বিষয়বস্তুতে চলুন

প্রবেশদ্বার:শ্রীলঙ্কা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
প্রবেশদ্বারএশিয়াদক্ষিণ এশিয়াশ্রীলঙ্কা

සාදරයෙන් පිළිගනිමු শ্রীলঙ্কা প্রবেশদ্বারে স্বাগতম

শ্রীলঙ্কা (ইউকে: /sri ˈlæŋkə, ʃr -/, ইউএস: /- ˈlɑːŋkə/ (শুনুন); সিংহলি: ශ්‍රී ලංකා (আধ্বব: [ʃriː laŋkaː]); তামিল: இலங்கை, প্রতিবর্ণী. Ilaṅkai (আইপিএ: [ilaŋɡaj])), যার সাবেক নাম সিলন এবং দাফতরিক নাম শ্রীলঙ্কা প্রজাতান্ত্রিক সমাজবাদী জনরাজ্য, হল দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র। এটি ভারত মহাসাগরে, বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমে ও আরব সাগরের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত; এটি মান্নার উপসাগরপক প্রণালী দ্বারা ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন। ভারত এবং মালদ্বীপের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার একটি সামুদ্রিক সীমান্ত রয়েছে। দেশটির বিধানিক রাজধানী শ্রী জয়বর্ধনপুর কোট্টে এবং বৃহত্তম শহর ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র কলম্বো

শ্রীলঙ্কার নথিভুক্ত ইতিহাস ৩,০০০ বছর পুরনো, যেখানে প্রাগৈতিহাসিক মানববসতির প্রমাণ রয়েছে যা কমপক্ষে ১২৫,০০০ বছর আগের। দেশটির একটি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে। শ্রীলঙ্কার প্রাচীনতম পরিচিত বৌদ্ধ রচনাবলি, যা সম্মিলিতভাবে পালি ত্রিপিটক নামে পরিচিত, চতুর্থ বৌদ্ধ সংগীতির সময় রচিত, যা ২৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সংঘটিত হয়েছিল। শ্রীলঙ্কার ভৌগোলিক অবস্থান ও গভীর পোতাশ্রয় প্রাচীন রেশম পথ বাণিজ্য গমনপথের আদিকাল থেকে আজকের তথাকথিত সামুদ্রিক রেশম পথ পর্যন্ত এটিকে দারুণ কৌশলগত গুরুত্ব প্রদান করেছে। এর অবস্থান এটিকে একটি প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্রে পরিণত করেছিল, যার ফলে এটি ইতোমধ্যেই সুদূর প্রাচ্যেদেশীয় ও ইউরোপীয়দের কাছে অনুরাধাপুর যুগ থেকেই পরিচিত ছিল। দেশটির বিলাসদ্রব্য ও মশলার ব্যবসা বহু দেশের ব্যবসায়ীদের আকৃষ্ট করেছিল, যা শ্রীলঙ্কার বৈচিত্র্যময় জনসংখ্যা তৈরিতে সাহায্য করেছিল। সিংহল কোট্টে রাজ্যে একটি বড় রাজনৈতিক সংকটের সময় পর্তুগিজরা শ্রীলঙ্কায় (মুখ্যত দুর্ঘটনাক্রমে) এসে পৌঁছয় এবং তারপর দ্বীপের সামুদ্রিক অঞ্চল ও এর লাভজনক বাহ্যিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে। শ্রীলঙ্কার কিছু অংশ পর্তুগিজদের দখলে চলে যায়। সিংহল-পর্তুগিজ যুদ্ধের পর ওলন্দাজক্যান্ডি রাজ্য সেই অঞ্চলগুলির নিয়ন্ত্রণ নেয়। ওলন্দাজ দখলিগুলো এরপর ব্রিটিশরা দখল করে নেয়, যারা পরবর্তীতে ১৮১৫ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত উপনিবেশায়নের মাধ্যমে পুরো দ্বীপের উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রসারিত করে। ২০শ শতাব্দীর প্রারম্ভে রাজনৈতিক স্বাধীনতার জন্য একটি জাতীয় আন্দোলন শুরু হয় এবং ১৯৪৮ সালে সিলন একটি অধিরাজ্যে পরিণত হয়। ১৯৭২ সালে শ্রীলঙ্কা নামক প্রজাতন্ত্র অধিরাজ্যটিকে স্থলাভিষিক্ত করে। শ্রীলঙ্কার সাম্প্রতিক ইতিহাস একটি ২৬ বছরের গৃহযুদ্ধের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, যা ১৯৮৩ সালে শুরু হয়েছিল এবং ২০০৯ সালে চূড়ান্তভাবে শেষ হয়েছিল, যখন শ্রীলঙ্কা সশস্ত্র বাহিনীর কাছে লিবারেশন টাইগার্স অব তামিল ঈলম পরাজিত হয়েছিল। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

