের তলা বা অন্য পৃথক ওয়ার্কশপ এর মধ্যে অবস্থিত আছে. যদিও লাইট ল্যাবরেটরিজ, শ্রেণী এবং প্রকল্প কক্ষ উপরের তলার উপর অবস্থিত। ল্যাবরেটরির শিক্ষকদের জন্য আলাদা অফিস আছে। বেশি সময়ের লেকচারের জন্য প্রতিটা বিভাগে আধুনিক মালপত্র এবং সাউন্ডের জন্য উপকরণ সংবলিত সেমিনার রুম আছে। ক্যাম্পাসে এছাড়াও শিক্ষক ও কর্মচারী ক্লাব, মেডিকেল সেন্টার, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, এটিএম বুথ, পোস্ট অফিস, ব্যাংক এবং খেলার মাঠ ইত্যাদি সুবিধা আছে। ছাত্র কল্যাণ কমিটি ছাত্রদের মানসিক ও শারীরিক উন্নয়নের জন্য অতিরিক্ত পাঠক্রম সংক্রান্ত সুবিধা দান করে।[৪]

কুয়েটের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চিত্র
ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগ

প্রকৌশল ল্যাবস[সম্পাদনা]

কুয়েট বিভিন্ন প্রকৌশল ল্যাবস রয়েছে যা নিজ নিজ একাডেমিক বিভাগের দ্বারা চালিত হয়।

ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবস বৈদ্যুতিক সার্কিট ল্যাব, পরিমাপ, এবং যন্ত্রানুষঙ্গের ল্যাব, ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স ল্যাব, এনালগ ইলেকট্রনিক্স ল্যাব, মেশিন ল্যাব ইলেকট্রিক্যাল, কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাব, কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাব, Microprocessor এবং হার্ডওয়্যার পোশাকের ল্যাব, পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স ও মেশিনের ড্রাইভ ল্যাব (PEMD ল্যাব) অন্তর্ভুক্ত, পাওয়ার সিস্টেম এবং সুরক্ষা ল্যাব, উচ্চ ভোল্টেজ ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাব, প্যাটার্ন রেকগনিশন এবং চিত্র প্রসেসিং ল্যাব, কমপিউটার ভাষা সিমুলেশন এবং সংখ্যাসূচক প্রসেসিং ল্যাব এবং একটি বিভাগীয় কম্পিউটার কেন্দ্র।

পুরকৌশল ল্যাবস পরিবহন ল্যাব, ল্যাব HYDRAULICS, এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাব, ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যাটেরিয়ালস ল্যাব, সলিড ল্যাবের যন্ত্রসংক্রান্ত, ল্যাব সমীক্ষা, জিওট্যাকনিক্যাল ল্যাব, ভূ পরিবেশগত ল্যাব (শুধু জন্য স্নাতকোত্তর) এবং কম্পিউটার ল্যাব অন্তর্ভুক্ত।

যন্ত্রকৌশল ল্যাবস তাপ স্থানান্তর ল্যাব, ল্যাব কন্ট্রোল, বয়লার ল্যাব, ফলিত যন্ত্রসংক্রান্ত ল্যাব, মেশিন শপ, প্রোডাকশন শপ, উড অ্যান্ড মডেলিং শপ, আবহবিদ্যা ল্যাব, তরল ল্যাব, বিভাগীয় কম্পিউটার কেন্দ্র এবং ফাউন্ড্রি শপ অন্তর্ভুক্ত।

ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগে সলিড মেকানিক্স ল্যাব, কম্পিউটার ল্যাব, ক্যাম এন্ড রোবোটিক্স ল্যাব, আর্গোনোমিক্স ল্যাব এবং কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাব অন্তর্ভুক্ত।

কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল ল্যাবস কম্পিউটার ভাষা এবং কম্পিউটিং ল্যাবরেটরি, সফটওয়্যার এবং ওয়েব ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবরেটরি, কমপিউটার হার্ডওয়্যার এবং পোশাকের ল্যাবরেটরি, ডিজিটাল সিস্টেম এবং VLSI ডিজাইন ল্যাবরেটরি, ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম ল্যাবরেটরি, মাল্টিমিডিয়া ও নেটওয়ার্কিং এবং ল্যাবরেটরি হাই টেক সিস্টেম উন্নয়ন কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত।

কেন্দ্রীয় কম্পিউটার সেন্টার[সম্পাদনা]

KUET 512 KByte / s এর একটি আপলোড এবং 1024 KByte / ডাউনলোডের জন্য তার নিজস্ব ব্যান্ডউইথের VSAT সুবিধা আছে। ব্রডব্যান্ড গতি 10Mbps এবং আইএসপি BTCL। এটা একটি বড় কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ছয় আইবিএম সার্ভারের সাথে সংযুক্ত করে সর্বাধিক 250 1 গিগাবাইট অপটিক্যাল ফাইবার লাইন এবং ছয় অপটিক্যাল সুইচ দ্বারা আবদ্ধ ওয়ার্কস্টেশনে আছে। সমস্ত স্টেশন সর্বশেষ প্রয়োজনীয় মুদ্রণ, স্ক্যান এবং সিডি লেখার সুবিধার সঙ্গে সংস্করণ কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত। সমস্ত ছাত্র এবং অনুষদ নেটওয়ার্কে সহজে এক্সেস আছে।

