বাংলাদেশী টাকা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
"টাকা" এখানে পুননির্দেশ করা হয়েছে। অন্য ব্যবহারের জন্য, দেখুন টাকা (দ্ব্যর্থতা নিরসন)
বাংলাদেশী টাকা
টাকা
৳১০০০ নোট
৳১০০০ নোট
ISO 4217 Code BDT
ব্যবহারকারী (সমূহ)  বাংলাদেশ
মুদ্রাস্ফীতি ৬.৮৪%
সূত্র বাংলাদেশ ব্যাংক, ২০১৪
উপ একক
১/১০০ পয়সা
প্রতীক
ধাতব মুদ্রা
বহুল ব্যবহৃত ৳১, ৳২ ও ৳৫
স্বল্প ব্যবহৃত ১পয়সা, ৫পয়সা, ১০পয়সা, ২৫পয়সা ও ৫০পয়সা
ব্যাঙ্কনোট
বহুল ব্যবহৃত ৳২, ৳৫, ৳১০, ৳২০, ৳৫০, ৳১০০, ৳৫০০ ও ৳১০০০
স্বল্প ব্যবহৃত ৳১, ৳২৫, ৳৪০ ও ৳৬০
কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক বাংলাদেশ ব্যাংক
ওয়েবসাইট www.bangladesh-bank.org
টাঁকশাল বাংলাদেশ সরকার টাঁকশাল

টাকা হল বাংলাদেশের মূদ্রা। ১৯৭১-এ বাংলাদেশের উদ্ভবের পর দেশটির মুদ্রার সরকারী নাম হিসেবে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের টাকার প্রতীক হল । কাগজে টাকা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রবর্তিত হয়;- ব্যাতিক্রম ৳১ এবং ৳২ যেগুলো বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে প্রচলিত হয়। টাকার ভগ্নাংশ পয়সা যার মূল্যমান ৳১-র একশত ভাগের ১ভাগ।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ভাষাবিদগণের মতানুসারে টাকা শব্দটি সংস্কৃত টঙ্ক শব্দ থেকে উদ্ভূত যার অর্থ রৌপ্যমুদ্রা। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকার সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রের মুদ্রার নাম টাকা রাখে। পরবর্তীতে টাকার সংকেত হল নির্ধারণ করা হয়। এক টাকার শতাংশকে পয়সা নামে অভিহিত করা হয়। অর্থাত ৳১ সমান ১০০পয়সা। বাংলাদেশে ৳১, ৳২, ৳৫, ৳৫০, ৳১০০, ৳৫০০ এবং ৳১০০০ মুল্যমানের কাগজে টাকা প্রচলিত আছে। ৳১০০০ মূল্যমানের কাগজে নোট ২০১১ সালে প্রবর্তিত হয়। এছাড়া ১পয়সা, ২পয়সা, ৫পয়সা, ১০পয়সা, ৫০পয়সা, ৳১ এবং ৳৫ মূল্যমানের ধাতব মুদ্রা প্রচলিত আছে। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক যা বাংলাদেশ ব্যাংক নামে পরিচিত টাকার কাগজে নোট মুদ্রণ এবং মুদ্রা প্রস্তুতকরণ এবং তা বাজারে প্রচলনের জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত।

ধাতব মুদ্রা[সম্পাদনা]

১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ৫, ১০, ২৫ এবং ৫০ পয়সা মূল্যের ধাতব মুদ্রার প্রচলন করা হয়। এরপর ১৯৭৪ সালে ১ পয়সা এবং তারও পরে ১৯৭৫ সালে ৳১ মূল্যের ধাতব মুদ্রা প্রবর্তন করা হয়। অত:পর ৳২ মূল্যের ধাতব মুদ্রা প্রবর্তন করা হয়। বর্তমানে ৳৫ মূল্যমানের ধাতব মুদ্রাও প্রচলিত আছে।

টাকার আন্তজার্তিক মান[সম্পাদনা]

১৯৭১-এ স্বাধীনতা লাভের পর ব্রিটিশ পাউণ্ডের সঙ্গে টাকার আন্তজার্তিক মান নিরূপণ করা হতে থাকে। পরবর্তীতে, সত্তর দশকের শেষভাগে, ব্রিটিশ পাউণ্ডের আন্তজার্তিক মূল্য পড়ে গেলে এবং আন্তজার্তিক বাণিজ্যে বিনিময় মুদ্রা হিসেবে মার্কিন ডলার অধিকতর হারে ব্যবহৃত হতে থাকলে বাংলাদেশ সরকার তথা কেন্দ্রীয় ব্যাংক মার্কিন ডলারের সঙ্গে বাংলাদেশের টাকার আন্তজার্তিক মান সম্পৃক্ত করে। এই পদ্ধতি কম-বেশী প্রচলিত আছে (২০১৩)। আন্তর্জাতিক মুদ্রার বিপরীতে টাকার বিনিময় ভাসমান। তবে কখনো কখনো বাংলাদেশ ব্যাংক মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মান স্থিতিশীল রাখার জন্য হস্তক্ষেপ করে থাকে।

-৳১, ৳২ ও ৳৫ -র ধাতব মুদ্রা

বাংলাদেশী দুই টাকার নোট[সম্পাদনা]

রাশিয়াতে একটি অনলাইন এন্টারটেইনমেন্ট আউটলেটে অনুষ্ঠিত এক ভোটাভুটিতে বাংলাদেশী ৳২ নোট পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ব্যাংক নোটের মর্যাদা পেয়েছে। যেখানে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মুদ্রাও প্রতিযোগিতায় ছিল।[১][২]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বাংলাদেশী টাকার বর্তমান বিনিময় হার
গুগল ফাইন্যান্স থেকে: AUD CAD CHF EUR GBP HKD JPY USD INR CNY
ইয়াহু! ফাইন্যান্স থেকে: AUD CAD CHF EUR GBP HKD JPY USD INR CNY
এক্সই.কম থেকে: AUD CAD CHF EUR GBP HKD JPY USD INR CNY
ওএএনডিএ.কম থেকে: AUD CAD CHF EUR GBP HKD JPY USD INR CNY
এফএক্সটপ.কম থেকে: AUD CAD CHF EUR GBP HKD JPY USD INR CNY

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Bangladesh taka voted most beautiful bank note, ৭ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে প্রকাশিত, PanARMENIAN.net, পরিদর্শনের তারিখ: ১০ মে ২০১২ খ্রিস্টাব্দ।
  2. বাংলাদেশের ২ টাকা পৃথিবীর সবেচেয়ে সুন্দর নোট দৈনিক আমার দেশ ডেস্ক রিপোর্ট, ৯ জানুয়ারি ২০১২ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত; পরিদর্শনের তারিখ: ১০ মে ২০১২ খ্রিস্টাব্দ।