বাংলাদেশী টাকা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বাংলাদেশী টাকা
Taka (Bengali letter).svg

বাংলাদেশের টাকার প্রতীক

১০০০ টাকার নোট
১০০০ টাকার নোট
ISO 4217 Code বিডিটি
ব্যবহারকারী (সমূহ)  বাংলাদেশ
মুদ্রাস্ফীতি ৭ %
সূত্র ওয়ার্লড ফ্যাক্টবুক, ২০০৫
উপ একক
১/১০০ পয়সা
প্রতীক
ধাতব মুদ্রা
বহুল ব্যবহৃত ১, ২ ও ৫ টাকা
স্বল্প ব্যবহৃত ১, ৫, ১০, ২৫ ও ৫০ পয়সা
ব্যাঙ্কনোট
বহুল ব্যবহৃত ১, ২, ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০ ও ৫০০ টাকা
কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক বাংলাদেশ ব্যাংক
ওয়েবসাইট www.bangladesh-bank.org
টাঁকশাল বাংলাদেশ সরকার টাঁকশাল


টাকা হল বাংলাদেশের মূদ্রা। ১৯৭১-এ বাংলাদেশের উদ্ভবের পর দেশটির মুদ্রার সরকারী নাম হিসেবে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের টাকার প্রতীক হল । কাগুজে টাকা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রবর্তিত হয়;- ব্যাতিক্রম ১ টাকা এবং ২ টাকা যেগুলো বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে প্রচলিত হয়। টাকার ভগ্নাংশ পয়সা যার মূল্যমান ১ টাকার একশত ভাগের ১ ভাগ।

পরিচ্ছেদসমূহ

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ভাষাবিদগণের মতানুসারে টাকা শব্দটি সংস্কৃত টঙ্ক শব্দ থেকে উদ্ভূত যার অর্থ রৌপ্যমুদ্রা। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকার সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রের মুদ্রার নাম টাকা রাখে। পরবর্তীতে টাকার সংকেত হল ৳ নির্ধারণ করা হয়। এক টাকার শতাংশকে পয়সা নামে অভিহিত করা হয়। অর্থাত ১ টাকা সমান ১০০ পয়সা । বাংলাদেশে ১, ২, ৫, ৫০, ১০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকা মুল্যমানের কাগুজে টাকা প্রচলিত আছে। ১০০০ হাজার টাকা মূল্যমানের কাগুজে নোট ২০১১ সালে প্রবর্তিত হয়। এছাড়া ১ পয়সা, ২ পয়সা, ৫ পয়সা, ১০ পয়সা, ৫০ পয়সা, ১ টাকা এবং ৫ টাকা মূল্যমানের ধাতব মুদ্রা প্রচলিত আছে। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক যা বাংলাদেশ ব্যাংক নামে পরিচিত টাকার কাগুজে নোট মুদ্রণ এবং মুদ্রা প্রস্তুতকরণ এবং তা বাজারে প্রচলনের জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত।

ধাতব মুদ্রা[সম্পাদনা]

১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ৫, ১০, ২৫ এবং ৫০ পয়সা মূল্যের ধাতব মুদ্রার প্রচলন করা হয়। এরপর ১৯৭৪ সালে ১ পয়সা এবং তারও পরে ১৯৭৫ সালে ১ টাকা মূল্যের ধাতব মুদ্রা প্রবর্তন করা হয়। অত:পর ২ টাকা মূল্যের ধাতব মুদ্রা প্রবর্তন করা হয়। বর্তমানে ৫ টাকা মূল্যমানের ধাতব মুদ্রাও প্রচলিত আছে।

টাকার আন্তজার্তিক মান[সম্পাদনা]

১৯৭১-এ স্বাধীনতা লাভের পর ব্রিটিশ পাউণ্ডের সঙ্গে টাকার আন্তজার্তিক মান নিরূপণ করা হতে থাকে। পরবর্তীতে, সত্তর দশকের শেষভাগে, ব্রিটিশ পাউণ্ডের আন্তজার্তিক মূল্য পড়ে গেলে এবং আন্তজার্তিক বাণিজ্যে বিনিময় মুদ্রা হিসেবে মার্কিন ডলার অধিকতর হারে ব্যবহৃত হতে থাকলে বাংলাদেশ সরকার তথা কেন্দ্রীয় ব্যাংক মার্কিন ডলারের সঙ্গে বাংলাদেশের টাকার আন্তজার্তিক মান সম্পৃক্ত করে। এই পদ্ধতি কম-বেশী প্রচলিত আছে (২০১৩)। আন্তর্জাতিক মুদ্রার বিপরীতে টাকার বিনিময় ভাসমান। তবে কখনো কখনো বাংলাদেশ ব্যাংক মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মান স্থিতিশীল রাখার জন্য হস্তক্ষেপ করে থাকে।

চিত্র:1tk.jpg
এক টাকার ধাতব মুদ্রা
চিত্র:5 taka coin.jpg
৫ টাকার ধাতব মুদ্রা
-১,২ ও ৫ টাকার ধাতব মুদ্রা

বাংলাদেশী দুই টাকার নোট[সম্পাদনা]

রাশিয়াতে একটি অনলাইন এন্টারটেইনমেন্ট আউটলেটে অনুষ্ঠিত এক ভোটাভুটিতে বাংলাদেশী ২ টাকা নোট পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ব্যাংক নোটের মর্যাদা পেয়েছে। যেখানে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মুদ্রাও প্রতিযোগিতায় ছিল।[১][২]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

BDTর বর্তমান বিনিময় হার
গুগল ফাইন্যান্স থেকে: AUD CAD CHF EUR GBP HKD JPY USD INR CNY
ইয়াহু! ফাইন্যান্স থেকে: AUD CAD CHF EUR GBP HKD JPY USD INR CNY
এক্সই.কম থেকে: AUD CAD CHF EUR GBP HKD JPY USD INR CNY
ওআনডা.কম থেকে: AUD CAD CHF EUR GBP HKD JPY USD INR CNY
এফএক্সটপ.কম থেকে: AUD CAD CHF EUR GBP HKD JPY USD INR CNY

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Bangladesh taka voted most beautiful bank note, ৭ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে প্রকাশিত, PanARMENIAN.net, পরিদর্শনের তারিখ: ১০ মে ২০১২ খ্রিস্টাব্দ।
  2. বাংলাদেশের ২ টাকা পৃথিবীর সবেচেয়ে সুন্দর নোট দৈনিক আমার দেশ ডেস্ক রিপোর্ট, ৯ জানুয়ারি ২০১২ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত; পরিদর্শনের তারিখ: ১০ মে ২০১২ খ্রিস্টাব্দ।