প্রতিটি বিভাগের একাডেমিক লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN), যা কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্কের পরিপূরক হিসবে ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। ইলেকট্রিকাল এবং ইলেক্ট্রনিক বিভাগ সিএসই (কম্পিউটার সায়েন্স এবং প্রকৌশল) বিভাগ এবং ইসিই (ইলেক্ট্রনিক অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং) বিভাগের নিজস্ব ওয়াইফাই সুবিধা রয়েছে। সম্প্রতি কুয়েটের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, ছাত্রকল্যাণ পরিষদ (DSW) এবং কেন্দ্রীয় কম্পিউটার কেন্দ্র (CCC) সরাসরি ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত হয়েছে।

অনুষদ এবং বিভাগসমূহ[সম্পাদনা]

কুয়েটে ৩ টি অনুষদ এর অধীনে মোট ১৮ টি বিভাগ আছে ।[৫] এর মাঝে ১৪ টি বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ[সম্পাদনা]

১)সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (CE)

২)আরবান বিভাগের আঞ্চলিক পরিকল্পনা (URP)

৩)বিল্ডিং প্রকৌশল ও নির্মাণ ব্যবস্থাপনা(BECM)

৪)আর্কিটেকচার (ARCH)

৫)গণিত বিভাগ (Math)

৬)রসায়ন বিভাগ (Che)

৭)পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ (Phy)

৮)মানবিক বিভাগের (Hum)

তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক অনুষদ[সম্পাদনা]

১)ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)

২)কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)

৩)ইলেক্ট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ECE)

৪)বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং (BME)

৫)ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (MSE)

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ[সম্পাদনা]

১)মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং(ME)

২)ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (IEM)

৩)লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং (LE)

৪) টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং (TE)

৫) এনার্জি সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (ESE)

ইনস্টিটিউট ও সেন্টারসমূহ[সম্পাদনা]

এখানে উচ্চমানের গবেষণার জন্য তিনটি ইনস্টিটিউট আছে-

Institute of Information and Communication Technology (IICT, KUET)

Institute of Disaster Management (IDM, KUET).

Institute of Environment and Power Technology

একাডেমিক ক্যলেন্ডার[সম্পাদনা]

স্নাতক শ্রেণীতে প্রতিটি শিক্ষাবর্ষে দুটি করে টার্ম থাকে। চার শিক্ষাবর্ষ শেষ হলে একজন শিক্ষার্থী তার স্নাতক সম্পন্ন করে থাকে। এই ২টি টার্ম হল টার্ম-১, টার্ম-২ এ। প্রতিটি টার্ম এ ১৩ সপ্তাহ করে ক্লাস, মিড টার্ম ১ সপ্তাহ । টার্ম ব্রেক ১ সপ্তাহ। পরীক্ষা পূর্ব প্রস্তুতি প্রতি পরীক্ষার আগে ৪ দিন,সুপার পিএল পদ্ধতি। প্রতিটি সপ্তাহে ৫টি কার্যদিবস। শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি।সকল পরীক্ষার ফলাফল গ্রেডিং পদ্ধতিতে প্রকাশ করা হয় । [৬]

মিলনায়তন[সম্পাদনা]

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ১০০০ আসনের একটি কেন্দ্রীয় মিলনায়তন কমপ্লেক্স রয়েছে। এতে আধুনিক সকল সুযোগ সুবিধা বিদ্যমান। বছরের বিভিন্ন সময় মিলনায়তনে বিভিন্ন সেমিনার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মেলা, চলচিত্র উৎসব ইত্যাদির আয়োজন হয়ে থাকে। বর্তমান এ মিলনায়তন টি ভেঙে সুবিশাল নতুন মিলনায়তন এর কাজ চলছে।

লাইব্রেরী[সম্পাদনা]

কুয়েটের শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার জন্য একটি সুবিশাল কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার রয়েছে। দেশ ও বিদেশের অসংখ্য বই আছে। প্রতিটা বিভাগের প্রয়োজনীয় অধিকাংশ বই এখানে পাওয়া যায়। এই গ্রন্থাগার থেকে শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে ৩টি বই একমাসের জন্য ধার নিতে পারে। এছাড়া এখানে বসে পড়ার জন্য খুবই সুন্দর ব্যবস্থা রয়েছে। এখন কুয়েটের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার অটোমেশন (স্বয়ংক্রিয়) পদ্ধতির আওতায় চলে গেছে,যা বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুোর মধ্যে প্রথম। তাই এখন অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসে প্রয়োজনীয় বইয়ের তথ্য পাওয়া যায় এবং যেসব বই শিক্ষার্থীরা তুলেছে সেগুলোর পুনরায় ইস্যু করা যায়। এছাড়া প্রতিটি বিভাগের এবং প্রতিটি হলে একটি করে নিজস্ব গ্রন্থাগার রয়েছে, যেখানে প্রতিটি সেমিস্টারের জন্য নামমাত্র মূল্যে বই পাওয়া যায়।