সূচীপত্র
নির্দিষ্ট বিষয় দেখতে লিঙ্কে ক্লিক করুন

ব্রিটিশ সিলন, আনু ১৯১৪
সিলন (সিংহল: බ්‍රිතාන්‍ය බ්‍රිතාන්‍ය, ব্রিথনিয়া লাকভা; তামিল: பிரித்தானிய இலங்கை, বিরিথানিয়া ইলঙ্গাই) ছিলো ১৭৯৬ থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮-এর মধ্যে বর্তমান শ্রীলঙ্কার ব্রিটিশ সাম্রাজ্যিক উপনিবেশ। প্রাথমিকভাবে, এটি যে অঞ্চলটি অন্তর্ভুক্ত করেছিল তাতে কান্দি রাজ্য অন্তর্ভুক্ত ছিল না, যেটি একটি আশ্রিত রাজ্য ছিল, কিন্তু ১৮১৭ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ সম্পত্তিতে পুরো সিলন দ্বীপ অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা এখন শ্রীলঙ্কা দেশ। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)
নির্বাচিত ভুক্তির তালিকা
কৃষি জমি নুওয়ারা এলিয়া জেলা
শ্রীলংকায় কৃষি প্রাথমিকভাবে চাল উৎপাদন নির্ভর। মহা ও ইয়াল ঋতুতে ধান চাষ করা হয়। চা কেন্দ্রীয় উচ্চভূমিতে চাষ করা হয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার একটি প্রধান উৎস। সবজি, ফল ও তৈলবীজ ফসল দেশের মধ্যে চাষ করা হয়। কৃষি বিভাগ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত দু'টি কৃষি পার্কের মতো দুটি কৃষি উদ্যান রয়েছে। শ্রীলংকায় মোট জনসংখ্যার মধ্যে ২৭.১% কৃষি কার্যক্রম জড়িত। ২০২০ সালে কৃষি জিডিপি (গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট) এর ৭.৪%। ধান ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের তৈলবীজ দেশটির মূখ্য কৃষিজ উৎপাদন হিসেবে উল্লেখযোগ্য। নারকেল, মশলা, চা, কফি, নারকেল দেশটির প্রধান অর্থকরী ফসল। নিজেদের আভ্যন্তরীন চাহিদা মেটানোর জন্য দেশটি বছরে ৮০০,০০০ মেট্রিক টন ফল ও সবজি উৎপাদন করে। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

নির্বাচিত জীবনী - নতুন ভুক্তি দেখুন

রাজকুমার বিজয় সিংহের রাজ্যাভিষেক ( অজান্তা গুহাসমূহের ১৭ নম্বর গুহার মুরালের থেকে বিস্তারিত)।নাম="সিংহল অবদান, ১৭ নম্বর গুহা"Simhala Avadana, Cave 17

রাজকুমার বিজয় সিংহ (সিংহলি: විජය කුමරු) ছিলেন  শ্রীলঙ্কার এক রাজা। পালি ক্রনিকলস ও মহাবংশতে তার উল্লেখ পাওয়া যায়। এই ক্রনিকলস অনুযায়ী, তিনি শ্রীলঙ্কার প্রথম রেকর্ডিত রাজা । তার রাজত্বের কাল ঐতিহ্যগতভাবে  ৫৪৩-৫০৫ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ। কিংবদন্তি অনুযায়ী, তিনি এবং  তার কয়েকশত অনুগামী শ্রীলঙ্কায় এসেছিলেন প্রাচীন বাংলা সংলগ্ন কোনো এক রাজ্য থেকে বহিষ্কৃত হবার পর। শ্রীলঙ্কায় তারা দ্বীপের মূল অধিবাসী যক্ষদের(Yakkhas) প্রতিষ্ঠিত রাজ্য জয় করে রাজত্ব করতে শুরু করে এবং হয়ে ওঠে  আধুনিক সিংহলি জাতির পূর্বপূরুষ ।

(সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

শ্রীলঙ্কার সংস্কৃতি - নতুন ভুক্তি দেখুন

শ্রীলঙ্কার ভাত তরকারি
শ্রীলঙ্কীয় রন্ধনশৈলী হচ্ছে শ্রীলঙ্কায় প্রচলিত বিভিন্ন রন্ধনপ্রণালী যা বিভিন্ন ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বর্তমান অবস্থায় উপনীত হয়েছে। বিদেশী বণিকদের আনা ফল, ইন্দোনেশীয় রন্ধনশৈলীদক্ষিণ ভারতীয় রন্ধনশৈলীর সহায়তায় শ্রীলঙ্কীয় রন্ধনশৈলী গড়ে উঠেছে। আজকের দিনে শ্রীলংকীয় রন্ধনশৈলীর প্রধান খাদ্য দ্রব্যের মধ্যে আছে চাল, নারিকেল এবং মশলা। শ্রীলঙ্কা অন্যতম মশলা উৎপাদনকারী দেশ এবং বিভিন্ন দেশের ব্যবসার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ফলে এদের মশলায় অভুতপূর্ব বৈচিত্র্যতা আসে। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)
ক্যান্ডি (সিংহলি: මහනුවර Mahanuwara, pronounced [mahanuʋərə]; তামিল: கண்டி Kandy, pronounced [ˈkaɳɖi]) শ্রীলঙ্কার মধ্যাঞ্চল প্রদেশে অবস্থিত অন্যতম বৃহত্তম শহর। রাজধানী কলম্বোর পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এটি। শহরটি শ্রীলঙ্কার প্রাচীন রাজাদের সর্বশেষ রাজধানী ছিল। চা উৎপাদনকারী অঞ্চল হিসেবে পাহাড়ের পাদদেশে এ শহরটি গড়ে উঠেছে। প্রশাসনিক ও ধর্মীয় কারণে এ শহরের সবিশেষ পরিচিতি রয়েছে। এছাড়াও মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ক্যান্ডি। বিশ্বের বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের কাছে অন্যতম তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত এ শহরে টেম্পল অফ দ্য টুথ (শ্রী দালাদা মালিগায়া) মন্দির রয়েছে। ১৯৮৮ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা লাভ করেছে এটি। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

তীর্থ ও দর্শনীয় স্থান - নতুন ভুক্তি দেখুন

লুয়া ত্রুটি: bad argument #1 to 'gsub' (string is not UTF-8)।

নির্বাচিত রাজনীতিবিদ - নতুন ভুক্তি দেখুন

জুনিয়াস রিচার্ড জয়াবর্ধেনে (সিংহলি: ජුනියස් රිචඩ් ජයවර්ධන, তামিল: ஜூனியஸ் ரிச்சட் ஜயவர்தனா; জন্ম: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯০৬-মৃত্যু: ১ নভেম্বর, ১৯৯৬) সিলনের (বর্তমানে শ্রীলঙ্কা) কলম্বো এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিশিষ্ট আইনজীবী ও সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। শ্রীলঙ্কায় সংক্ষেপে তিনি জেআর নামে পরিচিত ছিলেন। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার শীর্ষস্থানীয় নেতা ছিলেন। তন্মধ্যে, ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এছাড়াও, ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৯ মেয়াদকালে তিনি শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তৎকালীন সিলনের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। স্বাধীনতার পর তিনি কয়েক দশক মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দায়িত্বে আসীন ছিলেন। ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির দীর্ঘদিনের সদস্য জয়াবর্ধনে ১৯৭৭ সালের নির্বাচনে জয়লাভে নেতৃত্ব দেন ও প্রধানমন্ত্রী হন। একবছর পর সংবিধান পরিবর্তনপূর্বক তিনি দেশের প্রথম নির্বাহী রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করেন। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)
শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টি (সিংহলি: ශ්‍රී ලංකා නිදහස් පක්ෂය Sri Lanka Nidahas Pakshaya, তামিল: இலங்கை சுதந்திரக் கட்சி) শ্রীলঙ্কার অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল। ১৯৫১ সালে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী সলোমন বন্দরনায়েকে দলটি প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর থেকেই দলটি শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক অঙ্গনে দুইটি বৃহৎ শক্তির দলের একটিরূপে পরিচিত হয়ে আসছে। ১৯৫৬ সালে দলটি প্রথমবারের মতো ক্ষমতাসীন দলের মর্যাদা পায়। সরকারের আধিপত্যবাদী দলরূপে বেশ কয়েকবার দেশ পরিচালনায় অংশ নেয়। সচরাচর দলটি সাম্যবাদী বা অগ্রসরমান অর্থনৈতিক নীতি-নির্ধারণ করে ও জাতীয়তাবাদী সিংহলী দলগুলোর সাথে সম্পর্ক বজায় রাখে। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

