বাংলাদেশ বিমান বাহিনী
| বাংলাদেশ বিমান বাহিনী | |
|---|---|
| কার্যকাল | ১৯৭১ - বর্তমান |
| রাষ্ট্র | |
| বিমান ঘাঁটিসমূহ | বিএএফ বাশার, বিএএফ কুর্মিটোলা, বিএএফ জহরুল হক, বিএএফ জহরুল হক, বিএএফ পাহাড় কাঞ্চনপুর |
| মূলনীতি | বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত |
| যুদ্ধসমূহ | বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ |
| সেনাপতিবৃন্দ | |
| বর্তমান বিমান বাহিনী প্রধান | এয়ার মার্শাল এস এম জিয়াউর রহমান |
| প্রতীকসমূহ | |
| রাউন্ডেল | |
| উড্ডয়নকৃত বিমান | |
| জঙ্গী বিমান | চ্যংদু এফটি-৬ (ফারমার), মিগ-২৯ |
| বোমারু বিমান | এ/কিউ-৫ (ফানটান) |
| পরিবহন বিমান | এএন-৩২, সি-১৩০(হারকিউলিস), এম আই-৮, এম আই-১৭ |
| প্রশিক্ষণ বিমান | এরো এল-৩৯, সেসনা টি-৩৭, ন্যানচ্যাং পিটি-৬ |
| হেলিকপ্টার | বেল ২০৬এল, বেল-২১২, এম আই-১৭ |
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর একটি অংশ।
পরিচ্ছেদসমূহ |
[সম্পাদনা] ইতিহাস
"বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত" এই দৃপ্ত শপথে বলিয়ান বাংলাদেশ বিমানবাহিনী আসামের দিমাপুরে ২৮শে সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে গঠিত হয়। মাত্র তিনটি বিমান নিয়ে এই বাহিনীর যাত্রা শুরু হয় যার মধ্যে ছিলো দুটি বিমান ডিসি-৩, ডাকোটা এবং একটি অ্যালুয়েট-৩ হেলিকপ্টার। পাকবাহিনীর ফেলে যাওয়া পাচঁটি স্যাবর (এফ-৮৬)-ই ছিলো এই বাহিনীর প্রথম জঙ্গী বিমান।
[সম্পাদনা] বিমানবহিনীর ঘাঁটিসমুহ
- বিএএফ বাশার, ঢাকা (বিমানবাহিনীর সদরদপ্তর)
- বিএএফ কুর্মিটোলা, ঢাকা
- বিএএফ জহরুল হক, চট্রগ্রাম
- বিএএফ মতিউর রহমান, যশোর
- বিএএফ পাহাড় কাঞ্চনপুর, টাঙ্গাইল
এগুলো ছাড়াও লালমনির হাট, কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ, বগুড়ায় এই বাহিনীর ইউনিট আছে।
[সম্পাদনা] বিমানসমুহ
- মিগ-২৯ (ফুলক্রাম) (১৬টি, ২টি প্রশিক্ষন সহ)
- এফ-৭ (এয়ারগার্ড) (৪৮টি)
- এ-৫ (ফানটান) (৪০টি)
- এল-৩৯
- ফিউগো ১৭০ মেজিস্টার
- সি-১৩০(হারকিউলিস) (৪টি)
- টি-৩৭ (টুইট) (৮টি)
- এএন-৩২ (ক্লাইন) (৩টি)
- এম আই-১৭ (হিপ) (২১+)
- বেল-২১২ (১৩টি)
- বেল-২০৬ (৪টি)
- এল-৩৯ (জেড এ) (১২টি)
- পিটি-৬ (৪৬টি)
- এম আই-৮
বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী কতৃক প্রণীত ফোর্সেস গোলের নিরিখে ২০২১ সালের মধ্যে বিমানবাহিনীকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে ব্যাপক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই কক্সবাজারে একটি নতুন ঘাঁটি নির্মাণ করা হয়েছে যাতে বিমান প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করতে স্বল্পপাল্লার এফএম-৯০ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে। বিমানঘাঁটিসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে একটি নতুন এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট। ২০১২ সালের শেষে বিমানবহরে যুক্ত হচ্ছে মাল্টিরোল ফাইটার এফ-৭বিজিআই। এছাড়াও রাশিয়া থেকে আনা হচ্ছে সুখই-৩০এমকেবি, মিগ-২৯এসএমটি, ইয়কোলোভ-১৩০, এমআই-১৭১, এমআই-৩৫, চেক প্রজাতন্ত্র থেকে এল-৩৯। বিদ্যমান মিগ-২৯ বিমানগুলোকে এসএমটি ভ্যারিয়েন্টে রূপান্তর করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আনা হচ্ছে চারটি লকহিড মার্টিন সি-১৩০ই পরিবহণ বিমান।
[সম্পাদনা] পদ মর্যাদার ক্রম সমুহ
নিম্নে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর পদানুসারে পদচিহ্ন দেওয়া হলো। পদবিন্যাস প্রধানত ব্রিটিশ রয়েল এয়ার ফোর্সের অনুসরণে প্রণীত। বাংলাদেশে এখনো কোন ব্যক্তি মার্শাল অফ দি এয়ার ফোর্স ও এয়ার চীফ মার্শাল পদে উন্নিত হন নাই।
[সম্পাদনা] কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের পদচিহ্ন
| পদচিহ্ন (Insignia) | ||||||||||
| পদ (Ranks) | এয়ার চীফ মার্শাল | এয়ার মার্শাল | এয়ার ভাইস মার্শাল | এয়ার কমোডর | গ্রুপ ক্যাপ্টেন | উইং কমান্ডার | স্কোয়াড্রন লিডার | ফ্লাইট লেফটেনেন্ট | ফ্লাইং অফিসার | পাইলট অফিসার |
[সম্পাদনা] জুনিয়র-কমিশন ও নন-কমিশন প্রাপ্তদের পদচিহ্ন
| পদচিহ্ন (Insignia) | |||||||
| পদ (Ranks) | মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার | সিনিয়ার ওয়ারেন্ট অফিসার | ওয়ারেন্ট অফিসার | সার্জেন্ট | কর্পোরাল | লিডিং এয়ারক্রাফস্ ম্যান | এয়ারক্রাফস্ ম্যান |
[সম্পাদনা] জুনিয়র-কমিশন ও নন-কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পদবী
- এয়ারক্রাফস্ ম্যান-২
- এয়ারক্রাফস্ ম্যান-১
- লিডিং এয়ারক্রাফস্ ম্যান
- কর্পোরাল
- সার্জেন্ট
- ওয়ারেন্ট অফিসার
- সিনিয়ার ওয়ারেন্ট অফিসার
- মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার
[সম্পাদনা] কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পদবী
- পাইলট অফিসার
- ফ্লাইং অফিসার
- ফ্লাইট লেফটেনেন্ট
- স্কোয়াড্রন লিডার
- উইং কমান্ডার
- গ্রুপ ক্যাপ্টেন
- এয়ার কমোডর
- এয়ার ভাইস মার্শাল
- এয়ার মার্শাল
- মার্শাল অব দ্যা এয়ার ফোর্স