মেডিক্যাল সেন্টার[সম্পাদনা]

কুয়েটে শিক্ষার্থীসহ সকলের সেবার জন্য একটি চিকিৎসাকেন্দ্র (কুয়েট মেডিকেল সেন্টার) রয়েছে । এখানে দিন অথবা রাত সার্বৎক্ষনিক সেবা প্রদানের জন্য চিকিৎসক, নার্স রয়েছেন। এখানে শিক্ষার্থীদের বিনা খরচে চিকিৎসা প্রদানের সাথেসাথে বিনা খরচে ঔষধ ও দেয়া হয়। এছাড়া কুয়েট মেডিকেল সেন্টার এখন অটোমেশন পদ্ধতির আওতায় চলে গেছে । কুয়েটের সকল সদস্যের নিজস্ব তথ্যের সাথে কুয়েট মেডিকেল সেন্টারেরও সকল প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যায়। সম্প্রতি কুয়েতে ৫০ শয্যা বিশিষ্ঠ মেডিকেল সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়।[৭]

আবাসিক হলসমূহ[সম্পাদনা]

কুয়েট এ আবাসিক হল ক্যাম্পাস জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। সাতটি আবাসিক হল (১টি মহিলাদের, ৬টি পুরুষদের) আছে। একটি হলের প্রশাসনিক মাথা হয় তার প্রভোস্ট এবং সহকারী প্রভোস্ট। সাধারণত হল একটি একক প্রভোস্ট এবং এক বা একাধিক সহকারী প্রভোস্ত রয়েছেন। হলগুলো সাধারণত জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং ইতিহাস-বোধক নামকরণ করা হয়।

  • ফজলুল হক হল (প্রথম হল) (আসন ১৭৫ টি)
  • খান জাহান আলী হল (আসন ৩০০ টি)
  • ডঃ এম এ রশিদ হল (আসন ১৭৫ টি)
  • লালন শাহ হল (আসন ৩০০ টি)
  • রোকেয়া হল (মহিলা হল) (আসন ৪০০ টি
  • অমর একুশে হল (আসন ৫৫০ টি)
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল (আসন ৫৫০ টি)

ছাত্র সংগঠন ও সংঘ সমূহ[সম্পাদনা]

রাজনৈতিক[সম্পাদনা]

বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় রাজনৈতিক সংগঠনগুলো হল

সাংস্কৃতিক[সম্পাদনা]

উল্লেখযোগ্য সাংস্কৃতিক সংগঠনের মধ্যে রয়েছে

কুয়েট ফটোগ্রাফিক সোসাইটি

কুয়েট ডিবেটিং সোসাইটি

কুয়েট থিয়েটার

বিজ্ঞান[সম্পাদনা]

কুয়েট গণিত সংঘ,

IEEE স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ,কুয়েট

কুয়েট রোবটিক সোসাইটি,

Industrial Engineering and Operations Management (IEOM) স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ,কুয়েট

Hardware Acceleration Club of KUET (HACK),

Manipulators of Electrons (MEC)

Robotics Club of KUET

Cyber Gaming Club of KUET (Cyborg)

পরিবহন[সম্পাদনা]

ছাত্র, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সুবিধার জন্য কুয়েট খুলনা শহর ও ক্যাম্পাসের মধ্যে নিজস্ব বাস সার্ভিস পরিচালনা করে । ছুটির মধ্যে, বিশেষ সার্ভিস , ছুটির বিনোদনমূলক এবং অন্যান্য চাহিদা পূরণের জন্য বাস প্রদান করা হয় । বাস সার্ভিস শিল্প পরিদর্শন এবং শিক্ষার্থীদের অধ্যয়ন ট্যুর জন্য পাওয়া যায় । কুয়েট এ মোট ৮ টি বাস, একটি পাজারো ও কয়েকটি মাইক্রোবাস আছে।

ভাষা[সম্পাদনা]

পরীক্ষার নির্দেশনা এবং উত্তর প্রদানের জন্য অফিসিয়াল এবং একমাত্র ভাষা ইংরেজি , তবে শিক্ষক ক্লাস লেকচারে ইংরেজির পাশাপাশি নেটিভ ভাষা বাংলাও ব্যবহার করতে পারে ।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। "History"। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। সংগৃহীত ২ জুলাই, ২০১৫ 
  2. "কুয়েট ইতিহাস"। সংগৃহীত জুন ১, ২০১৪ 
  3. "কুয়েট ক্যাম্পাস ম্যাপ"। সংগৃহীত জুন ১, ২০১৪ 
  4. "কুয়েট ক্যাম্পাস"। সংগৃহীত জুন ১, ২০১৪ 
  5. "Departments of KUET"Khulna University of Engineering & Technology। সংগৃহীত ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  6. স্নাতক শ্রেনির বুলেটিন, ২০১১।
  7. http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/289536.html

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

স্থানাঙ্ক: ২২°৫৩′৫৯″ উত্তর ৮৯°৩০′০৯″ পূর্ব / ২২.৮৯৯৬৮৯৫° উত্তর ৮৯.৫০২৬১১২° পূর্ব / 22.8996895; 89.5026112