শ্রীলঙ্কার গৃহবিবাদ - নতুন ভুক্তি দেখুন

গাঢ় সবুজ রঙে দাবীকৃৃত তামিল ঈলামের মানচিত্র
তামিল ঈলাম (তামিল: தமிழீழம், প্রতিবর্ণী. তমিল্ড়ীল্ড়ম্) একটি প্রস্তাবিত স্বাধীনসার্বভৌম রাষ্ট্র যা শ্রীলঙ্কার উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের তামিল জাতি অধ্যুষিত অঞ্চল নিয়ে গঠিত৷ তামিল ঈলাম মুলত শ্রীলঙ্কার তামিল জাতির লোকের আদিনিবাস৷ এই অঞ্চলের বৈশ্বিক রাষ্ট্রসমূহে কোনো কূটনৈতিক মান্যতা নেই৷ বস্তুত শ্রীলঙ্কার ঈলাম গোষ্ঠী ২০০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে লিবারেশন টাইগার্স অব তামিল ইলম-এর আয়ত্তাধীন৷ তামিল ঈলাম নামটি শ্রীলঙ্কার তামিল ভাষাতে পুরানো নাম ঈলম থেকে গৃহীত৷ (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)
উইলস বিশ্বকাপ ফাইনাল বা ১৯৯৬ ক্রিকেট বিশ্বকাপ ফাইনাল (ইংরেজি: 1996 Cricket World Cup Final) খেলাটি আইসিসি’র পরিচালনায় লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ১৭ মার্চ, ১৯৯৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়। ব্যবসায়িক অংশীদারীত্বের কারণে এ প্রতিযোগিতাটি উইলস বিশ্বকাপ নামে পরিচিতি পায়। অর্জুনা রানাতুঙ্গা’র অধিনায়কত্বে সহ-স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা দলউইকেটের বিশাল ব্যবধানে শীর্ষসারির দল অস্ট্রেলিয়াকে পরাভূত করে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় শিরোপা লাভ করে। অরবিন্দ ডি সিলভা বোলিং ও ব্যাটিং - উভয় বিভাগেই অনন্য সাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের মাধ্যমে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। ম্যান অব দ্য সিরিজ নির্বাচিত হন সনাথ জয়াসুরিয়া। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)
নির্বাচিত নিবন্ধের তালিকা

শ্রীলঙ্কার ক্রীড়াবিদ - নতুন ভুক্তি দেখুন

১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে অরবিন্দ ডি সিলভার (১০৭ রান)
পিন্নাদুয়াগে অরবিন্দ ডি সিলভা (সিংহলি: පින්නදුවගේ අරවින්ද ද සිල්වා; জন্ম: ১৭ অক্টোবর, ১৯৬৫) কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী শ্রীলঙ্কার সাবেক ও বিখ্যাত ক্রিকেট তারকা ও প্রশাসক। তাকে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ব্যাটসম্যানদের একজনরূপে গণ্য করা হয়। এছাড়াও, তিনি তার সময়কালে সর্বাধিক মার্জিত রূচিসম্পন্ন খেলোয়াড় ছিলেন। অদ্যাবধি বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি সেঞ্চুরির পাশাপাশি ৩ উইকেট লাভ করেছেন অরবিন্দ ডি সিলভা। স্বল্পকালের জন্য জাতীয় নির্বাচক কমিটির প্রধান হিসেবে ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের পর শ্রীলঙ্কা দল থেকে পদত্যাগ করেন। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

শ্রীলঙ্কার ক্রীড়াস্থাপনা - নতুন ভুক্তি দেখুন

আর. প্রেমাদাসা ক্রিকেট স্টেডিয়াম (সিংহলি: ආර්. ප්‍රේමදාස ක්‍රීඩාංගණය, তামিল: ஆர். பிரேமதாச அரங்கம்) পূর্বে হিসাবে পরিচিত খেত্তারামা স্টেডিয়াম শ্রীলঙ্কার মালিগাওতা এলাকার খেত্তারামা রোডে অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম। এটি ১৯৮৬ সালে নির্মিত স্থায়ী স্থাপনাবিশেষ। জুন, ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত স্টেডিয়ামটি খেত্তারামা স্টেডিয়াম নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে শ্রীলঙ্কার প্রয়াত রাষ্ট্রপতি রানাসিংহে প্রেমাদাসার নামকে চীরস্মরণীয় করে রাখতে এর বর্তমান নামকরণ করা হয়। ফ্লাডলাইটবিশিষ্ট স্টেডিয়ামটির আসন সংখ্যা ৩৫,০০০। পীচের দুই অংশের নাম যথাক্রমে খেত্তারামা প্রান্ত এবং মালিগাওতা প্রান্ত। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)
যোগসূত্র

নির্বাচিত চিত্র- নতুন চিত্র দেখুন

শ্রীলঙ্কা সম্পর্কিত বিভিন্ন নিবন্ধে ব্যবহৃত চিত্র

আপনি যা করতে পারেন

  • শ্রীলঙ্কা বিষয়ক নতুন নিবন্ধ তৈরি অথবা অন্য উইকিপ্রকল্প হতে অনুবাদ করতে পারেন।
  • বর্তমান নিবন্ধ অথবা শ্রীলঙ্কা বিষয়ক বিভিন্ন টেমপ্লেট হতে লাল লিঙ্ক থাকা বিষয় নিয়ে নতুন নিবন্ধ রচনা করতে পারেন।
  • বিদ্যমান নিবন্ধসমূহ তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ, সম্প্রসারণ, রচনাশৈলীর উন্নয়ন ও তথ্যছক না থাকলে যুক্ত করতে পারেন।
  • নিবন্ধগুলিতে উইকিমিডিয়া কমন্স হতে দরকারী ও প্রাসঙ্গিক মুক্ত চিত্র যুক্ত করতে পারেন।
  • শ্রীলঙ্কা সংক্রান্ত নিবন্ধসমূহে বিষয়শ্রেণী না থাকলে যুক্ত করতে পারেন।
  • নিবন্ধসমূহে তথ্যসূত্রের ঘাটতি থাকলে, পর্যাপ্ত সূত্র যোগ করতে পারেন।
  • শ্রীলঙ্কা সম্পর্কিত নিবন্ধসমূহের শেষে {{প্রবেশদ্বার দণ্ড|শ্রীলঙ্কা}} যুক্ত করতে পারেন।

অন্যান্য ভাষায়

উইকিপিডিয়ার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ভাষায় শ্রীলঙ্কা প্রবেশদ্বার
সিংহলি - তামিল - ইংরেজি

অন্যান্য প্রবেশদ্বার

বিষয়শ্রেণীসমূহ

বিষয়শ্রেণী ধাঁধা
বিষয়শ্রেণী ধাঁধা
উপবিষয়শ্রেণী দেখার জন্য [►] ক্লিক করুন

উইকিমিডিয়া


উইকিসংবাদে শ্রীলঙ্কা
উন্মুক্ত সংবাদ উৎস


উইকিউক্তিতে শ্রীলঙ্কা
উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন


উইকিসংকলনে শ্রীলঙ্কা
উন্মুক্ত পাঠাগার


উইকিবইয়ে শ্রীলঙ্কা
উন্মুক্ত পাঠ্যপুস্তক ও ম্যানুয়াল


উইকিবিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রীলঙ্কা
উন্মুক্ত শিক্ষা মাধ্যম


উইকিমিডিয়া কমন্সে শ্রীলঙ্কা
মুক্ত মিডিয়া ভাণ্ডার


উইকিঅভিধানে শ্রীলঙ্কা
অভিধান ও সমার্থশব্দকোষ


উইকিউপাত্তে শ্রীলঙ্কা
উন্মুক্ত জ্ঞানভান্ডার


উইকিভ্রমণে শ্রীলঙ্কা
উন্মুক্ত ভ্রমণ নির্দেশিকা

সার্ভার ক্যাশ খালি করুন